১৭৭১

১৭৭১ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর একটি সাধারণ বছর।

সহস্রাব্দ: ২য় সহস্রাব্দ
শতাব্দী:
দশক:
  • ১৭৬০-এর দশক
  • ১৭৭০-এর দশক
  • ১৭৮০-এর দশক
বছর:
বিষয় অনুসারে ১৭৭১:
শিল্পকলা এবং বিজ্ঞান
প্রত্নতত্ত্ব – স্থাপত্য – শিল্প – সাহিত্য (কবিতা) – সঙ্গীত – বিজ্ঞান
রাষ্ট্রনেতৃবৃন্দ
রাষ্ট্রনেতৃবৃন্দ - সার্বভৌম রাষ্ট্র
জন্ম ও মৃত্যু বিষয়শ্রেণীসমূহ
জন্ম - মৃত্যু
প্রতিষ্ঠা ও বিলুপ্তি বিষয়শ্রেণীসমূহ
প্রতিষ্ঠা - বিলুপ্তি
কাজ বিষয়শ্রেণী
কাজ
অন্যান্য পঞ্জিকায় ১৭৭১
গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী১৭৭১
MDCCLXXI
আব উর্বে কন্দিতা২৫২৪
আর্মেনীয় বর্ষপঞ্জী১২২০
ԹՎ ՌՄԻ
অ্যাসিরীয় বর্ষপঞ্জী৬৫২১
বাংলা বর্ষপঞ্জি১১৭৭–১১৭৮
বেরবের বর্ষপঞ্জি২৭২১
বুদ্ধ বর্ষপঞ্জী২৩১৫
বর্মী বর্ষপঞ্জী১১৩৩
বাইজেন্টাইন বর্ষপঞ্জী৭২৭৯–৭২৮০
চীনা বর্ষপঞ্জী庚寅年 (ধাতুর বাঘ)
৪৪৬৭ বা ৪৪০৭
    — থেকে —
辛卯年 (ধাতুর খরগোশ)
৪৪৬৮ বা ৪৪০৮
কপটিক বর্ষপঞ্জী১৪৮৭–১৪৮৮
ডিস্কর্ডীয় বর্ষপঞ্জী২৯৩৭
ইথিওপীয় বর্ষপঞ্জী১৭৬৩–১৭৬৪
হিব্রু বর্ষপঞ্জী৫৫৩১–৫৫৩২
হিন্দু বর্ষপঞ্জীসমূহ
 - বিক্রম সংবৎ১৮২৭–১৮২৮
 - শকা সংবৎ১৬৯২–১৬৯৩
 - কলি যুগ৪৮৭১–৪৮৭২
হলোসিন বর্ষপঞ্জী১১৭৭১
ইগ্বো বর্ষপঞ্জী৭৭১–৭৭২
ইরানি বর্ষপঞ্জী১১৪৯–১১৫০
ইসলামি বর্ষপঞ্জি১১৮৪–১১৮৫
জুলীয় বর্ষপঞ্জীগ্রেগরীয় বিয়োগ ১১ দিন
কোরীয় বর্ষপঞ্জী৪১০৪
মিঙ্গু বর্ষপঞ্জীপ্রজা. চীনের পূর্বে ১৪১
民前১৪১年
থাই সৌর বর্ষপঞ্জী২৩১৩–২৩১৪

