আন্তর্জাতিক মান পুস্তক সংখ্যা

ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বুক নাম্বার (আইএসবিএন) (মাঝেমধ্যে এভাবে উচ্চারিত হয়: [ˈɪzbən]) বা আন্তর্জাতিক মান পুস্তক সংখ্যা সমস্ত বইয়ের বারকোড চিহ্নিতকরণের জন্য ব্যবহৃত একটি অনন্য সংখ্যায়ন পদ্ধতি, যা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে যুক্তরাজ্যে এই সংখ্যায়ন পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। এর পত্তন করেন যুক্তরাজ্যের বই ও স্টেশনারি সামগ্রী বিক্রেতা ডব্লিউএইচ স্মিথ। প্রথমে এটি নয় ডিজিটের সংখ্যা ছিল এবং প্রাথমিক নাম ছিল স্ট্যান্ডার্ড বুক নাম্বারিং বা এসবিএন। ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকে। ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে আন্তর্জাতিক মান সংস্থা এটিকে আন্তর্জাতিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়; এবং এর প্রমিত রূপ নির্ধারণ করা হয় আইএসও ২১০৮ -এর মাধ্যমে। এর অনুরুপ অন্য একটি সংখ্যায়ন পদ্ধতি হচ্ছে আইএসএসএন বা আন্তর্জাতিক মান ক্রমিক সংখ্যা যা মূলত পত্র-পত্রিকা এবং সাময়িকীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি ১ তারিখ থেকে আইএসবিএন -কে ১৩ ডিজিটের সংখ্যায় উন্নীত করা হয়েছে।[১] এই সংখ্যায়নের সমস্ত দায়দায়িত্ব বহনকারী সংস্থা হচ্ছে: টিসি ৪৬/এসসি ৯। ১৯৯০ দশকের শেষার্ধে বাংলাদেশে প্রকাশনা শিল্পে আইএসবিএন প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র প্রতিটি প্রকাশনা সংস্থার জন্য একটি সংখ্যাক্রম বরাদ্দ করে, যার ভিত্তিতে ঐ প্রকাশনা সংস্থা তার প্রকাশিত গ্রন্থের আন্তজার্তিক সংখ্যায়ন করে থাকে। এই সংখ্যা গ্রন্থের ক্রেডিট পাতায় মুদ্রিত হয়।

আরও দেখুন

  • আন্তর্জাতিক মান ক্রমিক সংখ্যা
  • এএসআইএন (Amazon Standard Identification Number)
  • কোডেন (গ্রন্থাগারে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে আইএসএসএন দ্বারা প্রতিস্থাপিত হচ্ছে)
  • ডিওআই (Digital Object Identifier)
  • আইএসএএন (International Standard Audiovisual Number)
  • আইএসএমএন (International Standard Music Number)
  • আইএসআরসি (International Standard Recording Code)
  • আইএসএসএন (International Standard Serial Number)
  • এইএসডব্লিওসি (International Standard Musical Work Code, see https://web.archive.org/web/20180801174109/http://www.iswc.org/ )
  • লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস কন্ট্রোল নাম্বার
  • এসআইসিআই (Serial Item and Contribution Identifier)

তথ্যসূত্র

  1. As explained in this summary document ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ জুন ২০০৭ তারিখে from ISO
আবৃত্তি

আবৃত্তি (ইংরেজি: Recitation) সাধারণ ধারণায় শ্রোতার সম্মুখে কোন কবিতা বা বক্তব্য ইত্যাদি আকর্ষনীয়ভাবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প। মূলত বাংলাদেশ, কলকাতা ও জাপান-এ আবৃত্তির চর্চা হয়ে থাকে।

