১৯১৬

সহস্রাব্দ: ২য় সহস্রাব্দ
শতাব্দী:
দশক:
  • ১৯০০-এর দশক
  • ১৯১০-এর দশক
  • ১৯২০-এর দশক
বছর:
অন্যান্য পঞ্জিকায় ১৯১৬
গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী১৯১৬
MCMXVI
আব উর্বে কন্দিতা২৬৬৯
আর্মেনীয় বর্ষপঞ্জী১৩৬৫
ԹՎ ՌՅԿԵ
অ্যাসিরীয় বর্ষপঞ্জী৬৬৬৬
বাহাই বর্ষপঞ্জী৭২–৭৩
বাংলা বর্ষপঞ্জি১৩২২–১৩২৩
বেরবের বর্ষপঞ্জি২৮৬৬
বুদ্ধ বর্ষপঞ্জী২৪৬০
বর্মী বর্ষপঞ্জী১২৭৮
বাইজেন্টাইন বর্ষপঞ্জী৭৪২৪–৭৪২৫
চীনা বর্ষপঞ্জী乙卯年 (কাঠের খরগোশ)
৪৬১২ বা ৪৫৫২
    — থেকে —
丙辰年 (আগুনের ড্রাগন)
৪৬১৩ বা ৪৫৫৩
কপটিক বর্ষপঞ্জী১৬৩২–১৬৩৩
ডিস্কর্ডীয় বর্ষপঞ্জী৩০৮২
ইথিওপীয় বর্ষপঞ্জী১৯০৮–১৯০৯
হিব্রু বর্ষপঞ্জী৫৬৭৬–৫৬৭৭
হিন্দু বর্ষপঞ্জীসমূহ
 - বিক্রম সংবৎ১৯৭২–১৯৭৩
 - শকা সংবৎ১৮৩৭–১৮৩৮
 - কলি যুগ৫০১৬–৫০১৭
হলোসিন বর্ষপঞ্জী১১৯১৬
ইগ্বো বর্ষপঞ্জী৯১৬–৯১৭
ইরানি বর্ষপঞ্জী১২৯৪–১২৯৫
ইসলামি বর্ষপঞ্জি১৩৩৪–১৩৩৫
জুশ বর্ষপঞ্জি
জুলীয় বর্ষপঞ্জীগ্রেগরীয় বিয়োগ ১৩ দিন
কোরীয় বর্ষপঞ্জী৪২৪৯
মিঙ্গু বর্ষপঞ্জীপ্রজা. চীন ৫
民國৫年
থাই সৌর বর্ষপঞ্জী২৪৫৮–২৪৫৯

ঘটনার তালিকা

মে

২১ শে মে ১৯১৬ যুক্তরাজ্য সর্বপ্রথম ডিএসটি (ডেলাইট সেভিং টাইম) পদ্ধতি চালু করে।

আগস্ট

১৯শে আগস্ট - রুমানিয়া মিত্রশক্তিদের সাথে মৈত্রীচুক্তি স্বাক্ষর করে এবং পুরস্কারস্বরূপ তাকে বুকোভিনা (Bukovina), ত্রান্সিলভানিয়া (Transylvania) এবং বানাত (Banat) দেয়ার কথা বলা হয়।

ডিসেম্বর

জন্ম

ডিসেম্বর

মৃত্যু

আলেক্সান্দর প্রখরভ

আলেক্সান্দ্‌র মিখাইলোভিচ প্রখরভ (রুশ: Александр Михайлович Прохоров) (জুলাই ১১, ১৯১৬ - জানুয়ারি ৮, ২০০২) সোভিয়েত/রুশ পদার্থবিজ্ঞানী যিনি অস্ট্রেলিয়াতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ১৯৬৪ সালে অপর দুই বিজ্ঞানী চার্লস হার্ড টাউন্‌স এবং নিকোলাই বাসভের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তারা কোয়ান্টাম ইলেকট্রনিক্স বিষয়ে মৌলিক গবেষণার মাধ্যমে লেজার এবং মেজার উদ্ভাবনে ভূমিকা রাখার জন্য এ পুরস্কার পেয়েছিলেন।

