দাউদ

ডেভিড বা দাউদ (/ˈdeɪvɪd/; হিব্রু: דָּוִד, דָּוִיד, আধুনিক [David] error: {{transl}}: unrecognized transliteration standard: (সাহায্য) টিবেরিয়ান Dāwîḏ; ISO 259-3 Dawid; আরবি: داوُود‎‎ Dāwūd; সিরিয়: ܕܘܝܕDawid; Strong's: Daveed) বাইবেলের বর্ণনা অনুসারে, তিনি ছিলেন একজন ইসরায়েল রাজতন্ত্রের দ্বিতীয় রাজা এবং বাইবেলের নূতন নিয়ম অনুসারে গালাতীয়দের প্রতি পত্র ও লূকলিখিত সুসমাচার মতে যীশুর পুর্বপুরুষ ইয়াকুবের পুত্র, ইয়াহুদার অধস্তন বংশধর । তার পিতার নাম ইশি। অনেক পুত্র সন্তানের মধ্যে দাউদ ছিলেন পিতার কনিষ্ঠ সন্তান।বাইবেলের বিবরণে, ডেভিড বা দাউদ একজন অল্প বয়সী মেষপালক ছিলেন, যিনি প্রথম একজন সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন এবং গলিয়াত দ্বারা মৃত্যুবরণ করেন। তিনি রাজা শৌলের প্রিয় ছিলেন এবং শৌলের ছেলে যোনাথনের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে ওঠেন।

হযরত দাউদ(আ.) বনী ইসরাইলীদের দ্বাদশ গোত্রের মধ্যে ইয়াহুদার বংশের সাথে সম্পর্কিত ছিলেন। মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক(রা.) ওহাব ইবনে মুনাব্বেহ-এর মাধ্যমে হযরত দাউদের চেহারা/গঠনের বর্ননা পাওয়া যায়। তিনি বেটে,ক্ষুদ্রাকৃতি,নীল চোখ, দেহে অতি অল্প পরিমাণ লোম ছিল। মুখের চেহারা থেকে অন্তরের পবিত্রতা দেখা যেত। হযরত দাউদের(আ.) সাথে বনী ইসরাইলদের বন্ধুত্বের কারণে তালুতের পরেই তিনি শাসন ক্ষমতা পেয়ে যান। মহান আল্লাহ তাকে নবুয়তও প্রদান করেন। পূর্বে বনী ইসরাইলের এক বংশের কাছে ছিল শাসন ক্ষমতা আর অন্য বংশের কাছে ছিল নবুয়ত। হযরত দাউদ(আ.) প্রথম দুটোই একসাথে পান। তিনি মহান আল্লাহর নবীও ছিলেন, আবার বাদশাহও ছিলেন। তিনি বনী ইসরাইলীদের সামাজিক ও সামগ্রিক জীবন দেখাশুনা করতেন। এই জন্য মহান আল্লাহ তাকে খলীফা হিসাবে আখ্যায়িত করলেন। হযরত দাউদ হযরত মুসা(আ.)-এর শরীয়তকে নতুন জীবন দিয়েছিলেন।‘যাবুর’ কিতাবটি মহান আল্লাহর প্রশংসায় ভরপুর ছিল। হযরত দাউদের(আ.) গলায় মহান আল্লাহ যাদুর সুর দান করেছিলেন যে, তেলাওয়াতের সময় মানুষ তো অবশ্যই পাখি,জীব-জন্তু পর্যন্ত অভিভূত হয়ে যেত।‘যাবুর’ শব্দের অর্থ পারা বা খন্ড। মহান আল্লাহর দয়ায় তার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি কম/বেশি যাই থাকুক না কেন, সাফল্য সবসময় তার পক্ষেই থাকতো। সুতরাং অল্প সময়ের মধ্যে তার সাম্রাজ্য সিরিয়া,ইরাক,ফিলিস্তিন এবং পূর্ব জর্ডানের সমস্ত এলাকা তার অধীনে এসে যায়।হেজাযের কিছু অংশ তার নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রজাদের তার সম্পর্কে ধারণা ছিল যে, যেকোন জটিল বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবার মত ক্ষমতা তার আছে।

