কনফুসিয়াস

কনফুসিয়াস (জন্মের নামের চৈনিক রূপ 孔丘 খোং ছিঔ, তবে এখন 孔夫子 খোং ফ়ুৎস্যি বা 孔子 খোং ৎস্যি অর্থাৎ "খোং গুরু" নামে সুপরিচিত) (জীবনকাল: খ্রি.পূ. ৫৫১-৪৭৯)[১][২] প্রাচীন চীনের প্রখ্যাত দার্শনিক এবং চিন্তাবিদ। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৫৫১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর চীনের লু-(魯) রাষ্ট্রের ছুফু (曲阜 ছ্যুফু) শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার দর্শন ও রচনাবলী চীনসহ পূর্ব এশিয়ার জীবনদর্শনে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে।[৩][৪] কনফুসিয়াস মূলত নীতিবাদী দার্শনিক ছিলেন। তার বিশ্বাস ছিল শিক্ষার মূল ভিত্তি হচ্ছে নীতিজ্ঞান। এই প্রাচীন চীনা দার্শনিক খ্রিস্টপূর্ব ৪৭৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

কনফুসিয়াস
孔子
孔子聖蹟圖
মিং সাম্রাজ্যের চিত্রকর কিউ ইং এর আঁকা কনফুসিয়াসের প্রতিকৃতি
জন্ম৫৫১ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
যাউ, Lu, Zhou (present-day Nanxinzhen, Qufu, Shandong, চীন)
মৃত্যু৪৭৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ (বয়স ৭১-৭২)
Lu, Zhou
জাতীয়তাLu and Zhou
যুগপ্রাচীন দর্শন
অঞ্চলচীনা দর্শন
ধারাConfucianism
আগ্রহMoral philosophy, social philosophy, ethics
অবদানConfucianism
কনফুসিয়াস
Kongzi (Chinese characters)
"Confucius (Kǒngzǐ)" in seal script (top) and regular (bottom) Chinese characters
চীনা 孔子
আক্ষরিক অর্থ"Master Kong"
বিকল্প চীনা নাম
চীনা 孔丘
আক্ষরিক অর্থ(given name)
Confucius 02
কনফুসিয়াস

জন্ম

কনফুসিয়াস জন্মেছিলেন আনুমানিক ৫৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। তার বাবার নাম কং হি ও মায়ের নাম হান ঝেঙ। কনফুসিয়াস নামে পরবর্তীকালে পরিচিত হলেও তার আসল নাম ছিল কঙ ফু তজু। লু নামে একটি ছোট প্রদেশের সরকারী কর্মচারী ছিলেন তার বাবা। তার শৈশব সম্পর্কে খুব একটা জানা যায় যায় না। তবে বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায় যে, তার শৈশবকাল কেটেছে অপরিসীম দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে।

জীবিকা

কৈশোর পেরোতে-না-পেরোতেই জীবিকার সন্ধানে বেরিয়ে পড়তে হয় তাকে। কখনো মেষপালক হিসেবে কাজ করেছেন পশু খামারে, কখনো কেরানিগিরি বা লাইব্রেরির চাকরি, আবার কখনো বা শহরের উদ্যানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখাশোনার দায়িত্বের কাজও করেছেন নিষ্ঠাভরে। কিন্তু পড়াশোনার পাট চুকিয়ে ফেলেননি কখনোই। অল্প বয়স থেকেই ছাত্রদের পড়াতে শুরু করেন তিনি। এর মধ্যে বিবাহ হয় কনফুসিয়াসের। ১৯ বছর বয়সে বিয়ে করেন কিগুয়ান নামের এক নারীকে। বিয়ের এক বছরের মধ্যেই জন্ম নেয় তাদের প্রথম সন্তান কঙ লি। মাত্র ২৩ বছর বয়সে কনফুসিয়াস মাতৃহারা হন।

