সলোমন

সোলায়মান (আঃ) [২] নবী দাউদ (আঃ) ও বাথসেবার সন্তান এবং একজন প্রত্যাদিষ্ট নবীহিব্রু বাইবেল অনুসারে, তিনি ছিলেন ইসরায়েলের প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ একজন রাজ়া । তার জন্ম আনুমানিক ১০১১ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে এবং মৃত্যু আনুমানিক ৯৩১ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে; এবং তার রাজত্ব কাল ছিল প্রায় ৯৭০ থেকে ৯৩০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী। কথিত আছে তিনিই জেরুজালেম নগরী প্রতিষ্ঠা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাসমতে সোলায়মান ছিলেন পুরো বিশ্বের সম্রাট। খ্রিস্টপূর্ব ৯৭০-৯৩১ পর্যন্ত টানা ৪০ বছর সোলায়মান পুরো পৃথিবী শাসন করেন। তিনি শুধু মানুষের সম্রাটই ছিলেন না ছিলেন উদ্ভিদ ও প্রাণীকূলেরও সম্রাট ছিলেন। সোলায়মান জীব-জগতের সকলের ভাষা হৃদয়ঙ্গম করতে পারতেন।

সোলায়মান ("সোলায়মান ও তার ইচ্ছা")
ইসরাইলের রাজত্ব (সংযুক্ত রাজতন্ত্র)
Judgement of Solomon
Doré, Gustave (১৯ শতক), সলোমনের বিচার (খোদাইকৃত) এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
রাজত্বকালc. ৯৭০-৯৩১ খ্রিস্টপূর্ব
জন্মস্থানজেরুজালেম
মৃত্যুস্থানজেরুজালেম
পূর্বসূরিদাউদ
উত্তরসূরিRehoboam
দাম্পত্যসঙ্গীNaamah, Pharaoh's Daughter, around 700 other wives and 300 concubines[১]
সন্তানাদিRehoboam
রাজবংশHouse of ডেভিড
পিতাদাউদ
মাতাবাথসেবা

শৈশব

সলোমন জেরুজালেম নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন।[৩] বাইবেল অনুসারে তিনি দাউদ ও বাথসেবার সন্তান। বাথসেবা ছিলেন ইউরিয়াহ দ্যা হিটটিট এর বিধবা। [৪]

তথ্যসূত্র

  1. "In Our Time With Melvyn Bragg: King Solomon"Radio 4UK: BBC। ৭ জুন ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০১২
  2. (হিব্রু ভাষায়: שְׁלֹמֹה, আধুনিক হিব্রু: Šəlomo or Šlomo, আরবি ভাষায়: سليمان সুলায়মান)
ইংরেজি ভাষা

ইংরেজি বা ইংরাজি (English) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাপরিবারের জার্মানীয় শাখার পশ্চিম দলের একটি ভাষা। উৎসবিচারে ইংরেজি ভাষাটির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ভাষাটি হল ফ্রিজীয় ভাষা। এছাড়া এটির সাথে ওলন্দাজ ভাষা, ফ্লেমিশ ভাষা (বেলজিয়ামে প্রচলিত ওলন্দাজ ভাষার উপভাষা) ও নিম্ন জার্মান উপভাষাগুলির সম্পর্ক আছে। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপের দক্ষিণাংশে অবস্থিত ইংল্যান্ড নামক দেশটিতে খ্রিস্টীয় আনুমানিক ৬ষ্ঠ শতকে ইংরেজি ভাষার জন্ম হয়। বর্তমানে এটি যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ক্যারিবীয় সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে ছড়িয়ে থাকা অনেক দ্বীপরাষ্ট্রের প্রধান ভাষা। ইংরেজি প্রায় ৩৮ কোটি মানুষের মুখের মাতৃভাষা। মাতৃভাষাভাষীর সংখ্যার বিচারে এর অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়।

ইংরেজি ভাষার শব্দভাণ্ডারের ৭০ শতাংশ বিদেশি উৎসজাত। বাকি ৩০ শতাংশ ইংরেজি শব্দ প্রাচীন ইংরেজি, অ্যাংলো-স্যাক্সোন ও জার্মানীয় উৎসজাত। অ্যাংলো-সাক্সোন ও জার্মানীয় উৎসজাত শব্দগুলো খাঁটি ইংরেজি শব্দরূপে গণ্য হয়ে থাকে। ৮ম থেকে ১১শ শতাব্দীর কোন সময়ে রচিত বেওউল্‌ফ ইংরেজি ভাষার আদি নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়। উইলিয়াম শেকসপিয়র ইংরেজি ভাষার শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক।

