বাঁধাকপি

বাঁধাকপি বা পাতাকপি একটি সবজি যা ব্রাসিকেসি বা ক্রুসিফেরি গোত্রের ব্রাসিকা অলেরাসিয়া ''Brassica oleracea'' প্রজাতির উদ্ভিদ । এটি একটি জনপ্রিয় পাতা জাতীয় সবজি। বাঁধাকপির আদি নিবাস ভূমধ্যসাগরীয় দক্ষিণ ইউরোপে[১]। বাংলাদেশে ১৯৬০-এর দশকে এর চাষ শুরু হয়।

ঔষধী গুণাবলী

বাঁধাকপি, রান্না না করা
প্রতি ১০০ গ্রাম (৩.৫ আউন্স) পুষ্টিগত মান
শক্তি১০৩ কিজু (২৫ kcal)
5.8 g
চিনি3.2 g
খাদ্যে ফাইবার2.5 g
0.1 g
প্রোটিন
1.28 g
ভিটামিনসমূহ
থায়ামিন (বি)
(5%)
0.061 mg
রিবোফ্লাভিন (বি)
(3%)
0.040 mg
ন্যায়েসেন (বি৪)
(2%)
0.234 mg
প্যানটোথেনিক অ্যাসিড (বি৫)
(4%)
0.212 mg
ভিটামিন বি৬
(10%)
0.124 mg
ফোলেট (বি)
(13%)
53 μg
ভিটামিন সি
(44%)
36.6 mg
চিহ্ন ধাতুসমুহ
ক্যালসিয়াম
(4%)
40 mg
লোহা
(4%)
0.47 mg
ম্যাগনেসিয়াম
(3%)
12 mg
ফসফরাস
(4%)
26 mg
পটাশিয়াম
(4%)
170 mg
দস্তা
(2%)
0.18 mg
  • একক
  • μg = মাইক্রোগ্রামসমূহ  • mg = মিলিগ্রামসমূহ
  • IU = আন্তর্জাতিক এককসমূহ
Percentages are roughly approximated using US recommendations for adults.
Source: USDA Nutrient Database

বাঁধাকপি ভিটামিন সি এর একটি চমৎকার উৎস। বাঁধাকপিতে গ্লুটামাইন এবং অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে যার দহন নিবারক গুণাবলী আছে।

বাঁধাকপি
বাঁধাকপি

বাঁধাকপি
প্রজাতি
Brassica oleracea
কালটিভার গ্রুপ
Capitata Group
উৎস
ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, ১ম শতাব্দী
কালটিভার গ্রুপ মেম্বার
অনেক

তথ্যসূত্র

  1. বাংলাপিডিয়া বাঁধাকপি নিবন্ধ

বহিঃসূত্র

ইরাকী রন্ধনশৈলী

ইরাকী রন্ধনশৈলী বা মেসোপটেমীয় রন্ধনশৈলীর ইতিহাস দশহাজার বছরের পুরাতন। সুমেরীয়, আক্কাডীয়, ব্যবলনীয়, আসারীয় এবং প্রাচীন পারস্যের হাত ধরে এই রন্ধনশৈলী গড়ে উঠেছে। ইরাকের প্রাচীন ধ্বংসাবশেষে প্রাপ্ত শিলালিপি থেকে জানা যায় উৎসবের সময়ে মন্দিরে খাবার প্রস্তুত করার প্রণালী। একে পৃথিবীর প্রথম রান্নারবই বলা হয়। প্রাচীন ইরাক বা মেসোপটেমিয়া ছিলো সমৃদ্ধ সভ্যতার নিবাস। রন্ধনশিল্পসহ জ্ঞানের সকল শাখায় তারা সমৃদ্ধি অর্জন করেছিলো। ইসলামের স্বর্ণযুগে বাগদাদ আব্বাসীয় খিলাফাতের রাজধানী হওয়ায় ইরাকী রান্না এর সর্বোচ্চ শিখরে উঠতে সক্ষম হয়। বর্তমানের ইরানী রন্ধনশিল্পে এর দৃঢ় প্রভাব রয়েছে গেছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী ইরান, তুর্কী, সিরিয়া অঞ্চলের রন্ধন ঐতিহ্যের প্রভাব আছে।