রাজদরবারে

সেই সময় চীনের সমাজ ব্যবস্থায় জনগণের অবস্থান অনুযায়ী তাদের পেশার শ্রেণীবিন্যাস করা হতো। কনফুসিয়াসের সামাজিক অবস্থান এবং জ্ঞানের কারণে তিনি ছিলেন শী শ্রেণীভুক্ত, যারা ভদ্র-মধ্যবিত্ত-বিদ্বান হিসেবে সমাজের সম্ভ্রান্ত ও শাসক শ্রেণীর সাথে মেলামেশার সুযোগ পেতেন। এই সময় লু প্রদেশের শাসক ছিলেন চি চি। কসফুশিয়াসের জ্ঞান ও পান্ডিত্যের কথা জানতে পেরে রাজা কনফুসিয়াসকে তার সভায় আমন্ত্রন জানান। প্রথম পরিচয়েই কনফুসিয়াসের পান্ডিত্যে মুগ্ধ হন রাজা। দারিদ্রের কথা শুনে তিনি কনফুসিয়াসকে হিসাবরক্ষকের কাজে নিযুক্ত করলেন। কনফুসিয়াসের কর্মদক্ষতায় খুশি হয়ে রাজা তাকে আরো উচ্চতর পদে অধিষ্ঠিত করেন।

আইন প্রশাসক

৫২ বছর বয়সে লু প্রদেশের প্রধান আইনরক্ষকের দায়িত্ব পান কনফুসিয়াস। কনফুসিয়াস বিশ্বাস করতেন, মানুষের মাঝে যদি নৈতিক চরিত্রের উন্নতি না ঘটে, শুধুমাত্র আইন দিয়ে মানুষকে সংযত রাখা সম্ভব নয়। তাছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাও সম্ভব নয়। তাই কনফুসিয়াস নিজেই আইন প্রণয়ন কর্মকর্তা ‍ও কর্মচারীদের মাঝে নীতিবোধ জাগাতে নানা উপদেশ দিতে থাকেন।

অল্প কিছুদিনেই এর সুফল দেখা দিল রাজ্যে। সমগ্র চীন দেশেই লু রাজ্য ছিল একমাত্র রাজ্য যেখানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন হতো না। সকলেই নির্ভয়ে, নিরাপদে নিজের দ্রব্য রাখতে পারতো। গভীর রাতেও পর্যটকরা নিরাপদে চলতে পারতো। আইনরক্ষকের দায়িত্ব এত ভালভাবে সম্পাদন করার পুরষ্কার হিসেবে কয়েক বছরের মধ্যেই তাকে ভার দেওয়া হয় লু প্রদেশের প্রধানমন্ত্রীত্বের।

মৃত্যু

ধারণা করা হয় এই চীনা দার্শনিক খ্রিস্টপূর্ব ৪৭৯ সালে ৭১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। কুফু নগরীর কাং লি সিমেট্রিতে তাকে সমাধিস্থ করা হয়।কথিত আছে তাকে হত্যা করা হয়।

তথ্যসূত্র

  1. Hugan, Yong (২০১৩)। Confucius: A Guide for the Perplexed। A&C Black। পৃষ্ঠা 3। আইএসবিএন 978-1-4411-9653-8। ২০১৭-০৪-১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।
  2. Riegel 2012, online.
  3. "The Life and Significance of Confucius"www.sjsu.edu
  4. "China Confucianism: Life of Confucius, Influences, Development"www.travelchinaguide.com

বহিঃসংযোগ

Wikisource-logo.svg
Chinese Wikisource (維基文庫) has original works written by or about:
Wikiquote-logo-en.svg
Chinese Wikiquote (維基語錄) has a collection of quotations related to:
আর্মেনিয়া–চীন সম্পর্ক

আর্মেনিয়া—চীন সম্পর্ক হল আর্মেনিয়া ও চীন রাষ্ট্রদ্বয়ের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক। আর্মেনিয়ার সাথে চীনের সম্পর্কের সূত্র খুঁজে পাওয়া যায় সুদূর ৫ম শতকে, ঐতিহাসিক মোভসেস খোরানাৎসি এবং ৬ষ্ঠ শতকে ভূগোলবিদ ও গণিতবিদ আনানিয়া সিরাকাৎসির লেখনীতে। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রজাতন্ত্রী আর্মেনিয়াকে ১৯৯১ সালের ২৭শে ডিসেম্বর স্বীকৃতি প্রদান করে। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন এবং প্রজাতন্ত্রী আর্মেনিয়ার মধ্যে ১৯৯২ সালের ৬ই এপ্রিল সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। আর্মেনিয়ায় চীনের দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯২ সালের জুলাইয়ে, পক্ষান্তরে চীনে আর্মেনিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালের ১০ই আগস্টে। চীনে নিযুক্ত আর্মেনিয় রাষ্ট্রদূত বর্তমানে বেইজিং দূতাবাসে অবস্থান করছেন।

