১৭৭২

১৭৭২ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর একটি অধিবর্ষ

সহস্রাব্দ: ২য় সহস্রাব্দ
শতাব্দী:
দশক:
  • ১৭৬০-এর দশক
  • ১৭৭০-এর দশক
  • ১৭৮০-এর দশক
বছর:
বিষয় অনুসারে ১৭৭২:
শিল্পকলা এবং বিজ্ঞান
প্রত্নতত্ত্ব – স্থাপত্য – শিল্প – সাহিত্য (কবিতা) – সঙ্গীত – বিজ্ঞান
রাষ্ট্রনেতৃবৃন্দ
রাষ্ট্রনেতৃবৃন্দ - সার্বভৌম রাষ্ট্র
জন্ম ও মৃত্যু বিষয়শ্রেণীসমূহ
জন্ম - মৃত্যু
প্রতিষ্ঠা ও বিলুপ্তি বিষয়শ্রেণীসমূহ
প্রতিষ্ঠা - বিলুপ্তি
কাজ বিষয়শ্রেণী
কাজ
অন্যান্য পঞ্জিকায় ১৭৭২
গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী১৭৭২
MDCCLXXII
আব উর্বে কন্দিতা২৫২৫
আর্মেনীয় বর্ষপঞ্জী১২২১
ԹՎ ՌՄԻԱ
অ্যাসিরীয় বর্ষপঞ্জী৬৫২২
বাংলা বর্ষপঞ্জি১১৭৮–১১৭৯
বেরবের বর্ষপঞ্জি২৭২২
বুদ্ধ বর্ষপঞ্জী২৩১৬
বর্মী বর্ষপঞ্জী১১৩৪
বাইজেন্টাইন বর্ষপঞ্জী৭২৮০–৭২৮১
চীনা বর্ষপঞ্জী辛卯年 (ধাতুর খরগোশ)
৪৪৬৮ বা ৪৪০৮
    — থেকে —
壬辰年 (পানির ড্রাগন)
৪৪৬৯ বা ৪৪০৯
কপটিক বর্ষপঞ্জী১৪৮৮–১৪৮৯
ডিস্কর্ডীয় বর্ষপঞ্জী২৯৩৮
ইথিওপীয় বর্ষপঞ্জী১৭৬৪–১৭৬৫
হিব্রু বর্ষপঞ্জী৫৫৩২–৫৫৩৩
হিন্দু বর্ষপঞ্জীসমূহ
 - বিক্রম সংবৎ১৮২৮–১৮২৯
 - শকা সংবৎ১৬৯৩–১৬৯৪
 - কলি যুগ৪৮৭২–৪৮৭৩
হলোসিন বর্ষপঞ্জী১১৭৭২
ইগ্বো বর্ষপঞ্জী৭৭২–৭৭৩
ইরানি বর্ষপঞ্জী১১৫০–১১৫১
ইসলামি বর্ষপঞ্জি১১৮৫–১১৮৬
জুলীয় বর্ষপঞ্জীগ্রেগরীয় বিয়োগ ১১ দিন
কোরীয় বর্ষপঞ্জী৪১০৫
মিঙ্গু বর্ষপঞ্জীপ্রজা. চীনের পূর্বে ১৪০
民前১৪০年
থাই সৌর বর্ষপঞ্জী২৩১৪–২৩১৫

