১৭৩৯

১৭৩৯ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর একটি সাধারণ বছর।

সহস্রাব্দ: ২য় সহস্রাব্দ
শতাব্দী:
দশক:
  • ১৭২০-এর দশক
  • ১৭৩০-এর দশক
  • ১৭৪০-এর দশক
বছর:
বিষয় অনুসারে ১৭৩৯:
শিল্পকলা এবং বিজ্ঞান
প্রত্নতত্ত্ব – স্থাপত্য – শিল্প – সাহিত্য (কবিতা) – সঙ্গীত – বিজ্ঞান
রাষ্ট্রনেতৃবৃন্দ
রাষ্ট্রনেতৃবৃন্দ - সার্বভৌম রাষ্ট্র
জন্ম ও মৃত্যু বিষয়শ্রেণীসমূহ
জন্ম - মৃত্যু
প্রতিষ্ঠা ও বিলুপ্তি বিষয়শ্রেণীসমূহ
প্রতিষ্ঠা - বিলুপ্তি
কাজ বিষয়শ্রেণী
কাজ
অন্যান্য পঞ্জিকায় ১৭৩৯
গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী১৭৩৯
MDCCXXXIX
আব উর্বে কন্দিতা২৪৯২
আর্মেনীয় বর্ষপঞ্জী১১৮৮
ԹՎ ՌՃՁԸ
অ্যাসিরীয় বর্ষপঞ্জী৬৪৮৯
বাংলা বর্ষপঞ্জি১১৪৫–১১৪৬
বেরবের বর্ষপঞ্জি২৬৮৯
বুদ্ধ বর্ষপঞ্জী২২৮৩
বর্মী বর্ষপঞ্জী১১০১
বাইজেন্টাইন বর্ষপঞ্জী৭২৪৭–৭২৪৮
চীনা বর্ষপঞ্জী戊午年 (পৃথিবীর ঘোড়া)
৪৪৩৫ বা ৪৩৭৫
    — থেকে —
己未年 (পৃথিবীর ছাগল)
৪৪৩৬ বা ৪৩৭৬
কপটিক বর্ষপঞ্জী১৪৫৫–১৪৫৬
ডিস্কর্ডীয় বর্ষপঞ্জী২৯০৫
ইথিওপীয় বর্ষপঞ্জী১৭৩১–১৭৩২
হিব্রু বর্ষপঞ্জী৫৪৯৯–৫৫০০
হিন্দু বর্ষপঞ্জীসমূহ
 - বিক্রম সংবৎ১৭৯৫–১৭৯৬
 - শকা সংবৎ১৬৬০–১৬৬১
 - কলি যুগ৪৮৩৯–৪৮৪০
হলোসিন বর্ষপঞ্জী১১৭৩৯
ইগ্বো বর্ষপঞ্জী৭৩৯–৭৪০
ইরানি বর্ষপঞ্জী১১১৭–১১১৮
ইসলামি বর্ষপঞ্জি১১৫১–১১৫২
জুলীয় বর্ষপঞ্জীগ্রেগরীয় বিয়োগ ১১ দিন
কোরীয় বর্ষপঞ্জী৪০৭২
মিঙ্গু বর্ষপঞ্জীপ্রজা. চীনের পূর্বে ১৭৩
民前১৭৩年
থাই সৌর বর্ষপঞ্জী২২৮১–২২৮২

ঘটনাবলী

অক্টোবর-ডিসেম্বর

জন্ম

অক্টোবর-ডিসেম্বর

মৃত্যু

আলীবর্দী খান

নবাব আলীবর্দী খান (জন্ম: ১০ মে ১৬৭১ – মৃত্যু: ৯ এপ্রিল ১৭৫৬) ছিলেন ১৭৪০ থেকে ১৭৫৬ সাল পর্যন্ত বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব। তিনি দীর্ঘ ১৬ বছর বাংলার নবাব ছিলেন এবং তার শাসনামলের অধিকাংশ সময়ই মারাঠা আক্রমণকারী ও আফগান বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যয়িত হয়। একজন অসমসাহসী ও রণনিপুণ সেনাপতি হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন এবং কর্মদক্ষ ও দূরদর্শী শাসক হিসেবে তার খ্যাতি ছিল।

