১৯৪৩

১৯৪৩ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর একটি সাধারণ বছর।

সহস্রাব্দ: ২য় সহস্রাব্দ
শতাব্দী:
দশক:
  • ১৯৩০-এর দশক
  • ১৯৪০-এর দশক
  • ১৯৫০-এর দশক
বছর:
অন্যান্য পঞ্জিকায় ১৯৪৩
গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী১৯৪৩
MCMXLIII
আব উর্বে কন্দিতা২৬৯৬
আর্মেনীয় বর্ষপঞ্জী১৩৯২
ԹՎ ՌՅՂԲ
অ্যাসিরীয় বর্ষপঞ্জী৬৬৯৩
বাহাই বর্ষপঞ্জী৯৯–১০০
বাংলা বর্ষপঞ্জি১৩৪৯–১৩৫০
বেরবের বর্ষপঞ্জি২৮৯৩
বুদ্ধ বর্ষপঞ্জী২৪৮৭
বর্মী বর্ষপঞ্জী১৩০৫
বাইজেন্টাইন বর্ষপঞ্জী৭৪৫১–৭৪৫২
চীনা বর্ষপঞ্জী壬午年 (পানির ঘোড়া)
৪৬৩৯ বা ৪৫৭৯
    — থেকে —
癸未年 (পানির ছাগল)
৪৬৪০ বা ৪৫৮০
কপটিক বর্ষপঞ্জী১৬৫৯–১৬৬০
ডিস্কর্ডীয় বর্ষপঞ্জী৩১০৯
ইথিওপীয় বর্ষপঞ্জী১৯৩৫–১৯৩৬
হিব্রু বর্ষপঞ্জী৫৭০৩–৫৭০৪
হিন্দু বর্ষপঞ্জীসমূহ
 - বিক্রম সংবৎ১৯৯৯–২০০০
 - শকা সংবৎ১৮৬৪–১৮৬৫
 - কলি যুগ৫০৪৩–৫০৪৪
হলোসিন বর্ষপঞ্জী১১৯৪৩
ইগ্বো বর্ষপঞ্জী৯৪৩–৯৪৪
ইরানি বর্ষপঞ্জী১৩২১–১৩২২
ইসলামি বর্ষপঞ্জি১৩৬১–১৩৬৩
জুশ বর্ষপঞ্জি৩২
জুলীয় বর্ষপঞ্জীগ্রেগরীয় বিয়োগ ১৩ দিন
কোরীয় বর্ষপঞ্জী৪২৭৬
মিঙ্গু বর্ষপঞ্জীপ্রজা. চীন ৩২
民國৩২年
থাই সৌর বর্ষপঞ্জী২৪৮৬

ঘটনাবলী

ডিসেম্বর

জন্ম

মৃত্যু

আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী

আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী (জন্ম: ৩১ ডিসেম্বর ১৯৪৩) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর উত্তম ও বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করে।

আবদুল জলিল (বীর প্রতীক)

আবদুল জলিল (জন্ম: ১৯৪৩ এবং মৃত্যু :৮ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে।

আর্জি হুকুমত-এ-আজাদ হিন্দ

এই নিবন্ধটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমসাময়িক সিঙ্গাপুরে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি সম্পর্কিত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমসাময়িক রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ প্রতিষ্ঠিত অস্থায়ী সরকারটি সম্পর্কে জানতে দেখুন ভারতের অস্থায়ী সরকার।আর্জি হুকুমত-এ-আজাদ হিন্দ (হিন্দি: आर्ज़ी हुक़ूमत-ए-आज़ाद हिन्द; উর্দু: عارضی حکومت‌ِ آزاد ہند ; ইংরেজি: Provisional Government of Free India) ১৯৪৩ সালে সিঙ্গাপুরে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু প্রতিষ্ঠিত একটি অস্থায়ী ভারত সরকার। এই সরকার সাধারণত আজাদ হিন্দ সরকার নামে পরিচিত।