আলভিন রবার্ট কর্নেলিয়াস

আলভিন ববি রবার্ট কর্নেলিয়াস, এইচপিকে (জন্ম: ৮ মে, ১৯০৩ - মৃত্যু: ২১ ডিসেম্বর ১৯৯১) পাকিস্তানের চতুর্থ প্রধান বিচারপতি ও বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ছিলেন। ১৯৬০ থেকে ১৯৬৮ পর্যন্ত পাকিস্তান সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কর্নেলিয়াস ব্রিটিশ ভারতের উত্তর প্রদেশের আগ্রা শহরের এক উর্দ্দুভাষী খ্রিস্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ভারতের এলাহবাদ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইংল্যান্ডের সেলুইন কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি ভারত সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন এবং পাঞ্জাব প্রদেশে সহকারী কমিশনার হিসেবে কাজ করেন। ১৯৪৩ সালে কর্নেলিয়াস লাহোর হাইকোর্টে কর্মজীবন শুরু করেন। কিছুদিন পরে পাঞ্জাব সরকারের বিচার বিভাগে যোগ দেন। এসময়ে তিনি লিগ্যাল ইতিহাসের ওপর গুরুত্বপূর্ণ বই লিখে একজন আইনজ্ঞ হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্য লক্ষ করে কর্নেলিয়াস "পাকিস্তান আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী হয়ে ওঠেন। একই সাথে "জাতীয়তাবাদী” চেতনার জাগরণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

১৯৪৬ সালে কর্নেলিয়াস লাহোর হাইকোর্টের সহযোগী বিচারপতি নিযুক্ত হন এবং পাকিস্তানের নাগরিকত্বের সুযোগ নেন। তিনি ক্রমে দেশের আইনের জগতে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব পরিণত হন। প্রথমদিকে তিনি আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসাবে আইনমন্ত্রী যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল ও প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের সাথে কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য মামলাগুলো: অমুসলিম জনগোষ্ঠির অধিকার (ধর্মের স্বাধীনতা), বগুড়া কেস- রাষ্ট্রপতির সংরক্ষিত ক্ষমতার বিরুদ্ধে ( পাকিস্তানের তৎকালীন সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর ৫৮(২)বি অনুচ্ছেদ দ্রষ্টব্য), কর্মস্থল ও শ্রম আইন সংক্রান্ত, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের স্পোর্টস ল' সংক্রান্ত। বিচারক হিসাবে শ্রদ্ধাভাজন কর্নেলিয়াস ধর্মীয় উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ছিলেন। একটি মামলায় তিনি পর্যবেক্ষণ প্রদান করেন :"A general feeling of [great] despair, a widespread of [self]

confidence... and common readiness in the anticipate the worst".

১৯৬০ সালে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান বিচারপতি কর্নেলিয়াসকে পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি মনোনীত করেন। পাকিস্তানের প্রথম খ্রিষ্টান প্রধান বিচারপতি হিসাবে তিনি ছিলেন খ্যাতিমান প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। অবসর গ্রহণের পরেও কর্নেলিয়াস সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার সংরক্ষণের, ধর্মপালনের স্বাধীনতার প্রতীক ছিলেন। তিনি ধারাবাহিকভাবে পাকিস্তানের কয়েকটি সরকারের আইন উপদেষ্টা হিসাবেও কাজ করেছেন। পাকিস্তানের আইনজ্ঞগণ তার মতামতগুলো সম্পর্কে মন্তব্য করেন যে, the greatest defences of "freedom of religion" written by a Christian Chief Justice of a Muslim state.

কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ

উইকিপিডিয়ায় কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ ব্যবহারের উপর তথ্যের জন্য, দেখুন সাহায্য:কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ।কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ হল গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি বিষয়ের জন্যে একটি একক-স্বতন্ত্র নামের বানান (শিরোনাম) বা সাংখ্যিক শনাক্তকরণ ব্যবহার করার মাধ্যমে গ্রন্থাগার তালিকা এবং গ্রন্থপঞ্জির তথ্য সাজানো হয়ে থাকে। কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ শব্দের ধারণা এসেছে মূলত মানুষ, স্থান, বস্তু এবং ধারণার স্বতন্ত্র নাম অনুমোদকরণের ধারণা থেকে, অর্থাত্, প্রতিটি বিষয় একটি নির্দিষ্ট ফর্মের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হযেছে। এই কোনো নির্দিষ্ট ধরনের মধ্যে একটি শিরোনাম বা সনাক্তকারী সম্পূর্ণ ক্যাটালগ জুড়ে ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করা হয় যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথিতে ব্যবহৃত হয় এবং কোনো সংযোগ এবং ক্রস রেফারেন্সের মতো তথ্য সংগঠিত করার অন্যান্য পদ্ধতির জন্যে প্রয়োগ করা হয়। প্রতিটি নিয়ন্ত্রিত ভুক্তি তার সুযোগ ও ব্যবহারের শর্তানুযায়ী একটি কর্তৃপক্ষের রেকর্ডে বর্ণনা করা হয় এবং এই সংগঠনটি গ্রন্থাগার কর্মীদের ক্যাটালগ বজায় রাখতে এবং গবেষকদের জন্যে ব্যবহারকারী-বান্ধব হতে সহায়তা করে।

কাজাখ জাতি

কাজাখ জাতি( ইংরেজি Kazaks, Qazaqs; কাজাখ: Қазақ, قازاق qɑzɑ́q , Қазақтар, قازاقتار qɑzɑqtɑ́r ) একটি তুর্কী জাতি যারা প্রধানত কাজাখস্তান -এর অধিবাসী। তবে উজবেকিস্তান, চীন, রাশিয়া এবং মঙ্গোলিয়া তেও তাদের পাওয়া যায়।

কাজাখরা তুর্কী ও মোঙ্গলদের (আরজিন, দুগলাত, নাইমান, Jalairs, খাজার, কারলুক; কিপচাক, কুমান) বংশধর।, সেইসাথে হুন এবং ইরানী গোত্র সামারিটান, সাকা এবং পূর্ব ইউরোপের শক যারা ৫ম থেকে 13 শতকে এ এলাকা দখলে রেখেছিল তাদেরও বংশধর। 1932-33 সালের সোভিয়েত দুর্ভিক্ষের সময়ে যেসব জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাদের মধ্যে কাজাখরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় 37% জনসংখ্যা মারা যায়।

কান্‌সাই অঞ্চল

কান্‌সাই অঞ্চল (関西地方, কান্‌সাই-চিহোও) অথবা কিংকি অঞ্চল (近畿地方, কিংকি-চিহোও) বলতে জাপানের বৃহত্তম দ্বীপ হোনশুর দক্ষিণ-মধ্য অঞ্চলটিকে বোঝায়। এই অঞ্চলের অন্তর্গত প্রশাসনিক অঞ্চলগুলি হল মিয়ে, নারা, ওয়াকায়ামা, কিয়োতো, ওসাকা, হিয়োগো এবং শিগা। কোনও কোনও মত অনুযায়ী ফুকুই, তোকুশিমা ও তোত্তোরি প্রশাসনিক অঞ্চলগুলিকেও এর অন্তর্গত ধরা হয়। ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে কান্‌সাই ও কিংকি কথা দুটির ব্যবহারের হ্রাসবৃদ্ধি ঘটলেও বর্তমানে দুটি শব্দই বহুল প্রচলিত। ওসাকা, কোওবে ও কিয়োতোর মিলিত নগরাঞ্চল বৃহত্তর তোকিও অঞ্চলের পরেই জাপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম।

কেন ব্যাঙ

কেন ব্যাঙ (Rhinella marina) যা দানবীয় নিওট্রপিকালটোড বা মেরিন ব্যাঙ নামে পরিচিত। এটি একটি বৃহৎ ,স্থলচর কুনোব্যাঙ যা দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার মুল ভূখণ্ডে পাওয়া যায়। তবে ওশেনিয়া,ক্যারিবীয় দ্বীপ এমনকি উত্তর অস্ট্রেলিয়াতেও এটির খোজ পাওয়া গেছে। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম কুনোব্যাঙ। এটি Rhinella গণের একটি সদস্য কিন্তু পূর্বে এটি Bufo গণের অধীনে বিন্যস্ত ছিল যেখানে মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার অনেকগুলো প্রকৃত কুনোব্যাঙ প্রজাতি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

