অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আদেশ (ইংরেজি: Order of the British Empire) হচ্ছে এক ধরনের সম্মানসূচক ব্রিটিশ পদবীরাজা পঞ্চম জর্জ কর্তৃক ৪ জুন, ১৯১৭ সালে এটি তুলনামূলকভাবে নতুনতর পদবীরূপে সৃষ্টি করা হয়।[১][২] এ পদবীটি সাধারণ জনগণ এবং সামরিক বাহিনীতে কর্মরতদের যথাযথভাবে মর্যাদাদানের লক্ষ্যে তৈরী করা হয়েছে। পাঁচটি শ্রেণীতে বিভক্ত ওবিই পদবীতে বড় থেকে ছোট অণুক্রমে প্রদান করা হয়। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পদবীটিকে দ্য মোস্ট এক্সিলেন্ট অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার নামে অভিহিত করা হয়।

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আদেশ
Ster Orde van het Britse Rijk
গ্র্যান্ড ক্রস তারকাচিহ্নিত অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার
প্রদানকারী শাসনকর্তা
ধরণ সম্মানসূচক পদবী
প্রতিপাদ্য বিষয় ঈশ্বর এবং সাম্রাজ্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে
যোগ্যতা ব্রিটিশ নাগরিক অথবা যুক্তরাজ্যের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রভাববিস্তারকারী
প্রদান করা হয় জাতীয় সম্মাননা
অবস্থা চলমান
শাসক রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ
গ্র্যান্ডমাস্টার প্রিন্স ফিলিপ, ডিউক অব এডিনবরা
Principal Commander শাসক
স্তর নাইট/ডেম গ্র্যান্ড ক্রস (জিবিই)
নাইট/ডেম কমান্ডার (কেবিই/ডিবিই)
কমান্ডার (সিবিই)
অফিসার (ওবিই)
মেম্বার (এমবিই)
প্রতিষ্ঠিত ১৯১৭
পদমর্যাদার স্তর
পরবর্তী সম্মাননা(উচ্চতর) রয়্যাল ভিক্টোরিয়ান অর্ডার
পূর্ববর্তী সম্মাননা (নিম্নতর) ভিন্নতর, র‌্যাঙ্কের উপর নির্ভরশীল
Order of the British Empire (Military) Ribbon

সামরিক ফিতা
Order of the British Empire (Civil) Ribbon

সাধারণ ফিতা

শ্রেণীবিন্যাস

ওবিই পদবীকে বড় থেকে ছোট অণুক্রমে সাজিয়ে পাঁচটি শ্রেণীতে বিভাজন ঘটানো হয়েছে -

  • নাইট গ্র্যান্ড ক্রস বা ডেম গ্র্যান্ড ক্রস (জিবিই)
  • নাইট কমান্ডার বা ডেম কমান্ডার (কেবিই বা ডিবিই)
  • কমান্ডার (সিবিই)
  • অফিসার (ওবিই)
  • মেম্বার (এমবিই)

তন্মধ্যে শীর্ষতম দুই র‌্যাঙ্কিংধারী স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাইট অথবা ডেমগণ তাদের নামের শীর্ষভাগে স্যার (পুরুষ) কিংবা ডেম (নারী) উপাধিরূপে ব্যবহার করতে পারেন। তবে, এ পদবীধারণ করা বাধ্যতামূলক নয়।

সম্মানসূচক পদবীর প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে - ঈশ্বর এবং সাম্রাজ্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে। ব্রিটিশ সম্মানসূচক পদবীটি ব্রিটেনের সম্মাননা পদ্ধতির সবচেয়ে নবীনতম; কিন্তু দশ লক্ষ জীবিত ব্যক্তি বিশ্বব্যাপী এ পদবী ধারণ করে আছেন যা সংখ্যার আকারে বৃহত্তম।[২]

ইতিহাস

মূলতঃ রাজা পঞ্চম জর্জ প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভের স্বীকৃতিস্বরূপ হাজার হাজার লোককে সম্মাননা জানাতে চেয়েছিলেন। তিনি এ সম্মাননার বাইরে সাধারণ সৈনিকদেরকে রেখেছিলেন। সেজন্যে তিনি ব্রিটিশ সম্মাননা পদ্ধতিতে রূপরেখা প্রণয়ন করেন -