আর্মেনিয়ার রাষ্ট্রপতি লেভন তের-পেট্রোসিয়ান এবং রবার্ট কোচারান যথাক্রমে ১৯৯৬ সালের মে মাসে এবং ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে গণচীনে সফর করেন। রাষ্ট্রপতি সার্জ সার্গসিয়ান "সাংহাই ওয়ার্ল্ড এক্সপো ২০১০" এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২০১০ সালের মে মাসে চীনে সফর করেন। এছাড়াও চীন থেকে আর্মেনিয়ায় উচ্চপর্যায়ের সফর হয়েছিল, যার মধ্যে পলিটবুরো স্ট্যান্ডিং কমিটি অব দ্য কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার সদস্য লুও গান ২০০৩-এর সেপ্টেম্বরে এবং লি চ্যাংচুন ২০১১-এর এপ্রিলে চীনে সফর করেন।

কনফুসীয়বাদ

কনফুসীয় ধর্ম (সরলীকৃত চীনা: 儒学; ঐতিহ্যবাহী চীনা: 儒學; পিনয়িন: Rúxué [ এই শব্দ সম্পর্কে Listen ]) চীনের একটি নৈতিক ও দার্শনিক বিশ্বাস ও ব্যবস্থা যা বিখ্যাত চৈনিক সাধু কনফুসিয়াসের শিক্ষার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। অর্থাৎ কনফুসিয়াস হলেন কনফুসীয় ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা। এটি মূলত নৈতিকতা, সমাজ, রাজনীতি, দর্শন এবং ধর্মীয় বিশ্বাস ও চিন্তাধারাসমূহের সম্মিলনে সৃষ্ট একটি জটিল ব্যবস্থা যা একবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত পূর্ব এশিয়ার সংস্কৃতি ও ইতিহাসে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। অনেকের মতে এটি পূর্ব এশিয়ার দেশসমূহের রাষ্ট্র ধর্ম হিসেবে স্বীকৃত হতে পারে। কারণ এই দেশগুলোতে এখন কনফুসীয় আদর্শের বাস্তবায়নের উপর বিশেষ জোর দেয়া হচ্ছে। কনফুসিয় মতবাদ একটি নৈতিক বিশ্বাস এবং দর্শন। এটাকে ধর্ম বলা হবে কিনা এই নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মাঝে মতভেদ আছে। অনেক শিক্ষাবিদ কনফুসিয় মতবাদকে ধর্ম নয় বরং দর্শন হিসেবে মেনে নিয়েছেন।}} কনফুসিয় ধর্মের মূলকথা হচ্ছে মানবতাবাদ।

কফি আনান

কফি আততা আনান (; জন্ম এপ্রিল ৮, ১৯৩৮ - মৃত্যু আগস্ট ১৮, ২০১৮) ঘানার একজন কূটনীতিবিদ এবং জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব। খ্রিস্টান ধর্মালম্বী হিসেবে প্রোটেস্ট্যান্ট সম্প্রদায় জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। আনান এবং জাতিসংঘ যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার (২০০১) লাভ করেন। তিনি কফি আনান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়া নেলসন ম্যান্ডেলা প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংগঠন দা এল্ডারস-এর চেয়ারম্যান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।ঘানার কোমাসি শহরে জন্মগ্রহণ-করা আনান ম্যাকালেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে 'অর্থনীতি', গ্র্যাজুয়েট ইউনিভার্সিটি জেনেভায় 'আন্তর্জাতিক সম্পর্ক' এবং এমআইটিতে 'ব্যবস্থাপনা' নিয়ে অধ্যয়ন করেন। ১৯৬২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জেনেভা কার্যালয়ে কাজ করার মাধ্যমে তিনি জাতিসংঘে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি জাতিসংঘ সচিবালয়ের আরো কিছু পদে কাজ করেছেন, যার মধ্যে আছে মার্চ ১৯৯২ থেকে ডিসেম্বর ১৯৯৬ পর্যন্ত শান্তিরক্ষা বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্বপালন। ১৯৯৬ সালের ১৩রা ডিসেম্বর নিরাপত্তা পরিষদ তাকে মহাসচিব নিযুক্ত করে, পরে সাধারণ পরিষদেও তা সমর্থিত হয় এবং তিনিই প্রথম জাতিসংঘের নিজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে মহাসচিব হন। ২০০১ সালে তিনি মহাসচিব পদে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন, এবং ২০০৭ সালের ১লা জানুয়ারি বান-কি-মুনের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