উইলিয়াম র‍্যামজি

স্যার উইলিয়াম র‍্যামজি (২ অক্টোবর ১৮৫২ - ২৩ জুলাই ১৯১৬) ছিলেন একজন স্কটীয় রসায়নবিদ। তিনি নিষ্ক্রিয় গ্যাস আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। তিনি ১৯০৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ঐ একই বছর আর্গন নামক নিষ্ক্রিয় গ্যাসটি আবিষ্কারের জন্য তার সহকর্মী লর্ড রেলি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। তার আর্গন, হিলিয়াম, নিয়ন, ক্রিপ্টন পৃথকীকরণের কাজের ফলে পর্যায় সারণীতে একটি নতুন পরিচ্ছেদ যুক্ত হয়।

এডওয়ার্ড হিথ

স্যার এডওয়ার্ড রিচার্ড জর্জ হিথ কেজি এমবিই (Edward Richard George Heath; ৯ জুলাই, ১৯১৬ – ১৭ জুলাই, ২০০৫) ছিলেন একজন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৭০ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি ১৯৬৫ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত কন্‌সারভেটিভ (রক্ষনশীল) পার্টির প্রাক্তন নেতা ছিলেন।

কনমেবল

দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেন (স্পেনীয়: Confederación Sudamericana de Fútbol; পর্তুগিজ: Confederação Sul-Americana de Futebol) সাধারণ্যের কাছে কনমেবল নামেই সমধিক পরিচিত। সংস্থাটি দক্ষিণ আমেরিকার প্রধান ক্রীড়া পরিচালনা পর্ষদ ও ফিফার ছয়টি মহাদেশীয় সংস্থার অন্যতম একটি। প্যারাগুয়ের লুকো এলাকায় এর সদর দফতর অবস্থিত। এর সভাপতি হিসেবে আছেন নিকোলাস লিওজ। কনমেবল দক্ষিণ আমেরিকার প্রধান ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলো আয়োজন করে থাকে। কনমেবলের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল দলগুলো নয়বার বিশ্বকাপ ফুটবল জয় করেছে। তন্মধ্যে - ব্রাজিল ৫বার, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে ২বার এ ট্রফি লাভ করে। এছাড়াও কনমেবলের ক্লাবগুলো ২২বার আন্তঃমহাদেশীয় কাপ এবং ৩বার ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জয করে। অলিম্পিক গেমসে আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে ২বার স্বর্ণপদক লাভ করে। ১০ সদস্যবিশিষ্ট এ ফুটবল সংস্থাটি ফিফার সবচেয়ে ছোট্ট সংগঠন।

কারমাইকেল কলেজ

'কারমাইকেল কলেজ' দেশের অন্যতম একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯১৬ সালে রংপুরে স্থাপিত হয় এবং এর নামকরণ করা হয় লর্ড ব্যারন কারমাইকেলের নামানুসারে। সৃষ্টির লগ্ন থেকেই বৃহত্তর রংপুরের শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে ব্যপক অবদান রেখে আসছে এই প্রতিষ্ঠানটি। এই কলেজ বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভুক্ত।

কার্ক ডগলাস

কার্ক ডগলাস (ইংরেজি: Kirk Douglas; জন্ম: ইসুর দানিয়েলোভিচ, ৯ ডিসেম্বর ১৯১৬) হলেন একজন মার্কিন অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক ও লেখক। তিনি মার্কিন চলচ্চিত্র শিল্পের স্বর্ণযুগের সর্বশেষ জীবিত তারকাদের একজন। অভিবাসিত পিতামাতা ও ছয় বোন নিয়ে নিঃসম্বল শৈশব কাটানোর পর ১৯৪৬ সালে বারবারা স্ট্যানউইকের বিপরীতে দ্য স্ট্রেঞ্জ লাভ অব মার্থা আইভার্স (১৯৪৬) দিয়ে তার চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ ঘটে। ১৯৫০-এর দশকে তিনি সেরা বক্স-অফিস তারকা হয়ে ওঠেন এবং গম্ভীর নাট্যধর্মী, পশ্চিমা ধাঁচ ও যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রসিদ্ধি অর্জন করেন। কর্মজীবনে তিনি নব্বইয়ের অধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

