কানাডা

কানাডা (ইংরেজি: Canada) উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত একটি দেশ। এটার দশটি প্রদেশ ও তিনটি অঞ্চল আটলান্টিক থেকে প্যাসিফিক এবং উত্তরে আর্কটিক সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত, যা এটিকে মোট আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তর দেশে পরিণত করেছে।

কানাডার অধিকৃত ভূমি প্রথম বসবাসের জন্য চেষ্টা চালায় আদিবাসী জনগোষ্টিসমূহ। ১৫তম শতকের শুরুতে ইংরেজ এবং ফরাসি অভিযাত্রীরা আটলান্টিক উপকূল আবিষ্কার করে এবং পরে বসতি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। ফ্রান্স দীর্ঘ সাত বছরের যুদ্ধে পরাজয়ের ফলস্বরূপ ১৭৬৩ সালে উত্তর আমেরিকায় তাদের সব উপনিবাস ইংরেজদের কাছে ছেড়ে দেয়। ১৮৬৭ সালে, মৈত্রিতার মধ্য দিয়ে চারটি স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ নিয়ে দেশ হিসেবে কানাডা গঠন করা হয়। এর ফলে আরো প্রদেশ এবং অঞ্চল সংযোজনের পথ সুগম, এবং ইংল্যান্ড থেকে স্বায়ত্তশাসন পাওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। ১৯৮২ সালে জারীকৃত কানাডা অ্যাক্ট অনুসারে, দশটি প্রদেশ এবং তিনটি অঞ্চল নিয়ে গঠিত কানাডা সংসদীয় গণতন্ত্র এবং আইনগত রাজ্যতন্ত্র উভয়ই মেনে চলে। রাষ্ট্রের প্রধান রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। কানাডা দ্বিভাষিক (ইংরেজিফরাসি ভাষা দুটোই সরকারি ভাষা) এবং বহুকৃষ্টির দেশ।

স্থানাঙ্ক: ৬০° উত্তর ৯৫° পশ্চিম / ৬০° উত্তর ৯৫° পশ্চিম

কানাডা
কানাডার জাতীয় পতাকা
পতাকা
নীতিবাক্যA Mari Usque Ad Mare  (লাতিন)
(বাংলা: "সমুদ্র থেকে সমুদ্র")
জাতীয় সঙ্গীত: "ও কানাডা"

রাজকীয় সঙ্গীত: "গড সেভ দ্য কুইন"[১]
রাজধানীঅটোয়া
বৃহত্তম শহর টরন্টো
সরকারি ভাষা
জাতিগোষ্ঠী(২০১৬)
ধর্ম
জাতীয়তাসূচক বিশেষণ কানাডিয়
সরকার ফেডারেল সংসদীয়
সাংবিধানিক রাজতন্ত্র[২]
 •  রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ
 •  গভর্নর জেনারেল জুলি পেয়েট
 •  প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো
আইন-সভা সংসদ
 •  উচ্চকক্ষ সিনেট
 •  নিম্নকক্ষ হাউস অফ কমন্স
 •  মোট আয়তন  কিমি (২য়)
 বর্গ মাইল
 •  জল/পানি (%) ৮.৯২
 •  মোট ভূপৃষ্টের আয়তন ৯০,৯৩,৫০৭ কিমি (৩৫,১১,০২৩ মা)
জনসংখ্যা
 •  ২০১৮ আনুমানিক ৩৭,০৬৭,০১১[৩] (৩৮তম)
 •  ২০১৬ আদমশুমারি ৩৫,১৫১,৭২৮[৪]
 •  ঘনত্ব ৩.৯২/কিমি (২২৮তম)
./বর্গ মাইল
মোট দেশজ উৎপাদন
(ক্রয়ক্ষমতা সমতা)
২০১৮ আনুমানিক
 •  মোট $১,৮৪,৭০০ কোটি[৫] (১৫তম)
 •  মাথা পিছু $৪৯,৭৭৫[৫] (২০তম)
মোট দেশজ উৎপাদন (নামমাত্র) ২০১৮ আনুমানিক
 •  মোট $১৭৯৮০০ কোটি[৫] (১০তম)
 •  মাথা পিছু $৪৮,৪৬৬[৫] (১৫তম)
জিনি সহগ (২০১২)৩১.৬[৬]
মাধ্যম · ২০তম[৭]
মানব উন্নয়ন সূচক (২০১৭)বৃদ্ধি ০.৯২৬[৮]
অতি উচ্চ · ১২তম
মুদ্রা কানাডিয়ান ডলার ($) (CAD)
তারিখ বিন্যাস বছর-মাস-দিন (খ্রিস্টাব্দ)[৯]
গাড়ী চালনার দিক ডান
কলিং কোড +১
ইন্টারনেট টিএলডি .ca

কানাডীয় শিল্ড অঞ্চল

উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্বাংশে যে প্রাচীন শিলা গঠিত ক্ষয়প্রাপ্ত মালভূমি অবস্থান করছে তাকে কানাডীয় শিল্ড অঞ্চল বলা হয়। বিরাট 'V' আকৃতির এই অঞ্চলটি কানাডার উত্তরাংশে হাডসন উপসাগরকে বেষ্টন করে রয়েছে। পৃথিবীর মোট ১১টি শিল্ড অঞ্চলের মধ্যে এটি বৃহত্তম। 'শিল্ড' কথার অর্থ বর্ম বা ঢাল, তবে এক্ষেত্রে এর অর্থ শক্ত পাথুরে তরঙ্গায়িত ভূমিরূপ। ওপর নাম - লরেন্সিয় মালভূমি।

ব্যুৎপত্তি

"কানাডা" নামটি সম্ভবত এসেছে সেন্ট লরেন্স ইরোকোয়াইয়ান (St. Lawrence Iroquoian) শব্দ "কানাটা" (kanata) থেকে, যার অর্থ "জেলেদের ক্ষুদ্র গ্রাম", "গ্রাম", অথবা "বসতি"। ১৫৩৫ সালের দিকে, বর্তমান ক্যুবেক শহরের বসবাসকারীরা অভিযাত্রী জ্যাক কার্তিয়ারকে (Jacques Cartier) স্টেইডাকোনা (Stadacona) গ্রামের দিকে পথনির্দশনের সুবিধার্থে শব্দটি ব্যবহার করেছিল । কার্তিয়ার 'কানাডা' শব্দটি ব্যবহার করেছিল শুধুমাত্র গ্রামটি চিহ্নিত করতেই নয়, বরং গ্রাম্য-প্রধান ডোন্নাকোনা (Donnacona) সম্পর্কিত সব কিছু নির্দেশ করতে। ১৫৪৫ সাল নাগাদ, ইউরোপের বই এবং মানচিত্রে এই অঞ্চলকে "কানাডা" হিসেবে নির্দেশিত করা শুরু হয়।