  • কেবলমাত্র জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা এবং সাধারণ নাগরিকগণ অর্ডার অব দ্য বাথ উপাধি ধারণ করবেন।
  • অর্ডার অব সেন্ট মাইকেল এবং সেন্ট জর্জ কূটনীতিবিদদের সম্মানে প্রদান করা হবে।
  • ব্রিটিশ রাজ পরিবারের সাথে সম্পৃক্ত সেবাদানকারী ব্যক্তিগণ রয়েল ভিক্টোরিয়ান অর্ডার সম্মাননা পাবেন।

রাজা পঞ্চম জর্জ প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে অগণিত ব্যক্তিদের সম্মান জানানোর পদক্ষেপ নেন। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে ১৯১৮ সালে সম্মাননাটি কেবলমাত্র একটি বিষয়কে ঘিরেই প্রবর্তিত হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে এটি সামরিক এবং সাধারণ নাগরিক - এ দুটি অংশে বিভাজিত হয়ে যায়।[৩]

তথ্যসূত্র

  1. "নং. 30250"দ্যা লন্ডন গেজেট (২য় সম্পূরক) (ইংরেজি ভাষায়): 7791–7999। ১৯১৭-০৮-২৪। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৬-১৩Original Order of the British Empire Statutes dated 24 Aug 1917
  2. The Monarchy Today > Queen and public > Honours > Order of the British Empire royal.gov.uk: The Official Website of the British Monarchy, Accessed 24 August 2009
  3. "নং. 31084"দ্যা লন্ডন গেজেট (ইংরেজি ভাষায়): 15135। ২৭ ডিসেম্বর ১৯১৮।
অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ

অ্যান্ড্রু ফ্রেদি ফ্লিনটফ, এমবিই (ইংরেজি: Andrew Flintoff; জন্ম: ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৭) ল্যাঙ্কাশায়ারের প্রেস্টন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ইংল্যান্ডের পেশাদার সাবেক ও বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে টেস্ট খেলার পাশাপাশি ল্যাঙ্কাশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবে খেলেছেন। অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগে চেন্নাই সুপার কিংসের পক্ষেও খেলেছেন।

অ্যালাস্টেয়ার কুক

অ্যালাস্টেয়ার নাথান কুক, এমবিই (ইংরেজি: Alastair Nathan Cook; জন্ম: ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৮৪) ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের টেস্ট দলের বর্তমান অধিনায়ক। ক্রিকেট খেলায় তিনি বামহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নামেন। এসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষ নিয়ে কাউন্টি ক্রিকেট খেলেন। এছাড়াও তিনি এসেক্সের যুব দলে খেলেছেন এবং ২০০৩ সালে প্রথম একাদশে অংশ নিয়ে খেলায় অভিষিক্ত হন। ইংল্যান্ডের বিভিন্ন যুব দলের হয়ে ২০০০ সাল থেকে খেলেছেন। ২০০৬ সালে টেস্ট খেলায় অংশগ্রহণের জন্য ডাক পান অ্যালাস্টেয়ার কুক।

অ্যাশলে জাইলস

অ্যাশলে ফ্রেজার জাইলস, এমবিই (ইংরেজি: Ashley Giles; জন্ম: ১৯ মার্চ, ১৯৭৩) সারের চার্টসে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ও বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। ইংল্যান্ড দলের পক্ষ হয়ে ৫৪টি টেস্ট এবং ৬২টি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে ফাস্ট বোলার হিসেবে আবির্ভূত হলেও আঘাতজনিত কারণে শুরু থেকেই স্লো লেফট-আর্ম স্পিনার হিসেবে দলে খেলেছেন। আঘাতজনিত কারণেই জোরপূর্বক অবসর নিতে বাধ্য হন অ্যাশলে জাইলস।

কিথ মিলার

কিথ রস মিলার, এএম, এমবিই, (ইংরেজি: Keith Miller; জন্ম: ২৮ নভেম্বর, ১৯১৯ - মৃত্যু: ১১ অক্টোবর, ২০০৪) ভিক্টোরিয়া প্রদেশের সানশাইন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। তাঁকে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা অল-রাউন্ডারদের একজন হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। তিনি দর্শক পরিপূর্ণ অবস্থায় থাকতে পছন্দ করতেন। এছাড়াও তিনি রাজকীয় অস্ট্রেলীয় বিমানবাহিনীর পাইলটরূপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কর্মরত ছিলেন।

