ডেভিড রিকার্ডো

ডেভিড রিকার্ডো (ইংরেজি: David Ricardo; এপ্রিল ১৮, ১৭৭২-সেপ্টেম্বর ১১, ১৮২৩) ছিলেন ইংরেজ অর্থনীতিবিদ এবং রাজনীতিবিদ। তিনি তার থিওরি অফ রেন্ট-এর জন্য বিখ্যাত। থমাস ম্যালথাস, অ্যাডাম স্মিথজেমস মিলের পাশাপাশি রিকার্ডো ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদদের মধ্যে অন্যতম।[১][২]

সম্মানিত
ডেভিড রিকার্ডো
David Ricardo
Portrait of David Ricardo by Thomas Phillips
থমাস ফিলিপস অঙ্কিত ডেভিড রিকার্ডোর চিত্র, আনু. ১৮২১।
পর্টালিংটনের সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
২০ ফেব্রুয়ারি ১৮১৯ – ১১ সেপ্টেম্বর ১৮২৩
পূর্বসূরীরিচার্ড শার্প
উত্তরসূরীজেমস ফার্কুহার
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১৮ এপ্রিল ১৭৭২
লন্ডন, ইংল্যান্ড
মৃত্যু১১ সেপ্টেম্বর ১৮২৩ (বয়স ৫১)
গ্যাটকোম্ব পার্ক, গ্লোচেস্টারশায়ার, ইংল্যান্ড
জাতীয়তাব্রিটিশ
রাজনৈতিক দলহুইগ
দাম্পত্য সঙ্গীপ্রিসিলা অ্যান উইলকিনসন (বি. ১৭৯৩–১৮২৩)
সন্তান৬ সন্তান
জীবিকা

প্রারম্ভিক জীবন

রিকার্ডো ইংল্যান্ডের লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার জন্মের কিছুদিন পূর্বে ওলন্দাজ প্রজাতন্ত্র থেকে আসা একটি পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত সেপার্ডিক ইহুদি পরিবারের ১৭ সন্তানের তৃতীয়।[৩] তার পিতা আব্রাহাম রিকার্ডো ছিলেন একজন সফল স্টকব্রোকার।[৩] রিকার্ডো ১৪ বছর বয়সে তার পিতার সাথে কাজ শুরু করেন। ২১ বছর বয়সে রিকার্ডো প্রিসিলা অ্যান উইলকিনসনকে নিয়ে পালিয়ে যান এবং তার পিতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ইউনিটারিয়ান বিশ্বাসী হয়ে ওঠেন।[৪] এই ধর্মীয় পার্থক্যের কারণে তাদের পরিবারের মধ্যে তফাৎ দেখা দেয়, এবং এই স্বাধীনভাবে কোন অবস্থানে যাওয়ার চেষ্টা করেন।[৫] তার পিতা তাকে ত্যাজ্য করেন এবং তার মা তার সাথে আর কখনো কথা বলেন নি।[৬]

মৃত্যু

অবসরের দশ বছর পর এবং সংসদের যোগ দেওয়ার চার বছর পরে রিকার্ডো কানে সংক্রমণে মারা যান। এই সংক্রমণ তার মস্তিস্কে ছড়িয়ে পড়েছিল। তার বয়স হয়েছিল ৫১ বছর। তাকে হার্ডেনহুইশের সেন্ট নিকোলাস গির্জায় সমাহিত করা হয়।[৭] মৃত্যুকালে তার সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬০০,০০০ পাউন্ড।

আরও দেখুন

তথ্যসূত্র

  1. Sowell, Thomas (২০০৬)। On classical economics। New Haven, CT: ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস।
  2. http://www.policonomics.com/david-ricardo/
  3. Heertje, Arnold (২০০৪)। "The Dutch and Portuguese-Jewish background of David Ricardo"। European Journal of the History of Economic Thought11 (2): 281–94। doi:10.1080/0967256042000209288
  4. Francisco Solano Constancio, Paul Henri Alcide Fonteyraud. 1847. Œuvres complètes de David Ricardo, Guillaumin, (pp. v–xlviii): A part sa conversion au Christianisme et son mariage avec une femme qu'il eut l'audace grande d'aimer malgré les ordres de son père
  5. Ricardo, David. 1919. Principles of Political Economy and Taxation. G. Bell, p. lix: "by reason of a religious difference with his father, to adopt a position of independence at a time when he should have been undergoing that academic training"
  6. Sraffa, Piero, David Ricardo (১৯৫৫)। The Works and Correspondence of David Ricardo: Volume 10, Biographical Miscellany। Cambridge, UK: Cambridge University Press। পৃষ্ঠা 434। আইএসবিএন 0-521-06075-3।
  7. ফাইন্ড এ গ্রেইভে ডেভিড রিকার্ডো (ইংরেজি)