মহাসচিব হিসেবে, আনান জাতিসংঘের আমলাতন্ত্র সংস্কার করেন; এইচআইভির প্রতিরোধে কাজ করেন, বিশেষত আফ্রিকায়; এবং জাতিসংঘ বৈশ্বিক চুক্তি সম্পাদন করেন। নিরাপত্তা পরিষদ সম্প্রসারণ না করায় তিনি সমালোচিত হন এবং জাতিসংঘের তেলের-বিনিময়ে-খাদ্য কর্মসূচী নিয়ে তদন্তের পর তার পদত্যাগের দাবিও ওঠে। জাতিসংঘে কর্মজীবন সমাপ্তির পর আন্তর্জাতিক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করার উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে তিনি আনান কমিশন গঠন করেন। ২০১২ সালে তিনি চলমান সিরিয়া সংকট সমাধানে জাতিসংঘ-আরব লীগের যৌথ বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। কিন্তু সংকট সমাধানে জাতিসংঘের কাজে কোনো অগ্রগতি না দেখে তিনি অব্যাহতি নেন। ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে তাকে মায়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট তদন্তে গঠিত একটি জাতিসংঘ কমিশনের প্রধান নিযুক্ত করা হয়, যা 'আনান কমিশন' নামে পরিচিত। ২০১৮ সালের আগস্টে সুইজারল্যান্ডে সামান্য অসুস্থতার পর আনান মৃত্যুবরণ করেন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন কফি আনান ছিলেন শান্তির যোদ্ধা এবং কল্যাণের পথপ্রদর্শক।

চিয়াংসু

চিয়াংসু গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের পূর্ব উপকুলে অবস্থিত একটি প্রদেশ। এর সাথে আনহুই প্রদেশ, বেইজিং ও সাংহাই মহানগরী এবং শানতুং প্রদেশের সীমান্ত রয়েছে। ইয়াং ছি কিয়াং নদী চিয়াংসুর দক্ষিণাংশ দিয়ে অতিক্রম করেছে। চিয়াংসু প্রদেশের ১০২০ কি.মি. সমুদ্র সৈকত রয়েছে পীত সাগর বরাবর।

চৌ রাজবংশ

চৌ রাজবংশ (চীনা: 周朝; ফিনিন: Zhōu cháo [tʂóʊ tʂʰɑ̌ʊ]) ছিল শাং সাম্রাজ্য পরবর্তী ও কিন সাম্রাজ্য পূর্ববর্তী চীনের একটি প্রাচীন সাম্রাজ্য। এই সাম্রাজ্য চীনের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রাজত্ব করে। এই সাম্রাজ্যের সময়কালকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। প্রথমটি আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১০৪৬ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ৭৭১ অব্দ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল এবং তা পশ্চিম চৌ নামে পরিচিত ছিল। এই সময়েই চীনের প্রকৃত রাজনৈতিক ও সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয়টি খ্রিস্টপূর্ব ৭৭০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২৫৬ অব্দ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল এবং তা পূর্ব ঝাও নামে পরিচিত ছিল।চৌ রাজবংশ সময়কালে, বিশেষ করে শেষ দিকে, চীনের সভ্যতার বিকাশ লাভ করে। পূর্ব চৌ রাজবংশ সময়ে কনফুসিয়াস, লাউযি, মেনসিয়াস, মোজি কর্তৃক কনফুসীয় ধর্ম, তাও ধর্মসহ বিভিন্ন মতবাদ প্রসার লাভ করে। এই সময়ে ব্রোঞ্জের তৈরি যুদ্ধ ও কৃষি সরঞ্জাম উৎপাদন শুরু হয়। এছাড়া যুদ্ধরত রাজ্য কালে লেখার আধুনিক রূপ উন্মোচিত হয়।

জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা

জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (United Nations Educational, Scientific, and Cultural Organization) বা ইউনেস্কো (UNESCO) জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা। বিশ্বে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসার এবং উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবন মানের উন্নয়ন ঘটানো এই সংস্থার কার্যক্রম। ১৯৪৫ সালের নভেম্বরে লন্ডন সম্মেলনে ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। ১৯৪৬ সালে এই সংস্থা জাতিসংঘের সহায়ক সংস্থা হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে। প্যারিসে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

দার্শনিক

একজন দার্শনিক যিনি দর্শন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। এই ব্যক্তির সাধারণত এক বা একাধিক বিষয়ের উপর বিস্তর জ্ঞান থাকে। বিষয়ের মধ্যে রয়েছে নন্দনতত্ত্ব, নীতিশাস্ত্র, যুক্তি, অধিবিদ্যা, সামাজিক দর্শন ও রাজনৈতিক দর্শন।

