সিরামিক

সিরামিক শিল্প মাটি থেকে   তৈরি প্রয়োজনীয় এবং শোভাবর্ধক পণ্যসামগ্রী। সিরামিক শিল্প প্রধানত মৃৎপাত্র উন্নয়ন এবং ব্যাপক অর্থে উচ্চ তাপমাত্রায় অধাতব পদার্থকে কঠিন বস্ত্ততে পরিণত করে যেকোন পণ্য তৈরির সাথে জড়িত। শিল্পে ব্যবহূত ধাতব বা অর্গানিক শক্ত মালামাল সিরামিকের অন্তর্ভুক্ত। সিরামিক পণ্যের মধ্যে আছে গ্লাস, পোড়ামাটির বাসনপত্র, চীনামাটির বাসন, চীনামাটির এনামেলস, ইটের টাইলস, টেরাকোটা, রিফ্রাকটরিজ, সিমেন্ট, চুন এবং জিপসাম।[১]

ইতিহাস

মৃৎকর্ম সম্ভবত মানব সভ্যতার সবচেয়ে পুরাতন শিল্প। প্রথমদিকে মাটি দিয়ে শিল্পকর্ম শুরু হয়ে পরবর্তীকালে তা বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে অন্যান্য মাধ্যম, যেমন কাঠ, পাথর, ঝিনুক, ধাতব পদার্থ ইত্যাদির শিল্পকর্মে রূপ লাভ করে। সিরামিকের যুগ শুরু হওয়ার পূর্বে বাংলাও এ সমস্ত স্তর অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশে আধুনিক সিরামিক শিল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৫৮ সালে, বগুড়ায় তাজমা সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লি. প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এর উৎপাদন অত্যন্ত সীমিত ছিল এবং উৎপাদিত পণ্যের মানও তেমন একটা ভাল ছিল না। ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে পাকিস্তান সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লি. প্রতিষ্ঠিত হয় প্রধানত স্থানীয় বাজারে পণ্য সরবরাহের জন্য এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই কারখানার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পিপলস সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড । কারখানাটি ১৯৬৬ সালে উৎপাদন শুরু করেছিল।[১]

সিরামিক উৎপাদনের মূলনীতি

মূল উপাদানগুলো মিশিয়ে উত্তপ্ত করা হয়। 600°-650°Cএর মাঝে চায়না ক্লের পানি শুকিয়ে অদানাদার পদার্থ অ্যালুমিনা ও সিলিকার মিশ্রণ উৎপন্ন হয়। 1000 °C তাপমাত্রায় দানাদার অ্যালুমিনা ও সিলিকা ফেলস্পারের উপস্থিতিতে বিগলিত হয়ে মুলাইট গঠন করে। 1400°-1500 °C তাপমাত্রায় অবশিষ্ট সিলিকা ক্রিস্টোবেলাইটে পরিণত হয়। মুলাইটক্রিস্টোবেলাইটের মিশ্রণকে বিস্কুট বলে।

(১) চায়না ক্লে নিরুদন:

Al₂O₃.2SiO₂.2H₂O → Al₂O₃ + 2SiO₂ + 2H₂O (650 °C তাপমাত্রায়)

চায়না ক্লে অ্যালুমিনা সিলিকা

(২) মুলাইট গঠন:

3Al₂O₃ + 4SiO₂ → 3Al₂O₃.2SiO₂ (1000°Cতাপমাত্রায়)

মুলাইট

(৩) ক্রিস্টোবেলাইট গঠন: 4nSiO₂ → n(4SiO₂) (1500°Cতাপমাত্রায়) সিলিকা ক্রিস্টোবেলাইট গ্লেজিং : পোড়া কাদামাটির তৈরি সিরামিক দ্রব্য শক্ত, ভঙ্গুর ও সূক্ষ্ম ছিদ্রযুক্ত অমসৃণ হয়। সেজন্য দ্রব্য মসৃণ ও উজ্জ্বল করার জন্য গ্লেজিং করা হয়। সাধারণ গ্লেজ মিশ্রণ হল- সিলিকা, এলুমিনা এবং পর্যায় সারণির গ্রুপ-IIA এর ধাতুর অক্সাইড। এসবের মিশ্রণ দিয়ে উত্তপ্ত করে গলিত কাচের পাতলা আবরণ তৈরি করা হয়। উচ্চ তাপমাত্রায় NaCl ছিটিয়ে গ্লেজ করা যায়। জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিতে NaCl বিয়োজিত হয়ে Na₂O ও HCl উৎপন্ন করে।