গ্রন্থপঞ্জী

  • Case, Karl E.; Fair, Ray C. (১৯৯৯)। Principles of Economics (5th সংস্করণ)। Prentice-Hall। আইএসবিএন 0-13-961905-4।
  • Hollander, Samuel (1979). The Economics of David Ricardo. University of Toronto Press.
  • G. de Vivo (1987). "Ricardo, David," The New Palgrave: A Dictionary of Economics, v. 4, pp. 183–98
  • Samuelson, P. A. (2001). "Ricardo, David (1772–1823)," International Encyclopedia of the Social & Behavioral Sciences, pp. 13330–34. Abstract.
  • "David Ricardo (1772–1823)", The Concise Encyclopedia of Economics, Library of Economics and Liberty (2nd সংস্করণ), Liberty Fund, ২০০৮
  • (ফরাসি) Éric Pichet, David RICARDO, le premier théoricien de l'économie, Les éditions du siècle, 2004*

বহিঃসংযোগ

উইকিসংকলন
উইকিসংকলন-এ এই লেখকের লেখা মূল বই রয়েছে:
যুক্তরাজ্যের সংসদ (১৮০১–বর্তমান)
পূর্বসূরী
রিচার্ড শার্প
পর্টালিংটনের সংসদ সদস্য
১৮১৯–১৮২৩
উত্তরসূরী
জেমস ফার্কুহার
অর্থনীতি

অর্থনীতি বা ‌‌‌অর্থশাস্ত্র সামাজিক বিজ্ঞান-এর একটি শাখা যা পণ্য এবং কৃত্যের উৎপাদন, সরবরাহ, বিনিময়, বিতরণ এবং ভোগ ও ভোক্তার আচরণ নিয়ে আলোচনা করে থাকে৷ সম্পদ সীমিত কিন্তু চাহিদা অফুরন্ত– এই মৌলিক পরিপ্রেক্ষিতে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা অর্থনীতির প্রধান উদ্দেশ্য৷ অর্থনীতি শব্দটি ইংরেজি 'Economics' শব্দের প্রতিশব্দ। Economics শব্দটি গ্রিক শব্দ 'Oikonomia' থেকে উদ্ভূত যার অর্থ গৃহস্থালী পরিচালনা।

[এল.রবিন্স] এর প্রদত্ত সংজ্ঞাটি বেশিরভাগ আধুনিক অর্থনীতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তিনি বলেন, "অর্থনীতি মানুষের অভাব ও বিকল্প ব্যবহারযোগ্য সীমিত সম্পদের সম্পর্ক বিষয়ক মানব আচরণ নিয়ে আলোচনা করে।" এল.রবিন্সের সংজ্ঞাটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে এটি মানব জীবনের তিনটি মৌলিক বৈশিষ্টের উপর প্রতিষ্ঠিত, যথা অসীম অভাব, সীমিত সম্পদ ও বিকল্প ব্যবহারযোগ্য সম্পদ।

অর্থনীতির পরিধিসমূহ বিভিন্ন ভাগে বা শ্রেণীতে ভাগ করা যায়, যেমনঃ

ব্যাস্টিক অর্থনীতি ও সামস্টিক অর্থনীতি

নীতিবাচক অর্থনীতি ও ইতিবাচক অর্থনীতি

মেইনস্ট্রীম ও হেটারোডক্স অর্থনীতিআধুনিক অর্থনীতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়, (১)ব্যাস্টিক অর্থনীতি ও (২)সামস্টিক অর্থনীতি৷ ব্যাস্টিক অর্থনীতি মূলত ব্যক্তি মানুষ অথবা ব্যবসায়ের চাহিদা ও যোগান নিয়ে আলোচনা করে থাকে৷ অন্যদিকে সামস্টিক অর্থনীতি একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জাতীয় আয়, কর্মসংস্থান, মুদ্রানীতি, ইত্যাদি বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করে৷ অন্য ভাবে বলা যায়যে, Micro Economics বা ব্যাষ্টিক অর্থনীতির লক্ষ্য হলো অর্থনীতির একটি বিশেষ অংশ বা একককে ব্যক্তিগত দৃস্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করা এবং Macro Economics বা সামষ্টিক অর্থনীতি অর্থনীতির সামগ্রিক বিষয়াদি বিশ্লেষণ করে থাথাকে।কে।

