১০১৮


১০১৮ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর একটি সাধারণ বছর।

সহস্রাব্দ: ২য় সহস্রাব্দ
শতাব্দী:
  • ১০ম শতাব্দী
  • ১১শ শতাব্দী
  • ১২শ শতাব্দী
দশক:
বছর:
বিষয় অনুসারে ১০১৮
নেতাদের তালিকা
রাষ্ট্রনেতৃবৃন্দ
জন্ম ও মৃত্যু বিষয়শ্রেণীসমূহ
জন্ম – মৃত্যু
প্রতিষ্ঠা ও বিলুপ্তি বিষয়শ্রেণীসমূহ
প্রতিষ্ঠা – বিলুপ্তি
অন্যান্য পঞ্জিকায় ১০১৮
গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী১০১৮
MXVIII
আব উর্বে কন্দিতা১৭৭১
আর্মেনীয় বর্ষপঞ্জী৪৬৭
ԹՎ ՆԿԷ
অ্যাসিরীয় বর্ষপঞ্জী৫৭৬৮
বাংলা বর্ষপঞ্জি৪২৪–৪২৫
বেরবের বর্ষপঞ্জি১৯৬৮
বুদ্ধ বর্ষপঞ্জী১৫৬২
বর্মী বর্ষপঞ্জী৩৮০
বাইজেন্টাইন বর্ষপঞ্জী৬৫২৬–৬৫২৭
চীনা বর্ষপঞ্জী丁巳年 (আগুনের সাপ)
৩৭১৪ বা ৩৬৫৪
    — থেকে —
戊午年 (পৃথিবীর ঘোড়া)
৩৭১৫ বা ৩৬৫৫
কপটিক বর্ষপঞ্জী৭৩৪–৭৩৫
ডিস্কর্ডীয় বর্ষপঞ্জী২১৮৪
ইথিওপীয় বর্ষপঞ্জী১০১০–১০১১
হিব্রু বর্ষপঞ্জী৪৭৭৮–৪৭৭৯
হিন্দু বর্ষপঞ্জীসমূহ
 - বিক্রম সংবৎ১০৭৪–১০৭৫
 - শকা সংবৎ৯৩৯–৯৪০
 - কলি যুগ৪১১৮–৪১১৯
হলোসিন বর্ষপঞ্জী১১০১৮
ইগ্বো বর্ষপঞ্জী১৮–১৯
ইরানি বর্ষপঞ্জী৩৯৬–৩৯৭
ইসলামি বর্ষপঞ্জি৪০৮–৪০৯
জুলীয় বর্ষপঞ্জী১০১৮
MXVIII
কোরীয় বর্ষপঞ্জী৩৩৫১
মিঙ্গু বর্ষপঞ্জীপ্রজা. চীনের পূর্বে ৮৯৪
民前৮৯৪年
সেলেউসিড যুগ১৩২৯/১৩৩০ এজি
থাই সৌর বর্ষপঞ্জী১৫৬০–১৫৬১

ঘটনাবলী

অক্টোবর-ডিসেম্বর

জন্ম

অক্টোবর-ডিসেম্বর

মৃত্যু

আইজল

আইজল (ইংরেজি:Aizawl), ভারতের মিজোরাম রাজ্যের আইজল জেলার একটি শহর ।

এটি ভারতের মিজোরাম রাজ্যের রাজধানী।

আতিয়া মসজিদ

আতিয়া মসজিদ বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক মসজিদ যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এই মসজিদটি ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে এবং এখানে নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের পুরাতত্ত্ব বিভাগ এ স্থাপনার তত্ত্বাবধান করছে।