কেন ব্যাঙ একটি উর্বর ব্রিডার। স্ত্রী ব্যাঙ হাজার হাজার ডিমযুক্ত একটি ক্লাম্প প্রসব করে। এর প্রজনন সাফল্য অনেকটা আংশিক যার কারণ হিসেবে বলা যায় এর সুযোগসন্ধানী খাদ্যাভ্যাস। এর এমন এক খাদ্যাভ্যাস রয়েছে যা কিনা অন্যান্য কুনোব্যাঙ প্রজাতির মধ্যে সচরাচর লক্ষ্য করা যায়না। এটি জীব ও জড়বস্তু সবকিছুই খেয়ে ফেলতে পারে। প্রাপ্তবয়স্ক ব্যাঙের গড় দৈর্ঘ্য ১০-১৫ সেন্টিমিটার (৩.৯-৫.৯ইঞ্চি)। বৃহত্তম রেকর্ড থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী একটি নমুনার নাসারন্ধ্র থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ছিল ২৪ সেন্টিমিটার (৯.৪ ইঞ্চি)।

কেন ব্যাঙ একটি প্রাচীন প্রজাতি।সাবেক কলম্বিয়ার মায়োসিনের লা ভেন্টা ফউনা হতে প্রাপ্ত একটি কুনোব্যাঙের জীবাশ্মের সাথে দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশে প্রাপ্ত আধুনিক কেন ব্যাঙের কোন পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায়না। এটি একটি প্লাবনভূমির তলানিতে আবিষ্কৃত হয়েছিল যা নির্দেশ করে যে দীর্ঘসময় ধরে খোলা স্থানসমূহ R.marina এর পছন্দসই আবাসস্থল ছিল।কেনব্যাঙের বিষগ্রন্থি রয়েছে এবং ব্যাঙ্গাচিগুলো অধিকাংশ প্রাণীদের জন্য অত্যন্ত বিষাক্ত যদি তা পাকস্থলীতে যায়। এর বিষাক্ত ত্বক বন্য ও গৃহপালিত সহ অনেক প্রাণী মারতে সক্ষম বিশেষকরে কুকুরের জন্য এটি বেশ বিপদজনক। এর মাত্রাতিরিক্ত খিদের জন্য একসময় এটিকে প্রশান্ত ও ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের অনেক অঞ্চলের কৃষিজমিতে কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হত। বেতের কীট (Dermolepida albohirtum) দমনে ব্যবহৃত হত বলে এ বিশেষ প্রজাতির নাম রাখা হয় কেন ব্যাঙ। তবে বর্তমানে এসব এলাকার অনেক অঞ্চলেই এখন কেন ব্যাঙকে আপদ ও আক্রমণাত্মক প্রজাতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

১৯৮৮ সালে "কেন টোডসঃ অ্যান আন ন্যাচারাল হিস্ট্রি" ফিল্মে অস্ট্রেলিয়ায় কেন ব্যাঙকে জমিতে ব্যবহার করায় অস্ট্রেলীয়াবাসীদের যে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় তা তুলে ধরা হয় । ফিল্মটি আজও অস্ট্রেলিয়ার সেরা দশ বেস্ট সেলারের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গ্রীক অন্ধকার যুগ

গ্রীক অন্ধকার যুগ, হোমেরিক যুগ (মহাকবি হোমারের নামে নামকরণ করা হয়েছে) বা জ্যামিতিক যুগ (এসময়ের জ্যামিতিক শিল্পকলার বৈশিষ্ট অনুযায়ী নামকরণ করা হয়েছে) নামেও পরিচিত, গ্রীসের ইতিহাসের একটি যুগ, যা মিসিনিয়ান সভ্যতার শেষ দিকে খ্রিস্টপূর্ব ১১০০ অব্দ থেকে শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৯ম শতাব্দীতে প্রাচীন গ্রীসের প্রথম নিদর্শন পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।