কানাডায় ফরাসি উপনিবেশকে "নব্য ফ্রান্স" (New France) বলা হত, যার বিস্তৃতি ছিল সেন্ট লরেন্স নদী থেকে গ্রেইট লেইকসের উত্তর উপকূল পর্যন্ত। পরবর্তীতে, ১৮৪১ সাল পর্যন্ত, এটি যথাক্রমে "উচ্চ কানাডা" এবং "নিম্ন কানাডা" নামক দুটি ইংরেজ উপনিবেশে বিভক্ত থাকে। কানাডা অ্যাক্ট ১৯৮২ অনুসারে, "কানাডা"ই একমাত্র আইনগত এবং দ্বিভাষিক নাম। ১৯৮২ সালে সরকারী ছুটি 'ডোমিনিয়ান ডে' কে পরিবর্তন করে 'কানাডা ডে' করা হয়।

রাজনীতি

কানাডা একটি ফেডারেশন যাতে সংসদীয় গণতন্ত্রভিত্তিক সরকারব্যবস্থা এবং একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রচলিত। কানাডার সরকার দুই ভাগে বিভক্ত। কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকার। প্রশাসনিক অঞ্চলগুলির তুলনায় প্রদেশগুলিতে স্বায়ত্তশাসনের পরিমাণ বেশি। কানাডার বর্তমান সংবিধান ১৯৮২ সালে রচিত হয়। এই সংবিধানে পূর্বের সাংবিধানিক আদেশগুলি একটিমাত্র কাঠামোয় একত্রিত করা হয় এবং এতে অধিকার ও স্বাধীনতার উপর একটি চার্টার যোগ করা হয়। এই সংবিধানেই প্রথম কানাডার নিজস্ব স্থানীয় সরকারকে তাঁর সংবিধানের উপর পূর্ণ ক্ষমতা প্রদান করা হয়। পূর্বে কানাডা ১৮৬৭ সালে প্রণীত ব্রিটিশ উত্তর আমেরিকা অধ্যাদেশবলে পরিচালিত হত[১০] এবং এতে ও এর পরে প্রণীত আইনসমূহে ব্রিটিশ সরকারকে কিছু সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছিল।

ভূগোল

আয়তনের বিচারে কানাডা বিশ্বের ২য় বৃহত্তম রাষ্ট্র। এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের প্রায় ৪১% নিয়ে গঠিত। কানাডা হচ্ছে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং শীতলতম দেশ। উত্তর আমেরিকার এই দেশটিতে ছয়টি সময় অঞ্চল বিদ্যমান।[১১][১২]

এই দেশের জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে হালকা ভ্যাপসা ঠান্ডা, ভিজা কুয়াশা (কিছুসময়ে গরম রৌদ্রসম্পন্ন), শীতকালে ভীষণ ঠান্ডা, বরফাচ্ছন্ন, শুষ্ক এবং তুষারপাত ইত্যাদি দ্বারা থাকে। এ দেশে প্রতিদিন আর্কটিক বরফাচ্ছন্নের দ্বারা শৈত্যপ্রবাহ সৃষ্টি হয়। এই জলবায়ুটি রাশিয়ার তুলনায় সমতুল্য। এই দেশে রাশিয়ার জলবায়ুর মত শৈত্যপূর্ণ এবং হিমশীতল। এই দেশে বছরে ৮ মাস বরফাচ্ছন্ন থাকে। বরং এদেশে থাকাটা কিছু অনুকূল আবার কিছু প্রতিকুল আছে এবং মানুষ ঠান্ডায় অভ্যস্ত।

অর্থনীতি

কানাডা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলির একটি। দেশটি অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) এবং জি৮ গ্রুপের সদস্য। অন্যান্য উন্নতদেশগুলির মত কানাডার অর্থনীতির সিংহভাগ সেবামূলক শিল্প নিয়ে গঠিত। প্রায় তিন চতুর্থাংশ কানাডাবাসী কোন না কোন সেবা শিল্পের সাথে যুক্ত আছেন। কাঠ ও খনিজ তেল আহরণ শিল্প কানাডার প্রধানতম দুইটি ভারী শিল্প। এছাড়া দক্ষিণ ওন্টারিও-কে কেন্দ্র করে একটি উৎপাদন শিল্পব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এগুলির মধ্যে মোটরযান উৎপাদন শিল্প প্রধানতম।

ভাষা

ইংরেজি ভাষাফরাসি ভাষা যৌথভাবে কানাডার সরকারি ভাষা। কানাডার কেবেক (Quebec) প্রদেশে ফরাসি ভাষা প্রাদেশিক সরকারি ভাষা। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সাধারণত ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও বহু ইউরোপীয় অভিবাসী ভাষার প্রচলন আছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য তিনটি জার্মান ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভাষা --- হাটারীয়, মেনোনীয়, এবং পেনসিলভেনীয়। কানাডার প্রায় দেড় লক্ষ আদিবাসী আমেরিকান ৭০টিরও বেশি ভাষাতে কথা বলে। এই স্থানীয় ভাষাগুলির মধ্যে ব্ল্যাকফুট, চিপেউইয়ান, ক্রে, ডাকোটা, এস্কিমো, ওজিবওয়া উল্লেখযোগ্য। এখানকার স্থানীয় প্রধান প্রধান ভাষাপরিবারের মধ্যে আছে আলগোংকিন, আথাবাস্কান, এস্কিমো-আলেউট, ইরোকোইয়ান, সিউয়ান এবং ওয়াকাশান ভাষাপরিবার। এছাড়াও অনেক বিচ্ছিন্ন ভাষাও রয়েছে।

সামরিক বাহিনী

বর্তমান কানাডীয় সামরিক বাহিনী ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিতে এখন প্রায় ৬২ হাজার সদস্য সক্রিয় আছেন। রিজার্ভে আছেন ২৫ হাজার সদস্য, যার মধ্যে ৪ হাজার কানাডীয় রেঞ্জার্সও আছেন।

তথ্যসূত্র

  1. D. Michael Jackson (২০১৩)। The Crown and Canadian Federalism। Dundurn। পৃষ্ঠা 199। আইএসবিএন 978-1-4597-0989-8। এপ্রিল ১২, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা
  2. Hail, M; Lange, S (ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১০)। "Federalism and Representation in the Theory of the Founding Fathers: A Comparative Study of US and Canadian Constitutional Thought"। Publius: The Journal of Federalism40 (3): 366–388। doi:10.1093/publius/pjq001জেস্টোর 40865314
  3. Statistics Canada (জুন ১৪, ২০১৮)। "Population estimates quarterly"। সংগ্রহের তারিখ জুন ১৪, ২০১৮
  4. Statistics Canada (ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৭)। "Population size and growth in Canada: Key results from the 2016 Census"। ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৭
  5. "World Economic Outlook Database, October 2017, Canada"International Monetary Fund। এপ্রিল ২০১৮। মার্চ ২০, ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৯, ২০১৮
  6. "Gini coefficients before and after taxes and transfers: In the late 2000s"। OECD। আগস্ট ১২, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মে ২১, ২০১৭
  7. "OECD Economic Surveys"। OECD। আগস্ট ১২, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মে ২১, ২০১৭
  8. "2017 Human Development Report"। United Nations Development Programme। ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮
  9. ISO 8601 is the official date format of the Government of Canada: Translation Bureau, Public Works and Government Services Canada (১৯৯৭)। "5.14: Dates"The Canadian style: A guide to writing and editing (Rev. সংস্করণ)। Toronto: Dundurn Press। পৃষ্ঠা 97। আইএসবিএন 978-1-55002-276-6। The dd/mm/yy and mm/dd/yy formats also remain in common use; see Date and time notation in Canada.
  10. THE Constitution Act, 1867, s. 6.
  11. Standard Time Zones (মানচিত্র) (6923 সংস্করণ)। 1:20000000। Atlas of Canada, 6th Edition। Natural Resources Canada। ২০০৭।
  12. "Canada's Time Zones"www.timeanddate.com
অধ্যক্ষ (অ্যাকাডেমিক)