টাঙ্গাইল অঞ্চলে প্রাপ্ত মূল শিলালিপিগুলোর মধ্যে আতিয়া জামে মসজিদ এলাকায় প্রাপ্ত একটি আরবি এবং একটি ফার্সি শিলালিপি রয়েছে, তবে এগুলোতে মসজিদের নির্মাণকাল সম্পর্কিত তথ্যের ক্ষেত্রে কিছুটা অসংগতি পরিলক্ষিত হয়। বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরে রক্ষিত শিলালিপিটিতে নির্মাণকাল ১০১৯ হিজরি (১৬১০-১১ খ্রি.) দেয়া হলেও কেন্দ্রীয় প্রবেশ পথের উপর স্থাপিত অপর শিলালিপিতে এর নির্মাণকাল ১০১৮ হিজরি (১৬০৮-৯ খ্রি.) উল্লেখ করা হয়েছে।

আলি ইবনে হামুদ আল নাসির

আলি ইবনে হামুদ আল-নাসির (আরবি: الناصر علي بن حمود‎‎ - al-nāṣir ʿalī ben ḥammūd, মৃত্যু: ২২শে মার্চ ১০১৮ ) ছিলেন ষষ্ঠতম কর্ডোবা খিলাফত এর খলিফা। তিনি ১০১৬ থেকে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন মুসলিম স্পেনের হামুদ্দিন রাজবংশ এর একজন সদস্য।

তিনি তানজাহ , মালাগা জয় করেছিলেন এবং স্পেনের বন্দর নগরী আলজেরিকাস দখল করেছিলেন ।

গিগাবাইট

গিগা বাইট ( GIG-ə-byt) হল ডিজিটাল তথ্য স্টোরেজের জন্য একাধিক একক বাইট । এটি স্টোরেজ ডিভাইস সমূহের ধারণ ক্ষমতার একক। আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে প্রেফিক্স গিগার অর্থ ১০৯, সুতরাং ১ গিগাবাইট হয় ১০০০০০০০০০ বাইট। গিগাবাইট এককের প্রতীক হল GB বা Gbyte।

ঐতিহাসিকভাবে, শব্দটি কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং তথ্য প্রযুক্তির কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে জিবিবাইট হিসেবে, অথবা ১০৭৩৭৪১৮২৪ (১০২৪৩ অথবা ২৩০) বাইট। পেন ড্রাইভ, স্মার্ট কার্ড, মাল্টি মিডিয়া কার্ড (এমএমসি), মেমোরি স্টিক, কমপ্যাক্ট ফ্লাস কার্ড, পিকচার এক্সডি কার্ড বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত এর ধারণ ক্ষমতার জন্য, এসডি কার্ড ইত্যাদি সব কার্ড এর মান ই গিগা বাইট দ্বারা হিসাব করা হয়। এছাড়া গ্রাফিক্স কার্ড, র‌্যাম, এগুলো তো আছেই।

চতুর্থ আবদুর রহমান

চতুর্থ আবদুর রহমান (عبدالرحمن) ছিলেন কর্ডো‌বার খলিফা। তিনি ১০১৮ সালে সুলাইমান ইবনুল হাকামের উত্তরসুরি হন। একই বছর একটি যুদ্ধ থেকে পিছু হটার সময় কাদিজে তিনি নিহত হন।

জলমণ্ডল

কোন গ্রহের জলমণ্ডল বলতে ঐ গ্রহের পৃষ্ঠসংলগ্ন অঞ্চল এবং পৃষ্ঠের ওপরে বা নীচে অবস্থিত জলের সামগ্রিক সমষ্টিকে বোঝায়।