খাবারের শুরুতে থাকে মেজ্জা নামক হজমীকারক সালাদ। ইরাকীদের উল্লেখযোগ্য কিছু খাবার হচ্ছে কেবাব (মাংস রসুন, লেবু এবং মসলায় মাখিয়ে আগুনে ঝলসানো হয়), গাউস, বামিয়েহ (ভেড়া, ঢেঁড়স এবং টমেটোর স্ট্যু), কুজি (চাল,আলমন্ড, রেসিন এবং মসলা দিয়ে রান্না করা ভেড়ার মাংস), ফালাফেল, কুব্বাহ, মাক্লুবা ইত্যাদি। দোলমা ও মাহশির মত রান্না করা সব্জির খাবারও জনপ্রিয়।ইরাকে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার মত প্রাকৃতিক বিভাজন কাজ করে যেখানে আশারিয়া উত্তরের উচূভূমিতে এবং ব্যবলনিয়া দক্ষিনের সমভূমিতে। আলজাজিরা বা প্রাচীন আশারিয়ায় গম এবং শীতল আবহাওয়ার ফলস যেমন আপেল ও পাথর ফল জন্মে। আল-ইরাক বা প্রাচীন ব্যবলনিয়ায় ধান, বার্লি, লেবুজাতীয় ফল এবং খেঁজুর জন্মে। এই অঞ্চলের ফলে ইরাক পৃথিবীর সর্বোচ্চ খেঁজুর উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হয়েছে।

এশীয় রন্ধনশৈলী

এশীয় রন্ধনশৈলী হচ্ছে কিছু প্রধান আঞ্চলিক রন্ধনশৈলী পূর্ব এশীয় রন্ধনশৈলী, দক্ষিণ পূর্ব এশীয় রন্ধনশৈলী, দক্ষিণ এশিয়া রন্ধনশৈলী,মধ্য এশীয়, এবং মধ্যপ্রাচ্যীয় রন্ধনশৈলী নিয়ে গঠিত। রন্ধনশৈলী হচ্ছে রান্নার অভ্যাস এবং ঐতিহ্যের সম্মিলন যা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সংস্কৃতির সাথে যুক্ত। বৃহত্তম এবং সর্বাধিক জনবহুল মহাদেশ এশিয়া হচ্ছে অনেক সংস্কৃতির বাসস্থান যাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের রন্ধনশৈলী আছে।

মহাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণপূর্ব অঞ্চলের বহু সংস্কৃতির মধ্যে একই ধরণের উপাদানের ব্যবহার রয়েছে যেমন চাল, আদা, রসুন,, তিল বীজ, চিনি, শুকনো পেঁয়াজ, সয়া, এবং তোফু। ভাজা, সিদ্ধ ভাজা, কড়া ভাজা এই অঞ্চলের সাধারণ রান্নার পদ্ধতি।

বেশিরভাগ এশিয়ান রন্ধনশৈলীর মধ্যে চালের ব্যবহার সাধারণ। যদিও বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের চালের জনপ্রিয়তা রয়েছে। উপমহাদেশে বাসমতি চাল জনপ্রিয়, জুঁই চাল প্রায়ই দক্ষিণ-পূর্বের অঞ্চলে পাওয়া যায়। তবে চীনে লম্বা দানার চাল এবং জাপান ও কোরিয়ায় ছোট দানার চাল জনপ্রিয়।দক্ষিণ, পশ্চিম ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার মধ্যে তরকারী একটি সাধারণ পদ। তবে এটি পূর্ব এশিয়ার রান্নায় সচরাচর দেখা যায় না। ভারত ও অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলির তরকারীতে দইয়ের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায় এবং দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলে তরকারীতে সাধারনত নারকেল দুধকে তরকারীর ভিত্তি হিসাবে ব্যবহার করে।