ধর্মগ্রন্থ

ধর্মগ্রন্থ হচ্ছে সেই সকল বিশেষ গ্রন্থ যাতে মানুষের জীবন যাপনের বিধান , ভাল কাজ করার পরামর্শ এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে । পৃথিবীতে যুগে যুগে আসা সকল ধর্মেরই কোন না কোন ধর্মগ্রন্থ বা শাস্ত্রবিধান রয়েছে । যেমন মুসলমানদের আল কুরআন, হিন্দুদের বেদ, খ্রিস্টানদের বাইবেল, বৌদ্ধদের ত্রিপিটক, ইহুদিদের তওরৎ ইত্যাদি ।

পূর্ব এশীয় সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র

টেমপ্লেট:তথ্যছক চীনা/ভিয়েতনামীয়"সিনোস্পিয়ার", চীনা পরিমণ্ডল বা "পূর্ব এশীয় সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র" বলতে বোঝায় পূর্ব এশিয়ার একটি জোট দেশ এবং অঞ্চল যেগুলি ঐতিহাসিকভাবে চীনা সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত ছিল। ধারণার অন্যান্য নামগুলির অন্তর্ভুক্ত হল সিনিক বিশ্ব, কনফুসিয়াস বিশ্ব, তাওধর্মী বিশ্ব এবং চীনা সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র।যদিও শেষটি বিশেষ করে চীনা ভাষা জগতের জন্যও ব্যবহৃত হয়ঃ যেসব অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের চীনা কথা বলা হয়।

পূর্ব এশীয় সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র একটি কনফুসীয় নৈতিক দর্শন, বৌদ্ধ (বিশেষ করে জেন), তাওবাদ এবং ঐতিহাসিকভাবে, একই সাধারণ লিখন পদ্ধতি শেয়ার করে। চীন, তাইওয়ান, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ভিয়েতনাম, মঙ্গোলিয়া এবং মধ্য এশিয়ার কিছু অংশ পূর্ব এশীয় সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের প্রধান অঞ্চল, যেটি কখনও কখনও একটি জাতিগত ভিত্তিতে এবং কিছু প্রাচীন সাংস্কৃতিক সংযোগ থেকে অন্তর্ভুক্ত। যেমন সিঙ্গাপুর কখনও কখনও চীনা অভিবাসীদের কারণে অন্তর্ভুক্ত।

পূর্ব এশীয় সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র এবং চীনা অক্ষর (Hànzì) সাংস্কৃতিক গোলক, সিনোস্পিয়ার বা চীনা জগতের সঙ্গে অদলবদল করে ব্যবহার হয় তবে দুটির ভিন্ন ভিন্ন রূপ রয়েছে।

ফিদেল কাস্ত্রো

ফিদেল আলেসান্দ্রো কাস্ত্রো রুজ (আমেরিকান স্পেনীয়: [fiˈðel aleˈhandɾo ˈkastɾo ˈrus] audio ; জন্মঃ আগস্ট ১৩, ১৯২৬ - মৃত্যুঃ নভেম্বর ২৫, ২০১৬) যিনি ফিদেল কাস্ত্রো বা শুধুই কাস্ত্রো নামে পরিচিত; তিনি একজন কিউবান রাজনৈতিক নেতা ও সমাজতন্ত্রী বিপ্লবী। কিউবা বিপ্লবের প্রধান নেতা ফিদেল ফেব্রুয়ারি ১৯৫৯ থেকে ডিসেম্বর ১৯৭৬ পর্যন্ত কিউবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, এরপর ফেব্রুয়ারি ২০০৮-এ তার স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কিউবার মন্ত্রী পরিষদের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি ১৯৬১ সালে কিউবা কমিউনিস্ট দলের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রধান হিসেবে ছিলেন। এর আগে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২০০৮ সালে তিনি তার দায়িত্ব ভাই রাউল কাস্ত্রোর কাছে অর্পণ করেছিলেন। রাউল বর্তমানে কমিউনিস্ট পার্টির সহকারী প্রধান এবং মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে আছেন। এর আগে তিনি ১৯৫৯-২০০৮ পর্যন্ত ফিদেলের মন্ত্রী সভায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। হাভানা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়ার সময়, ফিদেল কাস্ত্রো তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। এরপর কিউবার রাজনীতিতে একজন বিখ্যাত ব্যক্তিতে পরিণত হন। তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় প্রেসিডেন্ট ফালজেন্সিও বাতিস্তা এবং কিউবার উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রভাবের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী সমালোচনা নিবন্ধ লিখে।