জলমণ্ডল বা বারিমণ্ডল (গ্রিক শব্দ ὕδωρ hydōr, "water" এবং σφαῖρα sphaira, "sphere" থেকে এসেছে) অর্থে গ্রহ, ছোটো গ্রহ অথবা উপগ্রহের অভ্যন্তর এবং পৃষ্ঠতলের ওপর অবস্থিত জলের সামগ্রিক সমষ্টিকে বলা হয়। যদিও পৃথিবীর জলমণ্ডল দীর্ঘ ৪ বিলিয়ন বছরের পুরোনো, এর আকারের পরিবর্তন হয়েই চলেছে। এর কারণ হল সমুদ্রতলের প্রসার এবং মহাদেশীয় প্রবাহ, যেটা ভূভাগ এবং সমুদ্রের অবস্থানের পরিবর্তন ঘটায়।পৃথিবীতে জলের পরিমাণ ১,৩৮৬ নিযুত ঘনকিলোমিটার (৩৩,৩০,০০,০০০ ঘনমাইল) ধরা হয়। এর মধ্যে আছে তরল ও হিমায়িত আকারে ভূপৃষ্ঠের জল, মহাসাগর, হ্রদ এবং জলপ্রবাহসমূহ। এই সমগ্র জলরাশির মধ্যে ৯৭.৫ শতাংশই হল লবণাক্ত জল, যেখানে মাত্র ২.৫ শতাংশ মিঠে জল। মিঠে জলের মধ্যে আবার ৬৮.৯ শতাংশ বরফ ও স্থায়ী তুষারাবৃত সুমেরীয়, কুমেরীয় এবং পার্বত্য হিমবাহগুলোর আকারে আছে; ৩০.৮ শতাংশ ভূজল আকারে আছে; এবং মাত্র ০.৩ শতাংশ পাওয়া যায় পৃথিবীর হ্রদ, জলাধার এবং নদনদী থেকে।পৃথিবীর সমগ্র জলমণ্ডলের পরিমাণ হল ১.৪ x ১০১৮ টন, যেটা পৃথিবীর সমগ্র পরিমাণের ০.০২৩ শতাংশ। একটা নির্দিষ্ট সময়ে পৃথিবীর আবহমণ্ডলে জলীয় বাষ্প আকারে প্রায় ২০ x ১০১২ টন থাকে (ব্যাবহারিক প্রয়োজনে এক ঘনমিটার জলের ওজন এক টন)। পৃথিবীর গ্রহতলে প্রায় ৩৬১ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার (১৩৯.৫ মিলিয়ন বর্গমাইল) জায়গা জুড়ে আছে মহাসাগর। পৃথিবীর মহাসাগরের গড় লবণতা হল প্রতি কিলোগ্রাম সাগর জলে ৩৫ গ্রাম লবণ (৩.৫ শতাংশ)।

টন

টন পরিমাপের একক। বর্তমানে মেট্রিক পদ্ধতিতে ১০১৬ কেজি = ১ মে. টন। পূর্বের ব্রিটিশ পদ্ধতিতে ১ টন = ২৭.৫ মন = ২২৪০ পাউন্ড। টন ওজন ও পরিমাপ জন্য ইন্টারন্যাশনাল কমিটি দ্বারা এসআই ইউনিট হিসেবে স্বীকৃত।

নিযামুল মুলক

আবু আলী আল-হাসান আল তুসি নিযাম উল-মুলক (১০১৮-১০৯২), খাজা নিযামুল মুলক নামে অধিক পরিচিত (ফার্সি - خواجه نظام‌الملک طوسی - খাজা নিযামুল মুলক আল-তুসী) ছিলেন পারস্যের পন্ডিত এবং সেলজুক সাম্রাজ্যের উজির। অল্পকালের জন্য তিনি সেলজুক সাম্রাজ্যের শাসক হিসেবেও অধিষ্ঠিত ছিলেন।

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বলতে পৃথিবীকে চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বুঝায়, যা পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে। একে আবহমণ্ডল-ও বলা হয়। এই বায়ুমন্ডল সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করে। এছাড়ও তাপ ধরে রাখার মাধ্যমে (গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া) ভূপৃষ্টকে উত্তপ্ত করে এবং দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা হ্রাস করে।

শ্বাস-প্রশ্বাস ও সালোকসংশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত বায়ুমন্ডলীয় গ্যাসসমূহের প্রদত্ত প্রচলিত নাম বায়ু বা বাতাস।পরিমাণের দিক থেকে শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন,২০.৯৫% অক্সিজেন, ০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে।বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%।বাতাসের পরিমাণ ও বায়ুমন্ডলীয় চাপ বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন রকম হয়,স্থলজ উদ্ভিদ ও স্থলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত বাতাস কেবল পৃথিবীর ট্রপোমণ্ডল এবং কৃত্রিম বায়ুমণ্ডলসমূহে পাওয়া যাবে।