কাটোয়ার যুদ্ধ (১৭৪৫)

কাটোয়ার দ্বিতীয় যুদ্ধ ১৭৪৫ সালের ডিসেম্বরে বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কাটোয়ায় বাংলার নবাব আলীবর্দী খানের সৈন্যবাহিনী এবং প্রথম রঘুজী ভোঁসলে ও মীর হাবিবের নেতৃত্বাধীন মারাঠা বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়। যুদ্ধে মারাঠারা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। এই যুদ্ধে পরাজয়ের পর রঘুজী নাগপুরে ফিরে যান, আর মীর হাবিব মেদিনীপুরের দিকে পলায়ন করেন।

ঙ্গাগ-দ্বাং-'জাম-দ্ব্যাংস-ব্ক্রা-শিস

ঙ্গাগ-দ্বাং-'জাম-দ্ব্যাংস-ব্ক্রা-শিস (ওয়াইলি: ngag dbang 'jam dbyangs bkra shis) (১৭৩৯-১৮১৩) তিব্বতী বৌদ্ধধর্মের দ্গে-লুগ্স ধর্মসম্প্রদায়ের দ্বিতীয় ব্সে-ত্শাং রিন-পো-ছে (ওয়াইলি: bse tshang rin po che) উপাধিধারী বৌদ্ধ লামা ছিলেন। তিনি তিব্বতের আমদো অঞ্চলে অবস্থিত ব্লা-ব্রাং-ব্ক্রা-শিস-'খ্যিল বৌদ্ধবিহারের (তিব্বতি: བླ་བྲང་བཀྲ་ཤིས་འཁྱིལ་, ওয়াইলি: bla-brang bkra-shis-'khyil) দ্বাদশ প্রধান এবং রোং-বো বৌদ্ধবিহারের চতুর্দশ প্রধান ছিলেন।

ঙ্গাগ-দ্বাং-ম্ছোগ-ল্দান

ঙ্গাগ-দ্বাং-ম্ছোগ-ল্দান (তিব্বতি: ངག་དབང་མཆོག་ལྡན, ওয়াইলি: ngag dbang mchog ldan) (১৬৭৭-১৭৫১) তিব্বতী বৌদ্ধধর্মের দ্গে-লুগ্স ধর্মসম্প্রদায়ের দ্গা'-ল্দান বৌদ্ধবিহারের চুয়ান্নতম দ্গা'-ল্দান-খ্রি-পা বা প্রধান ছিলেন।

ডেভিড হিউম

ডেভিড হিউম (ইংরেজি: David Hume) (/ hjuːm /; জন্মগ্রহণ করেন ডেভিড হোম; ৭ মে ১৭১১ এনএস (২৬ এপ্রিল ১৭১১ ওএস) - ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন একটি স্কটিশ দার্শনিক ইতিহাসবিদ অর্থনীতিবিদ এবং প্রবন্ধক যিনি দার্শনিক সমীচীন ভাবধারতা ও প্রকৃতিবাদে তার অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যবস্থার জন্য সুপরিচিত। দর্শনের হিউম এর অভিজ্ঞতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি তাকে জন লক ফ্রান্সিস বেকন এবং টমাস হোবসের সাথে একটি ব্রিটিশ এমপিজিস্ট হিসেবে স্থান দিয়েছেন। মানুষের প্রকৃতির একটি তাত্ত্বিকতা (১৭৩৯) থেকে শুরু করে হিউম মানব প্রকৃতির মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি পরীক্ষা করে এমন ব্যক্তির মোট প্রাকৃতিকধর্মের সৃষ্টি করতে সংগ্রাম করেছিলেন। দার্শনিক যুক্তিবাদী হিউম বিরুদ্ধে যে যুক্তি বরং মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ যে অনুষ্ঠিত। হুমায়ূর এই ধারণার প্রেক্ষিতে যুক্তিযুক্ত যে, সমস্ত মানব জ্ঞানের ভিত্তি হল হুম এভাবেই প্রতিষ্ঠিত হয় যে, সত্যিকার অর্থে জ্ঞানগুলি অবশ্যই অভিজ্ঞতার অনুপস্থিত বস্তুর প্রত্যক্ষদর্শীর পরিচায়ক হতে পারে বা ধারণাগুলির মধ্যে সম্পর্কে বিমূর্ত ধারণা থেকে ফলাফল হতে পারে যা বিশ্রামের অভিজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত হয়েছে। হুমের কাঁধের নাম বাদ দিলেও দ্বন্দ্বের অন্যতম ব্যপার না।