তিনি এ ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হন। অবশেষে তিনি ১৯৫৩ সালে মনকাডা ব্যারাকে একটি ব্যর্থ আক্রমণ করেন, এবং তারপর কারারুদ্ধ হন ও পরে ছাড়া পান। এরপর তিনি বাতিস্তার সরকার উৎখাতের জন্য সংগঠিত হওয়ার জন্য মেক্সিকো যান। ফিরে এসে ১৯৫৬’র ডিসেম্বরে সরকার উৎখাতে নামেন।

পরবর্তীকালে কাস্ত্রো কিউবান বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন যা যুক্তরাষ্ট্রের মদদে চলা বাতিস্তার স্বৈরশাসনকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এর কিছুদিন পরই পর কাস্ত্রো কিউবার প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৬৫ সালে তিনি কিউবা কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান হন এবং কিউবাকে একদলীয় সমজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে রূপ দেন। ১৯৭৬ সালে তিনি রাষ্ট্র ও মন্ত্রী পরিষদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি কিউবার সর্বোচ্চ সামরিক পদ Comandante en Jefe ("Commander in Chief") এও আসীন হন।

২০১৬ সালের ২৫ই নভেম্বর এই বিপ্লবী হাভানায় মৃত্যুবরণ করেন।

ভ্লাদিমির পুতিন

ভ্লাদিমির ভ্লাদিমিরোভিচ পুতিন (রুশ: Влади́мир Влади́мирович Пу́тин; জন্ম: ৭ অক্টোবর, ১৯৫২) লেনিনগ্রাদের জন্মগ্রহণকারী রুশ প্রজাতন্ত্র বা রাশিয়ার অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ২য় মেয়াদে ৭ মে, ২০১২ তারিখ থেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ক্ষমতাসীন। এর পূর্বে ২০০০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি এবং ১৯৯৯ থেকে ২০০০ ও ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ পরিচালনা করেছেন। এছাড়াও, ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি ইউনাইটেড রাশিয়া দলের সভাপতি এবং রাশিয়া ও বেলারুশের মন্ত্রীসভার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মহান ইউ

মহান ইউ (চীনা: 大禹; ফিনিন: Dà Yǔ, আনু. খ্রিষ্টপূর্ব ২২০০ অব্দ – খ্রিষ্টপূর্ব ২১০১ অব্দ) ছিলেন প্রাচীন চীনের সিয়া সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট। তিনি সে সময়ে চীনের মহাপ্লাবন নিয়ন্ত্রনের জন্য সুপরিচিত ছিলেন। ইউ চীনের অন্যতম একজন শাসক যার নামের পাশে 'দ্য গ্রেট' পদবী দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে।ওরাকল হাড় থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে অনুমান করা হয় ইউর রাজত্বকাল শাং সাম্রাজ্য সময়কালেরও পূর্বে ছিল। পরবর্তীকালে প্রাপ্ত ওরাকল হাড় থেকেও ইউর সময়কালের কোনো তথ্য পাওয়া যায় নি। তার সম্পর্কে কোনো লিখিত তথ্য না পাওয়ায় এ নিয়ে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। একদল মনে করেন, তার রাজত্বকাল সম্পর্কে মুখে মুখে ছড়িয়ে গল্প ঝাও সাম্রাজ্য সময়কালে লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল। আরেকদল মনে করে তিনি উপদেবতা হিসেবে সিয়া সাম্রাজ্য সময়কালে আবির্ভূত হয়েছিলেন, যাকে ঝাও সাম্রাজ্য সময়কাল থেকে মানুষ হিসেবে ধারণা করা হতে থাকে। তার সম্পর্কে অনেক কাহিনী সিমা কিয়ান রচিত ইতিহাসের আলেখ্য গ্রন্থে পাওয়া যায়। কনফুসিয়াস ও অন্যান্য প্রাচীন পন্ডিতেরা ইউ এবং তার পরবর্তী সময়কালের সম্রাটদের তাদের নৈতিক গুণাবলীর জন্য প্রশংসা করেছেন।