১৮শ শতক থেকে ২০শ শতক পর্যন্ত বিশ্বের নানা প্রান্তে ইংরেজরা উপনিবেশ গড়ে তুললে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরাশক্তি হয়ে উঠলে, ইংরেজি বিশ্বের লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কায় পরিণত হয় ২০শ শতকের মধ্যভাগে এসে। বর্তমানে ইংরেজি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অধীত দ্বিতীয় ভাষা। দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুরের মতো প্রাক্তন বহুভাষী ইংরেজ উপনিবেশগুলো স্বাধীনতা পরবর্তীকালে ইংরেজিকে লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা তথা সহ-সরকারি ভাষা হিসেবে গ্রহণ করে। সব মিলিয়ে মাতৃভাষাভাষী নন এরকম ৭৫ কোটি মানুষ বিদেশী ভাষা হিসেবে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন। আধুনিক ইলেকট্রনিক, টেলিযোগাযোগ ও কম্পিউটার প্রযুক্তি, বিশ্ববাণিজ্য ও কূটনীতির প্রধান ভাষা হিসেবে ইংরেজি গোটা বিশ্বের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে আছে।

ইরিত্রিয়া, ইরিত্রিয়া, ইরিত্রিয়া

ইরিত্রিয়া, ইরিত্রিয়া, ইরিত্রিয়া (তিগ্রিনিয়া: ኤርትራ ኤርትራ ኤርትራ; ইংরেজি: Eritrea, Eritrea, Eritrea) ইরিত্রিয়ার জাতীয় সঙ্গীত। ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতার পরে একে অবলম্বন করা হয়েছিল। এই গানের কথা দিয়েছেন "সলোমন টেহায়ে বেরাকি" এবং রচনা করেছেন "আইজাক আব্রাহাম মেহারেজগী" এবং "আরোন টেকলে টেসফাটসিওন"।

ওয়োদেফিট জেসজেশি, ওয়িদ ইন্নাত ইতয়োপ্প'ইয়া

ওয়োদেফিট জেসজেশি, ওয়িদ ইন্নাত ইতয়োপ্প'ইয়া (আমহারীয়: የዜግነት ክብር በኢትዮጵያችን ፀንቶ; বাংলা: সামনে কুচকাওয়াজ, প্রিয় মা ইথিওপিয়া) ইথিওপিয়ার জাতীয় সঙ্গীত। এই গানের কথা দিয়েছেন "ডেরেজে মেলাকু মেঙ্গেসহা" এবং সুর দিয়েছেন "সলোমন লুলু মিতিকু"। একে ১৯৯২ সালে অবলম্বন করা হয়।ইথিওপিয়ার প্রথম জাতীয় সঙ্গীত ছিল "ইথিওপিয়া হোয় দেস ইবালিশ বেয়ামলাকিশ হাইল বেনেগোসিশ"। একে ১৯৩০ থেকে ১৯৭৫ সালে পর্যন্ত জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। এর সুর দিয়েছিলেন "কেভোরক নালবানদিয়ান"। ১৯৭৫ সালে "ইথিওপিয়া, ইথিওপিয়া, ইথিওপিয়া কিদেমি" একে প্রতিস্থাপন করে। এর কথা দিয়েছেন "আসসেফা জেব্রা-মারিয়াম তেসসামা" এবং সুর দিয়েছেন "ডানিয়েল ইয়োহান্নেস হাগোস"। একে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯২ সালে পর্যন্ত জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

কানাডা

কানাডা (ইংরেজি: Canada) উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত একটি দেশ। এটার দশটি প্রদেশ ও তিনটি অঞ্চল আটলান্টিক থেকে প্যাসিফিক এবং উত্তরে আর্কটিক সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত, যা এটিকে মোট আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তর দেশে পরিণত করেছে।