মাঝে মাঝে হুউমের আবেগের সমস্যা হিসাবে উল্লেখ করা হয়, তিনি যুক্তি দেন যে আবেগের যুক্তি এবং বিশ্বাসের ধারণাকে কৌশলী এবং মানসিক অভ্যাসের কারণে কার্যকারণ ও আবর্তনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে যুক্তিযুক্তভাবে ন্যায়সঙ্গত হতে পারে না এবং কেবলমাত্র ঘটনাগুলির ধ্রুবক অভিজ্ঞতার অভিজ্ঞতার কারণে। এই কারণেই আমরা আসলে কখনও বুঝতে পারি না যে এক ইভেন্ট অন্য কারণ করে কিন্তু শুধুমাত্র যে দুটি সবসময় conjoined হয়। অতএব, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে কোন কার্যকারিতার পরিচয় আঁকতে হলে ভবিষ্যতে ভবিষ্যতে এমন একটি ধারণার অনুরূপ মনে করা প্রয়োজন যা পূর্বের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নিজেই করা যাবে না।ঈশ্বরের অস্তিত্বের জন্য টেলিকালচারাল যুক্তিবাদ বিরোধী হিউমের বিরোধীদলটি সাধারণভাবে ডারউইনবাদের পূর্বে যুক্তিটি প্রত্যাখ্যান করার সর্বাধিক বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচেষ্টা বলে বিবেচিত হয়।

হিউম ছিলেন একজন ভাবপ্রবণ ব্যক্তি যারা যে অনুষ্ঠিত নৈতিকতার উপর ভিত্তি করে করা হয়, আবেগ বা অনুভূতির বদলে বিমূর্ত নৈতিক নীতি, বিখ্যাত ঘোষণা যে, "কারণ ও কর্তব্য হতে শুধুমাত্র দাসের ভাবাবেগ". হিউম এর নৈতিক তত্ত্ব হিসেবে দেখা হয়েছে একটি অনন্য প্রয়াস, সংশ্লেষণ আধুনিক ভাবপ্রবণ ব্যক্তি নৈতিক ঐতিহ্য, যা থেকে হিউম বিলঙ্গড সঙ্গে পুণ্য নীতিশাস্ত্র, ঐতিহ্য, প্রাচীন দর্শন, যা দিয়ে হিউম একমত, এ সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্যের অক্ষরেখা বরং ঘটনা বা তাদের পরিণতিহিসেবে শেষ পর্যন্ত সঠিক বস্তু নৈতিক মূল্যায়ন. হিউম পরিচালিত একটি প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি প্রকৃতিবাদী ব্যাখ্যা নৈতিক ঘটনা, এবং সাধারণত গ্রহণ করা হয়েছে, প্রথমত পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিলেন যে কর্তব্য সমস্যা বা ধারণা যে একটি বিবৃতি আসলে একা না করতে পারেন, বৃদ্ধি দিতে একটি আদর্শ উপসংহার কি কর্তব্য সম্পন্ন করা. হিউম এছাড়াও যে বঞ্চিত মানুষের আছে একটি প্রকৃত ধারণা স্ব positing যে আমরা অভিজ্ঞতা শুধুমাত্র একটি বান্ডিল, sensations,, এবং যে, নিজের ছাড়া আর কিছুই নয়, এই বান্ডিল কোন গুরুতর প্রতিকূল-সংযুক্ত অনুভূতি. হিউম এর compatibilist তত্ত্ব বিনামূল্যে করতে লাগে কার্যকারণ নিয়তিবাদ হিসাবে সম্পূর্ণরূপে সুসংগতের সঙ্গে মানুষের স্বাধীনতা.

