গেরিলা যুদ্ধ

একজন গেরিলা (স্পেনীয়: guerrillero) হলেন একজন অর্ধসামরিক বা বেসামরিক ব্যক্তি যে একটি ছোট দলের অংশ হিসেবে একটি বড়ো সরকারী সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করে।

গেরিলা যুদ্ধ (স্পেনীয়: guerrilla) এমন এক ধরনের যুদ্ধ পদ্ধতি যেখানে ভূমি এবং ভৌগোলিক সুবিধা ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের ওপরে প্রাধান্য বিস্তার করা হয়। গেরিলাযুদ্ধ অনেক সময়েই দুর্গম বন-জঙ্গল এলাকায় হয়ে থাকে। গেরিলারা যুদ্ধে জয় করার জন্য এবং সামরিক বাহিনীকে মোকাবিলা করার জন্য অনেকরকম সামরিক কৌশল ব্যবহার করে, যেমন অতর্কিত আক্রমণ, অন্তর্ঘাত, হানা, ক্ষুদ্র যুদ্ধ, হিট এবং রান কৌশল, ইত্যাদি।[১]

'গেরিলা' শব্দটি স্প্যানিশ শব্দ 'গেরা'র (অর্থাৎ যুদ্ধ) অপভ্রংশ। 'গেরিলা' শব্দটির অর্থ খুদে যুদ্ধ। প্রাচীন চীনের সমরনায়ক সুন সু তার দ্য আর্ট অফ ওয়ার (যা খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে লেখা জয়) গ্রন্থে সর্বপ্রথম গেরিলা যুদ্ধের কথা বলেন।[২] এটি সরাসরি আধুনিক গেরিলা যুদ্ধের বিকাশকে অনুপ্রাণিত করেছিল।[৩]

এ সশস্ত্র সংঘর্ষে প্রত্যেক পক্ষের চরম ও পরম লক্ষ্য থাকে প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষকে পদানত করে সম্পূর্ণ নির্মূল বা স্বীয় শর্তাধীনে শান্তি স্থাপন করতে বাধ্য করা।এটি নেপোলিয়ান এর সময়ে যখন তিনি স্পেন আক্রমণ করেন তখন তারা এই নীতি প্রয়োগ করে নেপেলিয়ান কে ফ্রান্সে ফিরতে বাধ্য করেন.

তথ্যসূত্র

  1. Simandan, D., 2017. Competition, contingency, and destabilization in urban assemblages and actor-networks. Urban Geography, pp.1-12. https://doi.org/10.1080/02723638.2017.1382307
  2. Leonard, Thomas M., Encyclopedia of the developing world, 1989, p. 728. "One of the earliest proponents of guerrilla war tactics is the Chinese master of warfare, Sun Tzu."
  3. Snyder, Craig. Contemporary security and strategy, 1999, p. 46. "Many of Sun Tzu's strategic ideas were adopted by the practitioners of guerrilla warfare."
আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা যুদ্ধ

আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা যুদ্ধ (ইংরেজি ভাষায়: Irish War of Independence; অন্য নাম: ট্যান যুদ্ধ বা অ্যাংলো-আইরিশ যুদ্ধ; আয়ারল্যান্ডীয় ভাষায়: Cogadh na Saoirse) ১৯১৯ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৯২১ সালের জুলাই পর্যন্ত চলেছিল। এটি ছিল মূলত আয়ারল্যান্ডে শাসনাধীন ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (আইআরএ) পরিচালিত গেরিলা যুদ্ধ।এই যুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারী আইআরএ ছিল প্রথম ডায়াল (Dáil) এর অধীন। উল্লেখ্য প্রথম ডায়াল বলতে ১৯১৯ সালের নির্বাচনে আয়ারল্যান্ডে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন অর্জনকারী দলকে বোঝায়। প্রথমে প্রতিষ্ঠিত এই আইআরএ-কে একই নামের অন্যান্য আর্মি থেকে পৃথক করার জন্য অনেক সময়ই ওল্ড আইআরএ নামে ডাকা হয়।

আহমদ শাহ মাসউদ

আহমদ শাহ মাসউদ (দারি ফার্সী: احمد شاه مسعود; ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৫২ - ৯ সেপ্টেম্বর ২০০১) হলেন একজন আফগান রাজনীতিবিদ ও সামরিক ব্যক্তিত্ব, যিনি ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৯ সালের সোভিয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এবং একই সময়ের গৃহযুদ্ধের বছরগুলোতে একজন শক্তিশালী সামরিক কমান্ডার দায়িত্বপালন করেন।