ঘটনাবলী

অক্টোবর-ডিসেম্বর

জন্ম

জানুয়ারি-মার্চ

অক্টোবর-ডিসেম্বর

মৃত্যু

আহমদ শাহ দুররানি

আহমদ শাহ দুররানি (১৭২২ - ১৬ অক্টোবর ১৭৭২) (পশতুন/ফরাসি:احمد شاه دراني‎), আহমদ খান আব্দালি (পশতুন/ফরাসি: احمد خان ابدالي) ছিলেন দুররানি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও তাকে আধুনিক আফগানিস্তানের জনক বলা হয়ে থাকে।আহমদ শাহ যুবক বয়সে আফসারিদ রাজ্যের সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং অতিশীঘ্রই তিনি ৪ হাজার আব্দালি পশতুন সৈন্যের কমান্ডার হিসেবে দ্বায়িত্ব পালনের সুযোগ পান। ১৭৪৭ সালের জুনে পারস্যের নাদের শাহ আফসার মৃত্যুবরণ করলে, আব্দালি কুরাশান-এর আমীর হন। তার পশতুন উপজাতি ও তাদের জোটদের নিয়ে তিনি পূর্ব দিকের মুঘল ও মারাঠা সাম্রাজ্য, পশ্চিম দিকে পারস্যের আফসারিবাদ সাম্রাজ্য ও উত্তর দিকে বুখারার খানাত পর্যন্ত তার সীমানা নির্ধারণ করেন। কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি কুরাশানদের কাছ থেকে পশ্চিম থেকে পূর্বে কাশ্মির ও উত্তর ভারত এবং আমু দারায়ার কাছ থেকে উত্তর থেকে দক্ষিণে আরব সাগর পর্যন্ত আফগানদের কর্তৃত্ব বৃদ্ধি করেন। আহমদ শাহ আব্দালির সমাধিস্তম্ভ আফগানিস্তানের কান্দাহারে অবস্থিত, শহরের কেন্দ্রস্থলের শ্রাইন অফ দ্য ক্লুয়াক নামে একটি মসজিদের পাশে। মনে করা হয় মুসলমানদের শেষ নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর একটি আলখাল্লা এখানে রাখা আছে। আফগানিস্তানের লোকেরা দুররানিকে প্রায়ই আহমদ শাহ বাবা বলে উল্লেখ করে থাকেন।দুররানি শিখ গণহত্যায় কুখ্যাত হয়ে আছেন, অমৃতসরে শিখদের পবিত্র স্বর্ণ মন্দিরে হামলা করে তিনি সেঠি ধংস্ব করে দেন। এছাড়াও তিনি ১৭৪৬ ও ১৭৬২ সালে হাজার হাজার শিখকে হত্যা করেছেন।

কমলাকান্ত ভট্টাচার্য

কমলাকান্ত ভট্টাচার্য (অনেক সময় সাধক কমলাকান্ত নামেও পরিচিত) (১৭৭২ - ১৮২০) রামপ্রসাদ সেনের পরেই শাক্ত পদাবলী তথা শ্যামা সংগীতের অন্য়তম প্রধান কবি। তিনি মহারাজ তেজশ্চন্দ্রের গুরু এবং সভাকবি ছিলেন।

কমলাকান্ত ভট্টাচার্য ১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দে বর্ধমানের তার মাতুলালয়ের চান্না গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মহেশ্বর ভট্টাচার্য এবং মাতার নাম মহামায়াদেবী। কিশোর বয়সে পিতার মৃত্যু হলে মা মহামায়াদেবী দুই শিশু পুত্র কমলাকান্ত ও শ্যামাকান্তকে নিয়ে পিত্রালয়ে আসেন। মহামায়াদেবী কমলাকান্তকে পড়াশোনার জন্য টোলে ভর্তি করে দেন। টোলে পড়াশোনার পাশাপাশি কমলাকান্ত গোপনে সাধন ভজন অনুশীলন শুরু করেন। বর্ধমানের মহারাজ তেজচন্দ্র তার উচ্ছৃঙ্খল পুত্র প্রতাপচন্দ্রকে শিক্ষা দীক্ষায় উপযুক্ত করে তোলার জন্য কমলাকান্তকে বর্ধমানে নিয়োগ দেন। লাকুড্ডিতে তার বাড়ি তৈরি করে দিলেন। মহারাজ তেজচন্দ্র কোটালহাটে কমলাকান্তের সাধন ভজনের জন্য মন্দির করে দেন। সেখানে কমলাকান্ত কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পঞ্চমুন্ডীর আসনে বসে সাধনা করতেন। কমলাকান্ত প্রায় শতাধিক ভক্তিগীতি রচনা করেন। ১৮২০ খ্রীষ্টাব্দে কমলাকান্ত মৃত্যুবরণ করেন।