বায়ুমন্ডলের ভর হচ্ছে প্রায় ৫×১০১৮ কেজি,যার তিন চতুর্থাংশ পৃষ্ঠের প্রায় ১১ কিলোমিটারের (৩৬,০০০ ফুট ৬.৮ মাইল) মধ্যে থাকে।উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমন্ডল পাতলা হতে থাকে এবং বায়ুমণ্ডল ও মহাশূন্যের মধ্যে কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই।Karman লাইন, 100 কিলোমিটার (62 মাইল), অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এর 1.57% এ, প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যে মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহৃত হয়।কারম্যান রেখা যা পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) উপরে অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধের ১.৫৭% প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যের মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহার করা হয়।বায়ুমন্ডলীয় প্রভাবসমূহ পরিলক্ষিত হয় যখন মহাকাশযান প্রায় ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) উচ্চতায় অথ্যাৎ কারম্যান রেখার উপরে গমন করে।বৈশিষ্ট্য যেমন তাপমাত্রা ও গঠনের উপর ভিত্তি করে বায়ুমন্ডলকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়।

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং তার প্রক্রিয়া নিয়ে চর্চা করাকে বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান বা অ্যাইরলজি বলা হয়।লিওন টিইসারিয়েক ডি বর্ট ও রিচার্ড অ্যাসম্যান এই শাস্ত্রের প্রারম্ভিক পথিকৃৎ।

বছর

এক বছর বলতে সূর্যকে ঘিরে কক্ষপথে পৃথিবী ঘোরার সময় একই ঘটনা দুইবার ঘটার মধ্যে সময়ের ব্যবধানকে বোঝায়। যেকোন গ্রহের ক্ষেত্রেই এই সংজ্ঞা প্রযোজ্য। যেমন - মাঙ্গলিক বছর বলতে মঙ্গল গ্রহের জন্য এক বছরকে বোঝায়।

বুলগেরিয়া

বুলগেরিয়া (বুলগেরীয় ভাষায়: България ব্যেল্‌গারিয়া আ-ধ্ব-ব: [bɤlˈgarijə]), সরকারী নাম বুলগেরিয়া প্রজাতন্ত্র (বুলগেরীয় ভাষায়: Република България রেপুব্লিকা ব্যেল্‌গারিয়া আ-ধ্ব-ব: [rɛˈpubliˌkə bɤlˈgarijə]), দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ মহাদেশের একটি রাষ্ট্র। দেশটি বলকান উপদ্বীপের পূর্ব পার্শ্বে ইউরোপ ও এশিয়ার ঐতিহাসিক সঙ্গমস্থলে অবস্থিত। এর পূর্বে কৃষ্ণ সাগর, দক্ষিণে গ্রিস ও তুরষ্ক, পশ্চিমে সার্বিয়া ও মন্টিনেগ্রো এবং ম্যাসিডোনিয়া, এবং রোমানিয়া অবস্থিত। এখানে প্রায় ৭৭ লক্ষ লোকের বাস। সোফিয়া বুলগেরিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।

বুলগেরিয়া পর্বত, নদনদী ও সমভূমির দেশ। উত্তর বুলগেরিয়ার পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বলকান পর্বতমালা প্রসারিত। বলকান পর্বতমালার নামেই অঞ্চলটির নাম হয়েছে বলকান। তবে বুলগেরীয়রা এগুলিকে Stara Planina বা প্রাচীন পর্বতমালা নামে ডাকে। ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী দানিউব বুলগেরিয়ার উত্তর সীমান্ত গঠন করেছে।