কানাডার অধিকৃত ভূমি প্রথম বসবাসের জন্য চেষ্টা চালায় আদিবাসী জনগোষ্টিসমূহ। ১৫তম শতকের শুরুতে ইংরেজ এবং ফরাসি অভিযাত্রীরা আটলান্টিক উপকূল আবিষ্কার করে এবং পরে বসতি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। ফ্রান্স দীর্ঘ সাত বছরের যুদ্ধে পরাজয়ের ফলস্বরূপ ১৭৬৩ সালে উত্তর আমেরিকায় তাদের সব উপনিবাস ইংরেজদের কাছে ছেড়ে দেয়। ১৮৬৭ সালে, মৈত্রিতার মধ্য দিয়ে চারটি স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ নিয়ে দেশ হিসেবে কানাডা গঠন করা হয়। এর ফলে আরো প্রদেশ এবং অঞ্চল সংযোজনের পথ সুগম, এবং ইংল্যান্ড থেকে স্বায়ত্তশাসন পাওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। ১৯৮২ সালে জারীকৃত কানাডা অ্যাক্ট অনুসারে, দশটি প্রদেশ এবং তিনটি অঞ্চল নিয়ে গঠিত কানাডা সংসদীয় গণতন্ত্র এবং আইনগত রাজ্যতন্ত্র উভয়ই মেনে চলে। রাষ্ট্রের প্রধান রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। কানাডা দ্বিভাষিক (ইংরেজি ও ফরাসি ভাষা দুটোই সরকারি ভাষা) এবং বহুকৃষ্টির দেশ।

জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দল

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল (ইংরেজি: Zimbabwe national cricket team) জিম্বাবুয়ের জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রতিনিধিত্বকারী দল। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট কর্তৃক দলটি পরিচালিত হচ্ছে। পূর্বেকার জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট ইউনিয়ন বর্তমানে 'জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট' নামে পরিচিত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি'র পূর্ণ সদস্যরূপে দলটি টেস্ট, একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এবং টি২০আই খেলায় অংশগ্রহণ করছে।

১৫ আগস্ট, ২০১৬ তারিখে জিম্বাবুয়ে দল আইসিসি প্রণীত টেস্ট, ওডিআই ও টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে যথাক্রমে ১০ম, ১১শ ও ১২শ স্থানে অবস্থান করেছিল।

টনি মরিসন

টনি মরিসন (প্রদত্ত নাম ক্লো আর্ডেলিয়া উওফোর্ড; (১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৩১-৫ আগস্ট ২০১৯) একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, সম্পাদিকা ও প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস ছিলেন। তার উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য হলো মহাকাব্যিক রীতি, তীক্ষ্ণ কথোপকথন এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ চরিত্রায়ন। তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো দ্য ব্লুয়েস্ট আই (১৯৭০), সুলা (১৯৭৩), সং অফ সলোমন (১৯৭৭) এবং বিলাভেড (১৯৮৭)।

১৯৮৮ সালে মরিসন তার "বিলাভেড" গ্রন্থের জন্য পুলিৎজার পুরস্কার এবং আমেরিকান বুক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী হন। ১৯৯৩ সালে তিনি সাহিত্যের জন্য নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হন।

তিনিই প্রথম আফ্রো আমেরিকান নারী যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০১২ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডমে ভূষিত করেন।

টুয়েলভ ইয়ার্স আ স্লেইভ

টুয়েলভ ইয়ার্স আ স্লেইভ ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া জীবনীমূলক চলচ্চিত্র। সলোমন নর্থাম্প নামের একজন কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান ভদ্রলোকের ভাগ্যের ফেরে দাস হয়ে বারো বছর কাটানোর কাহিনী। সলোমন নর্থাম্প এর একই নামের লেখা বই থেকে ভিত্তি করে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে।

ফিফাভুক্ত দেশসমূহের কোডের তালিকা

ফিফা তার সদস্য এবং অ-সদস্য দেশগুলোর জন্য একটি তিন অক্ষরের দেশের কোড নির্ধারণ করে। এই অফিসিয়াল কোডসমূহ ফিফা এবং তার মহাদেশীয় কনফেডারেশন এবং অফিসিয়াল প্রতিযোগিতার নির্ভরশীল এলাকা কর্তৃক ব্যবহৃত হয়। ফিফা প্রশিক্ষণে মাঝে মাঝে অন্য ক্রীড়া সংগঠন ফুটবলের বাইরে এই কোড ব্যবহার করে।