কোচবিহার জেলা

কোচবিহার জেলা পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলের জলপাইগুড়ি বিভাগের একটি জেলা। আয়তনের হিসেবে এটি রাজ্যের ত্রয়োদশ এবং জনসংখ্যার হিসেবে ষোড়শ বৃহত্তম জেলা। এই জেলার উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা; দক্ষিণে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ; পূর্বে অসমের ধুবড়ী জেলা এবং পশ্চিমে জলপাইগুড়ি জেলা ও বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ অবস্থিত।বর্তমান কোচবিহার জেলা অতীতে বৃহত্তর কামরূপ রাজ্যের অন্তর্গত ছিল। ১৭৭২ সালে কোচবিহার রাজ্য ব্রিটিশ ভারতের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়। ১৯৪৯ সালে কোচবিহারের তদনীন্তন রাজা জগদ্দীপেন্দ্র নারায়ণ ভূপবাহাদুর রাজ্যটিকে ভারত অধিরাজ্যের হাতে তুলে দেন। ১৯৫০ সালে কোচবিহার পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলায় পরিণত হয়।

ঙ্গাগ-দ্বাং-ছোস-গ্রাগ্স (উনষাটতম গানদেন ত্রিপা)

ঙ্গাগ-দ্বাং-ছোস-গ্রাগ্স (তিব্বতি: ངག་དབང་ཆོས་གྲགས, ওয়াইলি: ngag dbang chos grags) (১৭১০-১৭৭২) তিব্বতী বৌদ্ধধর্মের দ্গে-লুগ্স ধর্মসম্প্রদায়ের দ্গা'-ল্দান বৌদ্ধবিহারের উনষাটতম দ্গা'-ল্দান-খ্রি-পা বা প্রধান ছিলেন।

জয়নগর বিধানসভা কেন্দ্র

জয়নগর বিধানসভা কেন্দ্র হল পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্যতম। এই বিধানসভা কেন্দ্রটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার জয়নগর শহরে অবস্থিত। জয়নগর বিধানসভা কেন্দ্রটি জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এই বিধানসভা কেন্দ্রটি তফসিলি জাতিদের জন্য সংরক্ষিত।

ফ্রিড্‌রিশ ফন শ্লেগেল

ফ্রিড্‌রিশ ফন শ্লেগেল (জার্মান: Karl Wilhelm Friedrich von Schlegel) (১০ই মার্চ, ১৭৭২—১২ই জানুয়ারি, ১৮২৯) জার্মান কবি, সমালোচক ও পণ্ডিত।

শ্লেগেলের অন্যতম ভাষাতাত্ত্বিক রচনা Über die Sprache und Weisheit der Indier (উবার ডি শ্‌প্রাখ উন্ড ভাইসহাইট ডের ইন্ডিয়ার বা ভারতের ভাষা ও বিজ্ঞতা প্রসঙ্গে) (১৮০৮)।

বাংলাদেশের জেলাসমূহ

জেলা বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর। কয়েকটি উপজেলা নিয়ে একটি জেলা গঠিত হয়। প্রশাসনিকভাবে একটি জেলা একটি বিভাগের অধিক্ষেত্রভুক্ত।

বর্তমানে বাংলাদেশের ৮টি বিভাগ এর অন্তর্গত ৬৪টি জেলা রয়েছে। এছাড়া প্রস্তাবিত নতুন দুইটি বিভাগ রয়েছে এগুলো হলো ফরিদপুর বিভাগ ও কুমিল্লা বিভাগ। ১৯৭১-এ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকালে জেলার সংখ্যা ছিল ২০ টি । রাষ্ট্রপতি এরশাদ মহুকুমাগুলোকে জেলায় উন্নীতকরণের প্রক্রিয়া চালু করেন।