১৯৪০-এর দশকে অক্ষশক্তির সহায়তায় দেশ থেকে ব্রিটিশ শাসন উচ্ছেদের লক্ষ্যে ভারতের বাইরে যে রাজনৈতিক সংগঠনগুলি গড়ে উঠেছিল আজাদ হিন্দ সরকার ছিল তার মধ্যে অন্যতম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে সিঙ্গাপুরে জাপান সাম্রাজ্যের আর্থিক, সামরিক ও রাজনৈতিক সহায়তায় ভারতের ব্রিটিশ শক্তির সঙ্গে যুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে নির্বাসিত ভারতীয় জাতীয়তাবাদীগণ এই সরকার প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৩ সালের ২১ অক্টোবর আজাদ হিন্দ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সরকার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মতবাদে অণুপ্রাণিত হয়েছিল। নেতাজিই ছিলেন এই অস্থায়ী ভারত সরকারের সর্বাধিনায়ক ও রাষ্ট্রপ্রধান। এই সরকার দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ব্রিটিশ উপনিবেশগুলিতে বসবাসকারী অসামরিক ও সামরিক কর্মচারীদের উপর নিজ কর্তৃত্ব ঘোষণা করে। পরবর্তীকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ভারতে জাপানি আক্রমণের পর জাপানি সেনাবাহিনী ও আজাদ হিন্দ ফৌজ অধিকৃত অঞ্চলগুলির উপরেও নিজ কর্তৃত্ব ঘোষণা করে এই সরকার। আজাদ হিন্দ সরকারের নিজস্ব মুদ্রা, বিচারব্যবস্থা ও দণ্ডবিধি ছিল। এই সরকারের অস্তিত্ব ভারতের অভ্যন্তরেও ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে গভীর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিল।একটি আইনসঙ্গত সরকারের অন্য সকল আবশ্যিক বিষয়গুলি এই সরকারে উপস্থিত থাকলেও এর অভাব ছিল একটি বৃহৎ ও সুনির্দিষ্ট সার্বভৌম অঞ্চলের। পরে ১৯৪৩ সালে আজাদ হিন্দ সরকার জাপানের কাছ থেকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অধিকার অর্জন করে এবং মণিপুর ও নাগাল্যান্ড দখল করে নেয়। তবে আগাগোড়াই এই সরকার জাপানি সাহায্যের উপর ভীষণভাবে নির্ভরশীল ছিল।অস্থায়ী আজাদ হিন্দ সরকারের প্রতিষ্ঠার অব্যবহিত পরেই এই সরকার ভারত-ব্রহ্মদেশ ফ্রন্টে ব্রিটিশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। আজাদ হিন্দ ফৌজ নামে পরিচিত এই সরকারের সেনাবাহিনী ইম্ফল-কোহিমা সেক্টরে জাপান সাম্রাজ্য সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনী ও তার মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। জাপানি পঞ্চদশ বাহিনীর সঙ্গে আজাদ হিন্দ ফৌজ ইম্ফলের যুদ্ধে নিজ সাফল্যের ছাপ রেখে যায়। কোহিমায় ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। মৈরাং সেলিয়ান্ট অবধি পৌঁছে মিত্র বিমানবাহিনীর দাপট ও রসদ স্বল্পতার কারণে জাপানি বাহিনী ও আজাদ হিন্দ ফৌজ পিছু হঠতে বাধ্য হয়।আজাদ হিন্দ ফৌজ ও সরকারের অস্তিত্ব ছিল একই সীমানাবিশিষ্ট। যুদ্ধের শেষভাগে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে পুনরায় ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে আজাদ হিন্দ সরকারই এই অঞ্চলের অসামরিক প্রশাসনের দায়িত্বে ছিল। রেঙ্গুনে আজাদ হিন্দ ফৌজের শেষ বৃহৎ সেনা আত্মসমর্পণের পরই এই সরকারে সীমিত ক্ষমতার পরিসমাপ্তি ঘটে। এরপর সুভাষচন্দ্রের তথাকথিত মৃত্যুর সংবাদে সমগ্র আজাদ হিন্দ আন্দোলনেরই পরিসমাপ্তি ঘটে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমসাময়িক কালে এবং পরবর্তীকালেও মিত্রবাহিনীর অনেক ঐতিহাসিকের চোখে এই সরকার ছিল একটু পুতুল রাষ্ট্র। কোনো মিত্র সরকার এই সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি; স্বীকৃতি দেয়নি ভিসি ফ্রান্সও।