ডেইলি মেইলের ইংরেজ ক্রীড়া সাংবাদিক ইয়ান ওলড্রিজ মিলারকে ক্রিকেটের সোনার ছেলে নামে ডাকতেন যা তাঁর নাজেট ডাকনামের সাথে যুৎসই ছিল। তিনি ক্রিকেটারদের চেয়েও অধিক ছিলেন। ক্রিকেটের চেয়েও জীবন অধিক - এ চিন্তাধারাকে বাস্তবায়িত করতে সচেষ্ট ছিলেন।

ক্যাথরিন জিটা-জোন্স

ক্যাথরিন জিটা-জোন্স (ইংরেজি: Catherine Zeta Jones, জন্ম: ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯) একজন ওয়েলসীয় অভিনেত্রী। মঞ্চ অভিনেত্রী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে ব্রিটিশ ও মার্কিন টেলিভিশনে অভিনয়ের পর হলিউডে পা রাখেন। ১৯৯৮ সালের দ্য মাস্ক অব জোরো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বিখ্যাত হয়ে উঠেন এই অভিনেত্রী। পরবর্তীতে ২০০০ সালে ট্রাফিক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সহযোগী অভিনেত্রী হিসেবে গোল্ডেন গ্লোব এ্যাওয়ার্ড জিতে নেন। ২০০২ সালে শিকাগো চলচ্চিত্রের জন্য তিনি অস্কার লাভ করেন।

ক্লাইভ লয়েড

ক্লাইভ লয়েড ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিখ্যাত ক্রিকেট খেলোয়াড়। সত্তুর ও আশির দশকের ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের দলনেতা ছিলেন। ১৯৭৫ এবং ১৯৭৯ সালে তার নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পরপর দুবার বিশ্বকাপ জয় করে। বর্তমানে আইসিসি’র প্রতিনিধি হিসেবে আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোতে ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সফল স্পিন বোলার ল্যান্স গিবস সম্পর্কে তাঁর কাকাতো ভাই। তাঁর সাথেও একত্রে অনেকবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে খেলেছেন তিনি।

গ্রেইম হিক

গ্রেইম অ্যাশলে হিক, এমবিই (ইংরেজি: Graeme Hick; জন্ম: ২৩ মে, ১৯৬৬) রোডেশিয়ার সলেসবারিতে জন্মগ্রহণকারী জিম্বাবুয়ে বংশোদ্ভূত সাবেক ও বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে ৬৫ টেস্ট ও ১২০টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছেন। ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ওরচেস্টারশায়ার ক্লাবে পুরোটা সময় কাটান গ্রেইম হিক। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফব্রেক বোলিং করতেন ‘হিকি’ ডাকনামে পরিচিত গ্রেইম হিক।

জন মিলস (অভিনেতা)

স্যার জন মিলস, সিবিই (ইংরেজি: John Mills; জন্ম: লুইস আর্নেস্ট ওয়াটস মিলস, ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯০৮ - ২৩ এপ্রিল ২০০৫) ছিলেন একজন ইংরেজ অভিনেতা। তিনি সাত দশকের কর্মজীবনে তিনি ১২০টির অধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি রায়ান্‌স ডটার (১৯৭০) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার অর্জন করেন। তার অভিনীত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রসমূহ গ্রেট এক্সপেক্টেশন্স (১৯৪৬), হবসন্‌স চয়েস (১৯৫৪), টাইগার বে (১৯৫৯), দ্য রং বক্স (১৯৬৬), এবং গান্ধী (১৯৮২)।

মিলস ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার ম্যারি হেইলি বেলকে বিয়ে করেন। ১৯৬০ সালে তাকে সিবিই এবং ১৯৭৬ সালে নাইটহুডে ভূষিত করা হয়। ১৯৮০ সালে তার আত্মজীবনী আপ ইন দ্য ক্লাউডস, জেন্টলমেন প্লিজ প্রকাশিত হয়।

জিওফ হাওয়ার্থ

জিওফ্রে জিওফ ফিলিপ হাওয়ার্থ, (ইংরেজি: Geoff Howarth; জন্ম: ২৯ মার্চ, ১৯৫১) অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী নিউজিল্যান্ডের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে তিনি মূলতঃ বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসে একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে আগস্ট, ২০১৭ সাল পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেট ও একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যানে ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছেন।

১৯৯০-এর দশকের শুরুতে নিউজিল্যান্ড দলের কোচের দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়াও ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যর্থ সফরেও কোচের দায়িত্ব পান জিওফ হাওয়ার্থ।