অর্থনীতিবিদদের তালিকা

এটি বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অর্থনীতিবিদদের নামের তালিকা। এখানে শুধুমাত্র উইকিপিডিয়ায় নিবন্ধ রয়েছে এমন অর্থনীতিবিদদের নাম তাদের শেষ নাম অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিকভাবে যোগ করা হয়েছে।

কার্ল মার্ক্স

কার্ল হাইনরিশ মার্ক্স (জার্মান: Karl Heinrich Marx

জার্মান উচ্চারণ: [kaːɐ̯l ˈhaɪnʀɪç ˈmaːɐ̯ks]

) (৫ই মে, ১৮১৮ – ১৪ই মার্চ, ১৮৮৩) একজন জার্মান দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, ইতিহাসবেত্তা, সমাজ বিজ্ঞানী, রাজনৈতিক তাত্ত্বিক, সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী। সমগ্র মানব ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের একজন মার্ক্স। মার্ক্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রচনাগুলোর মাঝে রয়েছে তিন খণ্ডে রচিত পুঁজি এবং ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের সাথে যৌথভাবে রচিত কমিউনিস্ট ইশতেহার (১৮৪৮)।

সমাজ, অর্থনীতি, ও রাজনীতিসংক্রান্ত মার্ক্সের তত্ত্বসমূহ মার্ক্সবাদ নামে পরিচিত। মার্ক্সের মতে, শ্রেণী সংগ্রামের ভিতর দিয়ে মানব সমাজগুলো বিবর্তিত হচ্ছে। পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় এই সংগ্রামের প্রকাশ ঘটে শাসক শ্রেণী (যারা একইসাথে রাষ্ট্র, ও কলকারখানা নিয়ন্ত্রণ করে) এবং শ্রমজীবী শ্রেণী (যাদের জীবিকার একমাত্র উপায় পুঁজিপতির কারখানায় নুন্যতম মজুরির বিনিময়ে শ্রম বেঁচা), তাদের মাঝে। মার্ক্স বলেন যে, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে শ্রমিক শ্রেণি যে পরিমাণ নতুন মূল্যের সৃষ্টি করে তার ভগ্নাংশই মাত্র তারা মজুরি বাবদ পান, উদ্বৃত্ত সিংহভাগ অংশ পুঁজির মালিকগণ আত্মসাৎ করে ফেলেন।দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ অনুসরণ করে মার্ক্স দাবি করেন যে পূর্বতন সমাজব্যবস্থাগুলোর মতো পুঁজিবাদও তার অন্তঃস্থ বিভেদ ও শ্রেণী সংগ্রামের দরুন ভেঙে পড়বে এবং সমাজতন্ত্রের জন্ম হবে। মার্ক্স মনে করেন, অস্থিতিশীল ও সংকটপ্রবণ পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় ক্রমাগত শ্রেণী সংগ্রামের ভিতর দিয়ে মজলুম শ্রমজীবী শ্রেণীর মাঝে শ্রেণীচেতনার জন্ম হবে; যার ফলে তাদের মাঝে ঐক্য গড়ে উঠবে এবং এই ঐক্যবদ্ধ শ্রমজীবী শ্রেণী জালেম শাসক শ্রেণীকে ক্ষমতাচ্যুত করে শ্রেণীহীন কওমী সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলবে। মার্ক্স মনে করেন, বিদ্যমান পুঁজিবাদী জালেমী ব্যবস্থার অবসান করতে এবং নিজেদের মুক্তির খাতিরে মজলুম শ্রমজীবী শ্রেণীগুলোর ঐক্যবদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বিপ্লবের বিকল্প নেই।