প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহ থেকে এই যুগের পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে ব্রোঞ্জ যুগের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়, কারণ মিসিনিয়ান সময়ের বড় প্রাসাদ ও শহর ধ্বংস হয়েছিল বা পরিত্যাগ করা হয়েছিল। এই সময়কালীন হাইত্তিত সভ্যতা মারাত্মক রকমের অসংহতি দেখা যায় এবং ট্রয় থেকে গাজা শহর পর্যন্ত ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। এই ধ্বংসের পরে ছোটখাট বসতিতে খরা দেখা দেয় এবং জনসংখ্যা কমতে শুরু করে। গ্রীসে মিসিনিয়ান আমলাদের ব্যবহৃত গ্রীক ভাষার লিনিয়ার বি রচনাবলী বাজেয়াপ্ত করা হয়। খ্রিস্টপূর্ব ১১০০ অব্দের পরে প্রাচীন গ্রীক তৈজসপত্রের অলঙ্করনে মিসিনিয়ান অলঙ্করণ কমতে থাকে এবং খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ থেকে ৭০০ অব্দে জ্যামিতিক পদ্ধতির অলঙ্করণ দেখা যায়।

অল্পবিস্তর সাংস্কৃতিক উন্নতির কারণে পূর্বে ধারণা করা হত এই সময়ে প্রধান ভূমি হেলেনেসের এবং বিদেশীদের মধ্যকার সকল যোগাযোগ বিচ্যুত হয়েছে। কিন্তু ইউবোয়ার লেলান্টাইন সমভূমির লেফকান্দি থেকে প্রাপ্ত হস্তনির্মিত দ্রব্যাদি থেকে জানা যায় পূর্বাঞ্চলের সাথে তাদের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ ছিল, বিশেষ করে খ্রিস্টপূর্ব ৯০০ অব্দ থেকে লেভান্ত উপকূলের সাথে। এছাড়া উপ-মিসিনিয়ান সাইপ্রাস-এ ও সিরীয় উপকূলে আল মিনায় হেলেনেসের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

দক্ষিণ ভারত

দক্ষিণ ভারত ভারতের তামিল নাড়ু, তেলঙ্গানা, অন্ধ্র প্রদেশ, কর্ণাটক ও কেরল অঙ্গরাজ্য এবং লাক্ষাদ্বীপ ও পণ্ডিচেরি প্রশাসনিক এলাকাগুলি নিয়ে গঠিত অঞ্চলের সাধারণ নাম। দক্ষিণ ভারত ভৌগলিকভাবে উপদ্বীপীয় দাক্ষিণাত্যের মালভূমি অঞ্চলে অবস্থিত। এর পশ্চিমে আরব সাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর এবং পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর।

অঞ্চলটির ভূগোল বৈচিত্র্যময়। এখানে দুইটি পর্বতমালা পূর্ব ঘাট ও পশ্চিম ঘাট এবং এদের মধ্যবর্তী এলাকায় একটি মালভূমি অবস্থিত। তুঙ্গভদ্র নদী ও কাবেরী নদী এখানকার পানির প্রধানতম দুই উৎস। দক্ষিণ ভারতের অধিবাসীদেরকে "দক্ষিণ ভারতীয়" বলা হয়। এদের অধিকাংশই তামিল, তেলুগু, কন্নড় এবং মালয়ালম—এই চারটি দ্রাবিড় ভাষার একটিতে কথা বলেন। ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজা অঞ্চলটি শাসন করেছেন; এদের কারও কারও রাজ্য ও প্রভাব দক্ষিণ ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে সমগ্র দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে ছড়িয়ে পড়েছিল। আধুনিক জাতিরাষ্ট্র শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড এবং মালয়েশিয়া-তেও দক্ষিণ ভারতের প্রভাব দেখতে পাওয়া যায়। ব্রিটিশরা ধীরে ধীরে অঞ্চলটি ঔপনিবেশিক শাসনের আওতায় আনে।