বনু ইস্রাঈলগণের নিকটে একটা সিন্দুক ছিল। যার মধ্যে তাদের নবী মূসা, হারূন ও তাদের পরিবারের ব্যবহৃত কিছু পরিত্যক্ত সামগ্রী ছিল। তারা এটাকে খুবই বরকতময় মনে করত এবং যুদ্ধকালে একে সম্মুখে রাখত। একবার আমালেক্বাদের সাথে যুদ্ধের সময় বনু ইস্রাঈলগণ পরাজিত হলে আমালেক্বাদের বাদশাহ জালূত উক্ত সিন্দুকটি নিয়ে যায়। এক্ষণে যখন বনু ইস্রাঈলগণ পুনরায় জিহাদের সংকল্প করল, তখন আল্লাহ তাদেরকে উক্ত সিন্দুক ফিরিয়ে দিতে মনস্থ করলেন। অতঃপর এই সিন্দুকটির মাধ্যমে তাদের মধ্যেকার নেতৃত্ব নিয়ে ঝগড়ার নিরসন করেন। সিন্দুকটি তালূতের বাড়িতে আগমনের ঘটনা এই যে, জালূতের নির্দেশে কাফেররা যেখানেই সিন্দুকটি রাখে, সেখানেই দেখা দেয় মহামারী ও অন্যান্য বিপদাপদ। এমনিভাবে তাদের পাঁচটি শহর ধ্বংস হয়ে যায়। অবশেষে অতিষ্ট হয়ে তারা একে তার প্রকৃত মালিকদের কাছে পাঠিয়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিল এবং গরুর গাড়িতে উঠিয়ে হাঁকিয়ে দিল। তখন ফেরেশতাগণ আল্লাহর নির্দেশমতে গরুর গাড়িটিকে তাড়িয়ে এনে তালূতের ঘরের সম্মুখে রেখে দিল। বনু ইস্রাঈলগণ এই দৃশ্য দেখে সবাই একবাক্যে তালূতের নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করল। অতঃপর তালূত আমালেক্বাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার প্রস্তুতি শুরু করলেন। অল্প বয়ষ্ক তরুণ দাঊদ ছিলেন উক্ত সেনা দলের সদস্য। পথিমধ্যে সেনাপতি তালূত তাদের পরীক্ষা করতে চাইলেন। সম্মুখেই ছিল এক নদী। মৌসুম ছিল প্রচন্ড গরমের। পিপাসায় ছিল সবাই কাতর।"অতঃপর তালূত যখন সৈন্যদল নিয়ে বের হল, তখন সে বলল, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে পরীক্ষা করবেন একটি নদীর মাধ্যমে। যে ব্যক্তি সেই নদী হতে পান করবে, সে ব্যক্তি আমার দলভুক্ত নয়। আর যে ব্যক্তি স্বাদ গ্রহণ করবে না, সেই-ই আমার দলভুক্ত হবে। তবে হাতের এক আঁজলা মাত্র। অতঃপর সবাই সে পানি থেকে পান করল, সামান্য কয়েকজন ব্যতীত। পরে তালূত যখন নদী পার হল এবং তার সঙ্গে ছিল মাত্র কয়েকজন ঈমানদার ব্যক্তি (তখন অধিক পানি পানকারী সংখ্যাগরিষ্ট) লোকেরা বলতে লাগল, আজকের দিনে জালূত ও তার সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করার শক্তি আমাদের নেই। (পক্ষান্তরে) যাদের বিশ্বাস ছিল যে, আল্লাহর সম্মুখে তাদের একদিন উপস্থিত হতেই হবে, তারা বলল, কত ছোট ছোট দল বিজয়ী হয়েছে বড় বড় দলের বিরুদ্ধে আল্লাহর হুকুমে। নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের সাথে আল্লাহ থাকেন।" (বাক্বারাহ ২/২৪৯)। নদী পার হওয়া এই স্বল্প সংখ্যক ঈমানদারগণের সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩ জন, যা শেষনবীর সাথে কাফেরদের বদর যুদ্ধকালে যুদ্ধরত ছাহাবীগণের সংখ্যার সাথে মিলে যায়। পানি পানকারী হাযারো সৈনিক নদী পারে আলস্যে ঘুমিয়ে পড়ল। অথচ পানি পান করা থেকে বিরত থাকা স্বল্প সংখ্যক ঈমানদার সাথী নিয়েই তালূত চললেন সেকালের সেরা সেনাপতি ও শৌর্য-বীর্যের প্রতীক আমালেক্বাদের বাদশাহ জালূতের বিরুদ্ধে। বস্তুতবাদীগণের হিসাব মতে এটা ছিল নিতান্তই আত্মহননের শামিল। এই দলেই ছিলেন দাঊদ।"আর যখন তারা জালূত ও তার সেনাবাহিনীর সম্মুখীন হল, তখন তারা বলল, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের ধৈর্য দান কর ও আমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখ এবং আমাদেরকে তুমি কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সাহায্য কর।"( বাক্বারাহ ২/২৫০)

জালূত বিরাট সাজ-সজ্জা করে হাতীতে সওয়ার হয়ে সামনে এসে আস্ফালন করতে লাগল এবং সে যুগের যুদ্ধরীতি অনুযায়ী প্রতি -পক্ষের সেরা যোদ্ধাকে আহবান করতে থাকল। অল্পবয়ষ্ক বালক দাঊদ নিজেকে সেনাপতি তালূতের সামনে পেশ করলেন। তালূত তাকে পাঠাতে রাযী হলেন না। কিন্তু দাঊদ নাছোড় বান্দা। অবশেষে তালূত তাকে নিজের তরবারি দিয়ে উৎসাহিত করলেন এবং আল্লাহর নামে জালূতের মোকাবিলায় প্রেরণ করলেন। বর্ণিত আছে যে, তিনি এ ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন যে, যে ব্যক্তি জালূতকে বধ করে ফিলিস্তিন পুনরুদ্ধার করতে পারবে, তাকে রাজ্য পরিচালনায় শরীক করা হবে। অস্ত্রে-শস্ত্রে সজ্জিত জালূতকে মারা খুবই কঠিন ছিল। কেননা তার সারা দেহ ছিল লৌহ বর্মে আচ্ছাদিত। তাই তরবারি বা বল্লম দিয়ে তাকে মারা অসম্ভব ছিল। আল্লাহর ইচ্ছায় দাঊদ ছিলেন পাথর ছোঁড়ায় উস্তাদ। সমবয়সীদের সাথে তিনি মাঠে গিয়ে নিশানা বরাবর পাথর মারায় দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। দাঊদ পকেট থেকে পাথরখণ্ড বের করে হাতীর পিঠে বসা জালূতের চক্ষু বরাবর নিশানা করে এমন জোরে মারলেন যে, তাতেই জালূতের চোখশুদ্ধ মাথা ফেটে মগয বেরিয়ে চলে গেল। এভাবে জালূত মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার সৈন্যরা পালিয়ে গেল। যুদ্ধে তালূত বিজয় লাভ করলেন।

হযরত দাঊদ (আ.) একজন দক্ষ কর্মকার ছিলেন। বিশেষ করে শত্রুর মোকাবিলার জন্য উন্নত মানের বর্ম নির্মাণে তিনি ছিলেন একজন কুশলী কারিগর। যা বিক্রি করে তিনি সংসার যাত্রা নির্বাহ করতেন। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে নিজের ভরণপোষণের জন্য কিছুই নিতেন না।