Na₂O+SiO₂ → Na₂SiO₃

গলিত সোডিয়াম সিলিকেট ছিদ্র বন্ধ করে মসৃণ করে।[২]

বাংলাদেশে সিরামিক শিল্প

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে সফল সিরামিক কোম্পানি হচ্ছে মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লি.। এটি উৎপাদন শুরু করে ১৯৮৫ সনে এবং খুবই উন্নতমানের চীনামাটির টেবিল-সরঞ্জাম উৎপাদন করে। এই কোম্পানি রপ্তানি বাজারে উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করেছে। লন্ডনে এর একটি বিক্রয় অফিস রয়েছে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে হাউজওয়্যার শো নামে এর একটি স্থায়ী স্টল রয়েছে। বিশ্বখ্যাত বোন চায়না এবং চীনামাটির টেবিল সরঞ্জাম প্রস্ত্ততের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৭ সনে শাইনপুকুর সিরামিক লি. প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এই কোম্পানির অবস্থান গাজীপুরের বেক্সিমকো শিল্পনগরীতে। কোম্পানিটি চীনামাটির বাসন এবং চায়না উৎপাদন শুরু করেছিল যথাক্রমে এপ্রিল ১৯৯৯ এবং নভেম্বর ১৯৯৯-তে। ১৯৯৯ সনে বাণিজ্যিক উৎপাদনের শুরুতেই এটিকে দ্রুত উৎপাদনক্ষম প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কোম্পানিটি অভ্যন্তরীণ বাজারের প্রায় ৬০% দখল করেছে এবং এর সিরামিক টেবিল সরঞ্জাম বিশ্ববাজারেও সমাদৃত।

বাংলাদেশে উৎপাদিত ও রপ্তানিকৃত সিরামিক পণ্যের প্রায় ৯৫% কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে। যে সমস্ত দেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি হয় সেগুলি হচ্ছে জাপান, জার্মানি, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারত। সিরামিক পণ্যের প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে সাদা মাটি ও বালি। ১৯৫৭ সালে বাংলাদেশ সাদামাটির বৃহৎ মজুত আবিষ্কৃত হয় ময়মনসিংহের বিজয়পুর এলাকায়। উক্ত এলাকায় সাদামাটির রিজার্ভ-এর পরিমাণ নিরূপিত হয় ২.৭ মিলিয়ন টন। সিলেটের জাফলং এলাকাতেও সাদামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে। কিন্তু উক্ত এলাকাসমূহে মাটি বা বালি পরিশোধনের কোন প্লান্ট নেই।

বাংলাদেশের প্রায় সবকয়টি সিরামিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সঠিক মান বজায় রাখা এবং সুনাম ধরে রাখার জন্য উন্নতমানের কাঁচামাল ব্যবহার করে। এসবের মেশিনারি ও যন্ত্রপাতি আধুনিক এবং উন্নত মানের। প্রতিটি সিরামিক ইউনিটের নিজস্ব ল্যাবরেটরি সুবিধা, মান নিয়ন্ত্রণ এবং পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। বর্তমানে যে সমস্ত পণ্য বাজারজাত হচ্ছে সেগুলি হলো ডিনার সেট, টি সেট, কফি সেট, স্যুপ সেট, ফলের সেট, বাসন, পেয়ালা, ফুলদানি, মগ এবং বিভিন্ন ধরনের স্যুভেনির জাতীয় পণ্য। অধিকাংশ সিরামিক পণ্যই ওভেনপ্রুফ ও ডিশওয়াশার প্রুফ এবং এসবের কোন রাসায়নিক ক্ষতিকর প্রভাব নেই। বর্তমানে বাংলাদেশ ৪৫টিরও বেশি দেশে সিরামিক পণ্য রপ্তানি করছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং সুইডেন।  [১]

  1. "সিরামিক শিল্প - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-১৪
  2. "কাঁচ ও সিরামিক শিল্প"10 Minute School: HSC Section (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৮-০৬-১৪। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-১৪
অবলোহিত বিকিরণ

যে সকল তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সীমা ১ মাইক্রোমিটার থেকে ১ মিলিমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত তাদের বলা হয় অবলোহিত বিকিরণ আইআর রশ্মি। এই বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অপেক্ষা সামান্য বড়। খালি চোখে এদের দেখা যায় না। উইলিয়াম হার্শেল ১৮০০ সালে এই বিকিরণ আবিস্কার করেন।