জাঁ শার্ল লেওনার দ্য সিসমন্দি

জাঁ শার্ল লেওনার দ্য সিসমন্দি (ইংরেজি: Jean Charles Léonard de Sismondi) (১৯ মে, ১৭৭৩ – ২৫ জুন, ১৮৪২), যার আসল নাম ছিল সিসমন্দি, ছিলেন একজন জেনেভায় জন্মগ্রহণকারী অর্থনীতিবিদ ও লেখক। তিনি বিখ্যাত ছিলেন ফরাসি ও ইতালির ইতিহাস এবং তার অর্থনৈতিক ধারনার জন্য।

ধ্রুপদী অর্থনীতি

অ্যাডাম স্মিথ, ডেভিড রিকার্ডো থেকে শুরু করে ১৯৩৬ সালে Keynes The General Theory প্রকাশের পূর্ব প্রর্যন্ত বিস্তৃত সময়ে বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ গনের দেওয়া আয় ও নিয়োগ স্নংক্রান্ত মতবাদের সংমিলিত রূপ কে একত্রে ক্ল্যাসিক্ল্যল মডেল বলে ।

মূল বক্তব্যঃ ক্ল্যাসিক্ল্যল অর্থনীতিবিদের মতে সামষ্টিক অর্থনীতির ভারসাম্য সব সময় পূর্ণ নিয়োগ প্রর্যায়ে স্থির থাকবে এবং Say’s এর The Quantity Theory Of Money মূল বক্তব্য সত্য হবে ।তারা মনে করেন দ্রব্য ও সামগ্রিক সেবা ও মোট চাহিদা(AD) তুলনায় কম হতে পারে না ।Say’s বলেছেন যোগান নিজেই তার স মপ রিমান চাহিদা সৃস্টি করে (Supply Creates It’s Own Demand )তাই অর্থনীতিতে সামগ্রিক যোগান সমান হয় সামগ্রিক চাহিদা (AS = AD) ।সাময়িক ভাবে AS=AD নাও হতে পারে তবে দীর্ঘকালে AS=AD হতে পারে তখন পূর্ণ নিয়োগ বিচ্ছুতি কোন সম্ভাবনা নেই ।

অনুমতি শর্তঃ

১)হ্রাসক্রত মজুরিতে শ্রমিকরা কাজ করতে ইচ্ছুক ।

২)অর্থ শুধু মাত্র বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে ।

৩)ব্যক্তি তন্ত্রবাদ ও পূর্ণ প্রতিযোগিতা বিদ্যমান ।

৪)I=S শর্ত সাপেক্ষে সুদের হার নির্ধারিত এবং সুদের হারের ভূমিকা গৌন ।

উপরের অনুমিত শর্তের ভিত্তিতে ক্ল্যসিকাল মডেল উপাস্থাপনা কালে তিনটি বাজার ব্যবস্থা লক্ষ্য করা যায়।

১)শ্রম বাজার

২)অর্থবাজার

৩)উৎপাদন বাজার

শ্রম বাজার ও অর্থ বাজারের সাথে উৎপাদন বাজার সমন্বয় ঘটিয়ে পূর্ণাঙ্গ ক্ল্যাসিক্যাল মডেল পাওয়া যায় । যার বিশ্লেষন দেওয়া হল ।

১)শ্রম বাজারঃ ক্ল্যাসিক্যাল অর্থনীতিবিদের মতে শ্রমের চাহিদা ও যোগান প্রকৃত মজুরির উপর নির্ভরশীল তবে প্রকৃত মজুরির সাথে শ্রমের যোগানের সম্পর্ক ধনাত্নক তাই শ্রমের যোগান রেখা ডান দিকে নিম্মগামী ।অন্যদিকে প্রকৃত মজুরির সাথে শ্রমের যোগান রেখা ডানদিকে ঊর্ধগামী হয় ।