বনু ইস্রাঈলদের জন্য শনিবার ছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট ও পবিত্র দিন। এ দিন তাদের জন্য মৎস্য শিকার নিষিদ্ধ ছিল। তারা সমুদ্রোপকুলের বাসিন্দা ছিল এবং মৎস্য শিকার ছিল তাদের পেশা। ফলে দাঊদ (আ.)-এর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই তারা ঐদিন মৎস্য শিকার করতে থাকে। এতে তাদের উপরে আল্লাহর পক্ষ হতে ‘মস্খ’বা আকৃতি পরিবর্তনের শাস্তি নেমে আসে এবং তিনদিনের মধ্যেই তারা সবাই মৃত্যু মুখে পতিত হয়। আল্লাহ বলেন " তোমরা তাদেরকে ভালরূপে জেনেছ, যারা শনিবারের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করেছিল। আমি বলেছিলাম: তোমরা লাঞ্ছিত বানর হয়ে যাও। অতঃপর আমি এ ঘটনাকে তাদের সমসাময়িক ও পরবর্তীদের জন্য দৃষ্টান্ত এবং আল্লাহভীরুদের জন্য উপদেশ গ্রহণের উপাদান করে দিয়েছি।" (সুরা বাকারাহ-৬৫-৬৬)। তাফসীরে কুরতুবীতে বলা হয়েছে যে, ইহুদীরা প্রথমে গোপনে ও বিভিন্ন কৌশলে এবং পরে ব্যাপকভাবে নিষিদ্ধ দিনে মৎস্য শিকার করতে থাকে। এতে তারা দুদলে বিভক্ত হয়ে যায়। সৎ ও বিজ্ঞ লোকেরা একাজে বাধা দেন। অপরদল বাধা অমান্য করে মাছ ধরতে থাকে। ফলে প্রথম দলের লোকেরা শেষোক্তদের থেকে পৃথক হয়ে যান। তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এমনকি তাদের বাসস্থানও পৃথক করে নেন। একদিন তারা অবাধ্যদের এলাকায় চরম নীরবতা লক্ষ্য করেন। অতঃপর তারা সেখানে পৌঁছে দেখলেন যে, সবাই বানর ও শূকরে পরিণত হয়ে গেছে। ক্বাতাদাহ বলেন যে, বৃদ্ধরা শূকরে এবং যুবকেরা বানরে পরিণত হয়েছিল। রূপান্তরিত বানরেরা নিজ নিজ আত্মীয়-স্বজনকে চিনতে পেরেছিল এবং তাদের কাছে গিয়ে অঝোর নয়নে অশ্রু বিসর্জন করেছিল।

বাইবেলের পুরানো নিয়মে (ওল্ড টেস্টামেন্ট) দাউদকে (আ.) বলা হয়েছে সেন্ট লুইস ডেভিড। দাউদের (আ.) মাজার এখনও আছে যা ইহুদীরা সংরক্ষণ করে রেখেছেন। সে মাজারের গেটে এখনও লেখা আছে 'কিং সেন্ট ডেভিড'।

দাউদ বা ডেভিড
ইসরাইলের রাজত্ব (সংযুক্ত রাজতন্ত্র)
David SM Maggiore
নিকোলাস কর্ডিয়ার কর্তৃক রাজা দাউতের প্রতিকৃতি
রাজত্বকালসি. ১০১০ – ১০০২ বিসি (যিহূদার)
সি. ১০০২ – ৯৭০ বিসি (ইসরায়েল)[১]
জন্মসি. ১০৪০ বিসি
জন্মস্থানবেথলেহেম, যিহূদার, ইসরায়েল
মৃত্যুসি. ৯৭০ বিসি
মৃত্যুস্থানজেরুসালেম, যিহূদা, ইসরায়েল
সমাধিস্থলদাউদের শহরের
পূর্বসূরিশৌল
ইশ-বশেথ
উত্তরসূরিসলোমন
দাম্পত্যসঙ্গীমাইকেল
অহিনোয়াম
অভিগলি
মাসাহ
হাগগিথ
আবিতাল
ইগলাহ
বাথসিবা
সন্তানাদিঅম্নোন
সিলেব
আবসালোম
আদোনিজাহ
শিপহাতিহ
ইথিরিম
শামুয়া
শোবাব
নাথান
সলোমন
ইভার
ইলিশুয়া
নেপিগ
জাফিয়া
এলিশামা
এলিয়াদা
এলিফালেট
তমর
রাজবংশদাউদের বাড়ী
পিতাজেসি
মাতানিটজেভেট (তালমুদ)
ডেভিড বা দাউদ
5201-king-david-in-prayer-pieter-de-grebber
প্রার্থনার মধ্যে রাজা দাউদ
পবিত্র রাজকীয়, নবী, সংস্কারক, আধ্যাত্মিক কবি ও সুরকার, ঈশ্বরের প্রতিনিধি
জন্মসি. ১০৪০ বিসি
বেথলেহেম
মৃত্যুসি. ৯৭০ বিসি
জেরুসালেম
সম্মানিতইহুদীধর্ম
খ্রীষ্টধর্ম
ইসলাম
উৎসবডিসেম্বর ২৯ - রোমান ক্যাথলিক ধর্ম
গুণাবলীসাম, হারপ, গলিয়াথ প্রধান

কুরআনে উল্লেখ

আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে বলেন, " তারপর ঈমানদাররা আল্লাহর হুকুমে জালূতের বাহিনীকে পরাজিত করে দিল এবং দাউদ জালূতকে হত্যা করল। আর আল্লাহ দাউদকে দান করলেন রাজ্য ও অভিজ্ঞতা। আর তাকে যা চাইলেন শিখালেন। আল্লাহ যদি একজনকে অপরজনের দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তাহলে গোটা দুনিয়া বিধ্বস্ত হয়ে যেতো। কিন্তু বিশ্ববাসীর প্রতি আল্লাহ একান্তই দয়ালু, করুণাময়।৷" (সুরা বাকারা-২৫১)

"আমি পর্বতমালাকে তার অনুগামী করে দিয়েছিলাম, তারা সকাল-সন্ধ্যায় তার সাথে পবিত্রতা ঘোষণা করত। আর পক্ষীকুলকেও, যারা তার কাছে সমবেত হত। সবাই ছিল তাঁর প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল।" (সুরা সোয়াদ-১৮,১৯)