ঘটনাবলী

অক্টোবর-ডিসেম্বর

জন্ম

জুলাই-সেপ্টেম্বর

অক্টোবর-ডিসেম্বর

মৃত্যু

এতিয়েন জফ্রোয়া সাঁ-হিলের

এতিয়েন জফ্রোয়া সাঁ-হিলের (ফরাসি: Étienne Geoffroy Saint-Hillaire) (১৫ই এপ্রিল, ১৭৭২ - ১৯শে জুন, ১৮৪৪) ফরাসি প্রকৃতিবিদ যিনি "ইউনিটি অফ কম্পোজিশন" তথা "গঠনের ঐক্য" নামক তত্ত্বটি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি ছিলেন জঁ-বাতিস্ত লামার্কের সহকর্মী ছিলেন এবং লামার্কের বিবর্তনবাদী তত্ত্বের প্রসারে বিশেষ অবদান রেখেছিলেন। জফ্রোয়ার বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে খানিকটা স্বজ্ঞালব্ধ জ্ঞানের প্রভাব আছে যার সাথে লরেন্‌ৎস ওকেন এর মত জার্মান অঙ্গসংস্থানবিদদের দৃষ্টিভঙ্গির মিল দেখা যায়। লামার্কের চর্চায় অবশ্য এরকম কোন প্রভাব ছিল না। তিনি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নকশায় নিহিত গূঢ় ঐক্যের উপর বিশ্বাস করতেন এবং সময়ের সাথে প্রজাতিগুলোর মধ্যে রূপান্তরসাধনের প্রক্রিয়াকে সত্য মনে করতেন। তুলনামূলক অঙ্গব্যবচ্ছেদ-বিদ্যা, জীবাশ্মবিজ্ঞান এবং ভ্রূণতত্ত্বের উপর গবেষণা করে তিনি নিজের দৃষ্টিভঙ্গির পক্ষে প্রমাণ হাজির করেছিলেন।

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা (Encyclopædia Britannica, লাতিন ভাষায় ব্রিটিশ বিশ্বকোষ) "এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ইনকর্পোরেটেড" কর্তৃক প্রকাশিত একটি সাধারণ জ্ঞানের ইংরেজি বিশ্বকোষ। প্রায় নিয়মিত ১০০ জন সম্পাদক ও প্রায় ৪০০০ অবদানকারীর মাধ্যমে এটি লিখিত ও সংশোধিত হয়। অনুবাদকারীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১১০ জন নোবেল বিজয়ী এবং ৫ জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। একে ইংরেজি ভাষার সবচেয়ে পাণ্ডিত্যপূর্ণ বিশ্বকোষগুলোর একটি মনে করা হয়।ব্রিটানিকা ইংরেজি ভাষায় এখনও নিয়মিত প্রকাশিত বিশ্বকোষগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন। ১৭৬৮ থেকে ১৭৭১ সালের মধ্যে স্কটল্যান্ডের এডিনবরা থেকে তিনটি আলাদা খণ্ডে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর দিনদিন আকার বাড়তে থাকে। দ্বিতীয় সংস্কণ প্রকাশিত হয় ১০ খণ্ডে, এবং ১৮০১ থেকে ১৮১০ সালের মধ্যে প্রকাশিত চতুর্থ সংস্করণে ছিল ২০টি খণ্ড। পাণ্ডিত্যপূর্ণ নিবন্ধের কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি লেখক সমাজের অন্তর্ভুক্ত হন, এবং ৯ম (১৮৭৫-৮৯) ও ১১তম (১৯১১) সংস্করণ বিশ্বকোষের পাণ্ডিত্য ও রচনাশৈলীর ইতিহাসে যুগান্তকারী অর্জন বলে স্বীকৃত। একাদশ সংস্করণ প্রকাশ এবং একটি মার্কিন কোম্পানি কর্তৃক ব্রিটানিকা ইনকর্পোরেটেড-এর অধিগ্রহণের পর আমেরিকান পাঠকদের জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য বিশ্বকোষটির নিবন্ধের আকার ছোট করে বিষয় সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়। ১৯৩৩ সালে ব্রিটানিকা বিশ্বকোষ রচনার ইতিহাসে প্রথমবারের মত তাদের ভুক্তিগুলো নিয়মিত পুনর্ম্যল্যায়ন ও সংশোধন করা শুরু করে। ২০১২ সালের মার্চে ব্রিটানিকা ইনকর্পোরেটেড ঘোষণা করে, তারা আর কাগজে মুদ্রিত সংস্করণ প্রকাশ করবে না, বরং কেবল অনলাইন সংস্করণের (এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা অনলাইন) দিকে নজর দেবে। এর সর্বশেষ কাগজে মুদ্রিত সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ২০১০ সালে, ৩২ খণ্ডে।১৫তম অর্থাৎ সর্বশেষ মুদ্রিত সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল তিন ভাগে: একটি ১২ খণ্ডের মাইক্রোপিডিয়া যেখানে সাধারণত ছোট ছোট ৭৫০ শব্দের নিবন্ধ স্থান পায়, একটি ১৯ খণ্ডের ম্যাক্রোপিডিয়া যাতে বড় (২ থেকে ৩১০ পৃষ্ঠা) নিবন্ধ প্রকাশিত হয়, এবং একটি এক খণ্ডের প্রোপিডিয়া যাতে ব্রিটানিকার সমগ্র জ্ঞানের একটি ধারাবাহিক ভূমিকা দেয়া হয়। মাইক্রোপিডিয়া হচ্ছে দ্রুত কোন বিষয় সম্পর্কে সংক্ষেপে জানার জন্য এবং আরও জানার ইচ্ছা থাকলে সেখান থেকে ম্যাক্রোপিডিয়াতে যেতে হয়। আর প্রোপিডিয়া একটি নিবন্ধকে অপেক্ষাকৃত বড় প্রেক্ষাপটে স্থাপন করে সে সম্পর্কিত অন্যান্য নিবন্ধের ধারণা দেয়। প্রায় ৭০ বছর ধরে ব্রিটানিকার মুদ্রিত সংস্করণের আকার প্রায় ধ্রুব ছিল- প্রায় ৫ লক্ষ বিষয়ের উপর প্রায় ৪ কোটি শব্দ। ১৯০১ সালের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত হলেও ব্রিটানিকাতে ব্রিটিশ বানান পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