বিলকিস

বিলকিস বা সাবার রানী ("মালিকায় সাবা") বা শেবার রানী কোরআন, তাওরাত ও বাইবেলের পুরাতন নিয়মে উল্লেখিত একজন ঐতিহাসিক চরিত্র যিনি বাদশাহ সুলায়মান বা রাজা সলোমনের সাথে সাক্ষাত করেছিলেন। ইহুদী, আরব্য ও প্রাচ্যের আলোচনায় তিনি অধিকভাবে পরিচিত।

ব্লেসড বি দ্য ল্যান্ড অফ জিম্বাবুয়ে

ব্লেসড বি দ্য ল্যান্ড অফ জিম্বাবুয়ে (ইংরেজি: "Blessed be the Land of Zimbabwe"; শোনা: "সিমুদযাই মুরেযা ওয়েদু ওয়েজিম্বাবুয়ে"; উত্তর ডেবেলে: "কালিবুসিসুয়ে ল্লিযওয়ে লেজিম্বাবুয়ে") জিম্বাবুয়ের জাতীয় সঙ্গীত। এইটি একটি জাতীয় প্রতিযোগিতার পরে মার্চ ১৯৯৪ সালে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যা "ইশে কোম্বোরেরা আফ্রিকা" (১৯৮০-১৯৯৪) জাতীয় সঙ্গীতকে প্রতিস্থাপন করে। প্রতিযোগিতার বিজয়ী গানটি লিখেছিল অধ্যাপক সলোমন মুত্বাইরো এবং একে রচিত করেছে ফ্রেড চাঙ্গুনদেগা। এইটি জিম্বাবুয়ের প্রধান তিনটি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে।

ভোল্‌ফগাংক্‌ আমাডেয়ুস মোৎসার্ট

ভোল্‌ফগাংক্‌ আমাডেয়ুস মোৎসার্ট (জার্মান ভাষায় Wolfgang Amadeus Mozart ভ়োল্‌ফ়্‌গাংক্‌ আমাডেউস্‌ মোৎসাআট্‌) (জানুয়ারি ২৭, ১৭৫৬ – ডিসেম্বর ৫, ১৭৯১) অস্ট্রীয় সুরকার। তিনি ধ্রুপদী পাশ্চাত্য সঙ্গীত যুগের একজন বিখ্যাত ও প্রভাবশালী সুরকার ছিলেন।

জালৎস্‌বুর্গ শহরে জন্মগ্রহণকারী মোৎসার্ট শৈশব থেকেই তার বিস্ময়কর প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন। কিবোর্ড ও বেহালায় দক্ষতা অর্জন করে তিনি মাত্র পাঁচ বছর বয়সে তার প্রথম সুর সৃষ্টি করেন এবং ইউরোপীয় অভিজাতদের সামনে তা পরিবেশন করেন। ১৭ বছর বয়সেই তিনি জালৎস্‌বুর্গের দরবারী সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন, পাশাপাশি নিরলসভাবে অসংখ্য সুর সৃষ্টির মাধ্যমে আরো উচ্চ অবস্থানে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যান। ১৭৮১ সালে যখন তিনি ভিয়েনা ভ্রমণ করছিলেন, তখন তাকে জালৎস্‌বুর্গের দরবার পদ থেকে পদচ্যুত করা হয়।

তিনি ৬০০-এর অধিক সুর সৃষ্টি করেন, তন্মধ্যে অসংখ্য সুর সিম্ফোনিক, কনসার্টেন্ট, চেম্বার, গীতিনাট্যধর্মী, ও দলীয় সঙ্গীতের শীর্ষ সুর বলে বিবেচিত হয়। তিনি ধ্রুপদী সুরকারদের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় প্রভাব বিস্তারকারী এবং পরবর্তী পাশ্চাত্য শৈল্পিক সঙ্গীতে তার প্রভাব অনস্বীকার্য। লুডভিগ ফান বেটোফেন তার শুরুর কাজগুলো মোৎসার্টের অনুকরণে সৃষ্টি করেন এবং জোসেফ হ্যাডন লিখেন, "পরবর্তী ১০০ বছরেও এমন প্রতিভা দেখা যাবে না।"