মেনসিয়াস

টেমপ্লেট:কনফুসীয় মতবাদ

মেনসিয়াস ( MEN-shee-əs) বা মেংজি (372–289 BC or 385–303 or 302 BC) ছিলেন একজন চৈনিক কনফুসীয় দার্শনিক, প্রায়শই তাকে দ্বিতীয় ঋষি বলে বর্ণনা করা হয়, যেখানে প্রথমজন হলেন কনফুসিয়াস নিজেই। যুদ্ধকালীন পর্বে তিনি চীন পরিভ্রমণ করেন শাসকদের সংস্কারের উপদেশ দিয়ে। মেনসিয়াস গ্রন্থানুসারে, রাজাদের সাথে তার আলাপকে পরবর্তীকালে বিশুদ্ধ কনফুসিয়ান মতবাদ বলে আখ্যা দেয়া হয়।

তার প্রধান বিশ্বাস ছিল সহজাতভাবেই মানুষরা উৎকর্ষিত, কিন্তু তার এই গুণ চর্চার প্রয়োজন এবং তা প্রকাশ করার জন্য সঠিক পরিবেশের প্রয়োজন। তিনি শাসকদের প্রজাদের উদ্দেশ্যে জনহিতকর কাজ করে তাদের অবস্থানকে সুসংহত করার নির্দেশ দেন। এই ক্ষেত্রে তারা জনগণের আজ্ঞাবহ।

রাজনৈতিক দর্শন

রাজনৈতিক দর্শন বা রাষ্ট্রদর্শন হচ্ছে রাষ্ট্র সম্পর্কে দার্শনিক চিন্তন, রাষ্ট্রের প্রকৃতি, কার্যাবলি, মূল্য, রাষ্ট্রীয় অভিজ্ঞতার সত্যতা, জীবন ও জগতের পরম সার্থকতা হিসেবে রাষ্ট্রীয় অভিজ্ঞতার যথার্থতা সম্পর্কে দার্শনিক অনুসন্ধান লাভ। রাষ্ট্রদর্শন বলতে আমরা রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের প্রকৃতি, পরিধি ও কার্যাবলি এবং মানব জাতির উন্নয়ন ও প্রগতি সম্পর্কিত মতবাদকে বুঝি। সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্র সম্পর্কিত দার্শনিক চিন্তাভাবনাই হলো রাষ্ট্রদর্শন। রাষ্ট্রদর্শনের বিষয়বস্তু প্রধানত তিনটি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য। যেমন, মানব প্রকৃতি ও তার কার্যকলাপ, জীবনের সমগ্র অনুভূতির জন্য পৃথিবীর অপরাপর বিষয়ের সাথে মানুষের সম্পর্ক এবং সমাজের পারস্পরিক সম্পর্ক।

শরৎ বসন্ত ইতিবৃত্ত

শরৎ বসন্ত ইতিবৃত্ত (চীনা: 春秋; ফিনিন: Chūnqiū) হল প্রাচীন চীনের একটি কালক্রম যা প্রাচীন যুগ থেকে একটি প্রধান চীনা ক্ল্যাসিক। ইতিবৃত্তটি লু রাজ্যের একটি কালক্রম। এতে খ্রিস্টপূর্ব ৭২২ থেকে ৪৮১ অব্দ পর্যন্ত ২৪১ বছরের ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে। এটি চীনের সবচেয়ে প্রাচীন ইতিহাস বিষয়ক লিখিত রূপ। কনফুসিয়াস এই ইতিবৃত্ত সম্পাদনা করেছেন বলে মেনসিয়াস ধারণা করেন এবং এটি চীনা সাহিত্যের পাঁচ ক্লাসিকের একটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

ইতিবৃত্তে বছর অনুযায়ী লু রাজ্যের প্রধান ঘটনাবলী, শাসকদের সিংহাসনে আরোহণ, বিবাহ, মৃত্যু, ও সমাধি, যুদ্ধ, ধর্মীয় রীতিনীতি পালন, এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের উল্লেখ রয়েছে। ঘটনাবলী সংক্ষিপ্তভাবে লিখিত, প্রতিটি ঘটনার জন্য গড়ে দশটি শব্দ ও কোন ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ নেই।যুদ্ধরত রাজ্য কালে, এই ইতিবৃত্তে কিছু টীকা বিবরণী সংযুক্ত করে এর পরিসর বৃদ্ধি করা হয়। এই ধরনের টীকা বিবরণীর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল যুওঝুয়ান, যা তার চীনা লোককথা ও প্রবাদ-প্রবচন যুক্ত করার মাধ্যমে অন্যতম এক ক্ল্যাসিকে পরিণত হয়েছে।