অধ্যক্ষ বা প্রিন্সিপাল হচ্ছেন যে-কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা মহাবিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী ব্যক্তিত্ব। এটি এক পদবী বিশেষ। বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক হিসেবে তিনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অধিকারী। অধ্যক্ষ নামের সমার্থক হিসেবে অনেক দেশে বিশেষতঃ কমনওয়েলথভূক্ত দেশে উপাচার্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আচার্য বা চ্যান্সেলর এবং ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টের সমগোত্রীয় পর্যায়ের।

ইংরেজি ভাষা

ইংরেজি বা ইংরাজি (English) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাপরিবারের জার্মানীয় শাখার পশ্চিম দলের একটি ভাষা। উৎসবিচারে ইংরেজি ভাষাটির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ভাষাটি হল ফ্রিজীয় ভাষা। এছাড়া এটির সাথে ওলন্দাজ ভাষা, ফ্লেমিশ ভাষা (বেলজিয়ামে প্রচলিত ওলন্দাজ ভাষার উপভাষা) ও নিম্ন জার্মান উপভাষাগুলির সম্পর্ক আছে। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপের দক্ষিণাংশে অবস্থিত ইংল্যান্ড নামক দেশটিতে খ্রিস্টীয় আনুমানিক ৬ষ্ঠ শতকে ইংরেজি ভাষার জন্ম হয়। বর্তমানে এটি যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ক্যারিবীয় সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে ছড়িয়ে থাকা অনেক দ্বীপরাষ্ট্রের প্রধান ভাষা। ইংরেজি প্রায় ৩৮ কোটি মানুষের মুখের মাতৃভাষা। মাতৃভাষাভাষীর সংখ্যার বিচারে এর অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়।

ইংরেজি ভাষার শব্দভাণ্ডারের ৭০ শতাংশ বিদেশি উৎসজাত। বাকি ৩০ শতাংশ ইংরেজি শব্দ প্রাচীন ইংরেজি, অ্যাংলো-স্যাক্সোন ও জার্মানীয় উৎসজাত। অ্যাংলো-সাক্সোন ও জার্মানীয় উৎসজাত শব্দগুলো খাঁটি ইংরেজি শব্দরূপে গণ্য হয়ে থাকে। ৮ম থেকে ১১শ শতাব্দীর কোন সময়ে রচিত বেওউল্‌ফ ইংরেজি ভাষার আদি নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়। উইলিয়াম শেকসপিয়র ইংরেজি ভাষার শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক।

১৮শ শতক থেকে ২০শ শতক পর্যন্ত বিশ্বের নানা প্রান্তে ইংরেজরা উপনিবেশ গড়ে তুললে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরাশক্তি হয়ে উঠলে, ইংরেজি বিশ্বের লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কায় পরিণত হয় ২০শ শতকের মধ্যভাগে এসে। বর্তমানে ইংরেজি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অধীত দ্বিতীয় ভাষা। দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুরের মতো প্রাক্তন বহুভাষী ইংরেজ উপনিবেশগুলো স্বাধীনতা পরবর্তীকালে ইংরেজিকে লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা তথা সহ-সরকারি ভাষা হিসেবে গ্রহণ করে। সব মিলিয়ে মাতৃভাষাভাষী নন এরকম ৭৫ কোটি মানুষ বিদেশী ভাষা হিসেবে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন। আধুনিক ইলেকট্রনিক, টেলিযোগাযোগ ও কম্পিউটার প্রযুক্তি, বিশ্ববাণিজ্য ও কূটনীতির প্রধান ভাষা হিসেবে ইংরেজি গোটা বিশ্বের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে আছে।

উত্তর আমেরিকা

উত্তর আমেরিকা পৃথিবীর উত্তর ও পশ্চিম গোলার্ধে অবস্থিত একটি মহাদেশ। একে কখনো কখনো আমেরিকার উত্তর উপমহাদেশও ধরা হয়। মহাদেশটি উত্তরে উত্তর মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণে ও পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর, এবং দক্ষিণ-পূর্বে দক্ষিণ আমেরিকা এবং ক্যারিবীয়ান সাগর পরিবেষ্টিত।

উত্তর আমেরিকার আয়তন ২৪,৭০৯,০০০ বর্গ কি.মি. (৯,৫৪০,০০০ বর্গ মাইল), যা পৃথিবীপৃষ্ঠের প্রায় ৪.৮% এবং ভূ-পৃষ্ঠের ১৬.৫%। ২০০৭ সালে এই মহাদেশে প্রাক্কলিত জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৫২ কোটি। আয়তনের দিক থেকে উত্তর আমেরিকা এশিয়া ও আফ্রিকার পরে ৩য় বৃহত্তম এবং জনসংখ্যার বিচারে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের পরে ৪র্থ বৃহত্তম মহাদেশ।২০১৩ সালের আদমশুমারি অনুসারে, নিকটবর্তী ক্যারিবীয় দ্বীপাঞ্চলসহ উত্তর আমেরিকার জনসংখ্যা ছিল ৫৬৫ মিলিয়ন। অন্যভাবে বলা যায় পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার শতকরা ৭.৫ ভাগ।

সর্বশেষ বরফ যুগের সময় বেরিং ভূসেতু অতিক্রম করে উত্তর আমেরিকাতে প্রথম মানব বসতি শুরু হয়। তথা-কথিত প্রত্ন-ভারতীয় যুগের সমাপ্তি হয়, প্রায় ১০,০০০ বছর পূর্বে মধ্য-ভারতীয় যুগের শুরুতে। ধ্রুপদী যুগ ৬ষ্ঠ শতাব্দী থেকে ১৩তম শতাব্দী পর্যন্ত স্হায়ী হয়েছিল। প্রাক-কলাম্বীয় যুগের সমাপ্তি ঘটে ইউরোপীয়দের আগমনের সাথে সাথে, আবিষ্কার যুগ এবং আধুনিক যুগের শুরুতে। বর্তমান যুগের সাস্কৃতিক ও জাতিগত বিন্যাসে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক, আদিবাসী আমেরিকান, আফ্রিকান দাস এবং তাদের বংশধরদের প্রভাব বিদ্যমান। তন্মধ্যে মহাদেশটির উত্তরাংশে ইউরোপীয় প্রভাব এবং দক্ষিণাংশে আদিবাসী আমেরিকান ও আফ্রিকান প্রভাব সুস্পষ্ট। ঔপনিবেশিক শাসনের প্রভাবে অধিকাংশ উত্তর আমেরিকানরা মূলত ইংরেজি, স্পেনীয় এবং ফরাসি ভাষায় কথা বলে। তাছাড়া সেখানকার সমাজ এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থাগুলো সাধারণত পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে প্রতিফলিত করে।