ভারতের স্বাধীনতা লাভের অব্যবহিত পরের দশকগুলির অস্থিতিশীলতা কাটিয়ে বিগত তিন দশক ধরে দক্ষিণ ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলি জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। আর্থ-সামাজিক কিছু কিছু ক্ষেত্রে উন্নতি লাভ করলেও ভারতের বাকী অংশের মত এখানেও অর্থনৈতিক অসমতা, নিরক্ষরতা এবং দারিদ্র্য বড় সমস্যা। কৃষিকাজ এখানকার প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হলেও সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তি খাত ব্যাপক উন্নতি লাভ করেছে। এখানকার শিক্ষা ব্যবস্থা এবং স্থাপত্য প্রায় দুই হাজার বছরের বিবর্তনের ফসল এবং এগুলি ভারতের অন্যান্য অঞ্চল অপেক্ষা ভিন্ন। এখানকার রাজনীতিতে জাতীয় দলগুলির চাইতে প্রাদেশিক ছোট দলগুলির প্রাধান্য বেশি।

প্রজনন হার এবং অবকাঠামোগত সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিবেচনা করলে দক্ষিণ ভারত ভারতের শীর্ষস্থানীয় অঞ্চল; এখানকার প্রজনন হার ১.৯, যা ভারতের সব অঞ্চলের মধ্যে সর্বনিম্ন।

বয় পিলিং ফ্রুট

বয় পিলিং ফ্রুট একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম, যা ইতালি'র জনপ্রিয় চিত্রকর কারাভাজ্জিও'র অঙ্কিত। এটি কারাভাজ্জিও'র আঁকা প্রথম দিকের ছবি; ধারণা করা হয়, কারাভাজ্জিও মিলান থেকে রোমে আসার পরপরই, অর্থ্যাৎ ১৫৯২ সালের মাঝামাঝি সময়ে, এটি অঙ্কন করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল ১৯৭১ সালে সংঘটিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়লে একটি জনযুদ্ধের আদলে গেরিলাযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে। ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ঢাকায় অজস্র সাধারণ নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশ ও ই.পি.আর.-কে হত্যা করে এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাপ্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগ প্রধান বাঙালিদের তৎকালীন জনপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। পার্বত্য চট্টগ্ৰামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ৮ম পূৰ্ব বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-প্ৰধান মেজর জিয়াউর রহমান ও চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের নেতা এম. এ. হান্নান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালি জাতির স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশপরিকল্পিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয়ে যায় প্রতিরোধযুদ্ধ; জীবন বাঁচাতে কয়েক হাজার আওয়ামী লীগের নেতারা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, সামরিক বাহিনীর বাঙালি সদস্য এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষ দেশকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর কব্জা থেকে স্বাধীন করতে কয়েক মাসের মধ্যে গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনী। গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে গেরিলা বাহিনী সারাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে নুন্যতম অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্য লাভ করে। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে যখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে, তখন তারা গেরিলা বাহিনীর কাছে পরাজয়ের লজ্জা এড়াবার জন্য এবং স্বাধীনতা যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক সংঘর্ষে পরিণত করার উদ্দেশ্যে ৩ ডিসেম্বর ভারতে বিমান হামলার মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়।

অত:পর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরিভাবে জড়িয়ে পড়ে। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণের মুখে ইতোমধ্যে পর্যদুস্ত ও হতোদ্যম পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী যুদ্ধ বিরতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান ৯৩,০০০ হাজার সৈন্যসহ আক্শ্মীকভাবে যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে আত্মসমর্পণের

দলীল সই করে। এসময় পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষ থেকে দলীলে সই করেন আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি। এরই মাধ্যমে নয় মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান হয়। ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশ আর প্ৰায় তিনি মাসেরও অধিক সময় রয়ে যায়। অবশেষে অনেক কূটনৈতিক চাপের মুখে ভারত বাংলাদেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