ওয়াল্টার স্কট

ওয়াল্টার স্কট (আগস্ট ১৫, ১৭৭১ - সেপ্টেম্বর ২১, ১৮৩২) স্কটল্যান্ডের বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস রচয়িতা এবং কবি। পুরো ইউরোপ জুড়ে তার সময়ে তিনি সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। এক অর্থে বলতে গেলে স্কট প্রথম লেখক যিনি নিজের জীবদ্দশাতেই আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন। তার সময়ে তার বইগুলো অস্ট্রেলিয়া এবং উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। এখনও তার বই ব্যাপক হারে পঠিত হয়। ইংরেজি এবং বিশেষ করে স্কটিশ সাহিত্যে তার সাহিত্যকর্মগুলো বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্মগুলোর মধ্যে রয়েছে আইভানহো, রব রয়, দ্য লেডি অফ দ্য লেক, ওয়েভারলি এবং দ্য হার্ট অফ মিডলোথিয়ান।

ওয়াল্টার স্কট ১৭৭১ সালের ১৫ই আগস্ট স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ওয়াল্টার স্কট এবং অ্যান স্কটের পুত্র। ওয়াল্টারের বাবা-মা ১২টি সন্তানের জন্ম দেন, যাদের মধ্যে ৫ জনই শৈশবে মারা যায়। ওয়াল্টার নিজে ২ বছর বয়সে পোলিও রোগে আক্রান্ত হন এবং কোনমতে বেঁচে যান, কিন্তু বাকী জীবন তাকে শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে কাটাতে হয়। ছোটবেলায় তিনি রূপকথা, গান, শেক্‌সপিয়ার, গল্প, এশীয় কল্পকাহিনী এবং লোককথার ভক্ত পাঠক ছিলেন। টুইড নদীর তীরে দাদীর খামার বাড়িতে এবং বর্ডার কান্ট্রি ও স্কটিশ উচ্চভূমিতে বসবাসকারী অন্যান্য আত্মীয়দের বাসায় বেড়াতে গিয়ে তিনি স্কটিশ গল্পগুজব, ইতিহাস, বীরত্বগাথা, গান এবং লোককথাগুলির এক জীবন্ত ভাণ্ডারে পরিণত হন। ১৪ বছর বয়সেই তিনি স্কটস ব্যালাড গানগুলি মুখস্থ গাইতে পারতেন। একই সাথে তিনি মধ্যযুগের রোমান্টিক কাহিনী, ইতিহাস এবং ভ্রমণকাহিনীগুলির ভক্ত ছিলেন। ১৭৭৮-১৭৮২ সালে তিনি এডিনবরা উচ্চ বিদ্যালয়ে কাটান এবং ১৭৮৩ সালে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। কিন্তু ভগ্ন স্বাস্থ্যের কারণে তিনি পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি। তিনি বাসাতে থেকেই একজন শিক্ষক রেখে ইংরেজি সাহিত্য চর্চা করতে থাকেন। এসময় তিনি বাবার জন্য নবিস হিসেবে কেরানিগিরি করতেন। পরবর্তী ৯ বছরের বিভিন্ন সময়ে স্কট এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ও আইনের উপর বিভিন্ন ক্লাস করেন। তিনি বাবার আইন ব্যবসায় নবিসের কাজকে গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলেন এবং ব্যবসার জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণ করতেন। কিন্তু একই সাথে তিনি অনেক পড়ার অভ্যাসটাও ধরে রেখেছিলেন। ১৭৯২ সালে তিনি আইনজীবী হিসেবে উত্তীর্ণ হন এবং স্কটিশ বারে প্র‌্যাকটিস করার সুযোগ পান। চাকরিতে এই আপাত স্থিতির প্রেক্ষিতে তিনি ১৭৯৭ সালে শার্লট কার্পেন্টারকে বিয়ে করেন। ১৭৯৯ সালে তিনি সেলকার্কশারের শেরিফ পদে নিযুক্ত হন এবং টুইড নদীর তীরে অ্যাশস্টিল শহরে বাস করতে যান। আইনের মৌসুমের সময় কেবল তিনি এডিনবরাতে ফিরে আসতেন।