উর্দু ভাষা

উর্দু ভাষা (اردو) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের ইন্দো-আর্য শাখার ভাষা। পাকিস্তানে প্রায় ১ কোটি লোক এবং ভারতে প্রায় ৫ কোটি লোকের মাতৃভাষা উর্দু। এছাড়াও এটি আফগানিস্তানের শহরগুলিতে ও পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলির শহর এলাকায় প্রচলিত। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, নরওয়ে ও অস্ট্রেলিয়ার পাকিস্তানি অভিবাসী সম্প্রদায় উর্দুতে কথা বলেন। সারা বিশ্বে উর্দু মাতৃভাষীর সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি।

হিন্দি নামটি ফার্সি থেকে এসেছে। পারস্যের অধিবাসীরা ভারতীয় লোক ও তাদের ভাষাকে হিন্দি নামে ডাকত। ইতিহাসবিদেরা মনে করেন। ৮ম-১০ম শতকের দিকে ভারতে মুসলিম আক্রমণের সময় উত্তর ভারতের খারি বোলি কথ্য ভাষা থেকে হিন্দির উৎপত্তি ঘটে। খাড়ি বোলি ছিল দিল্লি এলাকার ভাষা, এবং বহিরাগত মুসলিম শাসকেরা সাধারণ জনগণের সাথে যোগাযোগের জন্য এই ভাষাই ব্যবহার করতেন। এই খাড়ি বোলি ভাষার একটি রূপ ধীরে ধীরে ফার্সি ও আরবি ভাষা থেকে প্রচুর শব্দ ধার করলে উর্দু নামের এক সাহিত্যিক ভাষার উদ্ভব ঘটে। উর্দু শব্দটি তুর্কি "ওর্দু" শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ "শিবির" বা "ক্যাম্প"। অন্যদিকে সাধারণ জনগণের মুখের ভাষায় আরবি-ফার্সির তেমন প্রভাব পড়েনি, বরং তারা সংস্কৃত ভাষা থেকে শব্দ ও সাহিত্যিক রীতি ধার করতে শুরু করে এবং এভাবে হিন্দি ভাষার জন্ম হয়।

এই দ্বিবিধ প্রভাবের কারণে হিন্দি ভাষা দেবনাগরী লিপিতে লেখা হয় এবং এর শব্দভাণ্ডারের বেশির ভাগই সংস্কৃত থেকে এসেছে। অন্যদিকে উর্দু ভাষা ফার্সি লিপিতে লেখা এবং এর শব্দভাণ্ডার ফার্সি ও আরবি থেকে বহু ঋণ নিয়েছে। এছাড়া ভাষা দুইটির ধ্বনি ব্যবস্থা ও ব্যাকরণেও সামান্য পার্থক্য আছে। ১২শ শতক থেকে উর্দু ও হিন্দি উভয় ভাষাই সাহিত্যের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ১৮শ শতকে ইংরেজির প্রভাবে উর্দু ও হিন্দি সাহিত্যের বিকাশ ঘটে।

হিন্দি ও উর্দুর একটি সাধারণ কথ্য রূপ আছে, যার নাম হিন্দুস্তানি ভাষা। কিন্তু হিন্দুস্তানি ভাষা সাহিত্যিক ভাষার মর্যাদা পায়নি, যদিও মহাত্মা গান্ধী ইংরেজবিরোধী আন্দোলনে একতা প্রদর্শনের জন্য হিন্দুস্তানি ভাষায় কথা বলতেন।

উর্দু ইংরেজির সাথে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। যেসব পাকিস্তানির মাতৃভাষা উর্দু নয়, তাদের জন্য এটি ২য় বা ৩য় ভাষা। পাকিস্তানের সমস্ত সরকারী, ব্যবসায়িক, গণমাধ্যমমূলক ও শিক্ষায়তনিক কাজ উর্দুতে সম্পন্ন হয়।

উর্দু ভারতেরও একটি সরকারী ভাষা এবং অন্ধ্র প্রদেশ, দিল্লী, জম্মু ও কাশ্মীর, এবং উত্তর প্রদেশে এটির সরকারি মর্যাদা আছে। এই রাজ্যগুলিতে উর্দু সরকারী প্রশাসন ও প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ভারতের সর্বত্রই মুসলিমেরা উর্দু ভাষা ব্যবহার করেন, আর হিন্দুরা ব্যবহার করেন হিন্দি ভাষা। ভারতে হাজার খানেক উর্দু সংবাদপত্র ছাপা হয়। নিজস্ব পাঠ্যপরিকল্পনাবিশিষ্ট উর্দু স্কুলও রয়েছে ভারতে।

কানাডা জাতীয় ক্রিকেট দল

কানাডা ক্রিকেট দল (ইংরেজি: Canada cricket team) পুরুষদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় কানাডার প্রতিনিধিত্বমূলক জাতীয় ক্রিকেট দল। এটির সঞ্চালন করে থাকে ক্রিকেট কানাডা।

জন জর্জ ডিফেনবাকার

জন জর্জ ডিফেনবাকার (সেপ্টেম্বর ১৮, ১৮৯৫ – অগাস্ট ১৬, ১৯৭৯) ২১ শে জুন, ১৯৫৭ থেকে ২২ এপ্রিল, ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত কানাডা এর ১৩ ম প্রধানমন্ত্রী কানাডার প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা। তিনি একমাত্র প্রগতিশীল কংগ্রেস পার্টি কানাডা প্রগতিশীল রক্ষণশীল পিসি বা ১৯৩২ সালের আগে এবং ১৯৭৯ সালের আগে পার্টি নেতা নির্বাচনে জয়লাভ করার জন্য তিন বার করে বিজয়ী হয়েছিলেন, যদিও হাউস অব কমন্স অফ কানাডা এর সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনগুলির মধ্যে মাত্র একবার।ডাইফেনবকার ১৮৯৫ সালে ছোট্ট শহর নিউস্ট্যাড, অ্যান্টরিয়ায় দক্ষিণপশ্চিমে ন্ডিওরিয়ায় সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯০৩ সালে, তার পরিবার উত্তরপশ্চিম অঞ্চল উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলসমূহ এর অংশে পশ্চিমে চলে যান। শীঘ্রই সাসকাচোয়ান প্রদেশ প্রদেশে পরিণত হন। তিনি প্রদেশে বড় হয়েছিলেন এবং অল্প বয়স থেকেই রাজনীতিতে আগ্রহী ছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংক্ষিপ্ত পরিসেবার পরে, ডিফেনবার্কার একটি সুপরিচিত অপরাধমূলক প্রতিরক্ষা আইনজীবী হয়ে ওঠে। তিনি ১৯২০ ও ১৯৩০ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সামান্য সাফল্যের সাথে নির্বাচনে অংশ নেননি শেষ পর্যন্ত ১৯৪০।