খরখগ

খরখগ হচ্ছে মঙ্গোলীয় রন্ধনশৈলীর একটি বারবিকিউ ধরণের খাবার। খরখগ একটি পাত্রের মধ্যে রান্না করা হয় যার মধ্যে গরম পাথর এবং পানি থাকে এবং পাত্রটিকে বাইরে থেকে উত্তপ্ত করা হয়।

খাদ্য

আমরা যে সব বস্তু আহার করি তাকে আহার্য সামগ্রী বলে। কিন্তু সব আহার্য সামগ্রীই খাদ্য নয়। যেমন, থোড় সেলুলোজ দিয়ে গঠিত হওয়ায় আমাদের পরিপাক নালীতে পাচিত হয় না। ফলে পুষ্টি সহায়ক নয়। সেই সব আহার্য সামগ্রীকেই খাদ্য বলা যাবে, যা দেহের পুষ্টি ও বৃদ্ধি সহায়ক এবং তাপশক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে।

জীবদেহে শক্তির উৎস হল খাদ্য। সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়াকালে সৌরশক্তি খাদ্যের মধ্যে স্থৈতিক শক্তিরুপে আবদ্ধ হয়। জীবকোষে শ্বসনের সময় স্থৈতিক শক্তি তাপ শক্তি বা গতিশক্তি রুপে মুক্ত হয়, জীবদেহের যাবতীয় বিপাক ক্রিয়া, যেমন : শ্বসন, রেচন,পুষ্টি ইত্যাদি এবং শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়াকলাপ, যেমন-বৃদ্ধি, চলন-গমন, জনন ইত্যাদি নিয়ন্ত্রিত হয়। সুতরাং প্রানধারনের জন্য প্রত্যেক জীবকেই খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। তাই, যে সব আহার্য সামগ্রী গ্রহন করলে জীবদেহের বৃদ্ধি, পুষ্টি, শক্তি উৎপাদন ও ক্ষয়পূরন হয়, তাকেই খাদ্য বলে।

গলগন্ড

গলগন্ড (ইংরেজি: Goitre; লাতিন: gutteria, struma) হল থাইরয়েড গ্রন্থির ফোলা যা ঘাড় বা স্বরযন্ত্রকে ফুলিয়ে দেয়। প্রকোপিত বায়ু, কফ ও মেদ গলায় অর্থাৎ গলদেশের বহির্ভাগে ছোট বা বড় যে স্থায়ী শোথ উৎপন্ন করে তাকে গলগন্ড বলে। এ শোথ আস্তে আস্তে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়ে অন্ডকোষের ঝুলতে থাকে। এ রোগে তেমন কোন বেদনা থাকে না।

চিত্রা হরিণ

চিত্রা হরিণ, চিত্রল হরিণ, চিত্র মৃগ, চিতল, (বৈজ্ঞানিক নাম: Axis axis) সম্ভবত উপমহাদেশীয় হরিণ প্রজাতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন। এদের (ইংরেজি: chital বা cheetal) নামটি এসেছে বাংলা চিত্রা বা চিত্রল থেকে যার অর্থ ফোঁটা বা ছোপযুক্ত। ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের বনাঞ্চলগুলো চিত্রা হরিণের স্থায়ী আবাসস্থল। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চিত্রা হরিণ ছাড়া হয়েছে। এর দুটি উপপ্রজাতি রয়েছে- Axis axis axis (ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানে দেখা যায়) ও Axis axis ceylonensis (শ্রীলঙ্কান চিত্রা হরিণ, কেবল শ্রীলঙ্কায় দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে ছাড়া হয়েছে)। বাংলাদেশের ১৯৭৪ ও ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-২ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।

টিআই (দ্ব্যর্থতা নিরসন)