স্কটের প্রথম প্রকাশিত রচনাবলীর মধ্যে আছে Minstrelsy of the Scottish Border (১৮০২-১৮০৩) নামের জনপ্রিয় স্কটিশ গানের একটি তিনখণ্ড সংগ্রহ; বইটি লোকসাহিত্যবিদ হিসেবে তার সামর্থ্যের পরিচয় দেয়। এরপর তিনি ১৮০৫ সালে The Lay of the Last Minstrel, ১৮০৮ সালে Marmion, এবং ১৮১০ সালে The Lady of the Lake কাব্যগ্রন্থগুলি প্রকাশ করে সমগ্র ব্রিটেনে সুপরিচিত কবি হয়ে ওঠেন। ১৮১২ সালে স্কট অ্যাবট্‌সফোর্ডের একটি এস্টেটে নিভৃত গ্রামীণ জীবন কাটাতে চলে যান। এর আগে তিনি প্রকাশক জন ব্যালান্টাইন কোম্পানির অংশীদার হন এবং রক্ষণশীল টোরি গবেষণা পত্রিকা দ্য কোয়ার্টার্লি রিভিউ ১৮০৯ সালে প্রতিষ্ঠা করায় সমর্থন দেন। ১৮১২ সালে তিনি পোয়েট লরিয়েট-এর পদ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান।

এরপর স্কট গদ্য রচনায় মন দেন। তার প্রথম উপন্যাস ছিল ওয়েভার্লি। এর পরের ১০ বছর স্কট বেনামে আরও ২০টি উপন্যাস রচনা করেন। কিন্তু বহু পাঠক এগুলিতে স্কটের লেখার ধরন ধরতে পারেন। আজও স্কটের লেখা বেনামী ৩২টি উপন্যাসকে তার ওয়েভার্লি উপন্যাস বলা হয়।

প্রকাশনা ব্যবসায় ধ্বস নামলে স্কট দেনার বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়েন এবং বাকী জীবন সেগুলি শোধ করেই কাটিয়ে দেন। ব্রিটিশ সরকার স্বাস্থ্যের উন্নতির স্বার্থে তাকে ভূমধ্যসাগরগামী এক ফ্রিগেটে বিনামূল্যে যাত্রী হবাস সুযোগ করে দেয়। এই ভ্রমণ শেষে তিনি অ্যাবট্‌সভিলে ফিরে আসেন এবং ১৮৩২ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর ৬১ বছর বয়সে মারা যান। ড্রাইবার্গ অ্যাবির ধ্বংসাবশেষে স্ত্রীর সমাধির পাশেই তাকে সমাহিত করা হয়। ১৮৪৪ সালে এডিনবরাতে তার স্মরণে একটি সুক্ষ্ম কারুকাজময় গথিক ধাঁচের স্মারক ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়।

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত। ১১৭৬ বঙ্গাব্দে ( খ্রি. ১৭৭০) এই দুর্ভিক্ষ হয়েছিল বলে একে 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বলা হয়।

ঝাড়খণ্ড

ঝাড়খণ্ড (সাঁওতালি: ᱡᱷᱟᱨᱠᱷᱚᱸᱰ, হিন্দী:झारखंड, ঝাড়্‌খান্ড্‌, আ-ধ্ব-ব: [dʒʰaːɽkʰəɳɖ]) পূর্ব ভারতের একটি রাজ্য। এর রাজধানীর নাম রাঁচী। এটি বিহারের দক্ষিণাংশ থেকে আলাদা হয়ে ২০০০ সালের ১৫ই নভেম্বর গঠিত হয়েছিল। এই রাজ্য নানা খনিজ সম্পদে পূর্ণ ৷ ঝাড়খণ্ডের পর্যটনকেন্দ্রগুলির মধ্যে বিখ্যাত কয়েকটি হল হলুদপুকুর, রাজমহল, নেতারহাট, হাজারীবাগ, মন্দারগিরি ইত্যাদি৷