মাসউদ উত্তর আফগানিস্তানের পাঞ্জশির প্রদেশের তাজিক থেকে এক সুন্নি মুসলিম পরিবার থেকে আসেন। তিনি ১৯৭০ এর দশকে কাবুল পলিটেকনিক ইউনিভিার্সিটি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশুনা করেন, তখন তিনি কমিউনিস্ট বিরোধী মুসলিম আন্দোলনের ইসলামপন্থি আফগান নেতা বোরহানউদ্দিন রব্বানীর সান্নিধ্যে আসেন। তিনি মোহাম্মদ দাউদ খান সরকারের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সমর্থিত ব্যর্থ বিদ্রোহে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত দখদারিত্বের বিরুদ্ধে তার ভুমিকার জন্য তার অণুসারীরা তাকে "পাঞ্জশিরের সিংহ" (ফার্সি: شیر پنجشیر‎‎) নামে ডাকা শুরু করে। ১৯৯২ সালের পর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহ সরকারকে প্রতিস্থাপনের জাতিসংঘ পরিকল্পনায় তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। ফলে তাকে পেশোওয়ারের একোর্ডের মাধ্যমে তাকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নিযুক্ত করা হয়, যা ছিল কমিউন্সিট পরবর্তী ইসলামিক আফগানিস্তানে শক্তি ও শান্তির সমঝোতা চুক্তি।

কটকম সুদর্শন (আনন্দ)

কটকম সুদর্শন ওরফে আনন্দ হলেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী) দলের একজন শীর্ষ নেতা ও পলিটব্যুরো সদস্য।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা

কেরানীগঞ্জ বাংলাদেশের ঢাকা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। কেরানীগঞ্জের সাবেক আয়তন বর্তমান কেরানীগঞ্জ থেকে শুরু করে ঢাকা মহানগর সহ গাজীপুরের একাংশ- এই বৃহত্তর এলাকাটি কেরানীগঞ্জ থানার অন্তর্ভুক্ত ছিলো।

জোনাস স্যাভিম্বি

জোনাস মালহেইরো স্যাভিম্বি (৩ আগস্ট ১৯৩৪ - ২২ ফেব্রুয়ারী ২০০২) একজন কম্যুনিস্ট বিরোধী এবং -পনিবেশবাদবিরোধী অ্যাঙ্গোলা রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা ছিলেন যে অ্যাঙ্গোলার মোট স্বাধীনতার জন্য জাতীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং নেতৃত্ব দিয়েছেন (ইউএনটিএ)।ইউএনটিএ প্রথম গেরিলা যুদ্ধ পর্তুগিজ পনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে ১৯৬৬–১৯৭৪ এর পরে অ্যাঙ্গোলার মুক্তির জন্য গণআন্দোলনের মুখোমুখি হয়েছিল (এমপিএলএ) অ্যাঙ্গোলান গৃহযুদ্ধ ২০০২ সালে সরকারী বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে সাবিমির মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।

টমাস এডওয়ার্ড লরেন্স

টমাস এডওয়ার্ড লরেন্স (১৫ই আগস্ট, ১৮৮৮ - ১৯শে মে, ১৯৩৫) একজন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ব বিশারদ, সামরিক নীতি নির্ধারক এবং লেখক। তাকে লরেন্স অফ অ্যারাবিয়া নামেও ডাকা হয়, তিনি নিজ নামের আদ্যক্ষর টি.ই. ও বেশ পছন্দ করতেন। তিনি ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তা ছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ সামরিক তৎপরতা চালিয়েছেন যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উসমানীয় খেলাফত বিরুদ্ধে অভিযানে আকাবা বিজয়। সে সময়ে মধ্য প্রাচ্যের সামরিক তৎপরতা নিয়ে লিখেই তিনি খ্যাতি পেয়েছেন। তাকে মধ্যপ্রাচ্য তথা আধুনিক আরব বিশ্বের জনক বলা হয়।

তালিবান

তালিবান (পশতু ভাষায়: طالبان, তালেবান-ও ব্যবহৃত হয়) সুন্নি ইসলামী এবং পশতুন জাতীয়তাবাদী আন্দোলন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে এই আন্দোলনের নেতারা ক্ষমতাসীন ছিলেন। ২০০১ সালে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স এবং ন্যাটো দেশগুলো কর্তৃক পরিচালিত এক যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সেদেশে তালিবান শাসনের অবসান ঘটানো হয়, তালিবান নেতারা অনেকেই বন্দী হন, বাকিরা পালিয়ে যান। "তালিবান" শব্দের অর্থ "ছাত্র"। বর্তমানেও দৃঢ় চেতনার অধিকারী তালিবান সমর্থকেরা পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তের উপজাতীয় অঞ্চলে ক্ষমতাসীন আফগান সরকার, অপারেশন এন্ডিউরিং ফ্রিডম-এ অংশগ্রহণকারী ন্যাটো সৈন্যবাহিনী এবং ন্যাটো পরিচালিত ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাসিস্টেন্স ফোর্সের (আইএসএএফ) বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