তবুও ভারতীয় জনমানস ও ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে আজাদ হিন্দ সরকারের ভূমিকা গভীর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিল। যুদ্ধের পর আজাদ হিন্দ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিবর্গ যেভাবে বিশ্বাসঘাতক ও ষড়যন্ত্রী থেকে "শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমিকে" উত্তীর্ণ হন, তাতে ব্রিটিশ সরকারও সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। আজাদ হিন্দ সরকারের বিপ্লবী জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভারতে একাধিক ব্রিটিশ বিরোধী উগ্র গণআন্দোলনে সূত্রপাত হয়। ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্মচারীরাও উপর্যুপরি বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন। ফলে ভারতের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ত্বরান্বিত হয়। এর ফলে আজাদ হিন্দ সরকারের মূল উদ্দেশ্য সফল হয়।

আর্থার বি. ম্যাকডোনাল্ড

আর্থার ব্রুস ম্যাকডোনাল্ড (জন্ম: ২৯ আগস্ট ১৯৪৩) কানাডিয়ান জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান বা নক্ষত্রবিজ্ঞানী। ২০১৫ সালে তিনি জাপানি পদার্থবিজ্ঞানী তাকাকি কাজিটার সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

ক্লাউস ফন ক্লিৎসিং

ক্লাউস ফন ক্লিৎসিং (জন্ম: ২৮শে জুন, ১৯৪৩) একজন জার্মান কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানী। কোয়ান্টাম হল ক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৮৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

ডেনিস সাসও ঙ্গিসো

ডেনিস সাসও ঙ্গিসো (জন্ম ২৩ নভেম্বর ১৯৪৩) কঙ্গো প্রজাতন্ত্র রাজনীতিবিদ যিনি ১৯৯৭ সালের পর কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি; তিনি পূর্বে ১৯৭৯ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। রাষ্ট্রপতির প্রথম মেয়াদে তিনি ১২ বছরের জন্য কংগ্রস পার্টি অফ শ্রম (পিসিটি) -এর একক পার্টি অধিবেশনে নেতৃত্ব দেন। আন্তর্জাতিক উত্স থেকে চাপের অধীনে, তিনি ১৯৯০ সালে বহুবিধ রাজনীতি চালু করেন এবং ১৯৯১ সালের ন্যাশনাল কনফারেন্স কর্তৃক কার্যনির্বাহী ক্ষমতা ত্যাগ করেন, রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯২-২২২ সালের ১ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একজন প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন কিন্তু তৃতীয় পরাজিত হন।

কঙ্গো দ্বিতীয় দ্বিতীয় যুদ্ধ (১৯৯৭-১৯৯৯), যার মধ্যে তার বিদ্রোহী বাহিনী রাষ্ট্রপতি মোজাম্মেল হককে ক্ষমতাচ্যুত করে পাস্কাল লিসওবা। একটি পরিবর্তনীয় সময়ের পর, তিনি ২০০২ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জিতেছিলেন, যার মধ্যে কম বিরোধী অংশগ্রহণ ছিল; তিনি সালের ২০০৯ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালে প্রজাতন্ত্রের ২০১৩ সালের গণভোট দ্বারা গৃহীত একটি নতুন সংবিধানের প্রবর্তন, সাসো নিউগসোকে অন্য মেয়াদের জন্য দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছে। প্রথম রাউন্ডের সংখ্যাগরিষ্ঠতার সাথে তিনি সালের ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পুনরায় নির্বাচিত হন।

সাসও ঙ্গিসো ইস বাকিদ বি আ ভ্যারাইটি অফ পলিটিকাল পার্টিস, মোস্ট ইম্পোর্টেন্টলি টি পিক্ট. হে ২ টি প্রেসিডেন্ট ওফঃ টি পিক্ট সেন্ট্রাল কমিটি.

পিটার জেমান

পিটার জেমান (মে ২৫, ১৮৬৫ - অক্টোবর ৯, ১৯৪৩) (আইপিএ [ze:mɑn]) নেদারল্যান্ডের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী যিনি ১৯০২ সালে হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্‌ৎসের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তার সবচেয়ে বিখ্যাত আবিষ্কার হল জেমান ক্রিয়া।

বীরেন চট্টোপাধ্যায়

বীরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ( ৩১ অক্টোবর ,১৮৮০ - ৬ এপ্রিল ১৯৪৩) একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কমিউনিস্ট বিপ্লবী। চট্টো নামে বিপ্লবী মহলে পরিচিত ছিলেন।