"তারা যা বলে তাতে আপনি(মুহাম্মাদ সা.) সবর করুন এবং আমার শক্তিশালী বান্দা দাউদকে স্মরণ করুন। সে ছিল আমার প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল"। (সুরা সোয়াদ ১৭)

"আমি দাউদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম এই আদেশ মর্মে যে, হে পর্বতমালা, তোমরা দাউদের সাথে আমার পবিত্রতা ঘোষণা কর এবং হে পক্ষী সকল, তোমরাও। আমি তাঁর জন্য লৌহকে নরম করে ছিলাম। এবং তাকে আমি বলে ছিলাম: প্রশস্ত বর্ম তৈরী কর, কড়াসমূহ যথাযথভাবে সংযুক্ত কর এবং সৎকর্ম সম্পাদন কর। তোমরা যা কিছু কর, আমি তা দেখি।" (সুরা সাবা-১০-১১)

আল্লাহ দাউদকে বাদশাহী এবং নবুয়ত দান করলেন এবং তিনি যা চেয়েছেন তা শিক্ষা দিয়েছেন। (সূরা বাকারা)
হে দাউদ ! আমি আপনাকে পৃথিবীর বুকে খলীফা নির্ধারণ করেছি। (সূরা সোয়াদ)
আমি [দাউদ ও সুলায়মান] প্রত্যেককে রাজত্ব ও জ্ঞান দান করেছি। (সূরা আম্বিয়া)

বিশেষ গুণাবলী

  • বোখারী শরীফে আছে যাবুর কিতাব জনাব দাউদ (আ.) অতিদ্রুত তেলাওয়াত বা আবৃত্তি করতে পারতেন। এমনকি তিনি ঘোড়ার পিঠের গদী বাঁধতে যতটুকু সময় লাগতো, এসময়ের মধ্যেই যাবুর আবৃত্তি করে শেষ করতে পারতেন।
  • সূরা আম্বিয়া: ৭১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ এই বর্ণনা দিয়েছেন,
আল্লাহপাক পাহাড়-পর্বত ও পশু-পাখিকে জনাব দাউদের (আ.) অনুগত করে দিয়েছিলেন। তারা তাঁর সাথে তসবিহ পাঠ করতো বা ঈশ্বরের স্মরণসূচক আবৃত্তি করতো। বৃক্ষ, পাথর ও শিলাখন্ড থেকেও তাসবিহ ধ্বনিত হতো।

"বুখারী ও মুসলিমের হাদীসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন:মহান আল্লাহর নিকটে সর্বাধিক পছন্দনীয় হল দাঊদ (আ.)-এর সালাত এবং সর্বাধিক পছন্দনীয় সিয়াম ছিল দাঊদ (আ.)-এর সিয়াম। তিনি অর্ধরাত্রি পর্যন্ত ঘুমাতেন। অতঃপর এক তৃতীয়াংশ সালাতে কাটাতেন এবং শেষ ষষ্টাংশে নিদ্রা যেতেন। তিনি একদিন অন্তর একদিন সিয়াম রাখতেন। শত্রুর মোকাবিলায় তিনি কখনও পশ্চাদপসরণ করতেন না"।

এবং আমি দাউদকে আমার তরফ থেকে মর্যাদা দিয়েছি। আর আমি আদেশ করেছি যে, হে পাহাড় ও পক্ষীকূল! তোমরা দাউদের সাথে মিলে তাসবিহ পাঠ ও পবিত্রতা বর্ণনা কর।

তথ্যসূত্র

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; STIC নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি

উপরন্তু পড়ুন

  • Alexander, David; Alexander, Pat, সম্পাদকগণ (১৯৮৩)। Eerdmans' handbook to the Bible ([New, rev.]. সংস্করণ)। Grand Rapids, Mich.: Eerdmans। আইএসবিএন 0-8028-3486-8।
  • Bright, John (১৯৮১)। A history of Israel (3rd সংস্করণ)। Philadelphia: Westminster Press। আইএসবিএন 0-664-21381-2।
  • Bruce, F. F. (১৯৬৩)। Israel and the Nations। Grand Rapids, MI: Eerdmans।
  • Harrison, R.K. (১৯৬৯)। An Introduction to the Old Testament। Grand Rapids, MI: Eerdmans।
  • Kidner, Derek (১৯৭৩)। The Psalms। Downers Grove, IL: Inter-Varsity Press। আইএসবিএন 0-87784-868-8।
  • Noll, K. L. (১৯৯৭)। The faces of David। Sheffield: Sheffield Acad. Press। আইএসবিএন 1-85075-659-7।
  • Thompson, J.A. (১৯৮৬)। Handbook of life in Bible times। Leicester, England: Inter-Varsity Press। আইএসবিএন 0-87784-949-8।
  • Green, Adam (২০০৭)। King Saul, The True History of the First Messiah। Cambridge, UK: Lutterworth Press। আইএসবিএন 0718830741।

বহিঃসংযোগ

David of the United Kingdom of Israel & Judah
House of David
Tribe of Judah এর ক্যাডেট শাখা
শাসনতান্ত্রিক খেতাব
নতুন পদবী
Rebellion from Israel under Ish-bosheth
King of Judah
1010 BC–1003 BC
উত্তরসূরী
সুলায়মান
পূর্বসূরী
Saul
King of the United Israel and Judah
1003 BC–970 BC
আফগানিস্তান রাজ্য

আফগান রাজ্য বা আফগানিস্তান রাজ্য (পশতু: د افغانستان واکمنان, দ্য আফগানিস্তান ওয়াকমানান; ফার্সি: پادشاهي افغانستان, পাদেশাহি-এ-আফগানিস্তান) ছিল ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্র আফগানিস্তান আমিরাতের উত্তরসুরি। ক্ষমতারোহণের সাত বছর পর আমানউল্লাহ খান এই রাষ্ট্রের প্রথম বাদশাহ হন।