শিক্ষা

শিক্ষা প্রক্রিয়ায় কোন ব্যক্তির অন্তর্নিহিত গুণাবলীর পূর্ণ বিকাশের জন্য উৎসাহ দেয়া হয় এবং সমাজের একজন উৎপাদনশীল সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠালাভের জন্য যে সকল দক্ষতা প্রয়োজন সেগুলো অর্জনে সহায়তা করা হয়।

সাধারণ অর্থে জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জনই শিক্ষা। ব্যাপক অর্থে পদ্ধতিগতভাবে জ্ঞানলাভের প্রক্রিয়াকেই শিক্ষা বলে। তবে শিক্ষা হল সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশ সাধনের অব্যাহত অনুশীলন। বাংলা শিক্ষা শব্দটি এসেছে ‍'শাস' ধাতু থেকে। যার অর্থ শাসন করা বা উপদেশ দান করা। অন্যদিকে শিক্ষার ইংরেজি প্রতিশব্দ এডুকেশন এসেছে ল্যাটিন শব্দ এডুকেয়ার বা এডুকাতুম থেকে। যার অর্থ বের করে আনা অর্থাৎ ভেতরের সম্ভাবনাকে বাইরে বের করে নিয়ে আসা বা বিকশিত করা। সক্রেটিসের ভাষায় “শিক্ষা হল মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের বিকাশ।” এরিস্টটল বলেন “সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হল শিক্ষা”। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় “শিক্ষা হল তাই যা আমাদের কেবল তথ্য পরিবেশনই করে না বিশ্বসত্তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের জীবনকে গড়ে তোলে।”

সামাজিক দর্শন

সামাজিক দর্শন হলো নৈতিক মূল্যবোধ বিবেচনায় সামাজিক আচরন, সমাজ ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের ব্যাখ্যা ও অধ্যয়ন। সামাজিক দার্শনিকগণ বর্তমানে রাজনৈতিক, আইনগত, নৈতিক ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো, উপন্যাস তাত্ত্বিক কাঠামো উন্নয়নকে সামাজিক প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যার উপর গুরুত্বারোপ করছেন।

২৮ সেপ্টেম্বর

২৮ সেপ্টেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২৭১তম (অধিবর্ষে ২৭২তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৯৪ দিন বাকি রয়েছে।

প্রতিলিপিকরণ
স্ট্যান্ডার্ড ম্যান্ডারিন
হানইয়ু পিনয়িনKǒngzǐ
Gwoyeu RomatzyhKoongtzyy
ওয়েড-জাইলসK'ung3-tzŭ3
আধ্বব[kʰʊ̀ŋ.tsɨ̀]
SuzhouneseKhòn-tzỳ
য়ুএ: ক্যান্টনীয়
ইয়েল রোমানীকরণHúng-jí
আধ্বব[hǒŋ.tsǐː]
জাউটপিংHung2-zi2
দক্ষিণ মিন
হোকিয়েন পিওযেKhóng-chú
তাই-লোKhóng-tsú
মধ্য চীনা
মধ্য চীনাkhúwng tsí
পুরান চীনা
ব্যাক্সটার-সাগার্ট*kʰˤongʔ tsəʔ
প্রতিলিপিকরণ
স্ট্যান্ডার্ড ম্যান্ডারিন
হানইয়ু পিনয়িনKǒng Qiū
Gwoyeu RomatzyhKoong Chiou
ওয়েড-জাইলসK'ung3 Ch'iu1
আধ্বব[kʰʊ̀ŋ tɕʰjóʊ]
রোমানীকরণKhon Chieu
হাক্কা
রোমানীকরণKung3 Hiu1
য়ুএ: ক্যান্টনীয়
ইয়েল রোমানীকরণHung2 Yau1
জাউটপিংHung2 Jau1
দক্ষিণ মিন
হোকিয়েন পিওযেKhóng Khiu
মধ্য চীনা
মধ্য চীনাKhúwng Khjuw
পুরান চীনা
ব্যাক্সটার-সাগার্ট*Kʰˤongʔ Kʷʰə
পূর্ব
দক্ষিণ কেন্দ্রীয়
দক্ষিণপশ্চিম
উত্তর
উত্তরপূর্ব
উত্তরপশ্চিম
একাধিক অঞ্চল
দার্শনিক
সামাজিক তত্ত্ব
সামাজিক ধারণা
সম্পর্কিত নিবন্ধ
মতবাদ
ধারণা
দার্শনিকগণ
ফলিত নীতিশাস্ত্র
সম্পর্কিত নিবন্ধ

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.