প্রকৃতিতন্ত্র

ফিজিওক্র্যাসি (ফরাসি: ফিজিওক্র্যাটিক; গ্রীক থেকে "প্রকৃতির নিয়ম") একটি অর্থনৈতিক তত্ত্ব ১৮ শতকের আলোকিত জ্ঞানবিদের একটি গোষ্ঠী দ্বারা বিকশিত ফরাসি অর্থনীতিবিদ যারা বিশ্বাস করতেন যে জাতিগুলির সম্পদ সম্পূর্ণরূপে "ভূমি কৃষি" মূল্য থেকে প্রাপ্ত হয়েছিল অথবা "ভূমি উন্নয়ন" এবং যে কৃষি পণ্য অত্যন্ত মূল্যবান করা উচিত। তাদের তত্ত্বগুলি ফ্রান্সে উদ্ভূত হয়েছিল এবং ১৮ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে এটি জনপ্রিয় ছিল। ফিজিওক্র্যাসি অর্থনীতির প্রথম সুপ্রতিষ্ঠিত তত্ত্বের মধ্যে একটি।ফরাসি: Physiocratie

এই অভিযানটি বিশেষত ফ্রাঙ্কোয়েস কন্সেন (১৬৯৪-১৭৭৪) এবং অ্যান-রবার্ট-জ্যাকস তুর্গট (১৭২৭-১৭৮১) দ্বারা প্রভাবিত ছিল। এটি অবিলম্বে প্রথম আধুনিক স্কুল, শাস্ত্রীয় অর্থনীতির পূর্ববর্তী, যা ১৭৭৬ সালে অ্যাডাম স্মিথের জাতিসত্ত্বার প্রকাশনার সাথে শুরু হয়েছিল।

শারীরিক সম্পদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল জাতীয় সম্পদের উত্স হিসাবে উত্পাদনশীল কাজে তাদের জোর দেওয়া। এটি পূর্ববর্তী স্কুলের বিপরীতে, বিশেষত বাণিজ্যভিত্তিক, যা প্রায়শই শাসক এর সম্পদ, স্বর্ণের জমা, বা বাণিজ্য ভারসাম্যকে কেন্দ্র করে। অর্থনীতির বাণিজ্যবিষয়ক স্কুল বলেছিল যে, বিক্রির সময়ে সমাজের পণ্যগুলিতে মূল্য তৈরি করা হয়েছিল, বিক্রেতার দ্বারা পণ্যগুলি তার পণ্যগুলিকে "আগে" মূল্যের চেয়ে বেশি অর্থের জন্য বিনিময় করে, অর্থনীতির ফিউজিওটিকাল স্কুল প্রথম ছিল মূল্য একমাত্র উৎস হিসাবে শ্রম দেখুন। যাইহোক, physiocrats জন্য, শুধুমাত্র কৃষি শ্রম সমাজের পণ্য এই মান তৈরি। সমস্ত "শিল্প" এবং অ-কৃষি শ্রমিকরা কৃষি শ্রমকে "অনাবশ্যক পরিপূরক" বলে।

সেই সময় ফিজিওক্রেটরা তাদের ধারনা প্রণয়ন করছিল, অর্থনীতি প্রায় সম্পূর্ণরূপে কৃষিজমি ছিল। সম্ভবতঃ এই তত্ত্বটি শুধুমাত্র কৃষি শ্রমকে মূল্যবান বলে বিবেচনা করা হয়। পদার্থবিদদের পণ্য ও সেবার উৎপাদনকে কৃষি উদ্বৃত্ত ব্যবহারের সমতুল্য বলে মনে করা হয়, যেহেতু বিদ্যুতের প্রধান উৎস মানুষের বা পশু পেশী থেকে ছিল এবং সমস্ত শক্তি কৃষি উৎপাদনের উদ্বৃত্ত থেকে প্রাপ্ত হয়েছিল। পুঁজিবাদী উৎপাদনে লাভ সত্যিই ভূমি মালিকের দ্বারা অর্জিত "ভাড়া" যা কৃষি উৎপাদন ঘটছে।

"Physiocrats তাদের কৃত্রিমতা জন্য শহর damned এবং জীবিত আরো প্রাকৃতিক শৈলী প্রশংসা। তারা কৃষকদের উদযাপন।" তারা নিজেদেরকে লেস ইকোনমিস্টেস বলে অভিহিত করে, কিন্তু সাধারণত তাদের অনুসরণ করা অর্থনৈতিক চিন্তাধারার অনেকগুলি স্কুল থেকে আলাদা করার জন্য ফিজিওক্যাট হিসাবে পরিচিত হয়।