১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠালগ্নে পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশের জেলার সংখ্যা ছিল ১৮ টি। ১৯৬৯-এ ময়মনসিংহ জেলার টাঙ্গাইল মহুকুমাকে একটি জেলায় উন্নীত করা হয়। স্বাধীন বাংলাদেশে সর্বপ্রথম পটুয়াখালী মহুকুমাকে একটি জেলায় উন্নীত করা হয়।

ব্রাহ্মসমাজ

ব্রাহ্মসমাজ বা ব্রাহ্মসভা ১৯ শতকে স্থাপিত এক সামাজিক ও ধর্মীয় আন্দোলন যা বাংলার পূনর্জাগরণের পুরোধা হিসেবে পরিচিত। কলকাতায় আগস্ট ২০, ১৮২৮ সালে হিন্দুধর্ম সংস্কারক রাজা রামমোহন রায় (১৭৭২-১৮৩৩) ও তার বন্ধুবর্গ মিলে এক সার্বজনীন উপাসনার মাধ্যমে ব্রাহ্মসমাজ শুরু করেন। তাদের উপাস্য ছিল "নিরাকার ব্রহ্ম", তাই থেকেই নিজেদের ধর্মের নাম রাখেন ব্রাহ্ম।

মার্থা জেফারসন র‌্যান্ডোলফ

মার্থা জেফারসন র‌্যান্ডোলফ (ইংরেজি:Martha Washington Jefferson Randolph) (জন্ম: সেপ্টম্বর ২৭, ১৭৭২ – অক্টোবর ১০, ১৮৩৬) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি থমাস জেফারসনের তনয়া।

রামমোহন রায়

রামমোহন রায়, অথবা রাজা রাম মোহন রায় লেখা হয় রাজা রামমোহন রায় (মে ২২, ১৭৭২ – সেপ্টেম্বর ২৭, ১৮৩৩) প্রথম ভারতীয় ধর্মীয়-সামাজিক পুনর্গঠন আন্দোলন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাঙালি দার্শনিক। তৎকালীন রাজনীতি, জনপ্রশাসন, ধর্মীয় এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তিনি উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখতে পেরেছিলেন। তিনি সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত হয়েছেন, সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত করার প্রচেষ্টার জন্য। তখন হিন্দু বিধবা নারীদের স্বামীর চিতায় সহমরণে যেতে বা আত্মহুতি দিতে বাধ্য করা হত।

রামমোহন রায় কলকাতায় আগস্ট ২০, ১৮২৮ সালে ইংল্যান্ড যাত্রার আগে দ্বারকানাথ ঠাকুরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ব্রাহ্মসমাজ স্থাপন করেন। পরবর্তীকালে এই ব্রাহ্মসমাজ এক সামাজিক ও ধর্মীয় আন্দোলন এবং বাংলার পুনর্জাগরণের পুরোধা হিসাবে কাজ করে।

সিলেট জেলা

সিলেট জেলা (সিলেটি:) বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল সিলেট । এটি সিলেট বিভাগের অধিক্ষেত্রভুক্তি একটি জেলা । সিলেট বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি প্রাচীন জনপদ । বনজ, খনিজ ও মৎস্য সম্পদে ভরপুর এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত এ জেলা দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী ও বিশ্বের দ্বিতীয় লন্ডন হিসেবে খ্যাত। জৈন্তিয়া পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য, জাফলং এর মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য, ভোলাগঞ্জের সারি সারি পাথরের স্তূপ, পাথরের বিছানাখ্যাত বিছনাকান্দি, রাতারগুল জলাবন পর্যটকদের টেনে আনে বার বার।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সিলেট জেলার বিপুল সংখ্যক লোক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অভিবাসন গ্রহণ করেছে৤ তারা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখে। সিলেটের পাথর, বালির গুণগতমান দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। জেলার প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে যা সারা দেশের সিংহভাগ চাহিদা পূরণ করে থাকে। স্বাধীনতা যুদ্ধে এ জেলার ভূমিকা অপরিসীম। মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি ওসমানী এ জেলারই কৃতী সন্তান।