টিআই বা (TI) দ্বারা বোঝানো যেতে পারেঃ

তিব্বতী রন্ধনশৈলী

তিব্বতী রন্ধনশৈলী হচ্ছে তিব্বত ও তার জনগণের রন্ধনসম্পর্কীয় ঐতিহ্য ও চর্চা। ভারত ও নেপালের বাস করে এমন অনেকেই তিব্বতী রন্ধনশৈলী অনুসরণ করে। এই রন্ধনশৈলীতে তিব্বতের পাহাড়ী ভূমিতে খাবার গুলো প্রতিফলিত হয় যা প্রতিবেশীদের প্রভাবে (ভারত ও নেপালসহ অন্যান্য দেশ) বিকশিত হয়েছে। এই রন্ধনশৈলী নুডলস, ছাগল, ইয়াক, মাটন, ডাম্পলিং, পনির (প্রায়ই ইয়াক বা ছাগলের দুধ থেকে তৈরীকৃত), মাখন (তিব্বতী জলবায়ুতে অভিযোজিত পশু থেকে) এবং স্যুপ এর জন্য বিশেষ পরিচিত।

ঐতিহ্যগতভাবে বার্লি দানা তিব্বতের মূল খাদ্য। মাংস এবং দুগ্ধজাত অপরিহার্য উপাদান। তিব্বতের দক্ষিণাঞ্চলের নিচু অঞ্চলে শুধুমাত্র ধান চাষ করা হয় এবং প্রধানত আমদানি করা হয়। মধ্য তিব্বতে শাক সবজি ও ফল খুব কম খাওয়া হয় কারণ সেখানে এগুলোর চাষ খুবই কঠিন। গ্রীনহাউসের নির্মাণের কারণে আজকাল এই ফসলের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। বিভিন্ন উদ্ভিদের অবস্থার কারণে তিব্বতী খাবারে বড় বৈচিত্র রয়েছে।

তিব্বতী ফসলকে অধিক উচ্চতায় জন্মাতে সক্ষম হতে হয়। যদিও তিব্বতের কয়েকটি অঞ্চল চাল, কমলা, কলা এবং লেবু উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট নিচু। তিব্বত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফসল বার্লি। ভাজা বার্লি থেকে বানানো ময়দাকে বলা হয় তসম্পা যা শা ফালের (মাংস ও বাঁধাকপি দিয়ে তৈরী) মত তিব্বতের প্রধান খাবার। বালেপ নামক তিব্বতী রুটি সকালের নাস্তা ও মধ্যাহ্নভোজনে খাওয়া হয়। থুকপা হলো রাতের প্রধান খাবার যাতে শাকসব্জি, মাংস এবং বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের নুডলস এর সমন্বয়ে তৈরী হয়। তিব্বতী রন্ধনশৈলীতে খাবার ঐতিহ্যগতভাবে বাঁশের চপস্টিক্সের সাথে পরিবেশন করা হয়। অন্য হিমালয়ী রন্ধনশৈলীতে সাধারনত হাত দিয়ে খাওয়া হয়। তিব্বতীরা ছোট ছোট স্যুপের বাটি ব্যবহার করে এবং তাদের সোনার ও রূপার বাটি ব্যবহারের ইতিহাস রয়েছে। সিপেন হচ্ছে তিব্বতীদের এক প্রকার ঝাল সস।

মাংসের মধ্যে আছে চমরী গাই, ছাগল বা মটন, যা প্রায়ই শুকিয়ে অথবা আলু দিয়ে মসলাযুক্ত ঝোল রান্না করা হয়। সরিষা বীজ তিব্বতে চাষ করা হয় এবং এর ফলে এর রন্ধনপ্রণালীতে ব্যাপকভাবে অবদান রেখেছে সরিষা। চমরী গাইয়ের দই, মাখন, এবং পনির প্রায়ই খাওয়া হয় এবং ভাল ভাবে প্রস্তুত দই একটি সম্মানজনক খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১১ শতক থেকে তিব্বতে নিরামিষভোজন মতবাদ আলোচিত হচ্ছে কিন্তু কখনো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরী করতে পারেনি। সব্জি উৎপাদন কষ্টসাধ্য এবং তিব্বতের মাংস ভোজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কারণে প্রচলিত হয় নি।তিব্বতির খাবারগুলি লাদাখ, সিক্কিম, অরুণাচল প্রদেশ এবং ভারতে তিব্বতীদের বসবাস যেখানে এবং উত্তর নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন মুস্টাং ও অন্যান্য অঞ্চলে খাওয়া হয়।