তালিবান আন্দোলনের প্রধান ছিলেন মোল্লা মুহাম্মাদ উমার। উমারের পরেই ছিল সামরিক কমান্ডার ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের একটি মিশ্র ইউনিটের অবস্থান। এর পরে স্থান ছিল পদমর্যাদা অনুযায়ী পাকিস্তানের বিভিন্ন ধর্মীয় বিদ্যালয়ে পাঠ গ্রহণকারী ব্যক্তিদের। দক্ষিণ আফগানিস্তানের পশতুন অঞ্চল ও পশ্চিম পাকিস্তানের কিছু অঞ্চলে তালিবান আন্দোলন সবচেয়ে ব্যাপক রূপ ধারণ করেছিল। এছাড়াও ইউরোপ ও চীন থেকে কিছু স্বেচ্ছাসেবক এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। তালিবানরা বিভিন্ন উৎস থেকে ভারী অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা লাভ করেছিল। পাকিস্তান সরকার বিশেষত ইন্টার-সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স তালিবানদের সহায়তার জন্য অভিযুক্ত হয়েছে। এছাড়া পাকিস্তানে আফগান শরণার্থীদের জন্য নির্মীত মাদ্রাসাগুলো থেকে অনেকেই সশস্ত্র আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল। এই মাদ্রাসাগুলো প্রতিষ্ঠা করেছিল জামিয়াত উলামা-ই-ইসলাম।

পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে তালিবানরা আফগান রাজধানী কাবুলে ক্ষমতাসীন ছিল। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে মাত্র তিনটি দেশ তাদেরকে স্বীকৃত দিয়েছিল: পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। মানবাধিকার লংঘনের জন্য আফগানিস্তান জাতিসংঘের স্বীকৃতি হারিয়েছিল এবং ইরান, ভারত, তুরস্ক, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্য এশিয়ার অধিকাংশ দেশ তালিবান শাসনের বিরোধিতা করেছিল এবং তালিবান বিরোধী আফগান নর্দার্ন অ্যালায়েন্সকে সাহায্য করেছিল।

ক্ষমতায় থাকার সময় তালিবানরা এযাবৎ কালের সবচেয়ে কঠোর মুসলিম শরিয়াহ্‌ভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। নারীদের প্রতি বিরূপ আচরণের জন্য তারা আন্তর্জাতিক মহলে অনেক নিন্দিত হয়েছিল। নারীদের বোরকা পরতে বাধ্য করা হতো, আট বছর বয়সের পর তাদেরকে চাকরি বা শিক্ষা লাভ করতে দেয়া হতো না। যারা পড়তে চাইতো তাদেরকে ভূগর্ভস্থ বিদ্যালয়ে পাঠানো হতো এবং কারও সাথে অনৈসলামিক অবস্থায় ধরা পড়লে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হতো। পুরুষ ডাক্তাররা তাদেরকে চিকিৎসা করতে পারতো না। একান্তই করাতে হলে, সাথে করে কোন পুরুষ আত্মীয় বা স্বামী নিয়ে আসতে হতো। এ কারণেই অনেকেই বিনা চিকিৎসায় কষ্টভোগ করতো। পুরুষ-নারী সবাইকেই তালিবান আইন ভঙ্গ করার জন্য কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হতো।

নর্মদা আক্কা

নর্মদা আক্কা (ইংরেজি: Narmada Akka) একজন ভারতীয় মাওবাদী নেত্রী ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী) দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি মাওবাদীদের প্রধান মহিলা নেত্রীদের অন্যতম ছিলেন।

নাজমুল হক

মেজর নাজমুল হক (১ আগস্ট, ১৯৩৮ - ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। তার ডাকনাম টুলু। তিনি ৭নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নামিবিয়া