পশ্চিমে সোফিয়া এবং পূর্বে কৃষ্ণ সাগর পর্যন্ত নিম্নভূমিটি গোলাপের উপত্যকা নামে পরিচিত। তিন শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এখানকার কৃষকেরা কাজালনুক গোলাপের চাষ করে আসছেন। এই গোলাপের তৈল নির্যাস অত্যন্ত দুর্লভ এবং বুলগেরিয়ার অন্যতম রপ্তানি পণ্য। বুলগেরিয়ার পূর্বে কৃষ্ণ সাগরের উপকূল উত্তরে খাড়া পার্বত্য ঢাল থেকে দক্ষিণে বালুকাময় সৈকতে নেমে এসেছে। এখানকার পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে সারা বিশ্ব থেকে লোক বেড়াতে আসে। উত্তরের পর্বতমালাতে শীতকালে ভারী বরফ পড়ে; ফলে শীতকালীন ক্রীড়ার জমজমাট আসর বসে এখানে।

ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যস্থলে অবস্থিত হওয়ায় বুলগেরিয়াকে নিয়ে বহু শক্তির প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা হয়েছে। বহু শতাব্দী ধরে এটি একটি স্বাধীন রাজ্য ছিল। মধ্যযুগে এসে দীর্ঘ সময় ধরে একটি প্রধান শক্তি ছিল। প্রথম বুলগেরীয় সাম্রাজ্যের সময় (৬৩২/৬৮১—১০১৮) এখানকার শাসকেরা বলকান উপদ্বীপের অধিকাংশ এলাকা শাসন করেছেন। এখানকার খ্রিস্টান অর্থডক্স ধর্ম, সংস্কৃতি দক্ষিণ ও পূর্ব ইউরোপীয় বহু স্লাভীয় জাতিকে প্রভাবিত করেছে। পূর্ব ইউরোপের ভাষাগুলির লিখন পদ্ধতিতে প্রচলিত সিরিলীয় লিপি বুলগেরিয়াতেই উদ্ভাবিত হয়। দ্বিতীয় বুলগেরীয় সাম্রাজ্যের অবক্ষয়ের শেষে ১৩৯৩ সালে দেশটি উসমানীয় সাম্রাজ্যের অধীনে আসে। প্রায় ৫০০ বছর উসমানীয় সাম্রাজ্যের অধীনে শাসিত হবার পর ১৮৭৮ সালে সান স্তেফানোর চুক্তির মাধ্যমে বুলগেরিয়া একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯১২-১৯১৩ সালের প্রথম বলকান যুদ্ধে জয়ী হলেও ২য় বলকান যুদ্ধে দেশটি হেরে যায় এবং গ্রিস, সার্বিয়া ও রোমানিয়ার কাছে অনেক এলাকা হারায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের সেনারা দেশটির দখলে ছিল। এসময় সোভিয়েত সরকারের সমর্থনে একটি সাম্যবাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। সাম্যবাদী শাসনের সময় বুলগেরীয় নেতারা প্রধানত কৃষিভিত্তিক দেশটির অর্থনীতির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে একটি শিল্পায়ন প্রকল্প শুরু করেন। ১৯৮৯ সালে গণতান্ত্রিক সংস্কারের আগ পর্যন্ত বুলগেরিয়া একটি সাম্যবাদী রাষ্ট্র ছিল। ১৯৯০ সালে বুলগেরিয়াতে যুদ্ধের পর প্রথমবারের মত বহুদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং এর নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বুলগেরিয়া থেকে বদলে বুলগেরিয়া প্রজাতন্ত্র রাখা হয়।

গণতন্ত্র ও মুক্ত বাণিজ্যের পথে রূপান্তর বুলগেরিয়ার জন্য সুখপ্রদ হয়নি। সাম্যবাদের পতন এবং বুলগেরীয় পণ্যের সোভিয়েত বাজারের বিলোপ ঘটায় দেশটির অর্থনীতির প্রবল সংকোচন ঘটে। মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্বের ঊর্ধগতি, অবারিত দুর্নীতি, এবং সমাজকল্যাণ ব্যবস্থার বিপর্যয় ঘটায় জীবনযাত্রার মানের চরম পতন ঘটে। অনেক বুলগেরীয় দেশ ছেড়ে চলে যান। বুলগেরীয় সরকার ১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিকে গৃহীত সংস্কারগুলির ব্যাপারে অটল থাকলে ধীরে ধীরে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জিত হয়। দেশটি ২০০৪ সালের মার্চে নেটোর এবং ২০০৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হয়।