বড় তিব্বতী নগর ও শহরে অনেক রেস্টুরেন্ট এখন সিচুয়ান-শৈলীর হান চীনা খাবার পরিবেশন করছে। পশ্চিমা আমদানি এবং মিশ্র খাবার যেমন ভাজা চমরী গাই এবং চিপস জনপ্রিয়। ঐতিহ্যবাহী তিব্বতী খাবার পরিবেশনকারী অনেক ছোটো রেস্তোরাঁ শহর ও গ্রামাঞ্চলে টিকে আছে।

দুপচাঁচিয়া উপজেলা

দুপচাঁচিয়া বাংলাদেশের বগুড়া জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা; যেটি পূর্বে "ধুপচাঁচিয়া" নামে পরিচিত ছিল। এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বগুড়া-৩ আসনের অন্তর্গত।

নেপালী রন্ধনশৈলী

নেপালী রন্ধনশৈলী নেপালের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও ভৌগলিক অবস্থানের কারণে নৃতাত্ত্বিক, মাটি এবং আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। ডালভাত তরকারী (নেপালি: दाल भात तरकारी) সমগ্র নেপাল জুড়েই খাওয়া হয়। সাধারণত গরম ভাতের উপর মশলা দিয়ে রান্না করা মসুর ডাল পরিবেশন করা হয়। অনেকসময় সব্জি তরকারী পরিবেশিত হয় যা নেপালে তরকারী নামেই পরিচিত। প্রচুর মশলাযুক্ত আচার (अचार) খাবারের আনুষঙ্গিক অংশ। লেবুর টুকরো সাথে কাঁচা মরিচ পরিবেশন করা হয়। ধিন্ডো (ढिंडो) নেপালের ঐতিহ্যবাহী খাবার। নেপালী রন্ধনশৈলীর উপর এশীয় রান্নার প্রভাব রয়েছে। এদের খাবার সমূহ তিব্বত, ভারতীয় ও থাই উৎস থেকে এসেছে। তিব্বতীয় খাবারে নেপালী মশলা দিয়ে তৈরী মম নেপালের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার। প্রথমদিকে এর মধ্যে মহিষের মাংসের পুর দেয়া হতো। তবে বর্তমানে ছাগল, মুরগির পাশাপাশি শাকসবজির পুরও দেওয়া হয়। তিহারের মত উৎসবের সময়ে সেল রোটি এবং পাত্রে খাওয়া হয়। চীনা নুডলসের উপর ভিত্তি করে তৈরি চাওমিন আধুনিক নেপালে খুবই জনপ্রিয়।

ফুলকপি

ফুলকপি ব্রাসিকেসি পরিবারভুক্ত ব্রাসিকা অলেরাসিয়া (Brassica oleracea) প্রজাতির সবজিগুলোর একটি। এটি একটি বার্ষিক ফসল যা বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে। সাধারণতঃ ফুলকপির ফুল অর্থাৎ সাদা অংশটুকুই খাওয়া হয় আর সাদা অংশের চারপাশে ঘিরে থাকা ডাঁট এবং পুরু, সবুজ পাতা দিয়ে স্যুপ রান্না করা হয় অথবা ফেলে দেওয়া হয়। ফুলকপি খুবই পুষ্টিকর একটি সবজি; এটি রান্না বা কাচা যে কোন প্রকারে খাওয়া যায়, আবার এটি দিয়ে আচারও তৈরি করা যায়।