দয়াময়ী কালীবাড়ি

দয়াময়ী কালীবাড়ি হল কলকাতার একটি পুরনো কালীমন্দির। এটি মধ্য কলকাতার কলেজ স্কোয়ারের কাছে রমানাথ মল্লিক লেনে অবস্থিত। ১৭৭১ খ্রিষ্টাব্দে জগদ্ধাত্রী পূজার দিন গুরুপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দিরটি বাংলার দালান স্থাপত্যশৈলীর। প্রতিষ্ঠিত কালীমূর্তিটি দক্ষিণাকালীর একটি কষ্টিপাথরের মূর্তি। মন্দিরের গায়ে শ্বেতপাথরের ফলকে লেখা আছে, শ্রীশ্রীদয়াময়ী/ সন ১১৭৮ / শ্রীগুরুপ্রসাদ তরে হেরি দিগম্বরী। এই মন্দিরে শাক্ত মতে পূজা হয়। কোনো পশুবলি হয় না।

দ্পাল-'ব্যোর-র্গ্যা-ম্ত্শো (ঝেছেন রাবজাম)

দ্পাল-'ব্যোর-র্গ্যা-ম্ত্শো (ওয়াইলি: dpal 'byor rgya mtsho) (১৭৭১-১৮০৭) তিব্বতী বৌদ্ধধর্মের র্ন্যিং-মা ধর্মসম্প্রদায়ের তৃতীয় ঝে-ছেন-রাব-'ব্যাম্স (ওয়াইলি: zhe chen rab 'byams) উপাধিধারী বৌদ্ধ অবতারী লামা ছিলেন।

নটিংহ্যামশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব

নটিংহ্যামশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের ঘরোয়া ক্রিকেট অবকাঠামোয় পরিচালিত আঠারোটি প্রথম-শ্রেণীর কাউন্টি ক্লাবগুলোর অন্যতম। ঐতিহাসিক কাউন্টি নটিংহ্যামশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করছে এ ক্লাবটি। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ক্লাবটি নটস আউটলজ নামে পরিচিত। ১৮৪১ সালে কাউন্টি ক্লাবটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে, নটিংহ্যামশায়ার দল শুরুরদিকের সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সচরাচর পুরনো নটিংহাম ক্রিকেট ক্লাব নামে তখন পরিচিত ছিল। ১৭৭১ সাল থেকে শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেট খেলায় দলটি অংশ নিতো। ঐ কাউন্টি ক্লাবটি সর্বদাই তাদের প্রথম-শ্রেণীর মর্যাদা ধরে রেখেছে।

প্রতাপেশ্বর মন্দির

প্রতাপেশ্বর মন্দির পশ্চিমবঙ্গের কালনা শহরে অবস্থিত।অম্বিকা কালনার ১০৮ শিবমন্দিরের বিপরীত গেট দিয়ে রাজবাড়ি মন্দির চত্বরে ঢুকে বাঁদিকের কামান পেরিয়ে একটু এগুলেই প্রথমেই পড়বে টেরাকোটা কারুকার্যমণ্ডিত প্রতাপেশ্বর দেউল-মন্দির। কেউ এটিকে জলেশ্বরের মন্দির বলেছেন। আবার কেউ বলেছেন প্যারীকুমারী মঠ। এর সমান্তরাল খাঁজকাটা গম্বুজাকৃতি শিখর ও নিচের দেওয়ালের চারপাশের প্রতিটি স্থানে ছোট ছোট অসংখ্য টেরাকোটা-ফলক সমৃদ্ধ এই দেউল সত্যই শিল্পীর এক অনাবদ্ধ সৃষ্টি। এই মন্দিরের স্থপিতি-শিল্পী ছিলেন বাঁকুড়া জেলার সোনামুখীর মন্দির-সূত্রধর রামহরি মিস্ত্রি। তিনি সোনামুখীর প্রসিদ্ধ শ্রীধরজী'র পঁচিশচূড়া মন্দিরও নির্মাণ করেন। প্রতাপেশ্বর দেউল ১৭৭১ শকাব্দে বা ১৮৪৯ খ্রীষ্টাব্দে রাজকুমার প্রতাপচন্দ্রের মহিষী প্যারীকুমারী দেবী প্রতিষ্ঠা করেন। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখযোগ্য, কালনা শহরে রাজকুমার প্রতাপচাঁদের অন্তর্ধান হয় এবং জাল প্রতাপচাঁদের নামে যে ফৌজদারী মামলা হয় সেই ঘটনার সূত্রপাত এখানেই হয়।