জো ক্লার্ক

চার্লস জোসেফ "জো" ক্লার্ক (বরং জুন ৫, ১৯৩৯) একজন কানাডিয়ান উইকিত: বড় রাজনীতিকঃ বয়স্ক রাষ্ট্রপতি, ব্যবসায়ী, লেখক, এবং (রাজনীতিবিদ) যিনি ১৬ তম প্রধানমন্ত্রী কানাডা হিসাবে কাজ করেছেন, ৪ জুন, ১৯৭৯ থেকে মার্চ ৩, ১৯৮০।তার আপেক্ষিক অভিজ্ঞতাবিহীন সত্ত্বেও, ফেডারেল রাজনীতিতে দ্রুত ক্লার্ক বেড়েছে, সালের ১৯৭২ সালের নির্বাচন এবং ১৯৭৬ সালের প্রগ্রেসিভ কনজার্ভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব ১৯৭৬ সালে তিনি ১৯৭৯ সালের নির্বাচন, পিয়ের ট্রুডো এর লিবারেল সরকারকে পরাজিত করেন এবং ১৬ বছরের অবিরাম লিবারেল শাসনের অবসান ঘটে। তার ৪০ তম জন্মদিনের আগের দিন অফিস গ্রহণ, ক্লার্ক সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়। তার মেয়াদ সংক্ষিপ্ত ছিল কারণ তিনি শুধুমাত্র একটি সংখ্যালঘু সরকার জিতেছিলেন এবং এটি একটি অহংকারের গতিতে পরাজিত হয়েছিল। ক্লার্কের প্রগ্রেসিভ কনজারভ পার্টি পার্টি কানাডীয় ফেডারেল ফেডেরাল নির্বাচন, ১৯৮০ ১৯৮০ (নির্বাচনে হারান) এবং ক্লার্ক ১৯৮৩ সালের প্রগতিশীল রক্ষণশীল নেতৃত্বের নির্বাচন, পার্টি নেতৃত্বের নেতৃত্ব ১৯৮৩ সালে হারিয়ে যায়।১৯৮৪ সালে হাউস অব কমন্সের পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ব্রায়ান মূলরোনি মন্ত্রিসভা থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি রাজনীতিতে অবসর নেননি। তিনি ১৯৯৮ সালে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন করেন। কানাডা প্রগ্রেসিভ কনজার্ভেটিভ পার্টির শেষ বিপ্লবের আগে তাদের শেষ স্ট্যান্ডে, ২০০০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত সংসদে তার চূড়ান্ত মেয়াদ পূর্ণ করে। ক্লার্ক আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে এবং নিজের পরামর্শদাতা সংস্থাটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নাগরিকত্ব

নাগরিকত্ব হল কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্র বা জাতির একজন আইনস্বীকৃত সদস্য হিসেবে পাওয়া কোনো ব্যক্তির পদমর্যাদা। একজন ব্যক্তির একাধিক নাগরিকত্ব থাকতে পারে। যদি কোনো ব্যক্তির কোনো দেশেরই নাগরিকত্ব না থাকে তবে তাকে রাষ্ট্রহীন বলা যায়। যখন কেউ রাষ্টের সীমানায় অবস্থান করে এবং তার নাগরিকত্ব সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না তখন তাকে বলা হয় বর্ডার-ল্যান্ডার। ইংরেজিতে জাতীয়তাকে প্রায়শই নাগরিকত্বের সমার্থক হিসেবে ধরা হয়, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক আইনে। যদিও কখনো কখনো এই শব্দটি দ্বারা কোনো একটি জাতির সদস্য হিসেবেও বোঝানো হয়ে থাকে। কিছু কিছু দেশ, যেমন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যে নাগরিকত্ব এবং জাতীয়তা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।

পিয়ের ট্রুডো

জোসেফ ফিলিপ পিয়ের ইয়েভস এলিয়ট ট্রুডো (অক্টোবর ১৮, ১৯১৯ – সেপ্টেম্বর ২৮, ২০০০) অফটন রেফারব্রেড তো বি টি ইনিটিয়ালস পেট একজন কানাডীয় রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি কানাডার ১৫ তম প্রধানমন্ত্রী (১৯৬৮-১৯৭৯ এবং ১৯৮০-১৯৮৪)। তিনি কানাডার ইতিহাসে কানাডার প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা কানাডিয়ান ইতিহাসে তৃতীয়বারের বেশি প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম লিওন ম্যাককেঞ্জি কিং এবং জন এ। ম্যাকডোনাল্ড এর পেছনে সেবা করেছেন ১৫ বছর ধরে, ১৬৪ দিনক্যুবেক আইনজীবী, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সক্রিয় কর্মী হিসেবে ট্রুডো প্রধান হয়ে উঠেছেন। ১৯৬০-এর দশকে তিনি লিবারেল পার্টি অব কানাডা যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে ফেডারেল রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি লেস্টার করুন বি। পিয়ারসন সংসদীয় সচিব এবং পরে তার বিচারপতি (কানাডা) বিচারপতি মন্ত্রী হন। ট্রুডো একটি বিতর্কিত প্রতীক "ট্রুডুউমনিয়া" এবং ১৯৬৮ সালে লিবারেলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত, তার ব্যক্তিত্ব রাজনৈতিক দৃশ্যপটে আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন যা আগে কখনোই কানাডিয়ান রাজনৈতিক জীবনে দেখা যায়নি । তার ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য সত্ত্বেও, "আবেগ আগে কারণ" তার ব্যক্তিত্ব এবং রাজনৈতিক কর্মজীবন সমগ্র কানাডায় পোলারাইজিং প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

ফেব্রুয়ারি

ফেব্রুয়ারি (শুনুন)) হচ্ছে গ্রেগরীয় ও জুলিয়ান বর্ষপঞ্জি অনুসারে বছরের দ্বিতীয় মাস। এটাই ইংরেজি বছরের সবচেয়ে ছোট মাস এবং একমাত্র মাস যার দিনসংখ্যা ত্রিশের কম। অধিবর্ষে এমাসে মোট ২৯ দিন আর অন্যান্য সময়ে ২৮ দিন।

উত্তর গোলার্ধে ফেব্রুয়ারি হচ্ছে শীতের তৃতীয় মাস আর দক্ষিণ গোলার্ধে এটি অনেকটা উত্তর গোলার্ধে আগস্ট মাসের সমতুল্য (অর্থাৎ গ্রীষ্মের তৃতীয় মাস)