আমানউল্লাহ খান দেশের আধুনিকীকরণ করতে চেয়েছিলেন। এর ফলে দেশে কয়েকবার অসন্তোষ দেখা দেয়। বিদ্রোহ সৃষ্টির পর ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি তার ভাই ইনায়েতউল্লাহ খানের হাতে ক্ষমতা দিয়ে পদত্যাগ করেন। ইনায়েতউল্লাহ খান মাত্র তিনদিন ক্ষমতায় ছিলেন। এরপর বিদ্রোহের নেতা হাবিবউল্লাহ কালাকানি ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

দশ মাস পরে আমানউল্লাহ খানের যুদ্ধমন্ত্রী মুহাম্মদ নাদির ভারত থেকে নির্বাসন ত্যাগ করে আফগানিস্তান ফিরে আসেন। তার ব্রিটিশ সমর্থিত বাহিনী কাবুল দখল করে নেয়। এরপর হাবিবউল্লাহ কালাকানিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

মুহাম্মদ নাদির এরপর শাসনভার লাভ করেন। ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের অক্টোবরে তাকে বাদশাহ ঘোষণা করা হয়। তিনি আমানউল্লাহ খানের অনেক সংস্কার বন্ধ করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ জহির শাহ আফগানিস্তানের বাদশাহ হন।

মুহাম্মদ জহির শাহ ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে তার চাচাত ভাই মুহাম্মদ দাউদ খান কর্তৃক ক্ষমতাচ্যুত হন। দাউদ খান রাজতন্ত্রের বদলে প্রজাতন্ত্র স্থাপন করেছিলেন। জহির শাহর সময় আফগানিস্তানের সাথে অন্যান্য দেশের সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়। এদের মধ্যে রয়েছে সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ সেপ্টেম্বর জহির শাহর শাসনামলে আফগানিস্তান লীগ অফ নেশনসে যোগ দেয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আফগানিস্তান নিরপেক্ষ ছিল। মুহাম্মদ দাউদ খান তার প্রধানমন্ত্রীত্বকালে শিল্পায়ন ও শিক্ষার উন্নয়নের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।

আসমানী কিতাব

আসমানী কিতাব বা ঐশ্বিক গ্রন্থ বলতে এমন কতকগুলো গ্রন্থকে বোঝানো হয়, ইসলাম ধর্মমতে মুসলমানগণ যে গ্রন্থগুলোকে আল্লাহ্প্রদত্ত গ্রন্থ বলে বিশ্বাস করেন। ইসলাম ধর্মে যে ৭টি বিষয়ের উপর বিশেষ করে ঈমান আনতে বা বিশ্বাস স্থাপন করতে বলা হয়েছে তার মধ্যে একটি বিষয় হলো এই আসমানী কিতাব, যেগুলো সরাসরি আল্লাহতালার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়। বলা হয়, পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে সর্বমোট আসমানী কিতাব পাঠানো হয়েছে ১০৪টি। তার মধ্যে ৪টি হলো প্রধান আসমানী কিতাব ও বাকি ১০০টি সহীফা।

তবে কুরআন ও প্রধান হাদীসগ্রন্থগুলোতে আসমানী কিতাবের সংখ্যা উল্লেখ নেই।

প্রধান চারটি আসমানী কিতাব হলো:

তাওরাত, যা অবতীর্ণ হয়েছে আল্লাহ্‌র বাণীবাহক হযরত মুসা [আ.]-এর উপর,

যাবুর, যা অবতীর্ণ হয়েছে আল্লাহ্‌র বাণীবাহক হযরত দাউদ [আ.]-এর উপর,

ইনযিল, যা অবতীর্ণ হয়েছে আল্লাহ্‌র বাণীবাহক হযরত ঈসা [আ.]-এর উপর, এবং

আল‌‌-কোরআন (সর্বশেষ এবং পরিপূর্ণ আসমানী কিতাব), যা অবতীর্ণ হয়েছে আল্লাহ্‌র বাণীবাহক হযরত মুহাম্মদ [স.]-এর উপর।তন্মধ্যে ইহুদি ও খ্রিষ্ট ধর্মমতে, 'তাওরাত' বলতে ইঙ্গিত করা হয় 'তোরাহ'কে , 'যাবুর' বলতে ইঙ্গিত করা হয় 'যামস'কে, 'ইঞ্জিল' বলতে ইঙ্গিত করা হয় 'গসপেল'কে।

এছাড়া অন্যান্য অপ্রধান ১০০টি আসমানী কিতাব অবতীর্ণ হয় অপরাপর বিভিন্ন বাণীবাহকের উপর। যথা:

হযরত শীস [আ.]-এর উপর ৫০টি সহীফা

হযরত ইদ্রিস [আ.]-এর উপর ৩০টি সহীফা, এবং

হযরত ইব্রাহীম [আ.]-এর উপর ২০টি সহীফা।কুরআনে শুধু ইব্রাহীম [আ.] এর উপর সহীফা অবতীর্ণ হওয়ার উল্লেখ রয়েছে তবে সংখ্যা উল্লেখ নেই।

আহমদ শাহ মাসউদ

আহমদ শাহ মাসউদ (দারি ফার্সী: احمد شاه مسعود; ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৫২ - ৯ সেপ্টেম্বর ২০০১) হলেন একজন আফগান রাজনীতিবিদ ও সামরিক ব্যক্তিত্ব, যিনি ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৯ সালের সোভিয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এবং একই সময়ের গৃহযুদ্ধের বছরগুলোতে একজন শক্তিশালী সামরিক কমান্ডার দায়িত্বপালন করেন।