১৭৬৭ খ্রিষ্টাব্দে এ অঞ্চল ব্রিটিশদের করায়ত্ত হবার পর ১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট জেলার সৃষ্টি হয় এবং প্রথম কালেক্টর হিসেবে নিয়োগ পান মিঃ উইলিয়াম থ্যাকারে। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এক পর্যায়ে সিলেট জেলাকে ভেঙ্গে চারটি জেলা সৃষ্টি করা হয় । স্বাধীনতাপূর্ব সদর মহুকুমার এলাকা নিয়ে বর্তমানে সিলেট জেলা গঠিত । ১২(বার)টি উপজেলা নিয়ে বর্তমান সিলেট জেলা গঠিত। সিলেট জেলার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা হলো সিলেট শহর । ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলেই সিলেট দ্রুত বিকাশ লাভ করেছে। সিলেট পৌরসভা সৃষ্টি ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দে । ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১২ জুন এক মারাত্মক ভূমিকম্প গোটা সিলেট শহরটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে ফেলে। পরবর্তী কালে ধ্বংসস্ত্তপের ওপর গড়ে উঠে ইউরোপীয় ধাঁচের আরও সুন্দর ও আধুনিক শহর। ১৮৯০ এর দশকের শেষ ভাগে বেশ কিছু রাস্তাঘাট তৈরি করা হয়। ১৯১২-১৫ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের একটি শাখা সিলেটের সাথে সংযুক্ত হলে দেশের অন্যান্য অংশের সাথে সিলেটের বিচ্ছিন্নতার প্রকৃত অবসান ঘটে।

চা শিল্পের কারণে বিশ শতকের প্রথম দিকে সিলেট শহরের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯৫০ ও ১৯৬০ দশকে প্রবাসী সিলেটিদের কল্যাণে সিলেটের শহর দ্রুত নগরায়ণ ঘটতে থাকে৤ এই নগরায়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