বেন কিংসলি

স্যার বেন কিংসলে (জন্ম: কৃষ্ণ পন্ডিত ভানজি; ৩১ ডিসেম্বর ১৯৪৩) হচ্ছেন একজন ইংরেজ অভিনেতা। ৫০ বছরেরও উপরে কর্মজীবনে, তিনি একটি অস্কার, একটি গ্রামি, একটি বাফটা, দুটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার, ও একটি স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার লাভ করেন।

কিংসলে ১৯৮২ সালের গান্ধী চলচ্চিত্রে মোহনদাস গান্ধী ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি শিন্ডলারস লিস্ট (১৯৯৩), টুয়েলফথ নাইট (১৯৯৬), সেক্সি বিস্ট (২০০০), হাউস অফ স্যান্ড অ্যান্ড ফগ (২০০৩), লাকি নাম্বার স্লেভিন (২০০৬), শাটার আইসল্যান্ড (২০১০), প্রিন্স অফ পারসিয়া: দ্য স্যান্ডস অফ টাইম (২০১০), হুগো (২০১১), আইরন ম্যান ৩ (২০১৩), দ্য ব্রক্সট্রলস (২০১৪), ও দ্য জঙ্গল বুক (২০১৬) সহ প্রমুখ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

কিংসলে ব্রিটিশ চলচ্চিত্র শিল্পে অসামান্য অবদানের জন্য ২০০২ সালে নাইট ব্যাচেলর সম্মানে ভূষিত হন। ২০১০ সালে, তিনি হলিউড ওয়াক অফ ফেইম পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০১৩ সালে, তিনি বিশ্বব্যাপী চলচ্চিত্র বিনোদনে অবদান রাখার জন্য ব্রিটানিয়া অ্যাওয়ার্ডে অর্জন করেন।

রবার্ট লেফকোইতজ

রবার্ট জোসেফ লেফকোইতজ (জন্ম: ১৫ এপ্রিল, ১৯৪৩) একজন নোবেল বিজয়ী মার্কিন বিজ্ঞানী।

রিচার্ড স্মোলি

রিচার্ড এরেট স্মোলি ছিলেন রাইস ইউনিভার্সিটির পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়নের একজন অধ্যাপক। তিনি ১৯৯৬ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

রুহুল আমিন (বীর প্রতীক)

রুহুল আমিন (জন্ম: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৩) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে।

লেখ ওয়ালেন্সা

লেখ ওয়ালেন্সা (পোলীয় ভাষা: Lech Wałęsa পোলীয় উচ্চারণ: [ˈlɛx vaˈwɛ̃sa] ) (জন্ম: সেপ্টেম্বর ২৯, ১৯৪৩) একজন পোলিশ রাজনীতিবিদ, শ্রমিক নেতা ও মানবাধিকার কর্মী। তিনি পোল্যান্ডের শ্রমিক সংগঠন সলিডারিটির প্রতিষ্ঠাতা, যা ছিলো তদানীন্তন সোভিয়েত ইউনিয়ন-ঘেঁষা দেশগুলোর প্রথম স্বতন্ত্র শ্রমিক সংগঠন। তিনি ১৯৮৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। পোল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি হিসাবে তিনি ১৯৯০ হতে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

শচীন্দ্রনাথ সান্যাল

শচীন্দ্রনাথ সান্যাল (ইংরেজি: Sachindra Nath Sanyal) pronunciation (৩ এপ্রিল, ১৮৯৩ - ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৩) ছিলেন স্বদেশী আন্দোলনের প্রথম যুগের রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী।

হেমু কালানি

হেমু কালানি (২৩ মার্চ ১৯২৩ - ২১ জানুয়ারি, ১৯৪৩) একজন ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনকারী ও শহীদ।

১১ ফেব্রুয়ারি

১১ ফেব্রুয়ারি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৪২তম দিন। বছর শেষ হতে আরো ৩২৩ (অধিবর্ষে ৩২৪) দিন বাকি রয়েছে।

২৬ মার্চ

২৬ মার্চ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৮৫তম (অধিবর্ষে ৮৬তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ২৮০ দিন বাকি রয়েছে।

৩০ সেপ্টেম্বর

৩০ সেপ্টেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২৭৩তম (অধিবর্ষে ২৭৪তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৯২ দিন বাকি রয়েছে।

৪ ফেব্রুয়ারি

৪ ফেব্রুয়ারি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৩৫তম দিন। বছর শেষ হতে আরো ৩৩০ (অধিবর্ষে ৩৩১) দিন বাকি রয়েছে।

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.