মাসউদ উত্তর আফগানিস্তানের পাঞ্জশির প্রদেশের তাজিক থেকে এক সুন্নি মুসলিম পরিবার থেকে আসেন। তিনি ১৯৭০ এর দশকে কাবুল পলিটেকনিক ইউনিভিার্সিটি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশুনা করেন, তখন তিনি কমিউনিস্ট বিরোধী মুসলিম আন্দোলনের ইসলামপন্থি আফগান নেতা বোরহানউদ্দিন রব্বানীর সান্নিধ্যে আসেন। তিনি মোহাম্মদ দাউদ খান সরকারের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সমর্থিত ব্যর্থ বিদ্রোহে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত দখদারিত্বের বিরুদ্ধে তার ভুমিকার জন্য তার অণুসারীরা তাকে "পাঞ্জশিরের সিংহ" (ফার্সি: شیر پنجشیر‎‎) নামে ডাকা শুরু করে। ১৯৯২ সালের পর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহ সরকারকে প্রতিস্থাপনের জাতিসংঘ পরিকল্পনায় তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। ফলে তাকে পেশোওয়ারের একোর্ডের মাধ্যমে তাকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নিযুক্ত করা হয়, যা ছিল কমিউন্সিট পরবর্তী ইসলামিক আফগানিস্তানে শক্তি ও শান্তির সমঝোতা চুক্তি।

ইমরান খান

ইমরান খান নিয়াজি (উর্দু: عمران احمد خان نیازی ‎‎) (জন্মনামঃ ইমরান খান নিয়াজী) পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক খেলোয়াড় এবং অধিনায়ক। খেলোয়াড় জীবন শেষে তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তিনি বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডারদের একজন। তার অধিনায়কত্বে পাকিস্তান ১৯৯২ সালে বিশ্বকাপ জয় করে।

ইসলামের পয়গম্বর

ইসলামের পয়গম্বর (আরবি: نبي‎‎) হলেন সেই সকল ব্যক্তিত্ব যাদেরকে মুসলমানগণ স্রষ্টা কর্তৃক মানুষের দিক নির্দেশনা প্রদানের জন্য মনোনীত হিসাবে বিবেচনা করে। ইসলামী পরিভাষায় একে বলা হয় নবী (বহু আনবিয়া)।

ইসলামী ঐতিহ্য মতে ঈশ্বর প্রত্যেক জাতির নিকট পয়গম্বরগণকে প্ররণ করেছেন। ইসলাম ধর্ম মতে একমাত্র মুহাম্মদই সমগ্র মানবজাতির নিকট আল্লাহর বার্তা পৌছানোর জন্য প্রেরিত হয়েছিলেন এবং অপর সকল পয়গম্বরগণ নির্দিষ্ট একটি গোত্র বা জাতির জন্যে প্রেরিত হয়েছিলেন।

ইহুদি ও খ্রীষ্টধর্মের বিপরীতে, ইসলাম আল্লাহর বার্তবাহক এবং পয়গম্বরের বর্ণনা দেওয়া হয় এভাবে যে, উভয়ই "ঐশ্বরিক অণুপ্রেরণা"র দ্বারা আল্লাহর প্রত্যাদেশ প্রাপ্ত এবং রাসূলগণ(বার্তবাহক) গ্রন্থ আকারে একটি সম্প্রদায়ের জন্য ঐশ্বরিক বার্তা প্রদান করেন এবং পয়গম্বরগণ আল্লাহর কর্তৃক সাফল্যের নিশ্চয়তা প্রাপ্ত ব্যক্তি।

কয়েকজন বার্তাবাহক বা পয়গম্বরের নাম কুরআনে উল্লেখিত আছে। মুসলিমগণ বিশ্বাস করে আদম(আ.). হলেন প্রথম পয়গম্বর, পক্ষান্তরে শেষ পয়গম্বর হলেন মুহাম্মদ (সা.), তাই তার উপাধি, নবীদের সিলমোহর। খ্রীষ্টধর্মের মতই ইসলামেও ঈসা (আ.)-এর (জেসাস) জন্ম কৌমারিকেয় জন্মের ফসল এবং তিনি নবী হিসাবে বিবেচিত হন কারণ আল্লাহর নিকট হতে তিনি ওহী প্রাপ্ত। জেসাস একজন বার্তাবাহক হিসেবেও বিবেচিত হন কারণ আল্লাহ তার নিকট সুসমাচার অবতীর্ণ করছিলেন। অবশ্য, খ্রীষ্টধর্মের বিপরীতে, ইসলাম ধর্মে, তাকে আল্লাহর পুত্র দাবি করার বিরোধী করা হয় এবং জেসাস একজন মানুষ হিসাবেই বিবেচিত হন।

দাউদ খেল

দাউদ খেল (উর্দু: داؤُدخيل‎‎), পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মিয়ানওয়ালী জেলার একটি শহর।

দাউদ মালান

দাউদ জোহানেস মালান (ইংরেজি: Dawid Malan; জন্ম: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭) ইনার লন্ডনের রোহাম্পটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট ইংরেজ ক্রিকেটার। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে মিডলসেক্সের প্রতিনিধিত্ব করছেন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে লেগ ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন দাউদ মালান।

একই নামে পরিচিত তার বাবা দাউদ মালানও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স বি, নর্দার্ন ট্রান্সভাল বি এবং টেডিংটনের পক্ষে ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও ডানহাতি ফাস্ট বোলাররূপে খেলেছিলেন।

নির্খ জেলা

নির্খ আফগানিস্তানের পূর্বদিকে ৪৮০ বর্গ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত ওয়ারদক প্রদেশের একটি অন্যতম জেলা। ২০০২ সালের আদমশুমারীর আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী জেলাটির জনসংখ্যা প্রায় ৫৭,০০০ জন এর মত, যার মধ্যে থেকে ৮০% পশতুন, ১৫% তাজিক এবং ৫% হাজারা সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে। জেলাটির কেন্দ্রীয় শহরের নাম হচ্ছে কেন ইজ্জাত নামক শহর।

১৯৭০-এর দশকের সময়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ দাউদ খান নির্খ জেলায় অনেকগুল ফল গাছ গাছ রোপন করেছিলেন।