মেগাবাইট

মেগাবাইট (ইংরেজি: megabyte) স্টোরেজ ডিভাইসসমূহের ধারণক্ষমতার একক। ১ মেগাবাইট =১,০২৪ কিলোবাইট, বা ১০,৪৮,৫৭৬ বাইট । পেন ড্রাইভ, স্মার্ট কার্ড, মাল্টিমিডিয়া কার্ড (এমএমসি), মেমোরি স্টিক, কমপ্যাক্ট ফ্লাস কার্ড, এক্সডি-পিকচার কার্ড বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত এর ক্ষুদ্রতা ও ধারণক্ষমতার জন্য, এসডি কার্ড ইত্যাদি সব কার্ড-এর মানই মেগাবাইট দ্বারা হিসাব করা হয়। এছাড়া গ্রাফিক্স কার্ড, র‌্যাম, এগুলোতো আছেই।1 mb= 1024 kb, 1 gb= 1024 mb

হার্জ

হার্জ (প্রতীক Hz) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত কম্পাঙ্কের এস আই একক। একে পড়া হয় ১ সাইকেল প্রতি সেকেন্ড। এর একটি অন্যতম সাধারণ ব্যবহার হল সাইন তরঙ্গ, রেডিও এবং যদিও ক্ষেত্রে, সঙ্গীতের কম্পাংক হিসেবে।

এককটির নামকরণ করা হয়েছে হেনরিক হার্টজ এর সম্মানে। তিনিই প্রথম তাড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের অস্তিত্ব পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন।

আলোর ফ্রিকুয়েন্সির একক হল হার্টজ

১ এক্সামিটার

এক্সামিটার (ইংরেজি: Exametre; এসআই প্রতীক: Em) হল দূরত্ব তুলনা করার জন্য একটি দৈর্ঘ্য, যা ১০১৮ মিটার (১ Em বা ১০৫.৭ আলোক বর্ষ) থেকে শুরু হয়।

১ Em থেকে কম দূরত্ব

১.৬ Em — ১৭২ ± ১২.৫ আলোক বর্ষ — ওমেগা সেন্টুরির ব্যাস (বৃহত্তমের একটি যা গোলীয় ক্লাস্টার নামে পরিচিত, সম্ভবত মিলিয়নের বেশি নক্ষত্র রয়েছে।)

৬.১ Em — ৬৪০ আলোক বর্ষ — আর্দ্রা থেকে হিপঅ্যাক্স অনুযায়ী দূরত্ব।১০ Em থেকে বেশি দূরত্ব

১০১০-এর দশক

এটি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী ১০১০-এর দশক। এটি শুরু হয়েছে ১লা জানুয়ারি, ১০১০ থেকে এবং শেষ হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর, ১০১৯ তারিখে।

২০১৭

২০১৭ (MMXVII)) একটি সাধারণ বছর যেটি রবিবার দিয়ে শুরু হয়। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী, এটি কমন এরা এবং আন্ন দমিনাই এর ২০১৭তম বছর; ৩য় সহস্রাব্দের ১৭তম বছর এবং ২১শ শতাব্দী; এবং ২০১০ দশক এর অষ্টম বছর।

২০১৮

২০১৮ (MMXVII) সালটি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর সোমবার দিয়ে শুরু হওয়া একটি সাধারণ বছর, কমন এরা (সিই) ও আন্ন দমিনাই (এডি) এর ২০১৮তম বছর, ৩য় সহস্রাব্দের ১৮তম বছর; ২১শ শতাব্দীর ১৮তম বছর; ২০১০-এর দশকের নবম বছর।

৮৯৪

৮৯৪ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর একটি সাধারণ বছর।

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.