হিউম প্রভাবিত উপযোগবাদ, জ্ঞানতত্ত্ব, ইমানুয়েল কান্ট, দর্শন, বিজ্ঞান, তাড়াতাড়ি বিশ্লেষণী দর্শন, জ্ঞানীয় বিজ্ঞান, ধর্মতত্ত্ব এবং অন্যান্য আন্দোলন ও চিন্তাবিদদের। কান্ত নিজেকে হিউম হিসাবে উদ্দীপনা জমা, তার দার্শনিক চিন্তা ছিল, যারা জেগে থাকে তাকে তার "উদ্ধত সাম্বার".

বাংলা ও মুর্শিদাবাদের নবাবগণ

বাংলার নবাবগণ ছিলেন সম্পূর্ণ রূপ বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নওয়াবে নিজাম। মুঘল আমলে যারা সুবাহ বাংলার প্রাদেশিক শাসক ছিলেন। ১৭১৭ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত তারা সার্বভৌম বাংলার প্রধান হিসেবে এই অঞ্চল শাসন করেছেন। পদটি মুঘল আমলে পুরুষানুক্রমিকভাবে নাজিম ও সুবেদার থেকে সৃষ্টি হয়েছিল এবং পরবের্তিতে তারা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলসমূহে স্বাধীনভাবে শাসণ করেছিলেন। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজদ্দৌলা পলাশীর যুদ্ধে মীরজাফর কর্তৃক বিশ্বাসঘাতকতার স্বীকার হন। যুদ্ধে তিনি ব্রিটিশদের কাছে পরাজিত হন যারা ১৭৫৭ সালে বাংলা অধিগ্রহণ করে মীর জাফরকে ক্ষমতায় বসান এবং একটি রাজনৈতিক ধারা প্রবর্তন করেন।১৭৬৫ সালে দ্বৈত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় যেখানে নবাবগণ ব্রিটিশদের অধীণে শাসন করতেন এবং তারা ব্রিটিশদের হাতের পুতুল ছিলেন। ১৭৭২ সালে ধারাটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে শাসণ ব্যবস্থা সরাসরি ব্রিটিশদের অধীনে নেওয়া হয়। ১৭৯৩ সালে নবাবদের কাছ থেকে নিজামত (গভর্নর) অধিকারও প্রত্যাহার করা হয়, তখন তাদের ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি থেকে শুধু সামান্য অবসরকালীন ভাতা দেওয়া হত। বাংলার শেষ নবাব মনসুর আলী খান ১৮৮০ সালের ১লা নভেম্বর তার জ্যেষ্ঠ পুত্রের জন্য ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করেন।মনসুর আলী খানের পদত্যাগের পর মুর্শিদাবাদের নবাব ও বাংলার নবাব, মুর্শিদাবাদের নবাব বাহাদুর হিসেবে পরিচিতি পান যেহেতু ১৮৮০ সালে বাংলার নবাব উপাধিটি বিলুপ্ত হয়েছিল। সেসময় রাজস্ব আদায়ে তাদের খুবই কম বা অনেক ক্ষেত্রে কর্তৃত্ব ছিল না বললেই চলে এবং তারা বল প্রয়োগ থেকেও বিরত ছিল। ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার পর রাজ্যসমূহের ভারত বা পাকিস্তানের অঙ্গীভূত হওয়ার বাধ্যবাধাকতা ছিল। এটা উল্লেখ করা যেতে পারে যে মর্শিদাবাদ (রাজধানী শহর) দুদিনের জন্য পূর্ব পাকিস্তানের অঙ্গীভূত হয়েছিল, কারণ এখানে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ১৯৪৭ সালের ১৭ই আগস্ট এটি ভারতের অঙ্গীভূত হয়। হাজারদুয়ারী প্রাসাদ থেকে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে তেরঙা ভারতের পতাকা উত্তোলন করা হয়। ভারতের সাথে একত্রীত হওয়ার পর এসব রাজ্যসমূহের ক্ষমতা খর্ব হয়ে যায় কারণ ভারত সরকার সকল রাজ্যসমূহের কর্তৃত নিয়েছিল। ১৯৬৯ সালে শেষ নবাব ওয়ারিস আলী মির্জার সাথে সাথে নাবাব উপাধিটিও ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। যদিও তিনি তিনজন ছেলে ও তিনজন মেয়ে রেখে গিয়েছিলেন কিন্তু তার মৃত্যুর পূর্বে কোন উত্তরাধীকারী ঘোষণা না করে যাওয়ার দরুন নবাব উপাধিটিও এখানেই সমাপ্তি ঘটে।