জেরেমি কোনি

জেরেমি ভার্নন কোনি, (ইংরেজি: Jeremy Coney; জন্ম: ২১ জুন, ১৯৫২) ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণকারী সাবেক ও বিখ্যাত নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। জেরেমি কোনি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিকে খেলাসহ অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। গড়ের দিক দিয়ে তাঁকে নিউজিল্যান্ডের সর্বাপেক্ষা সফলতম ব্যাটসম্যানদের একজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

ডানকান ফ্লেচার

ডানকান অ্যান্ড্রু গোয়েন ফ্লেচার, ওবিই (ইংরেজি: Duncan Fletcher; জন্ম: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮) সলিসবারিতে জন্মগ্রহণকারী জিম্বাবুয়ের সাবেক ও প্রথিতযশা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও কোচ। এছাড়াও, তিনি ভারতীয় জাতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৭-২০০৭ মেয়াদকালে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের কোচ ছিলেন ডানকান ফ্লেচার। টেস্ট ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের দুরবস্থাকে দূরে ঠেলে পুণরুজ্জীবন ঘটাতে সমর্থ হয়েছেন তিনি।

ডেভিড গাওয়ার

ডেভিড আইভন গাওয়ার, ওবিই (ইংরেজি: David Gower; জন্ম: ১ এপ্রিল, ১৯৫৭) কেন্টের টানব্রিজ ওয়েলস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ও বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। পরবর্তীকালে তিনি স্কাই স্পোর্টসের ধারাভাষ্যকার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ১৯৮০-এর দশকে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আধুনিককালের অন্যতম সেরা বামহাতি ব্যাটসম্যানরূপে পরিগণিত হয়ে আছেন। নিজ দলের পক্ষে একসময় সর্বাধিক টেস্ট ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণসহ তিনি সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ছিলেন। ১১৭টি টেস্টে অংশগ্রহণ করে ৮,২৩১ রান করেন তিনি। এছাড়াও, ইংল্যান্ডের পক্ষ হয়ে সবচেয়ে বেশী ১১৪টি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছিলেন ‘লুবো’ ডাকনামে পরিচিত ডেভিড গাওয়ার।

ডেভিড লিন

স্যার ডেভিড লিন কেবিই (২৫শে মার্চ, ১৯০৮ - ১৬ই এপ্রিল, ১৯৯১) বিখ্যাত ইংরেজ চলচ্চিত্র পরিচালক এবং প্রযোজক। লরেন্স অফ অ্যারাবিয়া, দ্য ব্রিজ অন দ্য রিভার কাওয়াই, ডক্টর ঝিভাগো এবং আ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া'র মত সুখ্যাত মহাকাব্যিক চলচ্চিত্রসমূহ পরিচালনার জন্য তিনি সর্বাধিক স্মরণীয়। স্টিভেন স্পিলবার্গ, মার্টিন স্কোরসেজি, স্ট্যানলি কুবরিক এবং জর্জ লুকাসের মত পরিচালকেরা তার প্রশংসা করেছেন। ২০০২ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র পরিচালক নির্বাচনের জন্য ভোটাভুটির আয়োজন করে। এই ভোটে ডেভিড লিন ৯ম স্থান অধিকার করেন।

ডেভিড শেফার্ড (আম্পায়ার)

ডেভিড রবার্ট শেফার্ড, এমবিই (ইংরেজি: David Shepherd; জন্ম: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪০ - মৃত্যু: ২৭ অক্টোবর, ২০০৯) ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা আম্পায়ার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ইংল্যান্ডের ডেভোন কাউন্টির বাইডফোর্ড শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ৯২ টেস্ট ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনটি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনালেও আম্পায়ার হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন।

পিটার সেলার্স

পিটার সেলার্স (ইংরেজি; Peter Sellers; ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯২৫ - ২৪ জুলাই, ১৯৮০) একজন ব্রিটিশ কৌতুক অভিনেতা। তিনটি চরিত্রে অভিনয় করার জন্য তিনি সবচেয়ে বিখ্যাত ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভ, দ্য পিংক প্যানথার-এ ইনস্পেক্টর ক্লোসিউ এবং লোলিটা'তে ক্লেয়ার কুইল্টি।