উত্তপ্ত সিরামিক এর একটি উত্তম উৎস। এটি দৃশ্যমান অঞ্চল হতে অর্থাৎ visible বা 'infra' এর পর থেকেই শুরু। এটি Near IR ,Middle IR, Middle IR ও Far IR এরুপ তিনটি অংশে বিভক্ত

আর্জেন্টিনা–বাংলাদেশ সম্পর্ক

আর্জেন্টিনা–বাংলাদেশ সম্পর্ক হল আর্জেন্টিনা ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রদ্বয়ের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক।

ইসলামী শিল্প

ইসলামী শিল্প হল সেই সকল মানুষ দ্বারা সৃষ্ট দৃশ্যমান শিল্প যারা খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দী হতে কোন মুসলিম জনবসতিতে বসবাস করছে অথবা মুসলিম শাসক দ্বারা শাসিত কোন বসতিতে বসবাস করেছে। এটা খুবই জটিল শিল্প কারণ কারণ এই শিল্পের বিস্তৃতি অনেক বেশি ছড়ানো এবং নানান দেশের মুসলিম ১৪০০ বছর ধরে এই শিল্পের চর্চা করছে; এটা শুধু একটা বিশেষ গোষ্ঠীর শিল্প নয়, এটা কোন বিশেষ সময়ের শিল্প নয়, অথবা কোন জায়গা বা আঁকা আঁকির মতো নির্দিষ্ট গন্ডির শিল্প নয়। এই শিল্পের প্রতিটি ক্ষেত্রই অনেক বিস্তৃত। ইসলামিক স্থাপত্য যেমন অনেক বেশি বিস্তৃত ঠিক তেমনি ইসলামিক ক্যালিওগ্রাফি, আঁকা আঁকি, গ্লাসে তৈরি কারুকাজ, ইসলামিক পটারি, টেক্সটাইল শিল্পে কারুকাজ, ইসলামিক এমব্রয়ডারি ইত্যাদি ক্ষেত্রের পরিসরও কম নয়।

ইসলামিক শিল্প শুধু একটা ধর্মীয় শিল্প নয়, এটা ধনী এবং সব ধরণের মুসলিম সমাজের একটি শিল্প। ধারাবাহিকভাবে অনেক পুরনো উপাদানকে এই শিল্প নিজের অন্তর্ভুক্ত করেছে, বিশেষ করে ইসলামী মওলবীদের দ্বারা যা নিষিদ্ধ হয় নি। এখন

পর্যন্ত যত ইসলামি শিল্পে যত ক্যালিওগ্রাফি পাওয়া গেছে সেসবে ধর্মীয় দিকটি খুব বেশি গুরুত্ব পায়নি। বরং প্রাধান্য পেয়েছে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির শিল্প। কিন্তু স্থাপত্য ক্ষেত্রে দেখা যায়, ধর্মীয় দিকটি স্থাপত্যে খুব বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। নানারকম মসজিদ এবং এর সমতুল্য অনান্য বস্তুগুলো যার প্রকৃষ্ট উদাহারণ। বিশেষ কিছুর গঠন সম্পর্কিত ছবি কিছুটা ইসলামী ভাবধারা ফুটিয়ে তুললেও, প্রাসাদের দেয়াল, কবিতার বইয়ে ইসলামী ভাবধারা ততটা ফুটে উঠে না। পবিত্র কুরআনের আয়াত এবং ইসলামি ক্যালিগ্রাফি এই শিল্পের প্রধান উপজীব্য বিষয় হলেও, এই শিল্পের অনান্য ক্ষেত্রগুলো যেমন মসজিদের বাতির কাঁচে, কাঠের কারুকাজে, মসজিদের টাইলস, কার্পেটে এসব বিষয়গুলো স্থান পেয়েছে সমসাময়িক ভাবধারার সাথে মিশ্রিত হয়ে যেখানে ইসলামী মুদ্রিত অংশ বা ভাবধারা বেশি প্রাধান্য পায়।