ডগলাস চ্যাম্পিয়ন (১৯৪৯) চলচ্চিত্রে বক্সিং হিরো চরিত্রে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লাভ করেন ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। এই কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তার অভিনীত শুরুর দিকের অন্যান্য চলচ্চিত্রসমূহ হল লরেন বাকল ও ডোরিস ডের বিপরীতে ইয়ং ম্যান উইথ আ হর্ন (১৯৫০); জ্যান স্টার্লিংয়ের বিপরীতে এইস ইন দ্য হোল (১৯৫১), এবং ডিটেকটিভ স্টোরি (১৯৫১)। তিনি দ্য ব্যাড অ্যান্ড দ্য বিউটিফুল (১৯৫২) ছবিতে তার নাট্যধর্মী অভিনয়ের জন্য তার দ্বিতীয় অস্কার এবং লাস্ট ফর লাইফ (১৯৫৬) ছবিতে ভিনসেন্ট ভ্যান গখ চরিত্রে অভিনয় করে তৃতীয় অস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।

অভিনেতা ও মানবহিতৈষী হিসেবে ডগলাস তিনটি একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন, একটি একাডেমি সম্মানসূচক পুরস্কার, এবং প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম অর্জন করেন। লেখক হিসেবে তিনি দশটি উপন্যাস ও স্মৃতিকথা রচনা করেন। আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট তাদের করা ধ্রুপদী হলিউড চলচ্চিত্র শিল্পের সেরা পুরুষ তারকা তালিকায় তাকে ১৭তম হিসেবে স্থান দিয়েছে। ২০১৬ সালের ৯ই নভেম্বর তার বয়স ১০০ বছর পূর্ণ হয়।

কোপা আমেরিকা

কাম্পিয়োনাতো সুদামেরিকানো কোপা আমেরিকা (স্পেনীয়: Campeonato Sudamericano Copa América), কোপা আমেরিকা (আমেরিকা কাপ) নামেও পরিচিত, দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের একটি নিয়মিত ফুটবল প্রতিযোগিতা। এটি সবচেয়ে পুরনো আন্তর্জাতিক মহাদেশীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা। ফিফা বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার আগে এ টুর্নামেন্ট চালু হয়। ১৯১৬ সালে চালু হওয়া এই টুর্নামেন্ট ১৯৭৫ সালে বতর্মান নাম কোপা আমেরিকা ধারন করে। ১৯১০ সালে এই প্রতিযোগিতা পরীক্ষামূলক চালু হয়েছিল। বর্তমানে বারটি দেশের অংশগ্রহনে এই ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯০ সাল থেকে উত্তর আমেরিকা ও এশিয়া থেকে দুটি দেশকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

২০১৯ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ৪৬টি আসরে আটটি দল শিরোপা অর্জন করে, কনমেবলের দশটি দল থেকে কেবল ইকুয়েডর ও ভেনেজুয়েলা এখনো বিজয়ী হতে পারেনি। উরুগুয়ে সর্বাধিক ১৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়, তাদের পরপরই ১৪ বার শিরোপা অর্জনকারী আর্জেন্টিনার অবস্থান। বর্তমান বিজয়ী ব্রাজিল ৯ বার শিরোপা অর্জন করে। আর্জেন্টিনা ১৯১৬ সালে প্রথম আসরের আয়োজক এবং তারা ৯ বার এই আসর আয়োজন করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কনমেবলের বাইরে একমাত্র আয়োজক দেশ, যারা ২০১৬ সালের আসর আয়োজন করে। ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৮৩ ও ২০২০ সালে দক্ষিণ আমেরিকার একাধিক দেশে এই আসর আয়োজন হয়েছে এবং হবে।