ব্লো-ব্জাং-ব্ক্রা-শিস

ব্লো-ব্জাং-ব্ক্রা-শিস (তিব্বতি: བློ་བཟང་བཀྲ་ཤིས, ওয়াইলি: blo bzang bkra shis) (১৭৩৯-১৮০১) তিব্বতী বৌদ্ধধর্মের দ্গে-লুগ্স ধর্মসম্প্রদায়ের দ্গা'-ল্দান বৌদ্ধবিহারের চৌষট্টিতম দ্গা'-ল্দান-খ্রি-পা বা প্রধান ছিলেন।

মীর কাসিম

মীর কাশিম (পুরা নাম মীর মুহম্মদ কাশিম আলী খান) (মৃত্যু ৮ মে, ১৭৭৭) ১৭৬০ সাল থেকে ১৭৬৩ সাল পর্যন্ত বাংলার নবাব ছিলেন। পলাশীর যুদ্ধ পরবর্তী নবাব মীর জাফরকে ক্ষমতাচ্যুত করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মীর কাসিমকে ক্ষমতায় বসায়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকায় মীর জাফর ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে চুক্তি করতে সচেষ্ট হন। ব্রিটিশরা ডাচদের ক্রমেই পরাজিত করে এবং মীর জাফরকে ক্ষমতাচ্যুত করে মীর কাসিমকে ক্ষমতায় বসায়। মির কাসিম পরবর্তিতে ইংরেজদের সাথে সামরিক যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন। বক্সারের যুদ্ধে তিনি ইংরেজ বাহিনির হাতে পরাজিত হন। বলা হয়ে থাকে এই যুদ্ধই ছিল বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার সর্বশেষ সুযোগ।

মীর কাসিম ইংরেজ শোষনের বিরুদ্ধে বরাবরই প্রতিবাদী ছিলেন। চুক্তি মোতাবেক বর্ধমান, মেদিনীপুর ও চট্টগ্রাম এ তিনটি জেলার রাজস্ব আয় তিনি কোম্পানিকে প্রদান করেন। কোম্পানির কাছে মীর জাফরের বকেয়া দেনা পরিশোধের দায়ও তার উপরে বর্তায়। ক্ষমতালাভের পর তিনি স্বাধীনভাবে শাসন কাজ পরিচালনায় সচেষ্ট হন। মীর কাসিম একটি চৌকস সামরিক বাহিনি এবং পূর্ন রাজকোষের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেছিলেন। তিনি তার দক্ষ কূটনীতির মাধ্যমে মুঘল সম্রাট শাহ আলমের স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন। তিনি তার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে মুঙ্গেরে স্থানান্তর করেন। জমি জরিপ ব্যবস্থার সংস্কার সাধন করেন। নতুন ভূমি কর প্রবর্তন করেন। সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পায়। সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারীদের বেতন প্রদান করা সম্ভব হয়।