"ইসলামী শিল্প বিভিন্ন উৎস থেকে উন্নতি লাভ করেছে: রোমান, সাম্প্রতিক খ্রিষ্টীয় শিল্প, বাইজানটাইন শিল্পগুলো ইসলামী শিল্পে সম্প্রতি প্রভাব বিস্তার করেছে; ইসলামী পারস্যের আগে যে সাসানিয়ান শিল্প ছিল, সেই শিল্পের প্রভাবও ইসলামী শিল্পে কম নয়; এছাড়া মধ্য এশিয়ার শিল্পের প্রভাবগুলো হটাৎ করেই এলোপাথারি ভাবে ইসলামী শিল্পে প্রভাব বিস্তার করেছে। এছাড়া আঁকাআঁকি, পটারি বা টেক্সটাইলে চায়নিজ শিল্পের প্রভাব কম নয়।"

এতো বৈচিত্র‍্যের পরেও "ইসলামী শিল্প" কে এখনকার ঐতিহাসিকরা বলেন "কল্পিত উদ্ভাবন" বা শুধু "মরীচিকা",

বিশেষ করে ইসলামিক স্বর্ণযুগে, বিভিন্ন সময় এবং বিভিন্ন জায়গায় যত ইসলামিক শিল্পের সৃষ্টি হয়েছে, সেসব শিল্পগুলোই "মরীচিকা" শব্দটি ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট।ইসলামী শিল্পে একই নকশা বারবার ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন জ্যামিতিক ফুল বা লতাপাতার নকশা বার বার ব্যবহৃত হয় যেগুলোকে বলা হয় অ্যারাবিস্ক। এটি ঈশ্বরের অদ্বিতীয়তা, অসীমতাকে নির্দেশ করে। অনেক সময় এ নকশাগুলোর বার বার ব্যবহার বাঁধাগ্রস্ত হয়। অনেক শিল্পী ইচ্ছে করেই এই বাঁধা সৃষ্টি করেন। কারণ তারা বিশ্বাস করেন একমাত্র ঈশ্বরই সূক্ষতা সৃষ্টি করতে পারেন, যদিও এই বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।পুরোপুরি ভাবে না হলেও ইসলামী শিল্পে মূলত জ্যামিতিক নকশা, লতাপাতার নকশা এবং আরবীয় ক্যালিওগ্রাফি বেশি প্রতিফলিত হয়। কারণ অনেক মুসলিমই মনে করেন মানব শরীরের আকার আকৃতির নকশা একটি খারাপ কাজ। কারণ এটি একটি পাপ, যেহেতু, পবিত্র কোরআনে এ সম্পর্কে নিষেধ রয়েছে। অবশ্য ইসলামিক শিল্পের প্রায় প্রতিটা যুগেই মানুষের ছবি খুঁজে পাওয়া যায়। বিশেষ করে ছোট খাট ক্ষেত্রগুলোতে। পূজার ক্ষেত্রে মানব আকৃতির ব্যবহার ইসলামী আইনে এটি সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ যা "শরীয়া" নামে পরিচিত। ইসলামী শিল্পে, অনেক আগে থেকেই ছোট প্রাণী এবং মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়, বিশেষ করে শিকারের ছবি। তবে পোট্রেইট এর নিদর্শন খুব বেশি তৈরি হয়নি।

কার্ল আলেকজান্ডার মুলার

কার্ল আলেকজান্ডার মুলার (জার্মান: Karl Alexander Müller) সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ১৯৮৭ সালে জার্মান বিজ্ঞানী ইয়োহানেস গেয়র্গ বেন্ডনর্‌ৎসের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। সিরামিক পদার্থে উচ্চ তাপমাত্রায় অতিপরিবাহিতা নিয়ে গবেষণার জন্য তাদেরকে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছিল।

কোবাল্ট

কোবাল্ট একটি রাসায়নিক উপাদান যার প্রতীক ‘Co’ এবং পারমাণবিক সংখ্যা ২৭। নিকেলের মতো কোবাল্টও কেবল রাসায়নিকভাবে যুগ্ম অবস্থায় ভূত্বকে পাওয়া যায়। প্রাকৃতিকভাবে সংকরিত ক্ষণপ্রভ লোহাতে সঞ্চিত অবস্থাতেও পাওয়া যায়। হ্রাসকারী বিগলন দ্বারা উৎপাদিত মুক্ত কোবাল্ট একটি শক্ত, উজ্জ্বল ও রূপালি-ধূসর ধাতু।কোবাল্ট ভিত্তিক নীল রঞ্জক (কোবাল্ট ব্লু) প্রাচীনকাল থেকেই গহনা, রং এবং গ্লাসে একটি স্বতন্ত্র নীলচে আভা ফুটিয়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে রংটি ধাতব বিসমাথের কারণে বলে মনে করা হত। খনি শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে নীল-রঞ্জক উৎপাদনকারী খনিজগুলিকে ‘কোবোল্ড (Kobold) আকরিক’ বলে আসছিলেন। পরিচিত ধাতুগুলোর মধ্যে নগণ্য হওয়ায় এবং বিগলনে বিষাক্ত আর্সেনিকযুক্ত ধোঁয়া দেয় বলে এদের এমন নামকরণ করা হয়েছিল। ১৭৩৫ সালে, এই আকরিকগুলি থেকে হ্রাসযোগ্য পদ্ধতিতে একটি নতুন ধাতু আবিষ্কৃত হয়। যা শেষ পর্যন্ত কোবোল্ডের জন্য নামকরণ করা হয়েছিল।