ব্লো-ব্জাং-ব্স্তান-পা'ই-র্গ্যাল-ম্ত্শান (কির্তি রিনপোছে)

ব্লো-ব্জাং-ব্স্তান-পা'ই-র্গ্যাল-ম্ত্শান (ওয়াইলি: blo bzang bstan pa'i rgyal mtshan) (১৭১২-১৭৭১) তিব্বতী বৌদ্ধধর্মের দ্গে-লুগ্স ধর্মসম্প্রদায়ের পঞ্চম কির-তি রিন-পো-ছে (ওয়াইলি: kir+ti rin po che) উপাধিধারী বৌদ্ধ লামা ছিলেন।

রবার্ট ওয়েন

রবার্ট ওয়েন (ইংরেজি: Robert Owen) (১৪ মে, ১৭৭১ - ১৭ নভেম্বর, ১৮৫৮) একজন ব্রিটিশ (ওয়েলশীয়) সমাজ সংস্কারক এবং কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র ও সমবায় আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নায়ক।রবার্ট ওয়েন ওয়েলসের নিউটাউন গ্রামে ১৭৭১ সালের ১৪ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন একজন দরিদ্র জিন নির্মাতা আর দারিদ্র্যের কারণে তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করা হয় নি। মাত্র নয় বছর বয়সে ওয়েন কাপড়ের দোকানে চাকরি নেন এবং তার বয়স যখন ১৮ বছর, তখন তিনি ম্যানচেস্টার চলে যান। সেখানে একটি সুতা কলে সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে কিছুদিন কাজ করেন। পরে একশ পাউন্ড পুঁজি নিয়ে নিজেই সুতা উৎপাদন ব্যবসা শুরু করেন। তার ব্যবসা কয়েকদিনের মধ্যে ফুলেফেঁপে ওঠে এবং তিনি ম্যানচেস্টারের একজন প্রথম শ্রেণীর ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পান। কয়েক বছর পর তিনি কয়েকজন অংশীদারসহ একটি সুতা প্রস্তুতকারী কোম্পানী গঠন করেন এবং নিজে সে কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিযুক্ত হন। অল্প কয়দিনে তিনি প্রচুর সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন।

স্কাল-ব্জাং-পে-মা-দ্বাং-ফ্যুগ

স্কাল-ব্জাং-পে-মা-দ্বাং-ফ্যুগ (ওয়াইলি: skal bzang pe ma dbang phyug) (১৭২০-১৭৭১) তিব্বতী বৌদ্ধধর্মের র্ন্যিং-মা ধর্মসম্প্রদায়ের র্দো-র্জে-ব্রাগ বৌদ্ধবিহার নামক অন্যতম প্রধান বৌদ্ধবিহারের তৃতীয় প্রধান ছিলেন।

১০ সেপ্টেম্বর

১০ সেপ্টেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২৫৩তম (অধিবর্ষে ২৫৪তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ১১২ দিন বাকি রয়েছে।

১১ নভেম্বর

১১ নভেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৩১৫তম (অধিবর্ষে ৩১৬তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৫০ দিন বাকি রয়েছে।

১৪ মে

১৪ মে গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ১৩৪তম (অধিবর্ষে ১৩৫তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ২৩১ দিন বাকি রয়েছে।

১৫ আগস্ট

১৫ আগস্ট গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২২৭তম (অধিবর্ষে ২২৮তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ১৩৮ দিন বাকি রয়েছে।

২২ জানুয়ারি

২২ জানুয়ারি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২২তম দিন। বছর শেষ হতে আরো ৩৪৩ (অধিবর্ষে ৩৪৪) দিন বাকি রয়েছে।

৩০ জুলাই

৩০ জুলাই গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২১১তম (অধিবর্ষে ২১২তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ১৫৪ দিন বাকি রয়েছে।

৪ নভেম্বর

৪ নভেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৩০৮তম (অধিবর্ষে ৩০৯তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৫৭ দিন বাকি রয়েছে।

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.