ক্রিস্টিয়ান ব. আনফিন্সেন

ক্রিস্টিয়ান বোয়েমার আনফিন্সেন একজন মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ। তিনি ১৯৭২ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

গ্রেগরি পেক

এলড্রেড গ্রেগরি পেক (ইংরেজি: Eldred Gregory Peck, গ্রেগারী পেক্‌) (৫ই এপ্রিল ১৯১৬ – ১২ই জুন ২০০৩) ছিলেন একজন মার্কিন অভিনেতা। তিনি ১৯৪০ থেকে ১৯৬০-এর দশকে হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা ছিলেন এবং ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত অভিনয় চালিয়ে যান। তিনি ১৯৬২ সালে টু কিল আ মকিংবার্ড চলচ্চিত্রে অ্যাটিকাস ফিঞ্চ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

এছাড়া তিনি দ্য কিজ অব দ্য কিংডম (১৯৪৪), দ্য ইয়ার্লিং (১৯৪৬), জেন্টলম্যান্‌স অ্যাগ্রিমেন্ট (১৯৪৭) ও টুয়েলভ ওক্লক হাই (১৯৪৯) চলচ্চিত্রের জন্য আরও চারটি একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তার অভিনীত অন্যান্য সফল চলচ্চিত্রের মধ্যে স্পেলবাউন্ড (১৯৪৫), দ্য গানফাইটার (১৯৫০), রোমান হলিডে (১৯৫৩), মবি ডিক (১৯৫৬), দ্য বিগ কান্ট্রি (১৯৫৮), দ্য ব্রেভাডস (১৯৫৮), পর্ক চপ হিল (১৯৫৯), দ্য গানস্‌ অব নাভারোন (১৯৬১), কেপ ফেয়ার (১৯৬২, ও এর ১৯৯১-এর পুনর্নির্মাণ), হাউ দ্য ওয়েস্ট ওয়াজ ওন (১৯৬২), দ্য ওমেন (১৯৭৬) ও দ্য বয়েজ ফ্রম ব্রাজিল (১৯৭৮), ম্যাকেনা'স গোল্ড অন্যতম।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি লিন্ডন জনসন পেককে তার আজীবন মানবহিতৌষী কর্মের জন্য ১৯৬৯ সালে প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডমে ভূষিত করেন। আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউটের করা ধ্রুপদী হলিউড চলচ্চিত্র শিল্পের সেরা পুরুষ তারকা তালিকায় তার অবস্থান ১২তম।

পি. ও. যথা

পিএতের বিল্লেম বোথা (১২ জানুয়ারী ১৯১৬ - ৩১ অক্টোবর ২০০৬), সাধারণত পিডব্লিউ' এবং গ্রীন ক্রোকোডিল (আফ্রিকান) "দ্য বিগ কুমিরলেল" নামে পরিচিত ১৯৭৮ থেকে ১৯৮২ সালের ১ লা জানুয়ারী পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী এবং প্রথম নির্বাহী দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার নেতা -এর সদস্য ছিলেন। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত

১৯৪৮ সালে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকার সাধারণ নির্বাচন, সংসদ নির্বাচিত বোথার বেশিরভাগ শাসন এবং আন্তর্জাতিক কমিউনিজম একটি স্পষ্টভাষী প্রতিপক্ষ ছিল। তবে, তার প্রশাসন রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য ত্রাণসামগ্রী দেয়, তবু অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা সরকার কর্তৃক ব্যাপক মানবাধিকার লংঘন দেখে। বোটা স্ট্রোকের পর ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ন্যাশনাল পার্টির (দক্ষিণ আফ্রিকা) জাতীয় পার্টির নেতৃত্বের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং ছয় মাস পরেও রাষ্ট্রপতির পদ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।

ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ

ফ্রঁসোয়া মোরিস আদ্রিয়াঁ মারি মিতেরঁ (ফরাসি: François Maurice Adrien Marie Mitterrand; ফরাসি : [fʁɑ̃swa mɔʁis mitɛʁɑ̃] (শুনুন); ২৬ অক্টোবর ১৯১৬ – ৮ জানুয়ারি ১৯৯৬) ১৯৮১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তিনি ফ্রান্সের পার্তি সোসিয়ালিস্ত তথা সমাজতান্ত্রিক দলের নেতা ছিলেন। তিনি ১৯৮১ সালে ফরাসি পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে প্রথম বামপন্থী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর ৭ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করার পর ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে পুনরায় ৭ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।

মিতেরঁ ফ্রান্সে মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত ঘোষণা করেন, সাপ্তাহিক কর্মসপ্তাহের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ৩৯ কর্মঘণ্টায় নামিয়ে আনেন এবং বেতার ও টেলিভিশনে সরকারি নিয়ন্ত্রণ হ্রাস করেন। জার্মান চ্যান্সেলর হেলমুট কোলের সাথে মাস্ট্রিখট চুক্তি সম্পাদন করে ইউরোপীয় একীভবনকে অগ্রসর করেন। তার সময়ে ফ্রান্সে সংস্কৃতি খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ হয়। তার আমলে ফ্রান্সের একটি নতুন বিশালাকার জাতীয় গ্রন্থাগার নির্মাণ করা হয়। ১৯৯১ সালে মিতেরঁ প্রথম ও একমাত্র ফরাসি রাষ্ট্রপতি হিসেবে একজন মহিলা প্রধানমন্ত্রীকে (এদিত ক্রেসোঁ) নিয়োগ দান করেন।

মিতেরঁ ১৯৯৬ সালে প্যারিসে প্রস্থিত গ্রন্থির কর্কটরোগের (প্রোস্টেট ক্যানসার) কারণে মৃত্যুবরণ করেন।

ভিতালি গিঞ্জবার্গ

ভিতালি ল্যাজারেভিচ গিঞ্জবার্গ একজন সোভিয়েত এবং রাশিয়ান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী এবং জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী। গিঞ্জবার্গ সোভিয়েত হাইড্রোজেন বোমার অন্যতম জনক। ২০০৩ সালে তিনি যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

মাহীসন্তোষ মসজিদ

মাহীসন্তোষ মসজিদ বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার ধামুইরহাট উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। এটি বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নথিভূক্ত একটি স্থাপনা। মসজিদে প্রাপ্ত শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, মসজিদটি সুলতান রুকনুদ্দীন বারবক শাহের আমলে ৮৬৭ হিজরিতে (১৪৬৩ খ্রি) নির্মিত এবং সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহের আমলে এটি ৯১২ হিজরিতে (১৫০৬ খ্রি) পুনঃনির্মিত হয়েছিল। ১৯১৬ সালে বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি এই মসজিদটির ধ্বংসাবশেষ যুক্ত ঢিবিটিতে খনন করে মসজিদটি আবিষ্কার করে।

রবার্ট ম্যাকনামারা

রবার্ট স্ট্রেঞ্জ ম্যাক্‌নামারা (জন্ম জুন ৯, ১৯১৬-মৃত্যু জুলাই ৬, ২০০৯) ১৯৬১ সাল থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রধান হিসেবেও নিযুক্ত ছিলেন।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসাবে দায়িত্বপালনকালে তিনি ভিয়েতনামের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। .১৯৬৮ হতে ১৯৮১ পর্যন্ত তিনি বিশ্বব্যাংকের সভাপতি হিসাবে কাজ করেন।