নূর মুহাম্মদ তারাকি

নূর মুহাম্মদ তারাকি (১৫ জুলাই ১৯১৭ – ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯) ছিলেন একজন আফগান রাজনীতিবিদ। কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে পিপল'স ডেমোক্রেটিক পার্টি অব আফগানিস্তান (পিডিপিএ) গঠনের সময় তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। দলের প্রথম কংগ্রেসে তিনি মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৬৫ সালের আফগান সংসদীয় নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয়ী হতে পারেননি। ১৯৬৬ সালে তিনি দলের খবরের কাগজ খালকের প্রথম সংখ্যা প্রকাশ করেন। এর অল্পকাল পরে আফগান সরকার পত্রিকাটি বন্ধ করে দেয়। মীর আকবর খাইবারের হত্যাকান্ডের পর তারাকি, হাফিজউল্লাহ আমিন ও বাবরাক কারমাল সাওর বিপ্লবের সূত্রপাত করে আফগানিস্তানে কমিউনিস্ট শাসনের সূচনা করেন।

তারাকির রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময়ে ১৯৭৯ সালের ১ জানুয়ারি চালু করা ভূমি সংস্কার কার্যক্রমসহ অন্যান্য সংস্কার কার্যক্রম ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়। জনঅসন্তুষ্টির ফলে এক পর্যায়ে আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ দেখা দেয়। বেশ কয়েকবার চেষ্টার পরও শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নকে হস্তক্ষেপ করতে রাজি করাতে পারেননি।

তার শাসনের শুরুর দিকে সরকার দলের খালকপন্থি ও পারচামপন্থিদের মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তারাকি ছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ খালকপন্থিদের নেতা। ১৯৭৮ সালে তিনি সরকার ও দলে নির্মূল কার্যক্রম শুরু করেন যার ফলে অনেক উচ্চপদস্থ পারচামপন্থিকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়। শাসনকালে তার সাথে আমিনের সম্পর্ক তিক্ত হয়ে উঠেছিল। ১৯৭৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আমিনের নির্দেশে তারাকি নিহত হন।

বাবরাক কারমাল

বাবরাক কারমাল (ফার্সি: ببرک کارمل‎‎; জন্ম: ৬ জানুয়ারি, ১৯২৯ - ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৬) কামারি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী আফগানিস্তানের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও স্নায়ুযুদ্ধকালীন নেতা ছিলেন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৬ মেয়াদে সোভিয়েত মদদপুষ্ট আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র বারবাক কারমাল। পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অব আফগানিস্তান (পিডিপিএ) দল গঠন হলে কারমাল শীর্ষস্থানীয় সদস্যদের একজন ছিলেন।

ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্র

ভাঙড় (বিধানসভা কেন্দ্র) ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার একটি বিধানসভা কেন্দ্র।

মুহাম্মদ দাউদ খান

মুহাম্মদ দাউদ খান (১৮ জুলাই ১৯০৯ – ২৮ এপ্রিল ১৯৭৮) ছিলেন আফগানিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্বপালন করেছেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বাদশাহ মুহাম্মদ জহির শাহকে উৎখাতের মাধ্যমে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করেন এবং আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৮ সালে পিপল'স ডেমোক্রেটিক পার্টি অব আফগানিস্তানের (পিডিপিএ) নেতৃত্বে সংঘটিত সাওর বিপ্লবের সময় নিহত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

রাসূল

ইসলাম ধর্মে, রাসুল (আরবি: رسول রাসূল্‌ “বার্তাবাহক”, বহুবচন রুসুল) হলেন আল্লাহ্‌ প্রেরিত বার্তাবাহী ব্যক্তিত্ব। রাসূল বলতে তাদেরকেই বোঝানো হয় যারা আল্লাহ্‌র কাছ থেকে কিতাব বা পুস্তক প্রাপ্ত হয়েছেন। হাদিস সহ অন্যান্য ইসলামী বইয়ে এক লক্ষ চব্বিশ হাজার মতান্তরে দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার নবীর কথা বলা হয়েছে। এদের মাঝে সকলে কিতাব প্রাপ্ত হয় নি। যারা কিতাব প্রাপ্ত হয়েছেন তারাই শুধু রাসূলের খেতাব পেয়েছেন। অর্থাৎ সকল রাসূলই নবী কিন্তু সকল নবী রাসূল নয়। কোরআন অনুযায়ী, আল্লাহ্‌ মানবজাতির নিকট বহু নবী রাসুল (আনবিয়া, একবচন নাবী) প্রেরণ করেছেন।

আমি তোমাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছি সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী রূপে; এমন কোন সম্প্রদায় নেই যার নিকট সতর্ককারী প্রেরিত হয়নি।

তাদের মধ্যে পঁচিশ জনের নাম কোরআনে উল্লেখ আছে (ইসলামের প্রেরিতপুরুষগণ দেখুন)। কুরআন তাদের চার জনকে রাসূল হিসাবে উল্লেখ করে: দাউদ (ডেভিড), মুসা (মোজেস), ঈসা (যিশু), এবং মুহাম্মাদ (সঃ)।ইসলাম ধর্ম অনুসারে সকল নবী ও রাসূলের মাঝে শ্রেষ্ঠ রাসূল বলে ধরা হয় মুহাম্মদ (সা:) কে। এবং ইসলাম ধর্ম অনুসারে তিনিই শেষ নবী। তার পরে আর কোনো নবী আসবে না।

আরবি

সলোমন

সোলায়মান (আঃ) নবী দাউদ (আঃ) ও বাথসেবার সন্তান এবং একজন প্রত্যাদিষ্ট নবী । হিব্রু বাইবেল অনুসারে, তিনি ছিলেন ইসরায়েলের প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ একজন রাজ়া । তার জন্ম আনুমানিক ১০১১ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে এবং মৃত্যু আনুমানিক ৯৩১ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে; এবং তার রাজত্ব কাল ছিল প্রায় ৯৭০ থেকে ৯৩০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী। কথিত আছে তিনিই জেরুজালেম নগরী প্রতিষ্ঠা করেন।