সাধারণ বছরে ফেব্রুয়ারি, মার্চ আর নভেম্বর মাসের প্রথম তারিখ একই বার থাকে। সেসময় এই মাস আর জানুয়ারির শেষ দিন এক বার পড়ে। অধিবর্ষের সময় ফেব্রুয়ারি আর আগস্ট মাস একই বার দিয়ে শুরু হয়। এই মাসের একটি মজার দিক হচ্ছে অধিবর্ষ হোক আর নাই হোক, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিন যে বার থাকে, অক্টোবর মাসের শেষ দিন সেই একই বার থাকে।

ব্রায়ান মূলরোনি

মার্টিন ব্রায়ান মূলরোনি (জন্ম মার্চ ২০, ১৯৩৯) একজন কানাডীয় রাজনীতিবিদ; যিনি ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৮৪ থেকে ২৫ শে জুন, ২০০৩ পর্যন্ত কানাডার প্রধানমন্ত্রী (১৮ তম প্রধানমন্ত্রী) ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর শাসনামলে তিনি বেশ কিছু সংস্কার করেছিলেন। যেমন কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং দ্রব্য ও সেবার উপর কর আরোপ এবং ম্যাকা লেক অ্যাকর্ড এবং শার্লটেটন অ্যাকর্ড এর মত সাংবিধানিক সংস্কার করেন। তার রাজনৈতিক কর্মজীবনের পূর্বে তিনি মন্ট্রিলের একজন বিশিষ্ট আইনজীবী ও ব্যবসায়ী ছিলেন।

ভার্চুয়াল ইন্টারন্যাশনাল অথরিটি ফাইল

উইকিপিডিয়ায় ভিআইএএফ ব্যবহারের জন্য, দেখুন উইকিপিডিয়া:কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ।ভার্চুয়াল ইন্টারন্যাশনাল অথরিটি ফাইল (ভিআইএএফ) (ইংরেজি: Virtual International Authority File) একটি আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ নথি। এটি বিভিন্ন জাতীয় গ্রন্থাগারের একটি যৌথ প্রকল্প এবং অনলাইন কম্পিউটার লাইব্রেরি সেন্টার (ওসিএলসি) কর্তৃক পরিচালিত।প্রকল্পটি যুক্তরাজ্যের লাইব্রেরি অব কংগ্রেস (এলসি), জার্মান জাতীয় গ্রন্থাগার (ডিএনবি), এবং ওসিএলসি কর্তৃক শুরু হয়েছিল আগস্ট ৬, ২০০৩ সালে। পরবর্তীতে ফ্রান্সের জাতীয় গ্রন্থাগার (বিএনএফ) প্রকল্পে যোগদান করে অক্টোবর ৫, ২০০৭ সালে। এপ্রিল ৪, ২০১২ সালে প্রকল্পটি এ সিএলসি-এর একটি পরিষেবা হিসেবে রূপান্তর করা হয়।প্রকল্পটির লক্ষ্যমাত্রা একক ভার্চুয়াল কর্তৃপক্ষ ফাইলের সঙ্গে জাতীয় কর্তৃপক্ষ ফাইলসমূহ (যেমন জার্মান নাম কর্তৃপক্ষ নথি) সংযুক্ত করা। এই ফাইলের মধ্যে, বিভিন্ন তথ্য সেট থেকে অভিন্ন রেকর্ড একসঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। একটি ভিআইএএফ রেকর্ড একটি মান তথ্য সংখ্যা গ্রহণ করে, মূল রেকর্ডসমূহ থেকে প্রাথমিকভাবে "দেখুন" এবং "আরো দেখুন" রেকর্ড অর্ন্তভূক্ত থাকে, এবং যার মাধ্যমে মূল কর্তৃপক্ষ রেকর্ড নির্দেশ করে থাকে। এই তথ্য অনলাইনে উপলব্ধ করা হয়, পাশাপাশি গবেষণা, তথ্য বিনিময় এবং বন্টনের জন্য উপলব্ধ হয়ে থাকে। পারস্পরিক হালনাগাদের জন্য ওপেন আর্কাইভস ইনিশিয়েটিভ প্রোটোকল ফর মেটাডেটা হার্ভেস্টিং (ওএআই-পিএমএইচ) প্রোটোকল ব্যবহার করে থাকে।

এই নথি নম্বর উইকিপিডিয়ার জীবনী নিবন্ধে যোগ করা হয় এবং উইকিউপাত্তে সনাক্তকারী হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ইংরেজি: United States of America ইউনাইটেড্ স্টেইট্‌স্ অফ্ আমেরিকা; সংক্ষেপে ইউনাইটেড স্টেটস বা ইউ. এস.) উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত একান্ন রাজ্য ও একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় জেলা নিয়ে গঠিত এক যুক্তরাষ্ট্রীয় সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র। এই দেশটি যুক্তরাষ্ট্র নামেও পরিচিত। উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগে অবস্থিত আটচল্লিশটি রাজ্য ও রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি অঞ্চলসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডটি পশ্চিমে প্রশান্ত ও পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরদ্বয়ের মধ্যস্থলে অবস্থিত; এই অঞ্চলের উত্তর ও দক্ষিণ সীমান্তে অবস্থিত যথাক্রমে কানাডা ও মেক্সিকো রাষ্ট্রদ্বয়। আলাস্কা রাজ্যটি অবস্থিত মহাদেশের উত্তর-পশ্চিমে; এই রাজ্যের পূর্ব সীমান্তে রয়েছে কানাডা ও পশ্চিমে বেরিং প্রণালী পেরিয়ে রয়েছে রাশিয়া। হাওয়াই রাজ্যটি মধ্য-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ। এছাড়াও ক্যারিবীয় সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের অনেক অঞ্চল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিকারভুক্ত।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আয়তন প্রায় ৯৮.৩ লক্ষ বর্গকিলোমিটার (৩৭.৯ লক্ষ বর্গমাইল)। দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৩০ কোটি ৯০ লক্ষ। সামগ্রিক আয়তনের হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের তৃতীয় অথবা চতুর্থ বৃহত্তম রাষ্ট্র। আবার স্থলভূমির আয়তন ও জনসংখ্যার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজ বিশ্বের সর্বাপেক্ষা বৈচিত্র্যমণ্ডিত বহুজাতিক সমাজব্যবস্থা। বহু দেশ থেকে বিভিন্ন জাতির মানুষের অভিবাসনের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আজ একটি বহুসংস্কৃতিবাদী দেশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি বিশ্বের বৃহত্তম জাতীয় অর্থনীতি। ২০০৮ সালে দেশের আনুমানিক জিডিপি হার ছিল ১৪.৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার (নামমাত্র বিশ্ব জিডিপির এক চতুর্থাংশ এবং ক্রয় ক্ষমতা সমতায় বিশ্ব জিডিপির এক পঞ্চমাংশ)।আমেরিকার আদিম অধিবাসীরা সম্ভবত এশীয় বংশোদ্ভুত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে এরা কয়েক হাজার বছর ধরে বসবাস করছে। তবে নেটিভ আমেরিকানদের জনসংখ্যা ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপনের পর থেকে মহামারী ও যুদ্ধবিগ্রহের প্রকোপে ব্যাপক হ্রাস পায়। প্রাথমিক পর্যায়ে আটলান্টিক মহাসাগর তীরস্থ উত্তর আমেরিকার তেরোটি ব্রিটিশ উপনিবেশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই এই উপনিবেশগুলি একটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে। এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে উপনিবেশগুলি তাঁদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ঘোষণা করে এবং একটি সমবায় সংঘের প্রতিষ্ঠা করে। আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে এই বিদ্রোহী রাজ্যগুলি গ্রেট ব্রিটেনকে পরাস্ত করে। এই যুদ্ধ ছিল ঔপনিবেশিকতার ইতিহাসে প্রথম সফল ঔপনিবেশিক স্বাধীনতা যুদ্ধ। ১৭৮৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ক্যালিফোর্নিয়া কনভেনশন বর্তমান মার্কিন সংবিধানটি গ্রহণ করে। পরের বছর এই সংবিধান সাক্ষরিত হলে যুক্তরাষ্ট্র একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার সহ একক প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। ১৭৯১ সালে সাক্ষরিত এবং দশটি সংবিধান সংশোধনী সম্বলিত বিল অফ রাইটস একাধিক মৌলিক নাগরিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে।