নামিবিয়া দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র। আটলান্টিক সাগরের তীরবর্তী নামিবিয়ার উত্তরে অ্যাঙ্গোলা ও জাম্বিয়া পূর্বে বতসোয়ানা দক্ষিণ ও পূর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৫ শতকে পর্তুগিজরা নামিবিয়ায় প্রবেশ করে। ১৮৮৪ সালে দেশটি জার্মানদের অধিকারে চলে যায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার জার্মান উপনিবেশ দক্ষিণ আফ্রিকা কর্তৃক অধিকৃত হয়। ১৯৬০ সালে দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার নাম পরিবর্তন করে নামিবিয়া নামকরণ করা হয়। দেশটির মার্কসবাদী সংগঠন সোয়াপোর নেতৃত্বে স্বাধীনতার জন্য গেরিলা যুদ্ধ শুরু হয়। পরে জাতিসংঘের শান্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯০ সালের ২১ মার্চ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে নামিবিয়া।

fscvbjccb

fstfcvbgzc

নাৎসি বাহিনীর পোল্যান্ড আক্রমণ

ভার্সাই চুক্তি অনুসারে জার্মানির ডানজিগ বন্দরের মালিকানা দিয়ে দেয়া হয়েছিল রাষ্ট্রপুঞ্জকে [league of nations]।১৯৩৯ এর ২১ শে মার্চ হিটলার ডানজিগের মালিকানা এবং ঐ পর্যন্ত যাবার জন্য পোল্যান্ডের ভেতর দিয়ে সড়ক ও রেলপথ দাবী করেন ।পোল্যান্ড দাবী অগ্রাহ্য করায় যুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি হল ।

সোভিয়েত ইউনিয়নকে নিষ্ক্রিয় রাখার জন্য জার্মানী অনাক্রমণ চুক্তি [non-aggression treaty] করে ।এই চুক্তিতে গোপণে ভাগবাঁটোয়ারার খসড়াও করা হয় ।

অন্যদিকে ব্রিটেন ও ফ্রান্স পোল্যান্ডের সাথে সহায়তা চুক্তি করে ।

১লা সেপ্টেম্বর সীমান্তে একটি সাজানো আক্রমণের ছুতো ধরে হিটলার পোল্যান্ড দখলের অভিযান শুরু করল ।৩রা সেপ্টেম্বর মিত্রবাহিনী জার্মানীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল,এবং শুরু হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ।

পোলিশ বাহিনী আয়তনে যথেষ্ট বিশাল হলেও তাদের অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক চিন্তাভাবনা ছিল সনাতন ।প্রথম দিনই জার্মান বিমান বাহিনী বোমা ফেলে তাদের শহর ,রেল ,সেতু ,শক্তিকেন্দ্র এবং তাদের বিমান বাহিনী অচল করে দিল ।অন্যদিকে সাইলেশিয়া ,প্রুশিয়া ,মোরাভিয়া ,স্লোভাকিয়া দিয়ে জার্মান বাহিনী ঢুকে পোলিশ বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিণ্ন করে দিল ।ফরাসি ও ব্রিটিশ বাহিনী সাহায্য করবার সুযোগ পেল না ।এটি পশ্চিমের বিশ্বাসভঙ্গতা হিসেবে পরিচিত ।

জার্মানীর এই নতুন ধরনের যুদ্ধ পদ্ধতি blitzkrieg বা ঝটিকা যুদ্ধ নামে পরিচিত ।

১৭ই সেপ্টেম্বর গোপন সমঝোতা অনুসারে সোভিয়েত বাহিনীও আক্রমণে যোগ দিল । পরদিনই পোলিশ কর্তাব্যক্তিরা দেশ ছাড়লেন ।ওয়ারস পতন হলো ২৭শে সেপ্টেম্বর ।শেষ সেনাদল কক্ দুর্গে যুদ্ধ করে ৬ই অক্টোবর পর্যন্ত ।

পোল্যান্ড অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেনি ।অনেক পোলিশ মিত্র বাহিনীতে যোগ দেয় এবং অনেকে যুদ্ধ শেষ হওয়া পর্যন্ত গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যায় ।

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ হল ১৯৭১ সালে সংগঠিত দক্ষিণ এশিয়ার একটি বৈপ্লবিক স্বাধীনতা সংগ্রাম যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে। স্বাধীনতা সংগ্রামটি ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের এবং যুদ্ধটি নয় মাস স্থায়ী হয়েছিল। যুদ্ধটির মাধ্যমে বিশ্ব বিশাল এক নির্মমতার স্বাক্ষী হয়, প্রায় এক কোটি মানুষ দেশত্যাগে বাধ্য হন এবং প্রায় ত্রিশ লক্ষ মানুষ শহীদ হন।২৬শে মার্চ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে, যখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাঙালি বেসামরিক জনতা, শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবী এবং সামরিক বাহিনীতে কর্মরত লোকজনের উপর অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে নৃশংসতা চালায়, যারা পাকিস্তানী সামরিক জান্তাকে ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের ১ম গণতান্ত্রিক নির্বাচনকে মেনে নিতে দাবি জানায়, যেখানে পূর্বাঞ্চলীয় দল জয়ী হয়েছে, বা পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তানকে আলাদা হিসেবে মেনে নিতে স্বীকৃতি জানায়।