এখন কিছু কোবাল্ট কোবাল্টাইট (CoAsS) এর মতো ধাতব-উজ্জ্বল আকরিকগুলি থেকে উৎপাদিত হয়। যদিও সাধারণত উপাদানটি তামা এবং নিকেল খনির উপজাত হিসেবেই বেশি উৎপাদিত হয়। গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) এবং জাম্বিয়ার কপারবেল্ট অঞ্চল বিশ্বব্যাপী বেশিরভাগ কোবাল্ট সরবরাহ করে। কানাডিয়ান প্রাকৃতিক সংস্থা অনুসারে, ২০১৬ সালে ডিআরসি এককভাবে বিশ্ব উৎপাদনের ৫০% (১২৩,০০০ টন) এরও বেশি কোবাল্ট উৎপাদন করে।কোবাল্ট মূলত চৌম্বকীয়, পরিধান-প্রতিরোধী এবং উচ্চ-শক্তিসম্পন্ন সংকর তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। যৌগিক কোবাল্ট সিলিকেট এবং কোবাল্ট(II) এলুমিনেট (CoAl2O4, কোবাল্ট ব্লু) কাঁচ, সিরামিক, কালি, রং এবং বার্নিশে একটি স্বতন্ত্র নীলচে আভা ফুটিয়ে তোলে। কোবাল্টের একটিমাত্র স্থিতিশীল আইসোটোপ, কোবাল্ট-৫৯ বিদ্যমান। কোবাল্ট-৬০ হল বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যা তেজস্ক্রিয় ট্রেসার হিসাবে এবং উচ্চ শক্তির গামা রশ্মি উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

কোবাল্ট হল কোবালামিন গ্রুপের কোএনজাইম গুলোর সক্রিয় কেন্দ্র। ভিটামিন বি12, যার সর্বাধিক পরিচিত উদাহরণ। এটি সমস্ত প্রাণীর জন্য একটি প্রয়োজনীয় ভিটামিন। অজৈব কোবাল্ট ব্যাকটেরিয়া, শ্যাওলা এবং ছত্রাকের জন্যও একটি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট।

গোকোভা উপসাগর

গোকোভা উপসাগর (তুর্কি ভাষায়: Gökova körfezi বা Kerme körfezi, গ্রিক ভাষায়: Κεραμεικός κόλπος, লাতিন ভাষায়: Ceramicus Sinus, ইংরেজি ভাষায়: Ceramic Gulf) ইজিয়ান সাগরের জলখাত। এটি দক্ষিণ-পশ্চিম তুরস্কের কস বা কারমি উপসাগরের প্রাচীন নাম। এই উপসাগরের তীরে বিখ্যাত হ্যালিকারন্য'সাস শহর অবস্থিত ছিল।

ছুরি

চাকু বা ছুরি বা ছোরা সাধারণত কোনকিছু কাটার কাজে ব্যবহার করা হয়। হাতলযুক্ত অথবা হাতলবিহীন এই যন্ত্রের অগ্রভাগ কাটার সুবিধার্থে তীক্ষ্ণ রাখা হয়। চাকু এবং চাকুসদৃশ বস্তুগুলো প্রায় ২.৫ মিলিয়ন বছর পূর্ব হতে ব্যবহার হয়ে আসছে যার প্রমান ওল্ডয়ান হাতিয়ারগুলোতেই পাওয়া যায়। প্রাচীনকালে পাথর, হাড়, চকমকি পাথর এবং অবসিডিয়ান (কালো রঙের কাচের মত একজাতীয় আগ্নেয় শিলা) দিয়েই প্রধানত চাকুর ফলক তৈরি করা হত। কিন্তু পরবর্তীতে প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে চাকুর ফলক তৈরির উপাদানগুলোর অনেক বিবর্তন হয়েছে। আধুনিককালে ব্যবহার এবং প্রয়োজন বিশেষে ব্রোঞ্জ, তামা, লোহা, ইস্পাত, সিরামিক এবং টাইটেনিয়াম দিয়েও চাকুর ফলক তৈরি করা হয়। অনেক সমাজেই চাকু তৈরির নিজস্ব পদ্ধতি আছে। মানবসমাজের প্রথম হাতিয়ার হিসেবে অনেক সমাজেই চাকুর আধ্যাত্মিক এবং ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে।