মেলানেশিয়া

মেলানেশিয়া ওশেনিয়ার একটি উপ-অঞ্চল, যা দক্ষিণ-পশ্চিম মহাসাগরে নিউ গিনি দ্বীপ থেকে শুরু হয়ে আরাফুরা সাগর পর্যন্ত এবং পূর্বিদিকে টোঙ্গা পর্যন্ত বিস্তৃত। অঞ্চলটিতে চারটি স্বাধীন রাষ্ট্র আছে; এগুলি হল ভানুয়াতু, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি এবং পাপুয়া নিউ গিনি। এছাড়া ফরাসি বিশেষ সামুদ্রিক অঞ্চল নুভেল কালেদোনি (নতুন ক্যালিডোনিয়া) এবং ইন্দোনেশীয় পশ্চিম নিউ গিনি অঞ্চলটিও এর অন্তর্ভুক্ত। মেলানেশিয়ার সিংহভাগই দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত, কেবল পশ্চিম নিউ গিনির উত্তর-পশ্চিমভাগের কয়েকটি দ্বীপ উত্তর গোলার্ধে পড়েছে।

ফরাসি জ্যুল দ্যুমোঁ দ্যুর্ভিল সর্বপ্রথম ১৮৩২ সালে মেলানেশিয়া পরিভাষাটি (ফরাসি Mélanésie মেলানেযি) ব্যবহার করেন। তিনি নৃতাত্ত্বিকভাবে ও ভৌগোলিকভাবে মাইক্রোনেশিয় ও পলিনেশিয়া থেকে পৃথক করতে এই দ্বীপসমষ্টির এরূপ নাম দেন।

টেমপ্লেট:Melanesia

টেমপ্লেট:Indigenous peoples by continent

সংসদ সদস্য

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজী প্রতিরূপ হচ্ছে 'মেম্বার অব পার্লামেন্ট' বা 'এমপি' এবং বাংলায় 'সংসদ সদস্য' কিংবা 'সাংসদ'। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে 'ডেপুটি' নামে অভিহিত করা হয়।

সলোমন দ্বীপপুঞ্জ

সলোমন দ্বীপপুঞ্জ (ইংরেজি Solomon Islands সলমন্‌ আইল্যান্ড্‌জ়্‌) প্রশান্ত মহাসাগরের একাধিক দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এটি ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত।

সলোমন দ্বীপপুঞ্জের ভাষা

সলোমন দ্বীপপুঞ্জে প্রায় ৭৪টি ভাষা প্রচলিত; এদের মধ্যে অবশ্য ৪টি বিলুপ্ত। কেন্দ্রীয় দ্বীপগুলিতে মূলত মেলানেশীয় ভাষা ও পলিনেশীয় ভাষা প্রচলিত। কিছু কিছু মাইক্রোনেশীয় ভাষাও প্রচলিত। ইংরেজি সরকারী ভাষা হলেও মাত্র কয়েক শতাংশ লোক এতে কথা বলতে পারেন। সলোমন দ্বীপপুঞ্জীয় পিজিন নামের একটি ইংরেজি-ভিত্তিক পিজিন ভাষাতে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ লোক ভাব আদান-প্রদান করতে পারে এবং এটিই কার্যত এখানকার সার্বজনীন ভাষা।

সলোমন বন্দরনায়েকে

সলোমন ওয়েস্ট রিজওয়ে ডায়াস বন্দরনায়েকে (সিংহলি: සොලමන් වෙස්ට් රිජ්වේ ඩයස් බණ්ඩාරනායක,তামিল: சாலமன் வெஸ்ட் ரிட்ஜ்வே டயஸ் பண்டாரநாயக்கா; জন্ম: ৮ জানুয়ারি, ১৮৯৯ - মৃত্যু: ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৯) কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী সিলনের বিখ্যাত বক্তা ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। সচরাচর তিনি এস.ডব্লিউ.আর.ডি. বন্দরনায়েকে নামে পরিচিত ছিলেন। ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৯ মেয়াদে তৎকালীন সিলনের (বর্তমান: শ্রীলঙ্কা) চতুর্থ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ঐ নির্বাচনের ফলেই আধুনিক সিলনের রাজনৈতিক ইতিহাসের আমূল পরিবর্তন ঘটে। বামপন্থী ও সিংহলী জাতীয়তাবাদী শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সলোমন বন্দরনায়েকে। ১৯৫৯ সালে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী কর্তৃক নিহত হবার পর তার বিধবা পত্নী সিরিমাভো বন্দরনায়েকে বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হবার বিরল কৃতিত্ব স্থাপন করেন।