শিব

শিব (; Sanskrit: शिवः, Śiva, শিব হলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্বোচ্চ দেবতা। সনাতন ধর্মের শাস্ত্রসমূহে তিনি পরমসত্ত্বা রূপে ঘোষিত। শিব সৃষ্টি-স্থিতি-লয়রূপ তিন কারনের কারন, পরমেশ্বর- এটা তার প্রণাম মন্ত্রেই বার বার উঠে এসেছে। তিনি জন্মরহিত, শাশ্বত, সর্বকারণের কারণ; তিনি স্ব-স্বরূপে বর্তমান, সমস্ত জ্যোতির জ্যোতি; তিনি তুরীয়, অন্ধকারের অতীত, আদি ও অন্তবিহীন।

অজং শাশ্বতং কারনং কারনানাং

শিবং কেবলং ভাসকং ভাসকানাম্।

তুরীয়ং তমঃপারমাদ্যন্তহীনং

প্রপদ্যে পরং পাবনং দ্বৈতহীনম্।।

-(শ্রীমদ্ শঙ্করাচার্য, বেদসার শিবস্তোত্রম্)।

এছাড়াও বেদান্ত অনুসারে তিনিই র মহা ঈশ্বর । শ্বেতাশ্বতর উপনিষদে বলা হয়েছে -

"যদাহতমস্তন্ন দিবা ন রাত্রির্নসন্ন চাসচ্ছিব এব কেবলঃ।"

অর্থাৎ যখন আলো ছিল না, অন্ধকারও ছিল না; দিন ছিল না, রাত্রিও ছিল না; সৎ ছিল না, অসৎ ও ছিল না- তখন কেবলমাত্র ভগবান শিবই ছিলেন। উল্লেখ্য বেদান্ত বৈদিক সনাতন ধর্মের ভিত্তি তথা বেদের শিরোভাগ; সম্পূর্ণ বেদান্তে শিব ব্যতীত কারো সম্পর্কে এভাবে বলা হয়নি। শুধুমাত্র শিবের ক্ষেত্রেই বলা হয়েছে "শিব এব কেবলঃ"। সুতরাং সৃষ্টির পূর্বে একমাত্র শিবই বর্তমান ছিলেন। তিনিই লীলাচ্ছলে ব্রহ্মারূপে সৃষ্টি করেন, বিষ্ণুরূপ ধারণ করে পালন করেন আবার রুদ্ররূপ ধারন করে সংহার করেন। ব্রহ্মা-বিষ্ণু-হর তারই সৃষ্টি-স্থিতি-লয়ের তিনটি রূপভেদ মাত্র। তাই এই তিন রূপের মধ্যে সত্বার কোন পার্থক্য নেই। তবু সনাতন রূপ পরম শিবরূপই মূলস্বরূপ। তাই ভগবান শিব সৃষ্টির প্রাক্ষালে শ্রীবিষ্ণুকে বলেন-

"অহং ভবানয়ঞ্চৈব রুদ্রোহয়ং যো ভবিষ্যতি।

একং রূপং ন ভেদোহস্তি ভেদে চ বন্ধনং ভবেৎ।।

তথাপীহ মদীয়ং শিবরূপং সনাতনম্।

মূলভূতং সদা প্রোক্তং সত্যং জ্ঞানমনন্তকম্।।"(-জ্ঞানসংহিতা)।

অর্থাৎ আমি, তুমি, এই ব্রহ্মা এবং রুদ্র নামে যিনি উৎপন্ন হবেন, এই সকলই এক। এদের মধ্যে কোনো ভেদ নাই, ভেদ থাকলে বন্ধন হত। তথাপি আমার শিবরূপ সনাতন এবং সকলের মূল স্বরূপ বলে কথিত হয়, যা সত্য জ্ঞান ও অনন্ত স্বরূপ।