মার্কসবাদ

মার্কসবাদ ঊনবিংশ শতাব্দীর দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, সাংবাদিক এবং বিপ্লবী কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক অনুশীলন ও সামাজিক তত্ত্ব। এই তত্ত্বে সামাজিক পরিবর্তনের দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদী দৃষ্টিতে সামাজিক দ্বন্দ্ব ও শ্রেণি-সম্পর্ককে ভিত্তি করে সমাজ বিশ্লেষণের বিশ্বদর্শন ও প্রক্রিয়া বয়ান করা হয়েছে। মার্কসবাদী প্রক্রিয়াকে পদ্ধতিগত অর্থনৈতিক পরিবর্তনে শ্রেণিসংগ্রামের ভূমিকা এবং পুঁজিবাদের বিকাশের সমালোচনা ও বিশ্লেষণে অর্থনৈতিক ও সামজিক-রাজনৈতিক জিজ্ঞাসা ও প্রয়োগে ব্যবহার করা হয়।

প্রয়োগিক বিবেচনায় মার্কসবাদ হচ্ছে মালিক শ্রেণির তথা বুর্জোয়া শ্রেণির শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন তথা মজুরি-দাসত্ব থেকে প্রলেতারিয়েতের বা শ্রমিক শ্রেণির মুক্তির মতবাদ। এটি হচ্ছে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ও বৈপ্লবিক সাধনক্রিয়ার সামগ্রিক রূপ। ঊনিশ শতকের জার্মান দর্শন, ইংরেজি অর্থশাস্ত্র এবং ফরাসি সমাজতন্ত্র রূপে মানবজাতির যা শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মার্কসবাদ সে সবের বৈধ উত্তরাধিকার। । হেগেলের দর্শন, অ্যাডাম স্মিথ, ডেভিড রিকার্ডোর অর্থনীতি তত্ত্ব এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর ফরাসি সমাজতন্ত্রের সমন্বয়ে তিনি সমাজের সমালোচনা করেন যেটাকে তিনি বৈজ্ঞানিক ও বিপ্লবী দাবি করেন। পুঁজি: রাজনৈতিক অর্থনীতির সমালোচনা (ডাস কাপিটাল) বইয়ে তার চিন্তার সুসংগত বহিপ্রকাশ ঘটে।

যোগান ও চাহিদা

অর্থনীতির ভাষায় চাহিদা এবং যোগান বলতে কোন একটি পণ্যের বা সেবার ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে বিদ্যমান বাজার সম্পর্ক বোঝায়। বাজারে কোন পণ্যের দাম এবং সরবরাহ কী-রূপ হবে তা চাহিদা ও যোগানের মধ্যে বিরাজমান সম্পর্ক দ্বারাই নির্ধারিত হয়। ব্যষ্টিক অর্থনীতির ক্ষেত্রে এটি একটি মৌলিক সম্পর্ক এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাখ্যার পাশাপাশি নতুন নতুন তত্ত্ব তৈরির ক্ষেত্রেও এটি প্রায় সর্বদা ব্যবহৃত হয়। আন্টোনিও অগাস্টিন কর্নো এটি সর্বপ্রথম বর্ণনা করেন এবং আলফ্রেড মার্শাল এটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন। এই মডেল এর মতে একটি মুক্ত প্রতিযোগিতামুলক বাজারে পণ্যের প্রকৃত বিক্রয় মূল্যই ভোক্তার চাহিদা এবং বিক্রেতার সরবরাহের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে এবং একটি সাম্যাবস্থা প্রতিষ্ঠা করে।

রবার্ট জোসেফ ব্যারো

রবার্ট জোসেফ ব্যারো একজন মার্কিন ক্লাসিক্যাল সামষ্টিক অর্থনীতিবিদ এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এর অর্থনীতির পল এম ওয়ারবার্গ অধ্যাপক। রবার্ট লুকাস এবং টমাস জন সার্জেন্ট এর পাশাপাশি তাঁকেও নিউ ক্লাসিক্যাল সামষ্টিক অর্থনীতির একজন প্রতিষ্ঠাতা মনে করা হয়। তিনি বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এর হুভার ইন্সটিটিউশনের একজন জ্যেষ্ঠ ফেলো।

১১ সেপ্টেম্বর

১১ সেপ্টেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২৫৪তম (অধিবর্ষে ২৫৫তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ১১১ দিন বাকি রয়েছে।

আধুনিক অর্থনীতিবিদ

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.