সরকারী পদ গ্রহণের পূর্বে ম্যাকনামারা প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ কর্মকর্তা হিসাবে ফোর্ড মোটর কোম্পানিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধপরবর্তী সময়ে পুনর্গঠন করতে সাহায্য করেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে তিনি অল্প সময়ের জন্য ফোর্ড মোটর কোম্পানির প্রেসিডেন্ট হিসাবে কাজ করেন।

লেন হাটন

স্যার লিওনার্ড লেন হাটন (ইংরেজি: Len Hutton; জন্ম: ২৩ জুন, ১৯১৬ - মৃত্যু: ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯০) ইয়র্কশায়ারের ফালনেক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন। ক্রিকেট বোদ্ধাদের মতে, তিনি ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন। ১৯৫২ সালে বিংশ শতকের প্রথম পেশাদার ক্রিকেট অধিনায়ক হন। তার অধিনায়কত্বে ১৯ বছর পর প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ জয় করে ইংল্যান্ড দল। টেস্ট ক্রিকেটে তার সর্বাপেক্ষা বৃহৎ অর্জন ছিল ১৯৩৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজস্ব সর্বোচ্চ ৩৬৪ রান সংগ্রহ করা। এ রান সংগ্রহ করতে তিনদিনে তাকে ১৩ ঘন্টা ১৭ মিনিট খরচ করতে হয়েছিল। প্রায় দুই দশককাল তার এ রেকর্ড স্থায়ী ছিল। আজো ইংল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান হিসেবে চিত্রিত আছে। অদ্যাবধি লেন হাটন অবিস্মরণীয় ব্যাটসম্যানরূপে চিহ্নিত হয়ে আছেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময় দূর্ঘটনায় তার বাম হাতে আঘাতপ্রাপ্তি ঘটে। এরফলে ডানহাতের তুলনায় ঐ হাত কিছুটা খাঁটো হয়ে যায়। যুদ্ধ পরবর্তীকালে মাঠে নামলে তাকে বালকদের হালকা ওজনের ব্যাট নিতে বাধ্য হতে হয়। যুদ্ধের পর তিনি ইংল্যান্ডের প্রধান ব্যাটিং চালিকাশক্তি ছিলেন। দলের সাফল্য অনেকাংশেই তার ব্যাটিংয়ের উপর নির্ভর করতো।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬ - ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক, ও গল্পকার। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তার অনেক উপন্যাস ভারতবর্ষের প্রধান ভাষাগুলোতে অনূদিত হয়েছে। বড়দিদি (১৯১৩), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), শ্রীকান্ত (চারখণ্ডে ১৯১৭-১৯৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), পথের দাবী (১৯২৬), পরিণীতা (১৯১৪), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি শরৎচন্দ্র রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার দরুন তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত।

স্নেহ দেবী

স্নেহ দেবী (১৯১৬-৫ অক্টোবর, ১৯৯০) ছিলেন একজন অসমীয়া সাহিত্যিক এবং মরোণোত্তর সাহিত্য আকাডেমি পুরস্কার-এ সম্মানিত ব্যক্তি।

হাইল স্যালেসি

হাইল স্যালেসি ই (২৩ জুলাই ১৮৯২ - ২৭ আগস্ট ১৯৭৫) তিনি ১৯১৬ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত একজন ইথিওপীয় রিজেন্ট ছিলেন এবং ১৯৩০ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত সম্রাট ছিলেন। তিনি আধুনিক ইথিওপীয় ইতিহাসের একটি সংজ্ঞাশীল ব্যক্তিত্ব। তিনি সলোমনীয় রাজবংশ এর একজন সদস্য ছিলেন যিনি সম্রাটের মেনেলিক প্রথম এর বংশের সন্ধান করেছিলেন।

হ্যারল্ড উইলসন

হ্যারল্ড উইলসন (ইংরেজি: Harold Wilson) যুক্তরাজ্যের একজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দুই দফায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন ১৯৬৪ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত, এবং পুনরায় ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত। তিনি লেবার পার্টির নেতা ছিলেন।

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.