সলোমন মিরে

সলোমন ফারাই মিরে (জন্ম: ২১ আগস্ট, ১৯৮৯) হারারে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী জিম্বাবুয়ের উদীয়মান ক্রিকেটার। জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের পক্ষে তিনি মূলতঃ ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলার। পাশাপাশি নীচের সারির ডানহাতি ব্যাটসম্যানও তিনি। পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করে থাকেন। সোলজ ডাকনামে পরিচিত সলোমন মিরে ঘরোয়া ক্রিকেটে সেন্ট্রালসের পক্ষে খেলছেন। এছাড়াও, মিড ওয়েস্ট রাইনোস, জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়েও খেলেছেন তিনি।

হোনিয়ারা

হোনিয়ারা (ইংরেজি: Honiara) দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত সার্বভৌম দ্বীপরাষ্ট্র সলোমন দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী। এটি গুয়াদালকানাল দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে মাতানিকো নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি বন্দর শহর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানে নারিকেল, পামগাছ থেকে প্রস্তুতকৃত দ্রব্য, মাছ ও কাঠের ব্যবসা আছে। এছাড়া দ্বীপের মধ্যভাগে অবস্থিত গোল্ড রিজ এলাকা থেকে প্রাপ্ত কিছু স্বর্ণেরও বাণিজ্য হয়। শহরের পূর্বদিকে ১৬ কিলোমিটার দূরত্বে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে। ২য় বিশ্বযুদ্ধের আগে হোনিয়ারার কোনও অস্তিত্ব ছিল না। যুদ্ধের সময় এখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি ও সদর দফতর প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে এখানে একটি লোকালয় গড়ে ওঠে। তুলাগি নামের শহরের পরিবর্তনে ১৯৫২ সালে হোনিয়ারাকে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণাধীন সলোমন দ্বীপপুঞ্জের রাজধানীতে পরিণত হয়। ১৯৭৮ সালে দ্বীপগুলি স্বাধীনতা লাভ করলে এটি নব্যসৃষ্ট রাষ্ট্রেরও জাতীয় রাজধানীর মর্যাদা পায়। পয়েন্ট ক্রুজ নামক সমুদ্র এলাকার পেছনে সরু একটি উপকূলীয় এক চিলতে ভূখণ্ডে সরকারী ভবনগুলি দাঁড়িয়ে আছে। শহরটি কুকুম মহাসড়কের উপরে অবস্থিত, যা ব্যবহার করে বিমানবন্দরে পৌঁছানো যায়। ১৯৬০-এর দশকে সরকারী ও বেসরকারী খাতের সংস্থাগুলি নতুন রাজধানীকে উন্নয়নের বিরাট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ১৯৮০-এর দশকে প্রথম বহুতল ভবনগুলি নির্মাণ করা হয়।

১৯৯০-এর দশকের শেষভাগ থেকে হোনিয়ারা শহরটি জাতিগত সহিংসতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দাঙ্গার শিকার হয়ে আসছে। ২০০০ সালে একটি ক্যু-এর প্রচেষ্টা হলে বিদ্রোহ শুরু হয় এবং জাতিগত মালাইতান এবং গুয়াদালকানালের আদিবাসীদের দুই দলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। ২০০৬ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় নির্বাচন-পরবর্তী দাঙ্গা-হাঙ্গামাতে হোনিয়ারার চীনা-অধ্যুষিত এলাকা বা চায়নাটাউনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এখানে প্রায় ৮৪ হাজার লোকের বাস। হোনিয়ারার জনগণের সিংহভাগ খ্রিস্টান। এখানকার জলবায়ু ক্রান্তীয় অতিবৃষ্টি অরণ্য প্রকৃতির।

২০১৮ জিম্বাবুয়ে ত্রি-দেশীয় সিরিজ

২০১৮ জিম্বাবুয়ে ত্রি-দেশীয় সিরিজ একটি টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রতিযোগিতা যেটি ২০১৮ সালের ১ থেকে ৮ জুলাই জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ ছিল।

Family and reputed relations
Occurrences
Views
Reputed works
Related articles
Rulers of Ancient Israel
Pre-dynastic
United Monarchy
Israel (Northern Kingdom)
Judah (Southern Kingdom)
Hasmonean dynasty
Herodian dynasty
Post–Second Temple era
Linear Genealogy of Jesus from the first couple according to the Matthew 1
Generations after Creation
Patriarchs after Flood
Nationhood to Kingship
Kingdom of Judah to Captivity
Return to Jesus

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.