এজন্য ভগবান বিষ্ণু এবং তার বিভিন্ন অবতারগণ সর্বদা শিব উপাসনাই করতেন। তাই শ্রীকৃষ্ণেরও আরাধ্য ছিলেন পরমেশ্বর শিব। ভগবান শিবের বরেই বিষ্ণু বা কৃষ্ণের ভগবত্বা। তাই হিন্দুধর্মের মূল স্তম্ভ ত্রিশক্তির (ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব) মধ্যে শিবই প্রধান । তিনি সমসাময়িক হিন্দুধর্মের তিনটি সর্বাধিক প্রাচীন সম্প্রদায়ের অন্যতম শৈব সম্প্রদায়ের প্রধান দেবতা। এছাড়া শিব স্মার্ত সম্প্রদায়ে পূজিত ঈশ্বরের পাঁচটি প্রধান রূপের (গণেশ, শিব, সূর্য, বিষ্ণু ও দুর্গা) একটি রূপ। তার বিশেষ রুদ্ররূপ ধ্বংস, সংহার ও প্রলয়ের দেবতা।সর্বোচ্চ স্তরে শিবকে সর্বোৎকর্ষ, অপরিবর্তনশীল পরম ব্রহ্ম মনে করা হয়। শিবের অনেকগুলি সদাশয় ও ভয়ঙ্কর মূর্তিও আছে। সদাশয় রূপে তিনি একজন সর্বজ্ঞ যোগী। তিনি কৈলাস পর্বতে সন্ন্যাসীর জীবন যাপন করেন। আবার গৃহস্থ রূপে তিনি পার্বতীর স্বামী। তার দুই পুত্র বর্তমান। এঁরা হলেন গণেশ ও কার্তিক। ভয়ঙ্কর রূপে তাকে প্রায়শই দৈত্যবিনাশী বলে বর্ণনা করা হয়। শিবকে যোগ, ধ্যান ও শিল্পকলার দেবতাও মনে করা হয়। এছাড়াও তিনি চিকিৎসা বিদ্যা ও কৃষিবিদ্যারও আবিষ্কারক। শিবমূর্তির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল তার তৃতীয় নয়ন, গলায় বাসুকী নাগ, জটায় অর্ধচন্দ্র, জটার উপর থেকে প্রবাহিত গঙ্গা, অস্ত্র ত্রিশূল ও বাদ্য ডমরু। শিবকে সাধারণত ‘শিবলিঙ্গ’ নামক বিমূর্ত প্রতীকে পূজা করা হয়।

সমগ্র হিন্দু সমাজে শিবপূজা প্রচলিত আছে। ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা রাষ্ট্রে বাংলাদেশের ও পাকিস্তানের কিছু অংশে শিবপূজার ব্যাপক প্রচলন লক্ষিত হয়। সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্রসমূহে শিব পূজা কে সর্বশ্রেষ্ঠও সর্বাধিক ফলপ্রদ বলে বর্ণনা করা হয়ে।

শূন্যের সমমূল্যতা

শূন্য সংখ্যাটি জোড় সংখ্যা। কোন পূর্ণসংখ্যা জোড় হওয়া বলতে কী বোঝায়, তা ব্যাখ্যা করার বেশ কিছু উপায় আছে এবং শূন্য সংখ্যাটি এরকম সমস্ত সংজ্ঞাই সিদ্ধ করে: শুন্য ২ এর গুণিতক, ২ দিয়ে বিভাজ্য এবং নিজের সাথে একটি পূর্ণসংখ্যার যোগফলের সমান। এই সংজ্ঞাগুলি কেবল শূন্যের জন্যই ব্যতিক্রমীভাবে প্রযোজ্য নয়, বরং এগুলি জোড় সংখ্যার যোগফল ও গুণফলের সাধারণ নিয়ম দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়।

জোড় সংখ্যাগুলির মধ্যে শূন্য কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। শূন্য জোড় পূর্ণসংখ্যার পরিচয়সূচক উপাদান, এবং এটি পর্যায়ক্রমে আসা সকল উপাদানের ভিত্তি কেস। শূন্যের জোড় হবার প্রবণতার সরাসরি প্রয়োগের প্রমাণ আছে এবং এর কাঠামো জোড় সংখ্যার অনুরুপ। সাধারণভাবে, ০ সকল পূর্ণ সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, যার মধ্যে দুই এর সকল ঘাত আছে। ফলে, শূন্য সকল সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি জোড়।

শুন্য ধনাত্মক না ঋণাত্মক তা নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলেও একে "অঋণাত্মক (non negative)" ধরা হয়।

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.