ধর্মীয় বিশ্বাসমতে সোলায়মান ছিলেন পুরো বিশ্বের সম্রাট। খ্রিস্টপূর্ব ৯৭০-৯৩১ পর্যন্ত টানা ৪০ বছর সোলায়মান পুরো পৃথিবী শাসন করেন। তিনি শুধু মানুষের সম্রাটই ছিলেন না ছিলেন উদ্ভিদ ও প্রাণীকূলেরও সম্রাট ছিলেন। সোলায়মান জীব-জগতের সকলের ভাষা হৃদয়ঙ্গম করতে পারতেন।

সুনানে আবু দাউদ

সুনানে আবু দাউদ (আরবি: سنن أبي داود‎, প্রতিবর্ণী. Sunan Abī Dāwūd‎) ইসলামের পবিত্রতম ছয়টি হাদিস গ্রন্থের মধ্যে একটি, যা কুতুব আল-সিত্তাহ নামেও পরিচিত। এটি মূলত হাদিসের সংকলনমূলক গ্রন্থ যা আবু দাউদ সংকলন করেন। তার সম্পুর্ন নাম আবু দাউদ সুলায়মান ইবনুল আশ'আস আস-সিজিস্তানী। সুনানে আবু দাউদ গ্রন্থে প্রায় ৪৮০০টি হাদিস আছে।

সুলায়মান

সুলায়মান (আঃ) (হিব্রু ভাষায়: שְׁלֹמֹה, আধুনিক হিব্রু: Šəlomo or Šlomo, আরবি ভাষায়: سليمان সুলায়মান) কুরআনের বর্ণনা অনুসারে, তিনি ছিলেন একজন নবী এবং প্রতাবশালী বাদশাহ্‌। হিব্রু বাইবেল অনুসারে, তিনি ছিলেন ইসরায়েলের প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ একজন রাজা। তার জন্ম আনুমানিক ১০১১ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে এবং মৃত্যু আনুমানিক ৯৩১ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে এবং তার রাজত্ব কাল ছিল প্রায় ৯৭০ থেকে ৯৩০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী। তিনি ছিলেন হযরত দাউদ (আঃ)-এর পুত্র। কথিত আছে, হজরত সুলায়মান (আ.) জেরুজালেম নগরী প্রতিষ্ঠা করেন এবং আল্লাহ তাআলার মহিমা তুলে ধরতে সেখানে পুনর্নির্মাণ করে গড়ে তোলেন মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদ।

সূরা সাবা

সূরা সাবা, (আরবি: سورة سبإ‎‎, (রানী সাবা/শেবা), মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৩৪ তম সূরা। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ৭৩ টি। এই সূরায় হযরত দাউদ (আঃ) ও তার পুত্র হযরত সোলাইমান (আঃ) এর জীবনের নানা-দিক সম্পর্কে বিবরণ পাওয়া যায়।

হাদিস

হাদিস (আরবি: الحديث‎‎) হলো মূলত ইসলামের শেষ বাণীবাহকের বাণী ও জীবনাচরণ। হাদিসের উপদেশ

মুসলমানদের জীবনাচরণ ও ব্যবহারবিধির অন্যতম পথনির্দেশ। কুরআন ইসলামের মৌলিক গ্রন্থ এবং হাদিসকে অনেক সময় তার ব্যাখ্যা হিসেবেও অভিহিত করা হয়। হাদিস বিষয়ে পণ্ডিত ব্যক্তিকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

হাফিজুল্লাহ আমিন

হাফিজুল্লাহ আমিন (পশতু/দারি: حفيظ الله امين‎; জন্ম: ১ আগষ্ট ১৯২৯ – ২৭ ডিসেম্বর ১৯৭৯) স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আফগানিন্তানের রাজনীতিবিদ ছিলেন। আমিন পহমনে জন্মগ্রহণ করেন এবং কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি শিক্ষক হিসেবে প্রাথমিক কর্মজীবন শুরু করেন। কয়েক বছর পরে, তিনি তার পেশার উন্নতিকল্পে অধ্যয়নের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাড়ি জমান। তিনি স্থায়ীভাবে আফগানিস্তান থেকে যাওয়ার পূর্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় বারের মত সফর করেন এবং মৌলবাদী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে তিনি তার রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৫ সালের সালের সংসদীয় নির্বাচনে তিনি একজন প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন কিন্তু উক্ত নির্বাচনী আসন থেকে তিনি জয়লাভ করতে পারেননি। ১৯৬৯ সালের সংসদ নির্বাচনে আমিন একমাত্র খালিকী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন এবং স্থায়ীভাবে দলের সামর্থ্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখেন। তিনি সাওর বিপ্লব এর প্রধান সংগঠক ছিলেন, যেখানে যিনি মুহাম্মদ দাউদ খান সরকারকে উৎখাত করতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছিলেন।

Rulers of Ancient Israel
Pre-dynastic
United Monarchy
Israel (Northern Kingdom)
Judah (Southern Kingdom)
Hasmonean dynasty
Herodian dynasty
Post–Second Temple era
বাইবেল অনুসারে আদম থেকে দাউদ
সৃষ্টি থেকে মহাপ্লাবণ
কেইন লাইন
মহাপ্লাবণের পরে গোষ্ঠীসমূহ
জুদাহ-গোষ্ঠী থেকে রাজপদ
Prophets in the Hebrew Bible
Pre-Patriarchal
Patriarchs / Matriarchs
Israelite prophets
in the Torah
Mentioned in the
Former Prophets
Major
Minor
Noahide
Other
Family and reputed relations
Occurrences
Views
Reputed works
Related articles
Catholic Saints
Virgin Mary
Angels
Patriarchs
Prophets
Apostles
Evangelists
Disciples
Martyrs
Popes
Fathers
Confessors
Doctors
Virgins

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.