বক্সারের যুদ্ধে পরাজিত হয়ে তিনি নিরুদ্দেশ হন। ৮ মে ১৭৭৭ সালে দিল্লীর কাছে সম্ভবত শোথ রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি অত্যান্ত দরিদ্রপিড়ীত ছিলেন। তার রেখে যাওয়া একমাত্র সম্পদ, দুইটি শাল বিক্রি করে তার দাফনের কাজ সম্পাদন করা হয়।

মুঘল সাম্রাজ্য

মুঘল বা মোগল সাম্রাজ্য (উর্দু: مغلیہ سلطنت‎‎, Mug̱ẖliyah Salṭanat, ফার্সি: گورکانیان‎‎, Gūrkāniyān)), ছিল ভারত উপমহাদেশের একটি সাম্রাজ্য। উপমহাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলজুড়ে মুঘল সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিল। মুঘল সাম্রাজ্য মূলতঃ পারস্য ও মধ্য এশিয়ার ভাষা, শিল্প ও সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত ছিল।পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইবরাহিম লোদির বিরুদ্ধে বাবরের জয়ের মাধ্যমে মুঘল সাম্রাজ্যের সূচনা হয়। মুঘল সম্রাটরা ছিলেন মধ্য এশিয়ার তুর্কো-মঙ্গোল বংশোদ্ভূত। তারা চাগতাই খান ও তৈমুরের মাধ্যমে চেঙ্গিস খানের বংশধর। ১৫৫৬ সালে আকবরের ক্ষমতারোহণের মাধ্যমে মুঘল সাম্রাজ্যের ধ্রূপদী যুগ শুরু হয়। আকবর ও তার ছেলে জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ভারতে অর্থনৈতিক প্রগতি বহুদূর অগ্রসর হয়। আকবর অনেক হিন্দু রাজপুত রাজ্যের সাথে মিত্রতা করেন। কিছু রাজপুত রাজ্য উত্তর পশ্চিম ভারতে মুঘলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জারি রাখে কিন্তু আকবর তাদের বশীভূত করতে সক্ষম হন। মুঘল সম্রাটরা মুসলিম ছিলেন তবে জীবনের শেষের দিকে শুধুমাত্র সম্রাট আকবর ও তার পুত্র সম্রাট জাহাঙ্গীর নতুন ধর্ম দীন-ই-ইলাহির অনুসরণ করতেন।মুঘল সাম্রাজ্য স্থানীয় সমাজে হস্তক্ষেপ করত না তবে প্রশাসনিকভাবে এসববের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা হত। অনেক বেশি কাঠামোগত, কেন্দ্রীভূত শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়। মুঘল শাসনামলে উত্তর ও পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন গোষ্ঠী যেমন মারাঠা, রাজপুত ও শিখরা সামরিক শক্তি অর্জন করে।