হিন্দু আইন

হিন্দু আইন, একটি ঐতিহাসিক শব্দ হিসাবে, ব্রিটিশ ভারতে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন এবং শিখ প্রয়োগ আইন সংকেত বোঝায়। আধুনিক বৃত্তি মধ্যে হিন্দু আইন, প্রাচীন এবং মধ্যযুগীয় যুগের ভারতীয় গ্রন্থে আবিষ্কার আইন প্রকৃতির উপর আইনি তত্ত্ব, বিচারশাস্ত্র এবং দার্শনিক প্রতিফলন বোঝায়। এটি বিশ্বের প্রাচীনতম সুপরিচিত বিচারশাস্ত্র তত্ত্বগুলির মধ্যে একটি। হিন্দু ঐতিহ্য, তার জীবিত প্রাচীন গ্রন্থে, ius বা lex এর ক্যানোনিক্যাল অর্থে আইন প্রকাশ করে না। ভারতীয় গ্রন্থে প্রাচীন শব্দ ধর্ম, যা আইনের একটি কোড বেশী মানে। "হিন্দু আইন" শব্দটি ঔপনিবেশিক নির্মাণ, এবং দক্ষিণ এশিয়ার উপনিবেশিক শাসনের পরে আবির্ভূত হয়েছিল এবং ১৭৭২ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নেয় যে ইউরোপীয় সাধারণ আইন ব্যবস্থাটি ভারতে বাস্তবায়িত হবে যে, ভারতের হিন্দুরা তাদের "হিন্দু আইন" অনুসারে শাসন করবে এবং ভারতের মুসলমানরা "মুসলিম আইন" ( শরিয়া ) এর অধীনে শাসিত হবে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের পূর্বে, মুসলিম আইনটি ফতোয়া-ই-আলমগিরি হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছিল, কিন্তু হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পারসী - অমুসলিমদের জন্য আইন-রীতি ইসলামী শাসনের 601 বছরের মধ্যে সংশোধন করা হয় নি। ব্রিটিশ বাস্তবায়িত হিন্দু আইনের বিষয়বস্তু মনুসংহিতা নামক একটি ধর্মশাস্ত্র থেকে উদ্ভূত হয়েছিল যা ধর্মের শাস্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। তবে, ব্রিটিশরা ধর্মশাস্ত্রকে আইনের বিধান হিসাবে ভুল করে এবং স্বীকার করে নি যে এই সংস্কৃত গ্রন্থগুলি ইতিবাচক আইনের বিবৃতি হিসাবে ব্যবহার করা হয়নি, যতক্ষণ না ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কর্মকর্তারা তা করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবর্তে, ধর্মশাস্ত্রটিতে আইনশাস্ত্র ভাষ্য ছিল, অর্থাৎ, বাস্তব আইনের উপর একটি তাত্ত্বিক প্রতিফলন, কিন্তু ভূমি আইনটির বিবৃতি হিসাবে নয়। ঔপনিবেশিক যুগের হিন্দু আইন অর্জনের জন্য ব্যবহৃত মনুসংহিতা পাণ্ডুলিপির সত্যতা ও দুর্নীতির বিষয়েও বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন করেছেন। ঔপনিবেশিক ইতিহাসের সূত্রানুযায়ী, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগে ইসলামিক এবং হিন্দু আইনের গঠন ও বাস্তবায়ন ছিলো বহুতাত্ত্বিক আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা যখন কিনা একই এলাকার মানুষ শিষ্টাচার এবং অপরাধগত আইনের জন্য বাদী ও প্রতিবাদীর ধর্মের উপর নির্ভরশীল ছিলো । আইনী পন্ডিতরা বলে যে এটি ভারতবর্ষের সমাজ ব্যবস্থাকে বিভক্ত করেছে এবং যে আইন ও রাজনীতি থেকে ক্ষেত্রে “বহুতাত্ত্বিক (ধর্মীয়) আইনি মতবাদ-যা অনুযায়ী ধর্ম হলো সমাজের মূল একক এবং বিভিন্ন ধর্মের অবশ্যই বিভিন্ন আইনি অধিকার ও কর্তব্য থাকা উচিত” এবং “বিশ্বতাত্ত্বিক আইনি মতবাদ-যার ধারণা যে ব্যক্তি সমাজের মৌলিক একক এবং সমস্ত নাগরিকের একক আইনি অধিকার ও বাধ্যবাধকতা থাকা উচিত "

১০ মার্চ

১০ মার্চ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৬৯তম (অধিবর্ষে ৭০তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ২৯৬ দিন বাকি রয়েছে।

১৪ অক্টোবর

১৪ অক্টোবর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২৮৭তম (অধিবর্ষে ২৮৮তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৭৮ দিন বাকি রয়েছে।

২ নভেম্বর

২ নভেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৩০৬তম (অধিবর্ষে ৩০৭তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৫৯ দিন বাকি রয়েছে।

২১ অক্টোবর

২১ অক্টোবর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২৯৪তম (অধিবর্ষে ২৯৫তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৭১ দিন বাকি রয়েছে।

২২ মে

২২ মে গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ১৪২তম (অধিবর্ষে ১৪৩তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ২২৩ দিন বাকি রয়েছে।

২৯ মার্চ

২৯ মার্চ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৮৮তম (অধিবর্ষে ৮৯তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ২৭৭ দিন বাকি রয়েছে।

৭ এপ্রিল

৭ এপ্রিল গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৯৭তম (অধিবর্ষে ৯৮তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ২৬৮ দিন বাকি রয়েছে।

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.