তুরবাহ

তুরবাহ একটি আরবি শব্দ; এর অর্থ কাঠ ও মাটি দিয়ে তৈরি একটি চতুর্ভুজ বা বৃত্তাকার ছোট সিজদাহ করার স্থল। এতে লেখা থাকে "ইয়া আলি", "ইয়া ফাতিমা আল জাহরা" ইত্যাদি। ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি সচ্ছ ও পবিত্র। সিজদাহ করা যাবে মাটিতে, পাতায়, কাঠে, পাথরে, কাগজ (সব কাগজ নয়) এবং করা যাবে না কাপড়ে (যে কোনো প্রকার), ফলে, লোহা, ধাতব্য, প্লাস্টিক, সিরামিক, কাচ। তাই শিয়া সম্প্রদায় বিশ্বাস করেন যে, "কারবালা" (ইরাকের কুফার অন্তরগত একটি ময়দান, যেখানে হুসাইন ইবনে আলী শহিদ হয়েছিলেন)-এর মাটি খুব পবিত্র এবং এটা সিজদাহ করার জন্য সর্বত্তোম উপযোগী। কিন্তু সুন্নিরা এটাকে বিদাহ বলে মনে করেন।

দৃশ্যকলা

দৃশ্যকলা হলো শিল্পের বিভিন্ন রূপ যেমন সিরামিক, অঙ্কন, চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য, প্রিন্ট তৈরি, ডিজাইন, কারুশিল্প, ফটোগ্রাফি, ভিডিও, চলচ্চিত্র নির্মাণ, সাহিত্য এবং স্থাপত্য। শিল্পকলার অনেক শাখা (প্রদর্শন শিল্প, চিন্তাপ্রধান শিল্প, টেক্সটাইল শিল্প) দৃশ্যকলার পাশাপাশি অন্যান্য শিল্পমাধ্যমও ব্যবহার করে। দৃশ্যকলায় আরো অন্তর্ভুক্ত করা হয় বিভিন্নরকম ব্যবহারিক শিল্পও, যেমন পণ্য-নকশা, গ্রাফিক ডিজাইন, ফ্যাশন ডিজাইন, ইন্টেরিয়র ডিজাইন এবং কারুকার্য।বর্তমানে দৃশ্যকলা বলতে চারুশিল্পের পাশাপাশি অলঙ্করণ ও কারুশিল্প বোঝালেও আগে তেমন ছিলোনা। ব্রিটেনে আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফটস আন্দোলনের আগে এবং অন্যত্র ২০ শতকে 'শিল্পী' বা 'আর্টিস্ট' শব্দটি কেবল তাদের জন্য বলা হতো যারা চারুকলা চর্চা করতেন (যেমন চিত্রকলা, ভাস্কর্য বা প্রিন্ট তৈরি); হস্তশিল্প, কারুশিল্প বা ব্যবহারিক শিল্পমাধ্যম এর অন্তর্ভুক্ত করা হতো না। আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফটস আন্দোলনের শিল্পীরা এই বিভাজনের দিকে মনোযোগ দেন কারণ তারা দেশজ শিল্পকে উচ্চমার্গের শিল্পের মতোই মূল্যায়ণ করতেন। আর্ট স্কুলগুলোতে চারু ও কারুশিল্পের মধ্যে এ বিভাজনটা রাখা হতো এবং কারুশিল্পীকে শিল্পসাধক বলে মনে করা হতো না।