বার্ট সাটক্লিফ

বার্ট সাটক্লিফ, (ইংরেজি: Bert Sutcliffe; জন্ম: ১৭ নভেম্বর, ১৯২৩ - মৃত্যু: ২০ এপ্রিল, ২০০১) অকল্যান্ডের পনসনবি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত নিউজিল্যান্ডীয় টেস্ট ক্রিকেট তারকা ছিলেন। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে সফলতম খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন বার্ট সাটক্লিফ। এছাড়াও তিনি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য অধিনায়কত্ব করেন।

মার্গারেট রাদারফোর্ড

ডেম মার্গারেট টেলর রাদারফোর্ড, ডিবিই (ইংরেজি: Margaret Rutherford; ১১ই মে ১৮৯২ - ২২শে মে ১৯৭২) ছিলেন একজন ইংরেজ অভিনেত্রী। তিনি আগাথা ক্রিস্টি রচিত মিস মার্পল চরিত্রের চরিত্রায়নের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তিনি নোয়েল কাওয়ার্ডের ব্লিথ স্পিরিট এবং অস্কার ওয়াইল্ডের দি ইম্পর্টেন্স অব বিয়িং আর্নেস্ট চলচ্চিত্রায়নে অভিনয় করে প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি দ্য ভি.আই.পি.স চলচ্চিত্রে ব্রাইটনের ডাচেস ভূমিকায় অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রীর জন্য একাডেমি পুরস্কার ও গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৬১ সালে তিনি অফিসার অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (ওবিই) এবং ১৯৬৭ সালে ডেম কমান্ডার (ডিবিই) উপাধিতে ভূষিত হন।

রিচার্ড অ্যাটনবারা

রিচার্ড স্যামুয়েল অ্যাটনবারা, ব্যারন অ্যাটনবারা সিবিই (জন্ম: ২৯শে আগস্ট, ১৯২৩ - ২৪ আগস্ট, ২০১৪) একজন ইংরেজ চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক এবং উদ্যোক্তা। তিনি গান্ধী চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক বিভাগে দুটি একাডেমি পুরস্কার জিতেছেন, এবং বাফটা এবং গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার লাভ করেছেন। তিনি প্রকৃতিবাদী চলচ্চিত্র নির্মাতা ডেভিড অ্যাটনবারার ভাই।

হেলেনা বোনাম কার্টার

হেলেনা বোনাম কার্টার সিবিই (ইংরেজি: Helena Bonham Carter, জন্ম: ২৬শে মে ১৯৬৬) হলেন একজন ইংরেজ অভিনেত্রী। তিনি স্বল্প-ব্যয়ের আর্টহাউজ ও স্বাধীন চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে বিশাল-ব্যয়ের হলিউড চলচ্চিত্রে কাজের জন্য পরিচিত। তিনি দুইবার একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন, প্রথমবার দ্য উইংস অব ডাভ (১৯৯৭) চলচ্চিত্রে কেট ক্রয় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে এবং দ্বিতীয়বার দ্য কিংস স্পিচ (২০১০) চলচ্চিত্রে রাজমাতা এলিজাবেথ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে। দ্বিতীয় ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ২০১০ সালে এনিড টেলিভিশন চলচ্চিত্রে ব্রিটিশ লেখিকা এনিড ব্লাইটন চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার লাভ করেন।

তার চলচ্চিত্র জীবন শুরু হয় লেডি জেন (১৯৮৬) চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। যদিও তার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র আ রুম উইথ আ ভিউ (১৯৮৫), যা লেডি জেন চলচ্চিত্রের পরে চিত্রায়ন শুরু হলেও তার দুই মাস পূর্বে মুক্তি পায়। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র ভূমিকা হল হ্যামলেট (১৯৯০)-এ অফেলিয়া, অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড (২০১০)-এ রেড কুইন, গ্রেট এক্সপেক্টেশন্স (২০১২)-এ মিস হ্যাভিশ্যাম, সঙ্গীতধর্মী লে মিজেরাবল (২০১২)-এ মাদাম থেনার্দিয়ে।

নাট্যকলায় অবদানের জন্য ২০১২ সালে নববর্ষ সম্মাননায় তাঁকে কমান্ডার অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (সিবিই) সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। ২০১৪ সালে জানুয়ারি মাসে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বোনাম কার্টারকে ব্রিটেনের জাতীয় হলোকস্ট কমিশনে নিয়োগ দেন।

অন্যান্য ভাষাসমূহ

This page is based on a Wikipedia article written by authors (here).
Text is available under the CC BY-SA 3.0 license; additional terms may apply.
Images, videos and audio are available under their respective licenses.