ঊনবিংশ শতাব্দীতে যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্স, স্পেন, যুক্তরাজ্য, মেক্সিকো ও রাশিয়ার থেকে জমি অধিগ্রহণ করে এবং টেক্সাস প্রজাতন্ত্র ও হাওয়াই প্রজাতন্ত্র অধিকার করে নেয়। ১৮৬০-এর দশকে রাজ্যসমূহের অধিকার ও দাসপ্রথার বিস্তারকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ দক্ষিণাঞ্চল ও শিল্পোন্নত উত্তরাঞ্চলের বিবাদ এক গৃহযুদ্ধের জন্ম দেয়। উত্তরাঞ্চলের বিজয়ের ফলে দেশের চিরস্থায়ী বিভাজন রোধ করা সম্ভব হয়। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা আইনত রদ করা হয়। ১৮৭০-এর দশকেই মার্কিন অর্থনীতি বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির শিরোপা পায়। স্পেন-মার্কিন যুদ্ধ ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সামরিক শক্তি হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিষ্ঠা দান করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই দেশ প্রথম পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করে। ঠান্ডা যুদ্ধের শেষভাগে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের একমাত্র মহাশক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হয়। বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের দুই-পঞ্চমাংশ খরচ করে এই দেশ। বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শক্তিধর রাষ্ট্র। ১৯৩০ এর দশকে ও একবিংশ শতকের প্রথম দশকের শেষে আমেরিকার অর্থনীতি 'অর্থনেতিক মহামন্দা' বা 'গ্রেট ডিপ্রেশন'র স্বীকার হয়।

লেস্টার বি পিয়ারসন

লেস্টার বোলস "মাইক" পিয়ারসন (২৩ এপ্রিল ১৮৯৭ – ২৭ ডিসেম্বর ১৯৭২) কানাডিয়ান কানাডিয়ান পণ্ডিত, রাষ্ট্রনায়ক, সৈনিক, প্রধানমন্ত্রীর এবং কূটনীতিক ছিলেন যিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছিলেন জাতিসংঘের জরুরি অবস্থা সংগঠিত করার জন্য সুয়েজ ক্যানাল ক্রাইসিস। ২২ এপ্রিল ১৯৬৩ থেকে ২০ এপ্রিল ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত তিনি কানাডার ১৪ ম প্রধানমন্ত্রী কানাডায় প্রধানমন্ত্রীর তালিকা লিবারেল পার্টি অব কানাডা লিবারেল ১৯৬৩ এবং ১৯৬৫ নির্বাচনের পর কানাডায় সংখ্যালঘু সরকার সংখ্যালঘু সরকারগুলি।প্রধানমন্ত্রী হিসাবে পিয়ারসনের সময়ে, তার লিবারেল সংখ্যালঘু সরকারগুলি সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, কানাডায় ছাত্র ঋণ ছাত্র ঋণ, কানাডা পেনশন পরিকল্পনা, কানাডা অফ অর্ডার এবং ম্যাপেল লিফ ফ্ল্যাগ। তার লিবারেল সরকার কানাডার সশস্ত্র বাহিনীকেও একীভূত করেছে। পিয়ারসন দ্বিভাষিকভিত্তিক এবং বিচিত্র সংস্কৃতির উপর রয়েল কমিশন আহ্বান করেন, এবং তিনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের বাইরে কানাডা রাখেন। ১৯৬৭ সালে, তার সরকার বিল সি -১৬৮ পাস করে, যা বাস্তবতায় (কানাডায় মৃত্যুদণ্ড) বিলুপ্ত করে কয়েকটি পুঁজিগত অপরাধের জন্য এটি সীমাবদ্ধ করে যার জন্য এটি কখনো ব্যবহার করা হয়নি এবং যা নিজেদের ১৯৭৬ সালে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই সাফল্যের সাথে, ইউনাইটেড নেশনস এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তার ভূমিকম্পের সাথে সাথে পিয়ারসনকে সাধারণত ২০ শতকের সবচেয়ে প্রভাবশালী কানাডিয়ানদের মধ্যে বিবেচনা করা হয় এন্ড ২ রাঙ্কেড এমং টি গ্রেটেস্ট কানাডিয়ান প্রাইম মিনিস্টার.

সংসদ সদস্য

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজী প্রতিরূপ হচ্ছে 'মেম্বার অব পার্লামেন্ট' বা 'এমপি' এবং বাংলায় 'সংসদ সদস্য' কিংবা 'সাংসদ'। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে 'ডেপুটি' নামে অভিহিত করা হয়।

সেপ্টেম্বর

সেপ্টেম্বর গ্রেগরীয় ক্যালেন্ডার বা খ্রিস্টীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের নবম মাস। এ মাসে মোট ৩০ দিন। এটি ৩০ দিনে মাস হওয়া চারটি মাসের মধ্যে তৃতীয় মাস এবং ৩১ দিনের কমে মাস হওয়া পাঁচটি মাসের মধ্যে চতুর্থ মাস। উত্তর গোলার্ধে সেপ্টেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে মার্চ মাসের সমকক্ষ।