চিত্রকর্ম এবং তারপর ভাস্কর্যকে অন্য সব শিল্পের ওপরে স্থান দেয়ার প্রবণতাটা পশ্চিমা ও পূর্ব এশীয় শিল্পকলার বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। উভয় অঞ্চলেই চিত্রকলাকে ভাবা হয় শিল্পীর সবচেয়ে উঁচুমার্গের কল্পনার শিল্প, এবং তা দৈহিক শ্রম থেকে সবচেয়ে দূরে। চীনা চিত্রকলায় সর্বোচ্চ মূল্যায়িত শৈলী হলো "বিদগ্ধ-চিত্রকলা", অন্তত শৌখিন শিল্পীদের মতে। পাশ্চাত্যে শিল্পের মর্যাদাক্রমের ধারণাতেও অনুরূপ মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে।

বাংলাদেশ-লাওস সম্পর্ক

বাংলাদেশ—লাওস সম্পর্ক বলতে বাংলাদেশের এবং লাওসের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বোঝায়। আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৮৮ সালে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু হয়।

বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব গ্লাস এন্ড সিরামিকস

বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব গ্লাস এন্ড সিরামিকস বাংলাদেশের একমাত্র এবং সবচেয়ে পুরাতন পলিটেকনিক ইন্সটিটউট । এই পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটটি ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে চার বছর মেয়াদী “ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং” প্রগ্রামে সিরামিকক ইঞ্জিনিয়ারিং ও গ্লাস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চালু রয়েছে। আরো ৪টি বিভাগ মন্ত্রীসভায় অনুমোদন পেয়েছে যা খুব শীঘ্রই চালু হবে।

বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ

বিসিএসআইআর বা বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৩ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডে অবস্থিত । এটি সাইন্স ল্যাবরেটরি নামেও পরিচিত । বর্তমানে এই পরিষদের ৬টি অ‌ঙ্গ প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

ঢাকা গবেষণাগার

চট্টগ্রাম গবেষণাগার

রাজশাহী গবেষণাগার

জ্বালানী ও গবেষণা ইনস্টিটিউট

খাদ্য ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট

পাইলট প্লান্ট ও পদ্ধতি উন্নয়ন কেন্দ্র

চামড়া গবেষণা ইনস্টিটিউট

কাচ ও সিরামিক গবেষণা ও পরীক্ষণ ইনস্টিটিউট

আইএমএমএম

বাংলাদেশ–রুয়ান্ডা সম্পর্ক

বাংলাদেশ–রুয়ান্ডা সম্পর্ক হল বাংলাদেশ ও রুয়ান্ডা রাষ্ট্রদ্বয়ের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। দুটি রাষ্ট্রই নন-এলাইনড মুভমেন্ট, গ্রুপ অব ৭৭ এবং কমনওয়েলথ অব নেশনস সংস্থার সদস্য। কোনো রাষ্ট্রেরই স্থায়ী রাষ্ট্রদূত নেই।

বাংলাদেশ–সুদান সম্পর্ক

বাংলাদেশ–সুদান সম্পর্ক হল বাংলাদেশ ও সুদান রাষ্ট্রদ্বয়ের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক।

বেরিলিয়াম

বেরিলিয়াম একটি কঠিন এবং হালকা ধাতু যা একটি উচ্চ গলিত বিন্দু এবং অনন্য পারমাণবিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, এটি বহু মহাকাশ এবং সামরিক অ্যাপ্লিকেশনের জন্য এটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।

মৃৎশিল্প

মৃৎশিল্প হলো কাদামাটি, সিরামিক ইত্যাদির সাহায্যে হাড়ি-পাতিল ও বিভিন্ন আসবাবপত্র তৈরি করার শিল্প, যাতে বস্তুগুলো টেকসই ও মজবুত করার জন্য উচ্চ তাপমাত্রায় পোড়ানো হয়। যারা মাটি দিয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করেন তাদেরকে কুমার এবং যেখানে তৈরি করেন তাকে কুমারশালা বলা হয়। আমেরিকান সোসাইটি ফর টেস্টিং অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস (ASTM) কর্তৃক প্রদত্ত মৃৎশিল্পের সংজ্ঞা হল "কারিগরি, কাঠামোগত এবং পুনপ্রক্রিয়াজাত পণ্য ছাড়া সমস্ত সিরামিকের পণ্য, যা সিরামিক, কাদামাটি ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হয়েছে" প্রত্নতত্ত্ববিদ্যায়, বিশেষ করে প্রাচীন এবং প্রাগৈতিহাসিক যুগের শুধুমাত্র পাত্র-কে মৃৎশিল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং একই উপাদান দ্বারা তৈরি অন্যান্য গঠনকে টেরাকোটা বলা হয়। মৃৎশিল্পের কিছু সংজ্ঞা অনুযায়ী উপাদান হিসেবে কাদামাটির ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