শাহজাহানের যুগে মুঘল স্থাপত্য এর স্বর্ণযুগে প্রবেশ করে। তিনি অনেক স্মৃতিসৌধ, মসজিদ, দুর্গ নির্মাণ করেন যার মধ্যে রয়েছে আগ্রার তাজমহল, মোতি মসজিদ, লালকেল্লা, দিল্লি জামে মসজিদ। আওরঙ্গজেবের শাসনামলে মুঘল সাম্রাজ্যের সীমানা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছায়। শিবাজী ভোসলের অধীনে মারাঠাদের আক্রমণের ফলে সাম্রাজ্যের অবনতি শুরু হয়। আওরঙ্গজেবের সময় দক্ষিণ ভারত জয়ের মাধ্যমে ৩.২ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটারের বেশি অঞ্চল মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্গত হয়। এসময় সাম্রাজ্যের জনসংখ্যা ছিল ১৫০ মিলিয়নের বেশি যা তৎকালীন পৃথিবীর জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ এবং জিডিপি ছিল ৯০ বিলিয়ন ডলারের বেশি।১৮শ শতাব্দীর মধ্যভাগ নাগাদ মারাঠারা মুঘল সেনাবাহিনীর বিপক্ষে সফলতা লাভ করে এবং দক্ষিণাত্য থেকে বাংলা পর্যন্ত বেশ কিছু মুঘল প্রদেশে বিজয়ী হয়। সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ার দুর্বলতার কারণে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ সৃষ্টি হয় যার ফলে বিভিন্ন প্রদেশ কার্যত স্বাধীন হয়ে পড়ে। ১৭৩৯ সালে কারনালের যুদ্ধে নাদির শাহের বাহিনীর কাছে মুঘলরা পরাজিত হয়। এসময় দিল্লি লুন্ঠিত হয়। পরের শতাব্দীতে মুঘল শক্তি ক্রমান্বয়ে সীমিত হয়ে পড়ে এবং শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের কর্তৃত্ব শুধু শাহজাহানাবাদ শহরে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। সিপাহী বিদ্রোহের সমর্থনে তিনি একটি ফরমান জারি করেছিলেন। সিপাহী বিদ্রোহ ব্যর্থ হলে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তার বিরুদ্ধে রাজদ্রোহীতার অভিযোগ এনে কারাবন্দী করে। শেষে তিনি রেঙ্গুনে নির্বাসিত হন এবং সেখানেই মারা যান।

রবার্ট মেনার্ড

ক্যাপ্টেন রবার্ট মেনার্ড (আনুমানিক ১৬৮৪ - ৪ই জানুয়ারি ১৭৫১) ছিলেন রয়াল নেভির একজন লেফটেনান্ট ও পরবর্তীকালে ক্যাপ্টেন। তিনি প্রথমে ছিলেন এইচএমএস পার্লের লেফটানান্ট এবং তিনি সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত ইংরেজ কুখ্যাত জলদস্যু ব্ল্যাকবিয়ার্ডকে একটি যুদ্ধে পরাজিত করার কারনে। রবার্ট মেনার্ড ১৭০৭ সালের ১৪ই জানুয়ারি লেফটানান্ট হিসেবে নিয়োগ পান। ১৭০৯ থেকে তিনি ছিলেন এইচএমএস-এর তৃতীয় লেফটানান্ট। তিনি ১৭১৬ সালে এইচএমএস পার্ল-এর ফার্স্ট লেফটানান্ট হিসেবে নিয়োগ পান। ১৭৩৯ সালে তাকে কমোডোর হিসেবে পদন্নতি দেওয়া হয় ও ১৭৪০ সালে ক্যাপ্টেন হিসেবে নিয়োগ পান।

রুশ–তুর্কি যুদ্ধ (১৭৩৫–১৭৩৯)

রুশ–তুর্কি যুদ্ধ (১৭৩৫–১৭৩৯) ছিল ১৭৩৫ থেকে ১৭৩৯ সালে রাশিয়া এবং অটোমান সাম্রাজ্যের মধ্যে সংঘটিত একটি যুদ্ধ। রাশিয়ার অভ্যন্তরে অটোমানদের অধীনস্থ ক্রিমিয়ান তাতারদের লুণ্ঠন অভিযানসমূহ ছিল এই যুদ্ধের অন্যতম কারণ। অটোমান তুর্কিদের নিয়ন্ত্রণাধীন কৃষ্ণসাগরে রুশদের প্রবেশাধিকারের আকাঙ্ক্ষাও এই যুদ্ধের একটি অন্তর্নিহিত কারণ ছিল। ১৭৩৯ সালে বেলগ্রেডের সন্ধির মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটে।