পাতা দিয়ে ঘিরে থাকা সাদা অংশটুকু দেখতে ফুলের মতো বলেই ফুলকপির এমন নামকরণ। এর বৈজ্ঞানিক নাম ব্রাসিকা অলিরাসিয়া (Brassica oleracea), যার মধ্যে বাঁধাকপি, ব্রকলি ইত্যাদিও পড়ে, অবশ্য এরা ভিন্ন চাষ গোত্রভুক্ত।

বিষ্ণুপুর জেলা

বিষ্ণুপুর জেলা (Pron:/ˌbɪʃnʊˈpʊə/) ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলের মণিপুর রাজ্যের ক্ষুদ্রতম আয়তম বিশিষ্ট জেলা। জেলাটি মণিপুর সেন্ট্রাল ভ্যালি এলাকার দক্ষিণ পশ্চিমে ২৪ o ১০' ও ২৪ o ৪৫' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৩ o ৪০'ও ৯৩ o ৫২' পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। জেলার মোট আয়তন ৪৯৬ বর্গকিলোমিটার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতা ৮২২.১৮ মিটার। জেলাটি দক্ষিণে চূড়াচাঁদপুর জেলা দ্বারা, উত্তরে ইম্ফল পশ্চিম জেলা দ্বারা,এবং পূর্বদিকে ইম্ফল জেলা ও থৌবাল জেলা-র দ্বারা সীমাবদ্ধ। বিষ্ণুপুরের মূল নাম ছিল লুমলাংডং (বর্তমানে লামংডং) যার অর্থ "নৃত্যরত হরিণ"।

ভাজা নুডুলস

পূর্ব এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ভাজা নুডুলস একটি অতিপরিচিত খাবার। এই পদের ক্ষেত্রে অনেক বিভিন্নতা, অনেক রন্ধনশৈলী এবং নানা উপকরণ বিদ্যমান।

মাদারগঞ্জ উপজেলা

মাদারগঞ্জ বাংলাদেশের জামালপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা।

মেহেরপুর জেলা

মেহেরপুর জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।মুক্তিযুদ্ধের সময় মেহেরপুরে পাকিস্তান বাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সংঘটিত বেশ কিছু প্রাথমিক যুদ্ধের সাক্ষী। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম কমান্ড, দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড গঠিত হয়েছিল পাশের চুয়াডাঙ্গা মহকুমা শহরে । ৪নং ইপিআর প্রধান মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং ডাঃ আসহাব-উল-হক জোয়ার্দ্দার একই দিন সকাল ৯:৩০ এ চুয়াডাঙ্গা শহরের বড় বাজার চৌরাস্তার মোড়ে সর্বপ্রথম দখলদার পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেন। যার পরিপেক্ষিতে

চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর অঞ্চল প্রথম স্বাধীন বাংলার মুক্ত অঞ্চল হিসেবে আন্তপ্রকাশ ঘটে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার মেহেরপুর জেলার বোদ্দনাথতলায় আম্রকাননে শপথ গ্রহণ করে অস্থায়ী সরকার গঠন করে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করে।মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান বাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর মধ্যে মেহেরপুরে সম্মুখ যুদ্ধের কথা নথিভুক্ত আছে। ।

২৬শে ফেব্রুয়ারি,১৯৮৪ সালে কুষ্টিয়া থেকে পৃথক করে মেহেরপুরকে স্বতন্ত্র জেলার মর্যাদা দেয়া হয়।

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (গুজরাটি: મોહનદાસ કરમચંદ ગાંધી উচ্চারণ (মোহনদাস কর্মচন্দ গান্ধী) বা মহাত্মা গান্ধী (২রা অক্টোবর, ১৮৬৯ - ৩০শে জানুয়ারি, ১৯৪৮) অন্যতম প্রধান ভারতীয় রাজনীতিবিদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্রগামী ব্যক্তিদের একজন এবং প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক নেতা। তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা। এর মাধ্যমে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনসাধারণের অবাধ্যতা ঘোষিত হয়েছিল। এ আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অহিংস মতবাদ বা দর্শনের উপর এবং এটি ছিল ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম চালিকা শক্তি, সারা বিশ্বে মানুষের স্বাধীনতা এবং অধিকার পাওয়ার আন্দোলনের অন্যতম অনুপ্রেরণা।