সিরামিক শিল্প

সিরামিক শিল্প সিরামিক থেকে তৈরি করা হয়েছে, মৃত্তিকা সহ। এটি টেবিলওয়্যার, টাইল গুলি, মুরগির গুলি এবং অন্যান্য ভাস্কর্য সহ শৈল্পিক মৃৎশিল্প সহ ফর্ম নিতে পারে। সিরামিক শিল্প এক শিল্প, বিশেষ করে ভিজ্যুয়াল আর্টস। এদের মধ্যে এটি প্লাস্টিক আর্টস। কিছু সিরামিকসকে সূক্ষ্ম শিল্প, মৃৎশিল্প বা ভাস্কর্য হিসাবে বিবেচনা করা হয় তবে কিছু সজ্জাসংক্রান্ত, শিল্প বা প্রয়োগ শিল্প বস্তু বলে মনে করা হয়। । সিরামিকগুলি আর্টিফ্যাক্টস প্রত্নতত্ত্ব হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। সিরামিক শিল্প এক ব্যক্তি বা মানুষের একটি গ্রুপ দ্বারা তৈরি করা যেতে পারে। একটি মৃৎশিল্প বা সিরামিক কারখানা, মানুষের একটি গ্রুপ নকশা, উত্পাদন এবং শিল্পের গুদাম সাজাইয়া। একটি মৃৎশিল্প থেকে পণ্য কখনও কখনও "শিল্প মৃৎশিল্প" হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

এক ব্যক্তি পাত্রী স্টুডিওতে, সিরামিস্ট বা পাত্রগুলি স্টুডিও মৃৎশিল্প তৈরি করে।

"সিরামিক্স" শব্দটি গ্রিকের 'কেরামিকোস' (κεραμικος) থেকে এসেছে, যার অর্থ "পাত্রী", যার অর্থ "কেমারোস" (κεραμος) থেকে এসেছে যার অর্থ "কুমারের মাটি"। বেশিরভাগ ঐতিহ্যগত সিরামিক পণ্যগুলি মৃত্তিকা থেকে তৈরি করা হয় (বা অন্যান্য উপকরণ দিয়ে মেশানো মৃত্তিকা), আকৃতির এবং তাপের উপর নির্ভরশীল, এবং টেবিলওয়্যার এবং সজ্জাসংক্রান্ত সিরামিকগুলি সাধারণত এই ভাবে তৈরি করা হয়। আধুনিক সিরামিক প্রকৌশল ব্যবহারের ক্ষেত্রে, সিরামিকগুলি অণুজীব, অণু-ধাতব উপকরণ থেকে তাপ উৎপাদনের বস্তু তৈরির শিল্প ও বিজ্ঞান। এটি কাচ এবং মোজাইক কাচ থেকে বাদ দেওয়া হয়।প্রায় সব উন্নত সংস্কৃতির মধ্যে সিরামিক শিল্পের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং প্রায় ২০০০ বছর আগে আফ্রিকায় আফ্রিকার নোক মতো অলৌকিক বস্তুগুলি অদৃশ্য সংস্কৃতি থেকে বাদ দেওয়া সমস্ত শৈল্পিক প্রমাণ। বিশেষত সিরামিকগুলিতে সুপরিচিত সংস্কৃতিগুলির মধ্যে রয়েছে চীনা, ক্রেতান, গ্রীক, ফার্সি, মায়ান, জাপান , এবং কোরিয়া এন সংস্কৃতির পাশাপাশি আধুনিক পাশ্চাত্য সংস্কৃতি।

সিরামিক শিল্পের উপাদানগুলি, বিভিন্ন সময়ে জোর বিভিন্ন ডিগ্রী স্থাপন করা হয়, বস্তুর আকার, চিত্রকলার দ্বারা সজ্জিত, নকশাকৃত এবং অন্যান্য পদ্ধতি এবং সর্বাধিক সিরামিক পাওয়া যায়।

হবিগঞ্জ জেলা

হবিগঞ্জ জেলা (সিলেটী:) বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ১৯৮৪ সালে হবিগঞ্জকে জেলায় রূপান্তর করা হয়। এর আগে ১৮৭৪ সাল থেকে হবিগঞ্জ মহকুমা সিলেট জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.