বাঙ্গালী রাজনীতিবিদ এবং সেনাবাহিনীর অফিসার অপারেশন সার্চলাইটের জবাব হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বাঙ্গালী সামরিক বাহিনীর সদস্য, আধাসামরিক এবং সাধারণ জনতা মিলে মুক্তিবাহিনী গঠন করে, যারা পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করে। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী, ধর্মীয় মৌলবাদী লোকের (রাজাকার, আল বদর এবং আল শামস) মদদে, পর্যায়ক্রমিক গণহত্যা এবং বাঙ্গালী বেসামরিক নাগরিকদের উপর নৃশংসতায় ঝাঁপিয়ে পরে, বিশেষ করে জাতীয়তাবাদী, বুদ্ধিজীবী, তরুণ এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর। ভারতের রাজ্য পশ্চিম বঙ্গের কলকাতায় বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়।

ভারত ৩রা ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে যুদ্ধে জড়িয়ে পরে, যখন পাকিস্তান ভারতের উত্তরাঞ্চলে বিমান আক্রমণ চালায়। দ্বি যুদ্ধ রণক্ষেত্রে আচ্ছন্ন হয়ে, পাকিস্তানী প্রতিরক্ষা শীঘ্রই ভেঙ্গে পড়ে। ১৬ই ডিসেম্বর, বাংলাদেশ এবং ভারতের মিত্র বাহিনী পাকিস্তানকে পরাজিত করে। ফলে এই আত্মসমর্পণ দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক যুদ্ধবন্দীর সাক্ষী হয়।

মঙ্গল মিয়া

মঙ্গল মিয়া (জন্ম: অজানা - মৃত্যু: ১৯৮২) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে।

মাদারিপুর সমিতি

মাদারিপুর সমিতি (১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ) বঙ্গভঙ্গ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলন পরিচালনা তথা চরম পন্থার মাধ্যমে ইংরেজদের থেকে দেশের স্বাধীনতা অর্জন করার জন্য পূর্ণচন্দ্র দাস ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত ঢাকা আনুশীলন সমিতি (পুলিন বিহারীদাস) ও যুগান্তর দল (যতিন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়) এর মত এ সমিতি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে বিপ্লবিক আন্দোলন পরিচালনা করত। বিভিন্ন অভিযানে মাউজার পিস্তল, বোমা ও সাদা মুখোশ ব্যাবহার করা হত। ১৯১২খ্রিঃ পূর্ণচন্দ্র দাস এর নেতৃত্বে মাদারিপুর সমিতি পাঁচটি বড় বড় গেরিলা যুদ্ধ সংগঠিত করে।

মোহাম্মদ আজাদ আলী

মোহাম্মদ আজাদ আলী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে।

রৌমারী উপজেলা

রৌমারী উপজেলা বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

শরাইঘাটের যুদ্ধ

শরাইঘাটের যুদ্ধ (ইংরেজি: Battle of Saraighat, অসমীয়া: শরাইঘাটর যুদ্ধ) আহোম সেনাপতি লাচিত ররফুকনের নেতৃত্বে ও মোগল সেনাপতি রাম সিংহের নেতৃত্বে ১৬৭১ সালে অসমের গুয়াহাটিতে হয়েছিল। মোগলেরা ৩০, ০০০ সৈন্য, ১৫০০০ ধনুর্বিদ, ১৮, ০০০টি ঘোড়া, ১০০০ অধিক কামান ও বিশাল নৌকা নিয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়েছিল।আহোম সেনার তুলনায় মোগল সেনারা বেশী শক্তিশালী ছিল কিন্তু গেরিলা যুদ্ধ কৌশলের ফলে মোগলেরা এই যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল। মোগলের নৌ-সেনা দুর্বল থাকায় আহোমেরা ইহার যথেষ্টে সুবিধা পেয়েছিল। এই যুদ্ধের দ্বারা মোগলেরা অন্তিম বারের জন্য অসমে সাম্রাজ্য স্থাপনের চেষ্টা করেছিলেন।

শেখ আফজাল হোসেন

শেখ আফজাল হোসেন (জন্ম: অজানা) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করে।

সিরাজউদ্দীন আহমেদ

সিরাজউদ্দীন আহমেদ (জন্ম: অজানা - মৃত্যু: ১৯৭২) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে।

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.