হিন্দু

হিন্দু (pronunciation ) দিয়ে একটি ধর্মীয় অথবা একটি সংস্কৃতির পরিচয় বোঝানো হয় যা ভারতীয় উপমহাদেশের নিজস্ব দর্শনগত, ধর্মীয় এবং সংস্কৃতির সাথে জড়িত। বর্তমানে সাধারণভাবে হিন্দু দিয়ে হিন্দুধর্মকে বোঝানো হয়। যদিও ভারতের সংবিধানে "হিন্দু" শব্দটি ব্যবহার করে যে কোন ভারতীয় ধর্ম বিশ্বাসীকে (হিন্দুধর্ম, জৈনধর্ম, বৌদ্ধধর্ম বা শিখধর্ম) নির্দেশ করা হয়েছে। হিন্দু এবং হিন্দি শব্দ দুটিকে সংস্কৃতির পরিচায়ক হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে সেই সকল লোকের জন্য যারা সিন্ধু নদের পাশে বসবাস করছেন। এইভাবে কবি যেমন ইকবাল, মন্ত্রী যেমন এম.সি.চাগলা এবং আরএসএসের মত প্রতিষ্ঠান হিন্দু এবং হিন্দি শব্দ দুটিকে ব্যবহার করেছেন সিন্ধু নদের পাড়ে বসবাসরত মানুষদেরকে বোঝাতে তা সেই যে কোন ধর্মের হোক না কেন।হিন্দু শব্দটি এসেছে (পার্সিয়ান হয়ে) সংস্কৃত শব্দ সিন্ধু (ঐতিহাসিক স্থানীয় সিন্ধু নদী বা ইন্ডাস্ রিভার) থেকে। এর অবস্থান ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তরপশ্চিম অংশে (বর্তমানে পাকিস্তান এবং উত্তর ভারতের অংশে)। গেবিন ফ্লাডের মতে, "আসল পরিভাষা হিন্দু প্রথম দেওয়া হয় পার্সিয়ান ভৌগোলিক পরিভাষা থেকে যা দ্বারা সিন্ধু নদীর পাশে বসবাসকারী লোকেদের বোঝানো হত। শব্দটি দিয়ে তখন ভৌগোলিক অবস্থান বোঝানো হত এবং এর দ্বারা কোন ধর্মকে বোঝানো হত না।হিন্দু শব্দটি পরবর্তীতে মাঝে মাঝে ব্যবহার করা হয়েছিল কিছু সংস্কৃত লেখায় যেমন কাশ্মীরের রাজাতরঙ্গিনিসে (হিন্দুকা সি. ১৪৫০)। বিভিন্ন কবিরা হিন্দু ধর্মকে আলাদা করে ইসলাম ধর্ম (turaka dharma) থেকে ব্যাখ্যা করেছেন যেমন বিদ্যাপতি, কবির এব একনাথ। ১৬শ থেকে ১৮শ শতাব্দিতে বাংলা গৌড়িয় বৈষ্ণব লেখায় যাতে চৈতন্য চরণামৃত এবং চৈতন্য ভগবতেও একই ধরনের তুলনা করা হয়। ১৮শ শতাব্দির শেষের দিকে, ইউরোপীয় ব্যবসায়ী ও ঔপনিবেশিকরা ভারতীয় ধর্মের অনুসারীদেরকে একত্রে (একক কোন ধর্মকে নয়) হিন্দাস হিসেবে নির্দেশ করে। ঊনবিংশ শতাব্দিতে Hinduism বা হিন্দুধর্ম শব্দটি ইংরেজি ভাষায় সূচিত হয় ভারতীয়দের ধর্ম বিশ্বাস, দর্শন এবং সংস্কৃতিকে বোঝানোর জন্য।

২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী অনুসারীর দিক থেকে খ্রিষ্টধর্ম ও ইসলামের পর হিন্দুধর্ম পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম ধর্ম। সবচেয়ে বেশি পরিমাণ হিন্দু ধর্ম অনুসারী বাস করে ভারতে যা প্রায় ১.০৩ বিলিয়ন। অন্যান্য দেশেও হিন্দু ধর্ম অনুসারী রয়েছে যেমন নেপাল, বাংলাদেশ,চীন,মালয়েশিয়া,আর্জেন্টিনা,ব্রাজিল, পর্তুগাল, কানাডা,ওমান, সংযুক্ত আরবআমিরাত, অস্ট্রেলিয়া,নিউজিল্যান্ড,জার্মানি, কোরিয়া, নেদারল্যান্ড,পাকিস্তান, আফগানিস্তান,মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, কানাডা, ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে, ফিজি, ত্রিনিদাদ এবং টোবাগো, যুক্তরাজ্য সহ প্রায় পৃথিবীর অনেক দেশে হিন্দুধর্মাবলম্বীরা বসবাস করেন।

২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

২০০৩ আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ (আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০০৩) হচ্ছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ৮ম অষ্টম প্রতিযোগিতা। ৯-২৪ মার্চ, ২০০৩ তারিখে এ ক্রিকেট প্রতিযোগিতাটি দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং কেনিয়ায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বের ১৪টি দেশের জাতীয় ক্রিকেট দল এতে অংশ নেয় ও ৫৪টি খেলায় অংশগ্রহণ করে যা বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। প্রতিযোগিতার রূপরেখাটি ১৯৯৯ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের অনুরূপে ২টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়। প্রতি বিভাগের শীর্ষস্থানীয় তিনটি করে মোট ছয়টি দল সুপার সিক্স পর্বে উত্তীর্ণ হয়।

প্রতিযোগিতার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও সহ-স্বাগতিক দেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ইংল্যান্ড প্রথম পর্বেই বিদায় নেয়। দেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ইংল্যান্ড জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। এ সুবিধা নিয়ে জিম্বাবুয়ে সুপার সিক্স পর্বে চলে যায়। অন্যদিকে টেস্টখেলুড়ে দেশের বাইরে কেনিয়া প্রতিযোগিতার সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়।

গতবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া এবারের বিশ্বকাপেও বিজয়ী হয়। চূড়ান্ত খেলায় তারা ভারতীয় ক্রিকেট দলকে পরাজিত করে। এরফলে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে ১৯৭৫ সালের পরপর দুইবারের পর একাধারে তিনটি বিশ্বকাপ জয়ের সৌভাগ্য অর্জন করে।

২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

২০১১ আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ (আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১১) হচ্ছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১০ম প্রতিযোগিতা। ভারত, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশে এই বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিল। শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ভারত এই বিশ্বকাপে জয়ী হয়। এই বিশ্বকাপেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আয়োজক দেশ হওয়ার সুযোগ পায়। বিশ্বকাপের সব ম্যাচই একদিনের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের। চৌদ্দটি জাতীয় ক্রিকেট দল এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। এদের মধ্যে দশটি পূর্ণ সদস্য ও চারটি সহকারী সদস্য দল। বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ফেব্রুয়ারি ও ২ এপ্রিল, ২০১১-এর মধ্যে। ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মিরপুরের শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম ম্যাচটি খেলা হয়। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার দু'দিন আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়েছিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। ফাইনাল ম্যাচটি আয়োজিত হয়েছিল ২ এপ্রিল মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে।

উদ্বোধনী খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ বনাম ভারতের মধ্যে ঢাকায় ১৯ ফেব্রুয়ারি শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর, ঢাকায়।

কানাডার বিভিন্ন বিষয়ের নিবন্ধসমূহ
উত্তর আমেরিকার রাষ্ট্র ও নির্ভরশীল অঞ্চলসমূহ
সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহ
নির্ভরশীল অঞ্চলসমূহ

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.