গান্ধী ভারতে এবং বিশ্ব জুড়ে মহাত্মা (মহান আত্মা) এবং বাপু (বাবা) নামে পরিচিত। ভারত সরকারীভাবে তার সম্মানার্থে তাকে ভারতের জাতির জনক হিসেবে ঘোষণা করেছে । ২রা অক্টোবর তার জন্মদিন ভারতে গান্ধী জয়ন্তী হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। ২০০৭ সালের ১৫ই জুন জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ২রা অক্টোবর-কে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস হিসেবে ঘোষণা করা। জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশ এ দিবস পালনে সম্মতি জ্ঞাপন করে।একজন শিক্ষিত ব্রিটিশ আইনজীবী হিসেবে, গান্ধী প্রথম তার অহিংস শান্তিপূর্ণ নাগরিক আন্দোলনের মতাদর্শ প্রয়োগ করেন দক্ষিণ আফ্রিকায় নিপীড়িত ভারতীয় সম্প্রদায়ের নাগরিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে। ভারতে ফিরে আসার পরে কয়েকজন দুঃস্থ কৃষক এবং দিনমজুরকে সাথে নিয়ে বৈষম্যমূলক কর আদায় ব্যবস্থা এবং বহু বিস্তৃত বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে আসার পর গান্ধী সমগ্র ভারতব্যাপী দারিদ্র্য দূরীকরণ, নারী স্বাধীনতা, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠির মধ্যে ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, বর্ণ বৈষম্য দূরীকরণ, জাতির অর্থনৈতিক সচ্ছলতা সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রচার শুরু করেন। কিন্তু এর সবগুলোই ছিল স্বরাজ অর্থাৎ ভারতকে বিদেশী শাসন থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে। ১৯৩০ সালে গান্ধী ভারতীয়দের লবণ করের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ৪০০ কিলোমিটার (২৪৮ মাইল) দীর্ঘ ডান্ডি লবণ কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেন, যা ১৯৪২ সালে ইংরেজ শাসকদের প্রতি সরাসরি ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটায়। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে বেশ কয়েকবার দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ভারতে কারাবরণ করেন।

মহাত্মা গান্ধী সমস্ত পরিস্থিতিতেই অহিংস মতবাদ এবং সত্যের ব্যাপারে অটল থেকেছেন। তিনি সাধারণ জীবনযাপন করতেন এবং একটি আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যেটি ছিল স্বয়ংসম্পূর্ণ। তার নিজের পরিধেয় কাপড় ছিল ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় ধুতি এবং শাল যা তিনি নিজেই চরকায় বুনতেন। তিনি সাধারণ নিরামিষ খাবার খেতেন। শেষ জীবনে ফলমূ্লই বেশি খেতেন। আত্মশুদ্ধি এবং প্রতিবাদের কারণে দীর্ঘ সময়ের জন্য উপবাস থাকতেন।

যাত্রাবাড়ি

যাত্রবাড়ি ঢাকা শহরের একটি থানা।

শালগম

শালগম একপ্রকারের মূল জাতীয় সবজি যা সাধারণত সারাবিশ্বের উষ্ণমণ্ডলীয় জলবায়ু অঞ্চলগুলিতে ভাল জন্মে। এর ছোট ও ভাল জাতটি মানুষ গ্রহণ করে; বড় আকারের শালগমগুলো পশু খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সারিন

সারিন (বৈজ্ঞানিক নাম: Pieris canidia) এক প্রজাতির মাঝারি আকারের প্রজাপতি, যাদের মুল শরীর আর ডানা সাদা বর্ণের এবং তার ওপর কালো ছোপযুক্ত। এরা ‘পিয়েরিডি’ পরিবারের সদস্য।

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.