সরফরাজ খান

সরফরাজ খান (মৃত্যু: এপ্রিল ২৯, ১৭৪০) ছিলেন বাংলার একজন নবাব। তার আসল নাম মির্জা আসাদুল্লাহ। সরফরাজ খানের নানা নবাব মুর্শিদ কুলি খান সরফরাজকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশার নবাব বা তার উত্তরাধীকারী মনোনীত করেন। ১৭২৭ সালে মুর্শিদ কুলি খানের মৃত্যুর পর যখন তিনি সিংহাসনে আরোহন করবেন তখন জানতে পারেন তার পিতা ওড়িশার সবেদার সুজা উদ্দিন মুহাম্মদ খান ও তার ডেপুটি আলীবর্দী খাঁ বিশাল বাহিনী নিয়ে সিংহাসন দখলের জন্য মুর্শিদাবাদ অগ্রসর হচ্ছে। পরিবারের মধ্যে কলহ এড়ানোর জন্য দেওজার বেগম সরফরাজকে তার পিতার সম্মানে সিংহাসন ছেড়ে দিতে বলেন। যাইহোক পরবর্তীতে সুজা উদ্দিন মুহাম্মদ খান তার উত্তরাধীকারী হিসেবে সরফরাজকেই মনোনীত করেন এবং ১৭৩৯ সালে পিতার মৃত্যুর পর তিনি সিংহাসনে আরোহন করেন। সিংহাসনে বসার পর তিনি আলা উদ্দিন হাইদার জং উপাধি ধারন করেন।

সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, অম্বিকা-কালনা

সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার অম্বিকা-কালনা নামক স্থানে অবস্থিত একটি প্রাচীন কালী মন্দির।

সিরাজউদ্দৌলা

নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা বা মির্জা মুহাম্মাদ সিরাজ-উদ-দৌলা ( জন্ম: ১৭৩২ - মৃত্যু: ১৭৫৭) বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব। পলাশীর যুদ্ধে তার পরাজয় ও মৃত্যুর পরই ভারতবর্ষে ১৯০ বছরের ইংরেজ-শাসনের সূচনা হয়।

সিরাজউদ্দৌলা তার নানা নবাব আলীবর্দী খান-এর কাছ থেকে ২৩ বছর বয়সে ১৭৫৬ সালে বাংলার নবাবের ক্ষমতা অর্জন করেন। তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারনে ২৩ জুন ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন। রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার শাসনভার গ্রহণ করে।

সুজাউদ্দিন খান

সুজা উদ্দিন মুহাম্মদ খান ছিলেন বাংলার একজন নবাব। তিনি মুর্শিদ কুলি খানের কন্যা জয়নব উন-নিসা বেগম ও আজমত উন-নিসা বেগমকে বিয়ে করেছিলেন। তার তৃতীয় স্ত্রীর নাম দুরদানা বেগম সাবিহা। ৩০শে জুন ১৭২৭ সালে তার শ্বশুর মুর্শিদ কুলি খানের মৃত্যুর পর তিনি নবাব সিংহাসনে আরোহন করেন।

১৩ ফেব্রুয়ারি

১৩ ফেব্রুয়ারি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৪৪তম দিন। বছর শেষ হতে আরো ৩২১ (অধিবর্ষে ৩২২) দিন বাকি রয়েছে।

১৩ মার্চ

১৩ মার্চ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৭২তম (অধিবর্ষে ৭৩তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ২৯৩ দিন বাকি রয়েছে।

২২ মার্চ

২২ মার্চ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৮১তম (অধিবর্ষে ৮২তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ২৮৪ দিন বাকি রয়েছে।

২৪ ফেব্রুয়ারি

২৪ ফেব্রুয়ারি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৫৫তম দিন। বছর শেষ হতে আরো ৩১০ (অধিবর্ষে ৩১১) দিন বাকি রয়েছে।

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.